ÍẞhÆT

ÍẞhÆT

Share

┌┐┈┌──┐┌┐┌┐┌──┐
█│┈███│█│█│███┘
█└┐█╱█│█│█┘██┴┐
██┘███┘▕█╱┈███
❖❖حضرة محمد (عليه السلام)

04/02/2026

আবু তোহা আদনান গত বছর একটি পোস্ট দিয়ে বলেছিলেন তিনি স্বপ্ন দেখলেন শাড়ি পরা এক পুরুষ ক্ষমতায় বসেছে , আমরা তখনই বুঝতে পেরেছিলাম আলহামদুলিল্লাহ , ইউনুস এর সাথে সমকামিতার এজেন্ট এই দেশে প্রবেশ করেছে , ইউনুস এর প্রথম বিয়ের সময় সে খৃষ্টান ধর্ম গ্রহণ করে !

- ইসলাম ত্যাগ করে , হ্যাঁ , ঠিকই শুনেছেন দেশ চালাচ্ছে এখন একজন মুরতাদ ইসলাম ত্যাগকারী খ্রিস্টান ! একই সাথে সে একজন ফ্রিমেসন এর সদস্য শয়তান পূজারী , দাজ্জালের এজেন্ট , কয়জন জানেন এই কথা ?

আমেরিকার একটি সংস্থা আছে সমকামিতার যেটা নিয়ন্ত্রণ করছে ইউনুস এর মেয়ে ..! দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বই পত্র এবং চারিদিকের ইভেন্ট দেখলেই বুঝবেন কি পরিমানে নরমালাইজ করা হচ্ছে এই গজব ...! লুত (আ) এর কওম কে কেনো ধ্বংস করে দিয়েছিল আল্লাহ ?? জানেন নাহ ? হাসিনাকে আমরা সরাই নাই ব্রো এটাও ছিল প্ল্যান এর অংশ , পলায়নের নামে হাসিনা নিজেই সরে গিয়েছে , হাসিনা নিজেই ছিল ba'l দেবতার পূজারী , গণভবন লুটপাটের দিন হাসিনার ভবন থেকেই মূর্তি পাওয়া গিয়েছিল ... ছাত্রদেরকে উস্কে দিয়েছিল ভিতর থেকেই পুরাটাই ছিল আই ওয়াশ মাস্টার প্ল্যান ..!

ঠিক ২০ বছর আগে চিন্তা করুন । বাংলাদেশে আলেমসমাজ বলাৎকার করতেছে এমন কোন নিউজ কি পেয়েছেন ? জীবনে ভাবতে পেরেছেন ? কিন্তু আজ এটা একটা সহজ সত্য । এপ্সটেইন ফাইলসগুলি থেকে আমরা জানি ট্রাম্প বিল গেটসরা পেদোফাইল বা শিশু ধর্ষণকারি এবং বাঙ্গালদেশের কিছু সংগঠন এদের হয়ে কাজ করত ।

অর্থাৎ আলেমসমাজের এই মাদরাসার বলাৎকারের বিষয়টা এই হারামজাদারা বপন করছে । আমরা জানি ড ইউনুস এই গ্রুপের সাথে জড়িত । জুলাইয়ের সময়ের পোস্টগুলি ঘাঁটলে দেখবেন এর বিরোধিতা করতাম , বলতাম এই ইউনুস আর আন্দলনের মাস্টারমাইন্ড এই পেদোফাইলরা । সাধারণ ছাত্ররা না বুঝে মরতাছে ।

এর সর্বশেষ বলি হল আমাদের উসমান হাদি । হায়রে জিবন ! কোনদিন ভাবিনি এত কুৎসিত খেলা দেখতে হবে । এখন দুইয়ে দুইয়ে চার মিলান ।
জুলাই অভ্যত্থান এবং বর্তমানের শিবির , ৫০১ মামুনুল পিনাকীরা এরা কাদের ব্যাকআপে ? এম্রিকার রাইট ? তাইলে ভোট কি দিবেন খাম্বা তারেকরে ? খাম্বা মায়ের লাশ ঝুলিয়ে কবর না দিয়ে রাজনীতি করছে , ভারতের ব্যাকআপে চলতেছে ।

ওইদিকে মোদী নেতানিয়াহুরে খুশি করতে পিছন দুলিয়ে ডান্স করে আসছে । এরা সবাই এক । সুতরাং মুসলাম হইলে এইসব দলবল থেকে সরে আসুন । আল্লাহর গজবে পইরেননা ।

Photos from Islami Ain's post 02/02/2026
Photos from ÍẞhÆT's post 02/02/2026

১৮+ অ্যালার্ট
( প্রাপ্তবয়স্ক ব্যতিত কেউ এই লেখাটা পড়বেন না)

আপনার কাছে যদি একশ কোটি টাকা থাকে তাহলে আপনি গাড়ি কিনবেন, বাড়ি কিনবেন। যদি এক হাজার কোটি টাকা থাকে তাহলে জাহাজ কিনবেন, বিমান কিনবেন।

আর যদি দশ লক্ষ কোটি টাকা থাকে তাহলে বাচ্চা মেয়েদের মাংস খাবেন, জীবন্ত মেয়ে শিশুর পেট চিরে নাড়িভুঁড়ি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খাবেন।

কোন কল্পকাহিনী বলছি না। এমনটা সত্যিই ঘটেছে। পশ্চিমা বিলিয়নিয়াররা এতবছর এসবই করে এসেছে।

গতকাল Epstein ফাইলস ফাঁস হয়েছে। সেখানে হাজার হাজার ভিডিও এবং ৩০ লক্ষ পৃষ্ঠার এসব গোপন নথিপত্রের প্রমাণ রয়েছে।

এই পাশবিক এবং জঘন্য কাজগুলো কোন চুপিসারে হতো না। বরং আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে জমজমাট ভাবেই হতো।

ই*সরায়েলী গোয়েন্দা জেফ্রী এপস্টেইন এবং তার ওয়াইফ মিলে ফ্লোরিডার গোপন একটা দ্বীপে এই পাশবিক আয়োজন টা করতো। এমনকি ওরা এই অনুষ্ঠানের নাম দিয়েছিল ক্যালেন্ডার গার্ল।

এই অনুষ্ঠানে নামি দামী রাজনীতিবীদ থেকে শুরু করে, গায়ক, বিজ্ঞানী সব রকমের মানুষজন থাকতো। বিল গেটস, ডোলান্ড ট্রাম, ট্রামের ছেলেমেয়ে, প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, বব শাপিরো সহ আরও অনেকেই ছিল।

এপস্টেইন এবং তার বউয়ের কাজ ছিল বিভিন্ন দেশ থেকে বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদেরকে পাচার করে এই দ্বীপে নিয়ে আসা। তারপর তুলে দেয়া হতো অনুষ্ঠানের পাশবিক এই অতিথিদের হাতে।

ট্রাম্পসহ বাকিরা প্রথমে মেয়েদের যৌ‌‌‌‌*নাঙ্গে আঙুল দিয়ে ধ‌‌‌*র্ষণের জন্য প্রস্তুত করতো। কোন বাচ্চার যৌ*নাঙ্গ কতটা টাইট সেসব দেখে দেখে রেটিংও দিত।

তারপর অতিথিদের পছন্দমতো বাচ্চাদেরকে পাঠিয়ে দেয়া হতো তাদের রুমে।

সেখানেই দিনরাত চলতো ধ*র্ষণ এবং পাশবিক নির্যাতন। মেয়ে বাচ্চাগুলোকে বাধ্য করা হতো ওরাল সে*ক্স করতে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের টার্গেট থাকতো বাচ্চাগুলোকে প্রেগন্যান্ট করা।

প্রেগন্যান্ট করেই ওরা ক্ষান্ত থাকতো না। পরে সেই প্রেগন্যান্ট বাচ্চা মেয়েদেরকে এবরশন করে ভ্রুণ বের করে স্যুপ বানিয়ে খেতো।

এমনকি জীবন্ত মেয়েদের পেট চিরে নারিভুরি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খেতো।
কাবাবের মতো করে পুড়িয়ে পুড়িয়ে বাচ্চাদের মাংস খেতো, পার্টি করতো, উল্লাস করতো।

এদের মধ্যে বেশিরভাগ বাচ্চার বয়সই ছিল মাত্র ৩-৯ বছর! আই রিপিট মাত্র ৩ বছর বয়সের বাচ্চাও এতসব জঘন্য নির্যাতনের শিকার হয়ে মা*রা যেত।

এইসব জঘন্য অপকর্মের ব্যাপারে বহুবার বহুজন মুখ খুলতে চেয়েছিল কিন্তু তেমন কোন লাভ হয়নি।

২০০৯ সালেই একটা পার্টিতে গ্যাব্রিয়েলো রিকো নামের এক মেয়ে চিৎকার করে করে বলে দিয়েছিল- ওরা নরপশু, আমি দেখেছি ওরা মানুষের মাংস খেয়েছে।

এরপর ওই মেয়েকে আর কোথাও দেখা যায়নি। তাকে স্রেফ গায়েব করে দেয়া হয়েছিল।

ব্রাউন নামের এক সাংবাদিকও এসব বিষয়ে অনুসন্ধান করতে চেয়েছিল। পরে তাকে জেলে ভরা হয় এবং ২০১৯ সালে আশ্চর্যজনকভাবে জেলেই তার মৃ*ত্যু হয়। মূলত তাকেও মে*রে ফেলা হয়েছিল।

এপস্টেইন নামক লোকটা এতসব বাচ্চা মেয়েকে সাপ্লাই দিতো এবং জঘন্য কাজে সাহায্য করতো যাতে সে পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনীতিবীদদের ব্ল্যাকমেইল করতে পারে এবং গোয়েন্দা বাহিনীদের স্বার্থ হাসিল করতে পারে।

ক্ষমতা এবং স্বার্থের লোভেই তাদের বাহিনীগুলো এতবছর ধরে এ নোংরা কাজগুলো করে আসছিল।

বিল গেটস পর্যন্ত এসবের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। রাশিয়ান এক মেয়ের সাথে যৌ‌ন সম্পর্ক করে STD রোগে আক্রান্ত হয়েছিল সে। এজন্যে তার ওয়াইফকেও রেগুলার ভ্যাকসিন নিতে হতো।

শুধু বিল গেটসই না, জোহরান মামদানীর মাও এসব পাশবিক অনুষ্ঠানে যোগদান করতো। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামও পাওয়া গেছে এই ফাইলে।

শুধু তাই না, নারী পাচারকারী চক্রের সাথে জড়িত আমেরিকার রাজনীতিবিদদের ক্যাম্পেইনে অনুদানও দিয়েছিল বিএনপির নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

এমনকি এসবের সাথে জড়িত কিছু ব্যক্তির সাথে ড. মোহাম্মদ ইউনূসেরও ভালো সম্পর্ক আছে সেটা এই ফাইল থেকেই জানা যায়।

ফাইলটার একটা অংশে এটা উল্লেখও করা হয়েছে। বলা হয়েছে-

"কিছুদিন আগে ইসাবেল এবং আমি আমাদের খুব ভালো বন্ধু কার্টুনিস্ট ম্যাট গ্রোনিংকে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মোহাম্মদ ইউনূসের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম।

আর আগামী রবিবার (৩রা অক্টোবর), ইউনূস হতে যাচ্ছেন সিম্পসন লিজেন্ডের (The Simpsons) একটি অংশ।"

এই যে এতসব বড়সড় নেটওয়ার্ক, হাজার কোটি ডলারের লেনদেনের মধ্যে দিয়েই ঘটে চলছিল এসব নোংরা এবং জঘন্য সব কার্যক্রলাপ। এই ফাইল ফাঁস না হলে আমরা হয়তো জানতেও পারতাম না যে পশ্চিমারা কতটা জঘন্য।

আজকে এই ফাইলে যদি কোন হুজুরের নাম থাকতো, কোন মাওলানার নাম থাকতো তাহলে হয়তো দেশে দেশে মশাল মিছিল বের হতো, আমেরিকা থেকে হুশিয়ারি আসতো।

অথচ ক্ষমতার মসনদে থাকা আমেরিকার বিলিয়নিয়াররা এসব করেছে বলে পুরো বিশ্ব নিশ্চুপ।

যেসব পশ্চিমা নেতাদেরকে আমরা অনুসরণ করি, বিজ্ঞানীদের সম্মান করি, সেলিব্রিটিদের দেখলে আনন্দে আত্মহারা হই তাদের মানসিকতাই এমন জঘন্য, কলুষিত।

এই পশ্চিমারাই আমাদেরকে নারী অধিকার শিখায়, নারীর ক্ষমতায়ন শেখায় অথচ এরাই আবার ছোট ছোট বাচ্চা মেয়েদের নাড়িভুঁড়ি ছিঁড়ে খেতে দুইবার ভাবে

- Ibrahim Khalil Shawon

25/01/2026

"তাওয়ারুক" ফজরের সালাত (ফরজ ও সুন্নত) ছাড়া, যেসব সালাত দুই তাশাহহুদসহ শেষ হয়, সেগুলোর শেষ বৈঠকে তাওয়ারুক করা যাবে। ফরজ, সুন্নত বা নফল যাই হোক না কেন।

21/01/2026

১ কোটি টাকার "বিজনেস সিক্রেট" কেন ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে?

সাধারণ একটা অঙ্ক কষি। আবেগ বাদ দিয়ে লজিক দিয়ে বুঝুন। আমি জানি, অনেকেই লেখাটা পড়ে ক্ষেপে যাবে, আগেও গিয়েছিল। কাউকে উদ্দেশ্য করে বলছি না।

-------------------

ধরুন, একজন একটা "গোপন মেথড" দিয়ে বছরে ১ কোটি টাকা প্রফিট করছে। হঠাৎ সে ঘোষণা দিল, "মাত্র ১০ হাজার টাকায় আমি আমার এই সিক্রেট আপনাদের শিখিয়ে দেব।"

সে যদি ১০০০ জন ছাত্রকে এই সিক্রেট শেখায়, তার ইনকাম হবে (১০০০ x ১০,০০০) = ১ কোটি টাকা।

এখন লজিক কী বলে? ওই ১০০০ ছাত্রের মধ্যে যদি মাত্র ১% মানুষও সফল হয়, তার মানে মার্কেটে ১০ জন নতুন কম্পিটিটর তৈরি হলো।

এই ১০ জন যখন একই সিক্রেট অ্যাপ্লাই করবে, তখন ওই মেন্টরের নিজের ১ কোটি টাকার মার্কেট শেয়ার কমে যাবে। তার নিজের বিজনেসটাই হুমকিতে পড়বে।

পৃথিবীর কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের ব্যবসায়ী নিজের পেটে লাথি মেরে, নিজের কম্পিটিটর তৈরি করে ১০ হাজার টাকা কামাতে যাবে না। এটা বিজনেসের বেসিক রুলসের বাইরে।

বুঝতে হবে কিন্তু!

-------------------

তাহলে তারা কেন শেখায়? কারণটা খুব তিতা, কিন্তু সত্য:

১. মেথডটা মৃত (Dead Method): ওই "সিক্রেট" দিয়ে এখন আর আগের মতো কাজ হয় না। তাই সে শেষবারের মতো ওটা বেচে ক্যাশআউট করে নিচ্ছে।

২. কোর্সই আসল বিজনেস: তার মূল ইনকাম ওই বিজনেস থেকে আসে না, আসে আপনাকে স্বপ্ন দেখিয়ে কোর্স বিক্রি করে।

বাস্তবতা হলো: কেউ আপনাকে তার সত্যিকারের "সিক্রেট সস" (Secret Sauce) শেখাবে না।

- কোকা-কোলা ১০০ বছরেও কাউকে তাদের ফর্মুলা শেখায়নি।
- কেএফসি তাদের মশলার রেসিপি বিক্রি করেনি।
- বিল গেটস উইন্ডোজের কোড ওপেন সোর্স করে নাই।
- গুগল রাঙ্কিং আলগোরিদম ফাঁস করে নাই।

-------------------

যারা বলে "আমি আপনাকে বড়লোক হওয়ার গোপন রাস্তা দেখিয়ে দেব", তারা আসলে আপনার টাকায় তাদের নিজেদের বড়লোক হওয়ার রাস্তা পাকা করছে।

বিজনেস শিখুন, প্রসেস জানুন, মেকানিজম বুঝুন, এতে সমস্যা নেই। সেজন্যে যদি কোর্স করতে হয়, করুন। কিন্তু "আলাদীনের চরাগ" বা "সিক্রেট ফর্মুলা" কেনার জন্য এক্সট্রা টাকা ঢালবেন না, ওরকম যেন না হয়।

মনে রাখবেন, সত্যিকারের সোনার খনি যারা পায়, তারা কাউকে ম্যাপ এঁকে দেয় না। তারা চুপচাপ সোনা তোলে।

যারা সত্যিকারের টাকা বানায়, তারা কোর্স বিক্রি করে না, তারা কোম্পানি বানায়।

বাস্তববাদী হোন।

17/01/2026

নদীর এক পারে একজন সহজে পার হলো।
আরেকজন লাফ দিয়েই ডুবে গেল।
দু’জনই একই নদী দেখেছিল।
কিন্তু একজন জানত সাঁতার,
আরেকজন শুধু সাহস দেখিয়েছিল।
সাহস ভালো,
কিন্তু প্রস্তুতি ছাড়া সাহস বিপজ্জনক।

আপনি কি প্রস্তুতি নিয়ে নামছেন,
নাকি শুধু সাহসের নাম করে ঝাঁপ দিচ্ছেন?

15/01/2026

প্রজেক্ট তাসনিম জারা!
_______

খুবই প্রত্যাশিত ভাবেই তাসনিম জারার মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত হয়েছে এবং সেই ধারাবাহিকতায়ই সে এমপি নির্বাচিত হবে। এই ব্যাপারটা নিয়ে আমি আমার বন্ধুদের সাথে আলাপ করছিলাম। তাসনিম জারা একজন ব্যাক্তি না, তাসনিম জারা একটা প্রজেক্ট। সেই প্রজেক্টকেই মূলত প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এই ব্যাপারটা বুঝতে পিছনে ফিরে যেতে হবে।

২০১৭ সাল। ঢাকা মেডিকেল থেকে সদ্য পাশ করা ও সেখানে ইন্টার্নরত হিজাব করা একজন মেয়ে দাদীর সুতির শাড়ি, মেকআপ ও গহনা ছাড়া বিয়ে করলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে পাশ করা জামাত নেতার ছেলেকে। বিয়ের কনে তার সেই সাদামাটা সাজের বিয়ের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করলে সেটা ভাইরাল হয়। এর আগেও এরকম ভাইরাল কনের (গায়ের রঙ কালো, সাদামাটা পোষাক ইত্যাদি) ছবি ভাইরাল হয়েছিল।

মেকআপ ছাড়া সেই বিয়ের ছবিসহ এই বিয়ে নিয়ে এএফপি, আল জাজিরাসহ বিশ্বের নাম করা বিভিন্ন পত্রিকায় স্টোরি ছাপা হল। এরপর ভারত, পাকিস্তানসহ অনেক দেশের বেশ কিছু পত্রিকা বাংলাদেশের প্রায় সব পত্রিকায় সেই খবরে ছয়লাব হয়ে গেল! বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিদিন লাখ লাখ নারী, বাংলাদেশে হাজার হাজার মেয়ে অর্থের অভাবে গহনা ছাড়া, মেকআপ ছাড়া বিয়ের পিড়িতে বসছে, যৌতুক দিতে না পারায় হ ত্যা -আ/ত্মহ/ত্যার ঘটনা ঘটছে, সেসব নিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় খবর না হয়ে এরকম শিক্ষিত ও এলিট শ্রেণীর মানুষ মনের ইচ্ছার তাগিদে গহনা ছাড়া, মেকআপ ছাড়া বিয়ে করেছে, এবং কেন নামিদামি পত্রিকাগুলো একইরকম্ভাবে লেখা এই খবর ছাপালো, এই খবরের মাহাত্ম কি, কোন উদ্দেশ্য এরকম একটা মেয়েকে লাইমলাইটে আনা হলো তা বোঝার চেষ্টা করেছি।

বাংলাদেশ থেকে কোন সাংবাদিক নিজ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পত্রিকায়/মিডিয়ায় তাসনিম জারার "Dadu's Saree with zero makeup, No Jewelry Wedding" টাইপের একই স্টোরি পাঠিয়েছিল সেটা জানার পর আমার ধারণা অনেকটা মিলে গেল। এএফপির নাম শুনে হয়তো বুঝতে পারছেন যে সেই সাংবাদিক আর কেউ না, তৎকালীন এএফপির ঢাকা ব্যুরো চিফ ও বর্তমান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

শফিকুল আলম এএফপিতে রিপোর্টার হিসেবে যোগ দেন ২০০৫ সালে। এরপর ২০১২ সালে তাকে পার্টিকুলার মিশন ফুলফিল করতেই এএফপির ঢাকা ব্যুরো চিফ বানানো হয়। এই সময়ের ভিতরে শফিকুল আলম যোগাযোগ গড়ে তুলেন অধ্যাপক ইউনুসসহ আওয়ামীলীগ সরকারের মামলা হামলার বিভিন্ন ভুক্তভোগী অনেকের সাথে, যারা তার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করিয়ে দেয় পশ্চিমাদের সাথে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেকে বলাবলি করেছে যে তাসনিম জারা আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত (গোল্ডম্যান এনভায়রনমেন্ট প্রাইজ- ২০০৯ ও র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার- ২০১২)এনভায়রনমেন্ট ল'ইয়ার ও এনজিওকর্মী এবং বর্তমান উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের আত্মীয় (এটার সোর্স থাকলে প্লিজ কেউ দিয়েন)। যদিও তাসনিম জারা ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বলেছে যে "সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান তার চাচী বা চাচাতো বোন নয়" (অনেকেই বলেছিল জারা রিজওয়ানা হাসানের চাচাতো বোন বা চাচি)। কিন্তু তারা অন্যভাবে আত্মীয় হতে পারে, যেমন খালাতো বোন, মামাতো বোন বা খালা হতেও তো পারে। জারা শুধু বলেছে তারা চাচাতো বোন বা চাচি সম্পর্কিত না। তারা অন্যভাবে আত্মীয় নয় এই ব্যাপারটা অস্বীকার করেনি।

শফিকুল আলম পরে তাসনিম জারাকে নিয়ে এএফপিতে আরো একবার ফলোআপ স্টোরি করে। জারাকে নিয়ে দেশে-বিদেশে স্টোরি ছাপা হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়াতে আরো ফলোয়ার বাড়ে। এরপরেই তাকে দেখা গেল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স ও তার সাংবাদিক স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহ ক্যাম্ব্রিজে মানবাধিকার আইনে মাস্টার্সে পড়ার সুযোগ পেল। এরপর তারা দুইজনেই ইংল্যান্ডে সেটেল করে। তারা দুইজনে মিলে সহায় ফাউন্ডেশন গড়ে তুলে। এরপর ফেসবুক, ইউটিউবে নারী ও পুরুষের যৌন সমস্যাসহ নানারকম শারীরিক সমস্যা নিয়ে ভিডিও কনটেন্ট বানানো শুরু করে। একটা ভবিষ্যৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করা জারার টার্গেট অডিয়েন্স ছিল মূলত অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত পুরুষ মানুষ। ফলে তার ফলোয়ার লিস্ট জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে।

তাসনিম জারা যেমন একটা প্রজেক্ট, এই শফিকুল আলমও একটা প্রজেক্ট। শফিকুল আলমের সেই প্রজেক্ট সফল হয়েছে ২০২৪ সালে, আর তাসনিম জারাকে যে প্রজেক্টের জন্য তৈরি করা হচ্ছিল তা শুরু হয়েছে ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট থেকে। একটা ব্যাপার খেয়াল করেন। ছাত্রনেতারা মুহম্মদ ইউনুসকে প্রধান উপদেষ্টা বানানোর সাথে সাথে তাসনিম জারা দেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। যে মেয়ে পুরো আন্দোলনে মাত্র দুইটা ভিডিও (কেটে গেলে আর গুলি লাগলে করণীয় কি এমন একটা ভিডিও) ছাড়া আন্দোলন নিয়ে একটা বাক্য ব্যয় করেনি। তাসনিম জারার স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহও ২০২৪ এর মে থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত একটাও কথা বলেনি। তাসনিম জারাকে নারী ও পুরুষের স্বাস্থ্য সমস্যা ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে কথা বলতে কখনো শুনিনি। রাজনীতি দূরের কথা, সামাজিক অন্যান্য সমস্যা নিয়েও কোনদিন কথা বলেনি। সেই মেয়েই পৃথিবীখ্যাত ক্যাম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এনএইচএস ফাউন্ডেশনের চাকরি ছেড়ে বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে রাজনীতিতে জড়ালো।

জাতীয় নাগরিক কমিটি হয়ে তাসনিম জারা ও তার স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহ জাতীয় নাগরিক পার্টির অন্যতম মূল নেতায় পরিনত হলো। নাগরিক কমিটি এবং নাগরিক পার্টির সব একটিভিটিতে জোকের মতো থেকেছে। ঝড়, বৃষ্টি, আক্রমণের শঙ্কা, হুমকি, মরে যাওয়ার শঙ্কাকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে মাটি কামড়ে পড়ে থেকেছে। এছাড়াও হাজার হাজার সাইবার বুলি ও নোংরা গালি মুখ বুঝে সহ্য করে গেছে। আমাদের কাছে বারবার মনে হয়েছে জারা চোয়াল শক্ত করে চুপ থাকতে দেখে "তাসনিম জারা" একটা প্রজেক্ট সেটার পিছনে শক্ত ভিত্তি হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। এই রাজনৈতিক কর্মকান্ডের পুরোটা সময়ে তাকে দেখা গিয়েছে ইউরোপিয়ান ও আমেরিকান ডিপ্লোমেট ও প্রতিনিধিদের সাথে একাধিকবার মিটিং করেছে। ইউরোপ, আমেরিকা, নেপাল গেলেও চীন যায়নি।

তাসনিম জারা এনসিপি বা নাগরিক কমিটির সাথে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের পুরো সময়টাতেই জানতো যে তার দল জামায়াতের সি টিম। যাদের সাথে দেশের আনাচাকানাচে দলের যেসব নেতাকর্মীদের সাথে ঘুরেছে তারা শিবিরের প্রাক্তন, বর্তমান ও গুপ্ত নেতা-কর্মীর (তার স্বামীর পরিবারও জামাতপন্থি। জারার নিজের পরিবারের ব্যাপারে অবশ্য কোনদিন সে সামনে আনেনি) সাথে দিনের সিংহভাগ কাটিয়েছে। সে খুবই সচেতনভাবেই তাদের সাথে রাজনীতি করে গেছে। তার দলের নেতারা, দলের পলিসি নারীবান্ধব কখনোই ছিল না। নারী নীতি নিয়ে তার দলের নেতারা হেফাজত ও অন্যান্য ইসলামিক দলের যে মঞ্চ থেকে নারী অধিকার কর্মীদের "বে/শ্যা" ডাকা হয়েছিল সেই মঞ্চে উঠেছে, তাদের সাথে মোলাকাত করেছে, তখনো তার সমস্যা হয়নি।

তাসনিম জারার যখন বিয়ে হলো তখনও সে পুরোপুরি হিজাবি ছিল। যেটা ভাইরাল হয়েছে সেটাতেও হিজাব পরিহিত। তার আগে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে যখন পরতো, তখনো আরো বেশি হিজাবি ছিল (পোস্টের ছবি দেখুন)। অক্সফোর্ডে যাওয়ার বেশ কিছুদিন পর থেকে জারা আধুনিক পোষাক পরা শুরু করলো। কেউ হিজাব পরবে নাকি আধুনিক পোষাক পরবে সেটা কারো একান্ত ব্যাক্তিগত স্বাধীনতা। কিন্তু যখন সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের "আত্মীয় না" না বলে, চালাকি করে লিখলো সে "আমার চাচাতো বোন বা তার চাচী না"। একইভাবে সেই পোস্টেই "আমি ছাত্র শিবির কখনো করিনি" বলে সাফাই গেয়েছে। তাসনিম জারা এখানেও চালাকির আশ্রয় নিয়েছে। নারী শিক্ষার্থীরা ছাত্র শিবির করে না, এটা সে ভাল করেই জানে, আমরাও জানি। তারা করে "ইসলামি ছাত্রী সংস্থা"! সে যদি কোনদিন শিবিরের সমান্তরাল " ছাত্রী সংস্থা" না করতো, তাহলে তাসনিম জারার লেখার কথা ছিল, "ছাত্রী সংস্থা" করিনি। তার এই "শিবির" করিনি বলা মানে এই না যে সে জামাতের ছাত্রীদের সংগঠন ছাত্রী সংস্থার সাথে যুক্ত ছিল না।

এই "শিবির করিনি বা করতাম না" "আমি রাজনীতি ঘৃণা করি", "সাধারণ শিক্ষার্থী" "সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী" ব্যানার/মেবেল/ন্যারেটিভ জামাত-শিবিরের লোকজন এখন এমন এক শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে যে কেউ নিজে নিজে এরকম সাফাই গাইলেই বের আসে সে জামায়াত বা শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত। ২০১৩ সাল থেকে "আমার বাবাও মুক্তিযোদ্ধা, কিন্তু অধ্যাপক গোলাম আজমের মতো, সাঈদীর মতো ইসলামীক মানুষকে শাস্তি দেওয়া ঠিক হয় নাই" অথবা সাম্প্রতিক সময়ে "আমাকে আপনি রাজাকারের বাচ্চা বলতে পারেন না, আমার পরিবারেও মুক্তিযোদ্ধা আছে" এরকম কথা যাদের কাছ থেকেই শুনেছি, দেখেছি তারাও ছুপা ছাগু। তাই একসময় সর্বক্ষণ হিজাব করা একজন মেয়ে ছাত্রী সংস্থার সদস্য হলে অবাক হওয়ার তো কিছুই নাই। এছাড়া তার শ্বশুর জামায়াতের একজন নেতা।

এখন হিজাব করে না কেন সেটা আপনারা ডিপলি চিন্তা করলেই বুঝবেন। আর কেনই বা এনসিপি থেকে বের হয়ে গেল, সেটাও ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলেই বুঝবেন। ওভারল তাসনিম জারাকে আমার অসৎ মনে হয়েছে। এনসিপির সাথে জামাত জোটে যাবে এবং তাসনিম জারাও যে সেই জোটের পার্ট হবে না এটা সে ও তার স্বামী আগে থেকেই জানতো বলেই আমার ধারণা, কারণ জোটে যাওয়া নিয়ে আলোচনা বেশ কয়েকদিন আগেই শুরু হয়েছিল।

আধুনিক পোষাকে এবং নারী-পুরুষের হেলথ টিপস দেওয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর (অক্সফোর্ডে মাস্টার্স করলেও, ক্যাম্ব্রিজের হাসপাতালে ডাক্তারি করলেও, সেখানে আন্ডারগ্রাড স্টুডেন্টদের পড়ালেও, তার সব মিলিয়ে তিনটা কো-অউথর্ড পাবলিকেশন হয়েছে, যার সাইটেশন খুবই কম) এতো বছর ধরে যে ইমেজ তৈরি করেছে তা তো এতো সহজে ধুলিস্যাত করে দিতে পারে না। তার আসল সমস্যা জামাতের সাথে তার দলের জোটে যাওয়া নিয়ে না, সে চেয়েও ছিল আলাদাভাবে একটা প্রজেক্ট হিসেবে থাকা। ৫ই আগস্টের পর জাতীয় নাগরিক কমিটির ডায়াস্পোরা সদস্য হিসেবে শুরু করে আন্দোলন সফল হওয়ার ২ মাস পর (অক্টোবর ৫, ২০২৪) এ দেশে ফিরে জারা-খালেদ প্রথমে আন্দোলনের নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় নাগরিক কমিটি এবং পরে এনসিপির ফ্রন্টলাইনার হয়ে যাওয়া ছিল তার রাজনৈতিক বর্ম। সেই বর্ম এখন খুলে তার আসল রুপে ফিরেছে সে। শফিকুল আলমদের প্রজেক্ট প্রায় শেষ হলেও, তাসনিম জারার প্রজেক্ট মাত্র শুরু হলো। সামনে আরো অনেক কিছু দেখতে পাবেন।

যে কারণে তাকে অসৎ মনে হয়েছে সেটা বলি। উপরের প্যারাগ্রাফে বলেছি যে এনসিপির সাথে থাকবেনা জানার পরেও সে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে এনসিপির সমর্থকদের কাছ থেকে টাকা ডোনেশন সংগ্রহ করেছে। আমি বলছিনা যে সে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে টাকা চাইলে পেত না। কিন্তু যারা তখন তাকে টাকা দিয়েছিল তারা তো তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দেয়নি। এই ব্যাপারটা তাসনিম জারাও স্বীকার করে নিয়ে বলেছে যে যারা টাকা ফেরত চান তারা যেন তার ওয়ালে পোস্ট করা গুগল ডকে ফর্ম পূরণ করে। এই পুরো ব্যাপারটাই তার একটা অসততা। সে এটা ভাল করেই জানতো যে ক্রাউড ফান্ডিং করে মানুষের কাছ থেকে আদায় করার পর সেটা নিয়ে সমালোচনা হলে ৮০% মানুষই আর টাকা ফেরত চাইবে না। এটা মাল্টিন্যাশনাল করপোরেশন কাস্টমারদের কাছ থেকে যেভাবে টাকা মারার ধান্ধা বের করে, জারার এই বুদ্ধিটাও তেমনি।

তাসনিম জারা হলো লম্বা রেসের ঘোড়া। আন্দোলনের সাথে যুক্ত না হয়েও (গোপনে যোগাযোগ ছিল কিনা তা জানিনা। এনসিপির কেউ কেউ তাকে উড়ে এসে জুড়ে বসা পশ্চিমা এজেন্টও বলেছে), যে পরিমাণ হাইপ সে তৈরি করতে পেরেছে এবং রাজনৈতিক সুবিধা নিতে পেরেছে সেটা সম্ভব হয়েছে "তাসনিম জারা" প্রজেক্টের কারণে। তাকে গ্রুম করা হয়েছে এভাবে। তাসনিম জারার এনসিপি থেকে বের হয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে তার নমিনেশন অবৈধ বা বাতিল হয়ে যাওয়া এবং পরে আপিলের মাধ্যমে নমিনেশন ফেরত পাওয়া সবই প্রজেক্টের অংশ। নির্বাচন কমিশন তারেক রহমানকে উত্তরবঙ্গে যাওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে, কিন্তু নির্বাচন বিধিনিশেধ ভঙ্গ করে তাসনিম জারার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধাঁ না দেওয়াটাও সেই প্রজেক্টের একটা অংশ।

আমি ধারণা করতে পারি, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলে তাসনিম জারা এবার এমপি হয়ে যাবে। যেভাবে সে আগাচ্ছে তাকে অনেক উপরে উঠানো হবে। বাঙালির সাইকোলজি ধরে ফেলেছে সে। সে শো অফ করতে শিখেছে। তার মধ্যে দেশপ্রেম যতটুকু, তার থেকে বেশি সে দেখায়! ক্ষমতায় বিএনপি আসুক বা জামাত আসুক তার কোন সমস্যা হবে না। জারার যে ডেডিকেশন, যে ধীরস্থিরভাবে ও মাথা ঠান্ডা রেখে চলা শিখেছে, আমি দেখতে পাচ্ছি আস্তে ধীরে সে কোন এক সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বা দেশের বিরোধী দলের নেতা বা দেশের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রীও হয়ে যেতে পারে। কিন্ত সে অনেকটা হবে মাচাদোর মতো যাকে চালাবে গ্লোবাল নর্থের শক্তিরা।
___________

ড. মাহমুদ হাসান (টিপু)
আইনের অধ্যাপক ও গবেষক

অটোয়া, কানাডা।
জানুয়ারি ১২, ২০২৬!

22/06/2024

"আমি ডিভোর্স চাই হুজুর "
পঁচাত্তর বছরের বৃদ্ধা, আশি বছর বয়েসের বৃদ্ধ
স্বামীর ওপর ডিভোর্সের মামলা ঠুকে দিয়েছেন।
কাছারিতে কেস শুনানির দিন ম্যাজিস্ট্রেট বৃদ্ধাকে প্রশ্ন করেন,,
-আপনি আমার শ্রদ্ধেয়া, কিন্তু তবুও আমার
কর্তব্য হিসেবে বলছি। এই বয়েসে এসে আপনি
স্বামীকে ডিভোর্স দিতে চাইছেন কেন? এই বয়েসেই তো আপনাদের একে অন্যকে
সবচাইতে বেশী প্রয়োজন।

-আমি ওনার মানসিক নিপীড়নের শিকার।
-সেটা কি ভাবে?

-মুড ভাল না থাকলে যখন তখন আমায় যা তা
করে কথা শুনিয়ে দেন!
-ওহ্..এই ব্যাপার! তা, আপনিও পাল্টা কথা
শুনিয়ে দিলেই তো হয়ে গেল।

-সেটাই তো আমার মানসিক চাপের কারণ!
-বুঝতে পারলাম না।

-আমি যখনই পাল্টা কোনো জবাব দিতে যাই,
কানে শোনার মেশিনটা উনি খুলে ফেলেন!

#রম্যগল্পঃসমস্যা



ছুডুমুডু সব গল্প পড়তে,,
ফলো দিয়া রাখেন ÍẞhÆT

22/06/2024

কেন এমন ছবি কখনো ট্রেন্ড পছন্দ করে না 🥰 ❤️😴😢
🙏🙏🙏
সুন্দর কেবিন ক্রু 🌹
স্কারলেট জোহানসন💋💋

22/06/2024

Father’s Day-তে অদ্ভুত এক সুন্দর ছড়া। (পেলাম - তাই share করলাম ) কে লিখেছেন জানিনা।

পিতৃদিবস


আজকে নাকি পিতৃদিবস
শুনলো সাহেব ছেলে
গাড়ি হাঁকিয়ে বৃদ্ধাশ্রমে
ছুটলো সাতসকালে ।
পৌছে ছোটে বাবার কেবিন
ছেলের ভীষন তাড়া
বাবা হঠাৎ ছেলেকে দেখে
খুবই আত্মহারা ।
এগিয়ে এসে শুধান বাবা
কেমন আছিস খোকা
বৌমা,নাতি কেউ আসেনি?
তুই এসেছিস একা?
ছেলে বলে ভালো আছি
সময় নেইকো হাতে
তাড়াতাড়ি সাজো তুমি
নতুন পোষাকেতে ।
ভাবলো বাবা হয়তো খোকা
ফিরিয়ে নেবে ঘরে
একনিমেষে লুঙ্গি ছেড়ে
ধুতি পাঞ্জাবি পরে ।
বাবার হাতটা মাথায় রেখে
সেলফি তোলে খোকা
বাবার মাথায় কিছু ঢোকে না
সত্যি ভীষন বোকা ।
ছেলে বলে ভালো থেকো
এবার আমি আসি
একনিমেষে বাবার মুখের
মিলিয়ে গেলো হাসি ।
তাকায় নাকো ছেলে ফিরে
সময় নেইকো হাতে
ছবিখানা ফেসবুকেতে
হবে যে পোস্টাতে ।
লাইক কমেন্ট সারাটা দিন
আসবে ক্রমেক্রমে
কে জানছে খোকার বাবা
আছেন বৃদ্ধাশ্রমে ।
----&-----
॥ সংগৃহীত ॥
ভালো লাগলে অবশ্যই একটা শেয়ার করবেন 🙏
#বাস্তবতা

17/06/2024

স্কুলজীবনে The monkeys paw গল্পটা অনেকেই হয়তো পড়েছেন, যারা পড়েননি তাদের জন্য .....

এক খনি শ্রমিক কয়লা খাদানে পেয়েছিল শুকিয়ে যাওয়া একটা বাঁদরের থাবা । অজ্ঞাত কারণে সেটাকে ফেলে না দিয়ে যত্ন করে রেখে দিয়েছিল । এটা দেখে কোন এক তান্ত্রিক বলেছিল থাবাটা মন্ত্রপূত এবং এর কাছে যা চাওয়া যায় তাই পাওয়া যাবে ! যদিও এটা সে কোনদিন পরীক্ষা করেনি ।
কেটে গেছে অনেক বছর , শ্রমিকটি অবসর নিয়েছে আর তার ছেলে বেছে নিয়েছে একই পেশা।

একবার দারুন অর্থ সংকটে পড়লো বুড়ো । কোথাও কিছু না পেয়ে যখন হতাশ তখনই তার মনে পড়লো সেই থাবার কথা । এক দুপুরে আলমারী থেকে বের করে সবাইকে লুকিয়ে ওটা নিয়ে সটান ছাদে .... উঁচু করে তুলে ধরে চীতকার করে বললো, একলাখ ফ্রাঁ !
মুহূর্তের জন্যে মনে হলো হাতের মাঝে জীবন্ত হয়ে উঠলো থাবাটা আর তারপর .......
দিনের শেষে কড়া নাড়ার শব্দে দরজা খুললো বুড়ো । দেখে সামনে দাঁড়িয়ে খনি ম্যানেজার , নীচু স্বরে বললো আজ দুপুরে খনির দেয়াল চাপা পড়ে মারা গেছে তার ছেলে । ক্ষতিপূরণ স্বরূপ যে খামটা এগিয়ে দিলো তাতে ছিলো ঠিক একলাখ ফ্রাঁ !

আমাদের জীবনেও বোধহয় রয়ে গেছে অদেখা সেই থাবার প্রভাব আর তাই একদিকের অপূর্ণতা পূরণ হয় নিঃস্ব করে দিয়ে অন্যদিক । সুখের খোঁজে হারানোর ভয়ে শুধু উদভ্রান্তের মতো ছুটে চলা ...... হেথা নয় হোথা নয় অন্য কোথা অন্য কোনোখানে !

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Mirpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


11
Mirpur
1000