womenbeautybd.com
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from womenbeautybd.com, Beauty, cosmetic & personal care, Sadi Place, West Shewrapara, Dhaka, Mirpur.
27/10/2022
27/10/2022
ছোট ভেবির(২---৮ বছর) আরাম দায়ক পোশাক
সুতি ও লেলীন কাপড় চেনার উপায় ঃ
গরমে আরাম পাওয়ার জন্য সুতি ও লিনেন কাপড়ের তুলনা হয়না। অধিকাংশক্ষেত্রেই সুতি বলে নানা মিশ্র উপাদানের কাপড় বিক্রি করা হয়। বর্তমানে লিনেন কাপড়ের সঙ্গেও অন্যান্য উপাদান মিশিয়ে কাপড় তৈরি করা হচ্ছে।
তাই এই ধরনের সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কাপড়ের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সাধারণ কিছু ধারণা থাকা দরকার।
বাংলাদেশ গার্হস্থ্যঅর্থনীতি কলেজের বস্ত্রপরিচ্ছদ ও বয়নশিল্প বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহ্মিনা রহমান বলেন, "কেবলমাত্র হাত দিয়ে স্পর্শ করেই সুতি ও লিনেন কাপড় চেনা যায়। তবে এখন কাপড়ের নানা সংস্করণ থাকায় খাঁটি সুতি ও লিনেন চিনতে পারাটা একটু অসুবিধাজনক।”
তিনি বলেন, “খাঁটি সুতি কাপড় অনেক হালকা ও পাতলা হয়ে থাকে। স্বাভাবিকভাবেই এর উজ্জ্বলতা কম। সুতি কাপড়কে মোচড়ানো হলে তা কুঁচকে যায় আবার একটু টানটান করে ধরলে তা ঠিক হয়ে যায়। অন্যদিকে লিনেন কাপড় সুতির তুলনায় ভারী, এই কাপড় স্পর্শ করলে হাতে ঠাণ্ডা অনুভূত হয়। লিনেন কাপড় স্বাভাবিকভাবেই সুতির চেয়ে উজ্জ্বল হয়ে থাকে। খাঁটি লিনেন মুচড়ে নিলে তা অনেক বেশি কুঁচকে যায় এবং তা সোজা করা অনেকটাই কঠিন।”
হাত দিয়ে স্পর্শ ছাড়াও কিছু সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমে সুতি ও লিনেন কাপড় চেনা যায়।
সুতার পাক দেখে: একটি সুতা পাক খুলে দুই ভাগ করে তা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। সুতি হলে ছেঁড়া অংশের সামনের অংশ দেখতে তুলির মতো লাগবে আর লিনেন হলে তার সামনের অংশ সূচের মতো সরু হবে।
ভাঁজ করে রেখে: সুতি ও লিনেন কাপড় ভাঁজ করে রাখলে ভাঁজের দাগ পড়ে। তবে সুতি কাপড়ের তুলনায় লিনেন কাপড়ের দাগ বেশি স্পস্ট হয় ও অনেকক্ষণ স্থায়ী হয়।
উজ্জ্বলতা: স্বাভাবিকভাবেই লিনেন কাপড় উজ্জ্বল হয়ে থাকে। লিনেনের একটি সুতা ছিড়ে তার সামনের অংশে দেখা যাবে সূচালো ও উজ্জ্বল এবং সুতির সামনের অংশ তুলির মতো ও অনুজ্জ্বল।
পোড়ানো: সুতি ও লিনেন কাপড় খানিকটা পুড়িয়ে নিয়ে আগুনের শিখা ও ছাই দেখে যাচাই করা যায়। সুতি ও লিনেন কাপড় আগুনে বড় হলুদ শিখাসহ জ্বলবে ও তাড়াতাড়ি পুড়বে। এই দুই ধরনের কাপড় পোড়ানো হলে কাপড় পোড়া গন্ধ বের হবে এবং হালকা ছাই হবে। তবে মারসেরাইজড সুতি কাপড়ে কালো রংয়ের ছাই হয়।
কাপড় ভিজিয়ে: হাতের এক আঙ্গুল সামান্য ভিজিয়ে লিনেন কাপড়ের উপরে রাখলে তা দ্রুত পানি শোষণ করবে এবং তা কাপড়ে ছড়িয়ে যাবে। সুতি কাপড়ও পানি দ্রুত শোষণ করে এবং দ্রুত শুকিয়ে যায়।
রাসায়নিক দ্রবণ: কস্টিক সোডার দ্রবণে সুতি কাপড় ভেজানো হলে সুতি কাপড় সাদাই থাকে। তবে লিনেন কাপড় কিছুটা হলুদ হয়ে যায়।
আয়োডিন ও জিঙ্ক ক্লোরাইডের দ্রবণে লিনেন কাপড় নীল বর্ণের হয়ে যায়। সুতি কাপড় তুলনামুলক কম নীল বর্ণের হয়।
যোগাযোগ ঃ০১৯১১-০৪৭২৩১
04/09/2022
আসসালামু আলাইকুম ২ থেকে ৬ বছর ছোট বাবু সোনা মনির পোশাক
সুস্থ থাকতে প্রয়োজন সঠিক খাদ্যাভ্যাস। ভিটামিন (Vitamin) ও প্রোটিন (Protein) পরিপূর্ণ খাবার পূরণ করবে শরীরের সকল ঘাটতি। সেই কারণে শর্করা, প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ পরিপূর্ণ খাবার রোজকার খাদ্যতালিকায় রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। খাবার শরীরে পুষ্টি জোগানোর সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। তবে সব খাবারে (Foods) প্রয়োজনীয় উপাদান থাকে এমন নয়। এবার থেকে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই কয়টি খাবার। উপকারী উপাদানে পরিপূর্ণ এই সকল খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity Power) বৃদ্ধি করবে। সঙ্গে পূরণ করবে শরীরের সকল ঘাটতি।
১. নারকেল তেলকে (Coconut Oil) সুপার ফুডের দেবতা বলা হয়। এই তেল দিয়ে রান্না করতে শরীরে প্রয়োজনীয় উপাদান প্রবেশ করবে। ভিটামিন, খনিজ ও ফাইবারে পরিপূর্ণ এই তেল। ত্বক ও চুলের চর্চার জন্যও বেশ উপকারী নারকেল তেল।
২. রোজের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন পেঁপে (Papaya)। এতে উচ্চ প্যাপেই থাকে। সঙ্গে থাকে ভিটামিন এ, সি ও ই। ডায়াবেটিক, হৃদরোগের সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা খেতে পারেন পেঁপে। সঙ্গে অনিয়মিত ঋতুচক্রের সমস্যা সমাধান করবে এই পেঁপে। রোজ নির্দিষ্ট পরিমাণ পেঁপে খেতে পারেন।
৩. খাদ্যতালিকায় রাখুন ডিম (Egg)। ভিটামিন এ, শর্করা, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়ামে পরিপূর্ণ ডিম। রোজ সকালে একটি করে ডিম সেদ্ধ খেতে পারেন। এতে দূর্বলতা হ্রাস পাবে। সঙ্গে দূর হবে পেশীর ব্যথা। ওজন কমাতে সাহায্য করবে ডিম। সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে রোধ প্রতিরোধ ক্ষমতা।
৪. সারা বছরই বাজারে মজুত থাকে কলা (Banana)। এতে ক্যলসিয়াম, শর্করা, খনিজ লবন, ফসফরাস, ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকে। শরীর ও মন সতেজ রাখে কলা। রোজ একটি করে কলা খেতে পারেন। এই ফল শরীররে পুষ্টি জোগানোর সঙ্গে সঙ্গে ত্বক ও চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে। ত্বক ও চুলের যত্ন নিতে ব্যবহার করতে পারেন কলার তৈরি প্যাক।
৫. রোজ খেতে পারেন একটি করে আপেল (Apple)। ফলের বাজারে সব সময়ই মজুত থাকে আপেল। এতে ৮০ শতাংশ জল থাকে। ভিটামিন সি, কে ই, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম সহ একাধিক পুষ্টিগুণ আছে আপেলে। তাই নিয়মিত আপেল খেলে শরীরে সকল ঘাটতি পূরণ হবে। সঙ্গে সুস্থ থাকা সম্ভব আপেলের গুণে।
Are You Entrepreneur Or Wantrepreneur
Entrepreneur এই শব্দটিকে একটু ব্যঙ্গাত্মক সুরে wantrepreneur হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আগে উদ্যোক্তা নাম টা শুনলেই অনেকে খুব একটা দাম দিতো না আর এখন এটার ভ্যালু এড হয়েছে। পাশাপাশি অনেক সো কল্ড উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে যারা নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে দাবী করলেও সঠিক উদ্যোক্তা নন। আর তাদেরকে আমরা Wantrepreneur বলতে পারি।
এদের সমস্যা গুলো হলোঃ
মুড সুইংঃ দফায় দফায় যদি কোনো মানুষের কাজ করার ক্ষেত্রে মোটিভেশন পরিবর্তন হয় বা যখন তখন প্ল্যান পরিবর্তন হয় তাহলে সেই মানুষের নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য থাকে না। সে অর্থের পেছনে ছোটে। আত্মবিশ্বাস নেই ওই ব্যক্তির। তাহলে কখনোই সে উদ্যোক্তা হতে পারবে না, সে একজন wantrepreneur.
আলসেমিঃ একজন উদ্যোক্তা কে হতে হয় কঠোর পরিশ্রমী ও দৃঢ় প্রত্যয়ী। প্রতিটি সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ দেখে, শুনে, বুঝে নিতে হয়। সফল হবার একটা মানসিকতা কাজ করে, লোভের জন্য নয়। সুতরাং প্ল্যান অনুযায়ী পুরোদমে লেগে থাকেন যিনি তিনিই প্রকৃত উদ্যোক্তা। তানাহলে তিনি হবেন wantrepreneur.
ক্লোন প্ল্যানঃ আপনার ব্যবসা বা কোনো উদ্যোগের মধ্যে আপনার স্বকীয়তা থাকা অত্যাবশ্যক। হ্যাঁ, আপনি আইডিয়া নিয়ে মোটিভেটেড হতে পারেন, তবে পুরোপুরিভাবে অপরের পদ্ধতি কপি করতে পারেন না। এতে আপনার নিজস্বতা নষ্ট হয়। হয়তো কিছুদিন আপনি কনজিউমার এর কাছাকাছি থাকবেন কিন্তু প্রকৃতপক্ষে প্রথমজনের কাছেই মানুষ যাবে। সুতরাং উদ্যোক্তা হবার আগে আপনি কেন ব্যতিক্রম অন্য উদ্যোক্তাদের থেকে সেইটা খুঁজে বের করুন, তানাহলে আপনি wantrepreneur হিসেবে থেকে যাবেন।
পানি আমাদের শরীরের জন্য প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। শরীরকে হাইড্রেট রাখতে ও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধেও অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করে পানি। সকালে খালি পেটে পানি পান করলে তা বিপাকীয় হারকে প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারে। আর এটি করলে তা খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘমেয়াদে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
আর্দ্র গরমের ক্ষেত্রে নিয়মিত জল পানের পাশাপাশি ইলেকট্রোলাইট প্রয়োগের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। ইলেকট্রোলাইট কমে গেলে অনেকে ঝিমিয়ে পরেন। কোল্ড ড্রিংক্স সাময়িক তৃষ্ণা নিবারণ করতে পারে কিন্তু অতিরিক্ত কোল্ড ড্রিংকস খেলে জলশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন সুরু হতে পারে। প্রচুর পরিমাণে জল খাও।
26/06/2022
প্রথমেই মেহেদি কোনের সাহায্যে হাতের উপর আলতোভাবে আউটলাইনের মত রেখা টেনে নিতে হবে। কলমের সাহায্যে করলে রঙ হবে না, মেহেদি কোনের সাহায্যে ধীরে ধীরে করতে হবে। ২. পছন্দমত দুই-তিনটি আউটলাইন করা হয়ে গেলে আউটলাইনের উপরে মেহেদির মাঝারি আকৃতির ফোঁটা দিতে হবে।
22/06/2022
আমসত্ব হলো আম থেকে তৈরি একটি মিষ্টিজাতীয় খাবার যা বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীদের কাছে জনপ্রিয়। আমসত্ব আমের মৌসুমে পাঁকা আমের রসালো অংশ থেকে প্রস্তুত করা হয়। আমসত্বের উল্লেখ বাংলা সাহিত্যে বহুবার পাওয়া গিয়েছে।
উপকরণ
১) আম চটকে নেয়া ( মিষ্টি আমসত্ত্ব খেতে চাইলে পাকা আম আঁটি ফেলে চটকে নেবেন। আর টক মিষ্টি খেতে চাইলে কাঁচা ও পাকা আম মিলিয়ে নেবেন। সেক্ষেত্রে কাঁচা আম সিদ্ধ করে আঁটি ফেলে চটকে নিতে হবে)
২) চিনি (যতখানি আম তার সম পরিমাণ চিনি। এক কাপ আম হলে ১ কাপ চিনি। তবে নিজের স্বাদ অনুযায়ী দেয়া যাবে)
৩) সরিষার তেল প্রয়োজনমত
প্রস্তুত প্রণালি
পাকা আম চটকে নিতে হয় ভালো মত। তারপর ব্লেন্ডারে দিয়ে মিহি পেস্ট তৈরি করে ফেলতে হবে কোন জল যোগ ছাড়া। আমে আঁশ থাকলে চালনি দিয়ে চেলে নিতে হবে। এবার একটি ভারি তলার কড়াইতে এই আম ও চিনি দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। ঘন ঘন নাড়তে হবে। আম থকথকে জেলির মত হয়ে গেলে নামিয়ে নিতে হয়। এবার একটি বাঁশের কুলা বা ডালায় সরিষার তেল মাখিয়ে তার ওপরে এই জ্বাল দেয়া থকথকে আম হাত দিয়ে লেপে দিতে হয়। তারপর এই কুলা বা ডালাকে রেখে দিতে হয় উনানের নিচে বা রোদে দেওয়া হয়, তবে রোদের দেয়া সমস্যা থাকলে উনানের নিচে রেখে দিলেও চমৎকার আমসত্ত্ব হবে। চাইলে ওভেনেও বেক করা যেতে পাড়ে। ১৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় বেক করতে পারেন শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। একটি লেয়ার শুকিয়ে গেলে ওপরে আরও একটি লেয়ার দেয়া হয়। প্রত্যেকটি লেয়ার দেয়ার পরই ভালো করে শুকিয়ে নিতে হয়। শুকিয়ে গেলে তুলে এয়ার টাইট কৌটায় ভরে সংরক্ষণ করা হয়।
মানুষ কীভাবে সুস্থ থাকতে পারে এবং কোন উপায়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে, সেটি নিয়ে নানামুখী গবেষণা হয়েছে বিশ্বজুড়ে।
চিকিৎসক এবং পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী না হলে অল্প অসুস্থতাতেও মানুষ খুব সহজে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোগের আক্রমণও জোরালো হয়।
এক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবন-যাপনের পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করছেন চিকিৎসকরা।
মানুষ সচরাচর যে ধরণের খাবার খায়, সেগুলো হচ্ছে - শর্করা, প্রোটিন এবং ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় খাবার।
বিজ্ঞাপন
এ ধরণের খাবার শরীরের জন্য অবশ্যই প্রয়োজন। মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নির্ভর করে ভিটামিন এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট-এর উপর।
দুগ্ধজাত খাবার
দুগ্ধজাত খাবারগুলো বিজ্ঞানের ভাষায় প্রোবায়েটিকস হিসেবে পরিচিত। যেমন- দই, ঘোল, ছানা ইত্যাদি।
মানুষের পাকস্থলিতে যে আবরণ আছে, সেটার ভেতরে বেশ কিছু উপকারী জীবাণু কার্যকরী হয়।
বাংলাদেশের একজন চিকিৎসক হাসান শাহরিয়ার কল্লোল বলেন, পাকস্থলীতে যদি উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমে যায় তখন সেখানে ক্যান্সার বাসা বাঁধতে পারে।
দুগ্ধজাত খাবারগুলোর পাকস্থলীতে উপকারী জীবাণুকে বাঁচিয়ে রাখে। ভিটামিন ডি এর জন্য দিনের কিছুটা সময় শরীরে রোদ লাগাতে হবে। এটা খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনাচরণের সাথে সম্পৃক্ত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক নাজমা শাহীন বলেন, যার শরীরের গঠন ভালো এবং সেখানে কোন ঘাটতি থাকবে না, তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি হবে।
তিনি বলেন, যেমন শিশু জন্মের পর থেকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
অনেকেই আম কিনতে গিয়ে এসব সমস্যার সম্মুখীন হন।তাই পছন্দের আম কিনতে চাইলে আম চেনা জরুরি।
আসুন জেনে নিই কোন আম দেখতে কেমন?
গোপালভোগ
গোপালভোগের গায়ে হলুদ ছোপ ছোপ দাগ আছে। এটির নিচের দিকে একটু সরু হয়ে থাকে। এই আম পাকার পর হলুদ হয়ে যায়। মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে পাওয়া যায় এই আম।।
রাণী পছন্দ
রাণী পছন্দ দেখতে অনেকটা গোপালভোগের মতই। এর গায়েও হলুদ দাগ আছে কিন্তু আকারে ছোট। ফলে গোপালভোগের সঙ্গে রানী পছন্দ মেশালে আলাদা করা কষ্টকর।
খিরসাপাত আম
এই আম বাজারে পাওয়া যায় মে মাসের শেষে বা জুনের প্রথম সপ্তাহে। খুবই মিষ্টি খিরসাপাত আম অনেকে হিমসাগর বলে বিক্রি করেন। এই আম আকারে একটু বড় হয়। আমে হালকা দাগ আছে।
আশ্বিনা ও ফজলী
আশ্বিনা আর ফজলী আম দেখতে একই রকম। তবে আশ্বিনা আম একটু বেশি সবুজ ও ফজলী আম একটু হলুদ হয়। আশ্বিনার একটু পেট মোটা হয় ও ফজলী দেখতে লম্বা ধরনের হয়।
বারি আম-২ বা লক্ষণভোগ
বারি আম-২ বা লক্ষণভোগ চেনার সহজ উপায় হলো নাক আছে মাঝামাঝি স্থানে। মিষ্টি কম ও পাকলে হলুদ রং আসে। সাধারণত জুন মাসের শুরুর দিকে এই আম বাজারে পা্ওয়া যায়।
রুপালী আম বা আম্রপালি
রুপালী আম বা আম্রপালি নিচের দিকে একটু সুঁচালো, উপরে একটু গোল। এই আমরা মিষ্টি বেশি ও স্বাদে ভিন্নরকম।
ল্যাংড়া
ল্যাংড়া আম দেখতে কিছুটা গোলাকার ও মসৃণ। এটির নাকটি দেখা যায় নিচের দিকে। এর চামড়া খুবই পাতলা।
পরিপক্ক আম যেভাবে চিনবেন
পাকা আম সাধারণ হলুদাভ হয় এবং পানিতে রাখলে ডুবে যায়।
সূত্র : বিবিসি বাংলা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sadi Place, West Shewrapara, Dhaka
Mirpur
1216
