PuspoPurno Organic Farm

PuspoPurno Organic Farm

Share

নিত্যপ্রয়োজনীয় সব ধরণের অনলাইন শপিং এখন আপনার হাতের নাগালে। অনলাইন শপিং এর এক বিশ্বস্ত নাম।

বেস্ট প্রাইস বেস্ট সার্ভিস। আমরা কম খরচে প্রিন্টিং সার্ভিস দিয়ে থাকি। অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে সেবা দিয়ে আসছি। আমাদের সেবা সমূহ - অফসেট ও ডিজিটাল প্রিন্টিং প্রেস এর সকল ধরনের প্রিন্টিং সেবা দিয়ে থাকি।

18/03/2026

>> ডক্সিভেট : আবহাওয়া পরিবর্তন হোলে মুরগির ঠান্ডা লাগে,অনেক সময় বৃষ্টিতে ভেজার কারনে মুরগির ঠান্ডা ঝিমানো হয় এ ক্ষেত্রে ডক্সিভেট খাওয়াবেন লিটারে ১গ্রাম করে।

>> ফাস্টভেট : মুরগির ঠান্ডা জ্বর আসবেই, ঝিমিয়ে বসে থাকবে এজন্য ফাস্টভেট দিবেন লিটারে ১গ্রাম করে।

>> পি এইচ : গরমে মুরগিকে পানি বাহিত রোগ প্রতিরোধে পি এইচ দেন।বৃষ্টির পানি জমাট বেঁধে থাকে ব্যাকটেরিয়া জন্মায় সেখানে, পানি খেলে মুরগি সহজেই অসুস্থ হয়, মুরগির পায়খানা ঠিক থাকবে পি এইচ খাওয়ালে। হজম শক্তি বাড়ে ১৫দিন পর পর লিটারে ১ মিলি করে ৩-৪দিন খাওয়ান।

>> রেনা সি--গরমে মুরগি সুস্থ রাখতে রেনা সি দেন, মুরগি হঠাৎ হীট স্টক করবে না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে, ডিহাইড্রেট হবে না। পানি শূন্যতা দেখা দিবে না। প্রতিদিন দুপুরে দিতে পারেন লিটারে ১ মিলি করে।

-: ইন্টারনেট থেকে সংরক্ষিত :-

09/03/2026

AD3e মুরগির ফার্মে সবচেয়ে বেশি ব্যাবহারিতো একটি ঔষধ। এতে রয়েছে মুরগির দেহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৩টি ভিটামিন - ভিটামিন A ভিটামিন D এবং ভিটামিন E... যা মুরগির দেহে সঠিক ভাবে গঠনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।।

>>> AD3e এর কাজ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ভিটামিন A ও E শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে।
>> মুরগিকে যে কোন ভ্যাকসিন দেওয়ার আগে ও পরে ব্যাবহার করতে হয়।এটি ব্যাবহারে ভ্যাক্সিন এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।।
>> মুরগি কৃমি নাশক করানোর পর ব্যাবহার করতে হয়।
>> মুরগির হাড় মোটা ও শক্তিশালী করে তাই বাচ্চার বয়স ৬ দিন থেকে ৯ দিন অবধি ৩ দিনের ডোজ দিতে হয় যেন মুরগির বাচ্চার হাড় সঠিক ভাবে গঠণ হয়।।
>> মুরগির ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধি করে।।
>> মুরগির মাংসের উৎপাদন উদ্ধি করে।।
>> মুরগির হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
>> রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
>> ভিটামিন D₃ ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়ায়, ফলে রিকেটস ও পা বাঁকা হওয়া কমে।

-: ইন্টারনেট থেকে সংরক্ষিত :-

01/03/2026

ফার্মের মুরগি কেনার সময় নিশ্চিত করুন যে এটি বিশ্বস্ত এবং সুরক্ষিত উৎস থেকে এসেছে। অর্গানিক বা ফ্রি-রেঞ্জ মুরগি খাওয়া ভালো। কারণ এগুলোতে সাধারণত রাসায়নিক পদার্থ কম থাকে।

ফার্মের মুরগি দ্রুত বড় করার জন্য ও ডিমের আকার বাড়াতে অনেক সময় অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ও হরমোন ব্যবহার করা হয়।

মুরগিতে ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ মাংসে থেকে যায়যা নিয়মিত খেলে মানুষের শরীরে থাকা ব্যাকটেরিয়া ওই ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে ওঠে। ফলে ভবিষ্যতে সাধারণ ইনফেকশনে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না।

দ্রুত বৃদ্ধির জন্য কিছু ক্ষেত্রে হরমোন ইনজেকশন ব্যবহার করা হয় যা মানুষের বিশেষ করে নারীদের হরমোন সিস্টেমে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

ইন্টারনেট থেকে সংরক্ষিত

01/03/2026

মুরগিকে অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়ানোর পর সাধারণত ৭ থেকে ১৪ দিন (১-২ সপ্তাহ) পর্যন্ত ডিম ও মাংস খাওয়া নিরাপদ নয় যাকে 'উইথড্রয়াল পিরিয়ড' বা 'প্রত্যাহার কাল' বলা হয়। ঔষধের ধরন অনুযায়ী এই সময় কম-বেশি হতে পারেতাই ঔষধের মোড়কে লেখা নির্দেশনা বা চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা জরুরি।

ইন্টারনেট থেকে সংরক্ষিত

17/02/2026

দেশি মুরগির ডিম

-: ইন্টারনেট থেকে সংরক্ষিত :-

দেশি মুরগির ডিম উচ্চমানের প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, এবং ভিটামিন (এ, ডি, ই) ও ক্যালসিয়ামের চমৎকার প্রাকৃতিক উৎস। এটি সহজে হজম হয়, চোখের স্বাস্থ্য (লুটিন ও জিয়াজ্যান্থিন) রক্ষা করে, হাড় মজবুত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে কম ক্ষতিকারক চর্বি ও পুষ্টিগুণ বেশি থাকায় এটি হৃদরোগ ও মেদ কমানোর জন্য সুষম খাদ্য ।
দেশি মুরগির ডিমের প্রধান উপকারিতা:
পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য: প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে বড় হওয়ায় দেশি ডিমে ওমেগা-৩ ও অন্যান্য ভিটামিন বেশি থাকে যা হৃৎপিণ্ডের সুস্থতা বজায় রাখে এবং প্রদাহ কমায়।
চোখ ও শরীরের স্বাস্থ্য: এতে উপস্থিত লুটিন ও জিয়াজ্যান্থিন চোখের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা প্রতিরোধ করে এবং উচ্চমানের প্রোটিন শরীর সুস্থ রাখে।
হাড় মজবুত করা: ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের উপস্থিতির কারণে এটি অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করে হাড় মজবুত করে।
হজমযোগ্যতা ও রোগ প্রতিরোধ: এটি সহজে হজম হয় এবং সেলেনিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিন থাকায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কার্যকর।
গর্ভবতী ও শিশুদের জন্য: প্রচুর পরিমাণ ফলিক অ্যাসিড ও পুষ্টি থাকায় এটি গর্ভবতী মা ও শিশুদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে সেরা।
ফার্মের ডিমের তুলনায় এটি কিছুটা ছোট হলেও পুষ্টির দিক থেকে অনেক বেশি স্বাস্থ্যসম্মত।

-: ইন্টারনেট থেকে সংরক্ষিত :-

16/02/2026

কোয়েল পাখির ডিম

-: ইন্টারনেট থেকে সংরক্ষিত :-
কোয়েল পাখির ডিম ছোট হলেও পুষ্টিগুণে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এতে মুরগির ডিমের তুলনায় বেশি প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন এ, বি১ এবং বি১২ থাকে । এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে, রক্তাল্পতা দূর করে এবং উচ্চমানের প্রোটিন থাকার ফলে পেশী মজবুত করতে সাহায্য করে।
🍳 কোয়েল পাখির ডিমের প্রধান উপকারিতা:
পুষ্টিগুণে ভরপুর: আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক, ভিটামিন এ, ই, বি-কমপ্লেক্সের ভালো উৎস।
🍳 মস্তিষ্কের উন্নতি: নিয়মিত কোয়েল ডিম খেলে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।
🍳 রক্তাল্পতা দূর: প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় এটি হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায় এবং রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
🍳 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: শরীরকে সচল রাখে এবং সাধারণ সর্দি-কাশি ও এলার্জির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে।
🍳 হৃদরোগ ও হজম: এতে থাকা ভালো কোলেস্টেরল (HDL) হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায় কাজ করে এবং এটি সহজে হজমযোগ্য ।
🍳 শিশুর বিকাশ: ছোট বাচ্চাদের শারীরিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে সহায়তা করে।
🍳 হাড় মজবুত: ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস থাকার ফলে হাড় ও দাঁত মজবুত করে।
⏰ সতর্কতা: প্রতিদিন ৩-৫টি কোয়েলের ডিম খাওয়া সাধারণত নিরাপদ। তবে যাদের হাই কোলেস্টেরল বা অ্যালার্জিজনিত সমস্যা আছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এটি গ্রহণ করবেন।
💖 ইন্টারনেট থেকে সংরক্ষিত। 💖

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Mymensing?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Mymensing
2200