Md Shariful islam

Md Shariful islam

Share

Md Shariful Islam 01995528998

28/03/2023

"খুব খুশি হলে আমরা কি করি?? "

জোরে দৌড় দিয়ে শূন্যে ঝাঁপ দিই। শূন্যে থাকা অবস্থাতেই বাতাসে ঘুসি দিই। কিংবা আকর্ণ বিস্তীর্ণ হাসি দিয়ে ভি-সাইন দেখাই।

রাসূল (সাঃ) খুশি হলে কি করতেন জানেন? অনেকটা আমরা যা করি তার উল্টোটাই করতেন।

আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, ""রাসূল (সাঃ) যখন খুব খুশি হতেন কিংবা কোনো আনন্দের সংবাদ শুনতেন, তখন সিজদায় লুটিয়ে পড়তেন ""(সুনানে আবু দাউদ, ২৭৭৪)

ইবনুল কায়্যিম (রাঃ) বলেন, ""রাসূল (সাঃ) এবং তাঁর সাহাবারা যখন কোনো আনন্দের সংবাদ পেতেন কিংবা তাঁদের কাছ থেকে কোনো কষ্ট দূর হয়ে যেত,, তাঁরা সিজদায় লুটিয়ে পড়তেন। ""(মুখতাসার যাদুল মা'আদ ১/২৭)

আমাদের সবার জীবনেই এমন খুশির সংবাদ আসে। একটা পরীক্ষায় ফেইল করা নিয়ে আমরা টেনশনে থাকি, তারপর দেখা যায় বেশ ভালোমতোই সে পরীক্ষায় উতরে গিয়েছি।।

অথবা একটি গুনাহ থেকে আপনি বের হতে পারছেন না অনেক চেষ্টা করেও।

তারপর আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে আপনাকে সে গুনাহ থেকে মুক্ত করলেন। এখন আপনি নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়তে পারেন। ফজরের সালাত জামাআতের সাথে পড়তে আর সমস্যা হয় না।

এমন আনন্দদায়ক মুহূর্ত যখন আল্লাহ তা'আলা আপনার জীবনে নিয়ে আসেন, তখন কী করবেন??

★সিজদায় লুটিয়ে পড়ুন ★

কেউ যখন এই সুন্নাহটি পালন করে তখন সে আসলে কী বুঝাতে চাইছে??

সে যেন আল্লাহকে বলছে, পৃথিবীর সবাইকে বলছে, নিজেকে নিজেই বলছে,
"হে আল্লাহ, আমার নিজের ব্যাপারে কোনো ক্ষমতাই ছিল না। আল্লাহ গো, এ জন্যই আমি আমার কপাল মাটিতে বিছিয়ে দিয়েছি। আর কাউকে নয় শুধুই তোমাকে ইয়া রব "

22/03/2023

ফজরের পর ঘুমের অভ্যাস ত্যাগ করতেই হবে, যত কষ্টই হোক। এসময় পড়াশোনাসহ যেকোন কাজ করুন, বরকত পাবেন ইনশাআল্লাহ্।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুআ করেছেন, 'হে আল্লাহ! আমার উম্মতের ভোরবেলার মধ্যে তাদের বরকত দাও।' [আবু দাউদ: হাদিস নং- ২৬০৮]

ইবনুল কায়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, "দিনের প্রথম অংশটি একজন ব্যক্তির যৌবনকালের মত। ভোরবেলায় ঘুম থেকে উঠুন এবং আপনার সকালকে কাজে লাগান।"

যারা ফজরের সলাতই পড়েন না বা পড়তে পারেন না, তারা নিঃসন্দেহে লুজার, হতভাগা। কারণ তাদের ব্যাপারে আল্লাহর কোনো দায় নেই। সহিহ হাদিসে এসেছে, ফজরের সলাত পড়লে ব্যক্তি আল্লাহর যিম্মায় চলে যায়৷


যারা ফজরের সলাত পড়েন তাদেরও বড় একটি অংশ ফজরের পর আবার বিছানায় গা এলিয়ে দেন। এটি বাদ দিতে হবে। কারণ ফজরের পরের সময়টাতে রিযিক বণ্টিত হয় মর্মে সালাফগণের উক্তি আছে। এ সময়ে ঘুমানো মানে নিজের লস। এছাড়া মুসলমানদের ঐতিহ্যই হলো, ফজরের পর দীর্ঘ সময় নিয়ে যিকর করা ও কুরআন তিলাওয়াত করা। এগুলোর দ্বারা দিনটা শুরু করতে পারলে মনটা অন্যরকম প্রশান্তিতে ভরে ওঠে।

রাতের বেলায় অবশ্যই ১১/১২ টার মধ্যে ঘুমাতে হবে। সম্ভব হলে ১০-টার মধ্যে। তাহলে ইনশাআল্লাহ্ ফজরের পরের ঘুম বাদ দেওয়া সম্ভব হতে পারে। আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের আলস্য দূর করুন। আমীন।

22/03/2023

*ভাল কাজের যে কোন পদক্ষেপেই লাভ*

হযরত থানবী (রহঃ) ইরশাদ করেন, পবিত্র কুরআনে ঐসব লোকের প্রশংসা করা হয়েছে যারা শেষ রাতে আল্লাহ পাকের ইবাদত করার জন্য নিজেদের বিছানা পরিত্যাগ করে। পবিত্র কুরআনের বাণী—

تتجا في جنوبهم عن المضاجع

অর্থাত, তাদের পার্শ্বদেশ বিছানা থেকে (ইবাদতের জন্য) পৃথক হয়ে যায়।

এই আয়াত দ্বারা মূলতঃ এ বিষয়টিকেই বুঝানো হয়েছে, এর প্রকৃত লক্ষ্যস্থল ঐ সকল লোকেরাই যারা বিছানা ছেড়ে উঠে উযূ করে নামায ও বিভিন্ন ইবাদতে লিপ্ত হয়ে যায়। কিন্তু যদি কোন ব্যক্তি দ্বীনী ব্যাপারে
দুর্বল কিংবা শারীরিক দুর্বলতা বা অলসতার কারণে এতটা করতে নাও পারে বরং যদি শুধু বিছানার উপর উঠে বসে যায় এবং কয়েক মিনিট আল্লাহ পাকের যিকির-তাসবীহ পাঠ করে তবে আশা করা যায় এ সূরত অবলম্বন করার কারণে ঐ পূর্ণ আমলের সওয়াবের কিছুটা হলেও সে লাভ করবে ইনশাআল্লাহ।

📖 মাজালিসে হাকীমুল উম্মত ||| পৃষ্ঠাঃ ১১৭

21/03/2023
03/03/2023

বিয়েতে আল্লাহর সাথে নাফরমানির তালিকাঃ

১. বলা হলো নিজে গিয়ে মেয়ে দেখতে, আমরা শুরু করলাম সবাই মিলে দেখতে!
২. বলা হলো মেয়ে দ্বীনদার কি না দেখতে, আর আমরা শুরু করলাম মেয়ে সুন্দর কি না দেখতে!
৩. বলা হলো ছেলের দ্বীনকে প্রাধান্য দিতে, আর আমরা শুরু করলাম ছেলের টাকা-পয়সাকে প্রাধান্য দিতে!
৪. বলা হলো নিজের পছন্দ মতো মেয়ে দেখে বিয়ে করতে, আর আমরা শুরু করলাম অন্যের মন রাখতে !
৫. বলা হলো মেয়ের মতামত নিয়ে বিয়ে দিতে, আর আমরা শুরু করলাম নিজের ইচ্ছাতে বাধ্য হয়ে বিয়ে দিতে!
৬. বলা হলো কম খরচে বিয়ে করতে, আর আমরা শুরু করলাম আনুষ্ঠানিকতার নামে টাকা অপচয় করতে!
৭. বলা হলো মসজিদে বিয়ে করতে, আর আমরা শুরু করলাম সেন্টারে শুটিং করে বিয়ে করতে!
৮. বলা হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিয়ে করতে, আর আমরা শুরু করলাম নিজের স্বার্থের জন্য বিয়ে করতে!
৯. বলা হলো ছেলে পক্ষ ওয়ালীমা করে মানুষকে খাওয়াতে। আমরা শুরু করলাম মেয়ের বাবার উপর জুলুম করে খাইতে!
১০. বলা হলো স্ত্রীর মোহরানা পরিশোধ করতে, আর আমরা শুরু করলাম যৌতুক নিতে!
১১. বলা হলো দ্রুত বিয়ে করতে, আমরা শুরু করলাম পিছিয়ে বিয়ে দিতে!
১২. বলা হলো বিয়েকে সহজ করতে, আমরা শুরু করলাম কঠিন করতে!
১৩. বলা হলো নতুন বউকে দেখে দু'আ করতে, আমরা শুরু করলাম হাতে টাকা ধরিয়ে দিতে!
১৪. বলা হলো স্বামীকে সম্মান করতে, আর আমরা শুরু করলাম নিজের ইচ্ছাতে নিয়োজিত করতে!
১৫. বলা হলো স্ত্রীকে ভালোবাসতে, আমরা শুরু করলাম শালীর সাথে মিশতে!
১৬. বলা হলো স্ত্রীর সাথে সুন্দর করে কথা বলতে, আমরা শুরু করলাম দাসীর মতো আচরণ করতে!
১৭. বলা হলো দেবর থেকে দূরে থাকতে, আমরা শুরু করলাম দেবরের সাথে ফাজলামিতে মেতে উঠতে!
১৮. বলা হলো স্বামীর জন্য সাজতে, আমরা শুরু করলাম রাস্তার ছেলের কামনার বস্তু হতে!
১৯. বলা হলো স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে, আমরা শুরু করলাম তাকে নিয়ে বাজারে বেড়াতে!
২০. বলা হল সামর্থ্যহীন দ্বীনদার পুরুষগণ ফেতনা হতে বাঁচতে কলমা (ইজাব-কবুল) করে রাখবে, আর আমরা শুরু করলাম engagement / Registry (বিজাতীয় প্রথা) করে রাখতে।
আরো এইরকম হাজার ঘটনা আছে যা আমরা সবসময় উল্টোটা করেই থাকি। আমাদের কারণেই বিয়ে দিন দিন কঠিন হয়ে গেছে। বিয়েতে বরকত কমে গেছে। সংসারে অশান্তি লেগেই থাকছে। দিন দিন বাড়ছে তালাকের সংখ্যা।
আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করুন। আল্লাহুম্মা আমিন।
(সংগৃহীত)

Md Shariful Islam 28/12/2022

ইব্রাহীম আ: কখনও একা খেতেন না । ঘর থেকে বের হয়ে একজন দাওয়াত করে নিয়ে এসে নিজের খাবারটুকু তার সাথে শেয়ার করতেন ।

এক রাতে কাউকে পেলেন না, অবশেষে যাকে পেলেন সে ছিল মুশরিক । খাবার শুরুর আগে সে মুশরিক তার দেবতার নাম নিল । তা শুনে ইব্রাহীম আ: রাগ করে তাকে খেতে না দিয়ে উঠিয়ে দিলেন ।

আল্লাহ সুবহানুওয়াতায়ালা তা পছন্দ করেননি । ইব্রাহীম আ: কে বললেন :

“আমাকে না ডাকলেও চল্লিশ বছর ধরে আমি তাকে খাওয়াচ্ছি ! তুমি এক বেলা সহ্য করতে পারলে না ?”

ইব্রাহীম আ: সাথে সাথে বেড়িয়ে গেলেন । এবং খুঁজে নিয়ে মাফ চেয়ে ঘরে নিয়ে এলেন ।

সে মুশরিক কারণ জানতে চাইলে ইব্রাহীম আ: বুঝিয়ে বললেন । সে মুশরিক মুসলিম হয়ে গেল ।

আল্লাহ সুবহানুওতায়ালা এতই দয়ালু-

যে তাকে অস্বীকার করে,
তার মাথার উপরও ছাদ দিয়ে রেখেছেন ।
প্রিয়তমা স্ত্রী সন্তান দিয়েছেন ।
রৌদ্রের আলো, গাছের ছায়া, অক্সিজেন, সুস্বাদু খাবার -বলে কি শেষ করা যাবে !

আপনি সারাদিন আল্লাহকে ভুলে আছেন , তবুও দিন শেষে বাসায় ফেরার পর প্রিয়তম সন্তানকে আল্লাহ সুবহানুওতায়ালা আপনার কোলে পাঠিয়ে দেন, দৌড়ে এসে চুমু খায় ।
আল্লাহ কেড়ে নেন না কিছুই ।

আল্লাহু আকবর !!!

মহানবী সা: একবার এক মাকে দেখলেন তাঁর সন্তানকে পরম যত্ন নিয়ে পরিচর্যা করছেন । তিনি সাহাবাদের দেখিয়ে বললেন , তোমরা কি ভাবতে পার এই মা তাঁর সন্তানকে আগুনে নিক্ষেপ করবে ?

সাহাবারা বললেন , একজন মা কখনই এটা পারে না ।

নবী সা: বললেন, এই মায়ের তার সন্তানের প্রতি যে ভালবাসা, এর চেয়ে অপরিসীম ভালবাসেন আল্লাহ তার সৃষ্টিকে ।

আল্লাহ চাইলে প্রত্যেকটা মানুষকে তাঁর ইবাদতে বাধ্য করতে পারতেন । মানুষ ডাকলে আল্লাহ সুবহানুওতায়ালার শ্রেষ্ঠত্ব বাড়ে না, না ডাকলে কমেও না ।

দিনের পর ভুলে থাকা মানুষটাকে মালিক সুযোগ দেন । যদি সে ফিরে আসে ! মালিক চান না তাঁর আদরের সৃষ্টি দোজখের ভয়াবহ আগুনে পুড়ুক ।

সারা জীবন পাপ করা মানুষটিও মাফ পেয়ে যায় যদি সে ফিরে আসে, আল্লাহ কিছুই মনে রাখেন না ।

সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী ।

আমরা ভাবি ‘সময়’ আছে !

আমার বাড়ী, আমার গাড়ী, আমার জমানো সম্পদ এক মুহুর্তেই হাত বদল হয় !

বদলে যায় বাড়ীর ‘নামফলক’ !

*আন্তর্জাতিক ইসলামিক গ্রুপে*
*প্রতিদিন ঈমান আমল সংক্রান্ত বিভিন্ন উপকারী পোস্ট পেতে নিচের লিংকে জয়েন হয়ে সাথে থাকুন।*

অর্পাকে চেনেন?
আরে অর্পা! আপনার বোন। চেনেন না ওকে?
আচ্ছা চিনিয়ে দেই।
নাম অর্পা সাহা। ময়মনসিংহের মেয়ে। বয়স ১৯/২০। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা, যেভাবে ইচ্ছা হিদায়াত করেন। অর্পা তাওহীদের চিরন্তন সত্যকে চিনতে পারে কিছু ইসলামী বই পড়ে । আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ)-কে ভালোবেসে অর্পা ইসলাম গ্রহণ করে।
ডিসেম্বরের ৫ তারিখ ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অ্যাফিডেভিট করে অর্পা আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের নাম ও ধর্ম পরিবর্তন করে। ওর নাম এখন ফাতেমা রাহমান।
কিন্তু ফাতেমা তার পরিবারের পক্ষ থেকে বাঁধার সম্মুখীন হয়। ওর ওপর নির্যাতন করা হয়। শিরক ছেড়ে তাওহীদ গ্রহণ কারণে পরিবারের কাছে নির্যাতিত হওয়া...সাহাবী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম) এর সময়ের মতো পরীক্ষা।
১০-ই ডিসেম্বরে অর্পা ফাতেমা জিডি করে। পরিবারের পক্ষ থেকে শারীরিক অত্যাচার ও হত্যার আশঙ্কার কারণে। তারপর মুসলিম বোনের ঘরে আশ্রয় নেয় ও।
সেই বাসা থেকে ফাতেমাকে “জিজ্ঞাসাবাদের জন্য” থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সেখান থেকে জোর করে ফাতেমাকে তুলে দেয়া হয় তার বাবা-কাকার কাছে। সেই বাবা-কাকা যাদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে ফাতেমা জিডি করেছিল!
পুলিশের কাছে বাবা-কাকা লিখিত দেয়, ফাতেমাকে স্বাধীনভাবে ইসলাম ধর্ম পালন করতে দেয়া হবে। সবার সাথে যোগাযোগ করতে দেয়া হবে। সে একজন মুসলিম হিসেবে থাকবে।
ফাতেমার বান্ধবীর ভাষ্যমতে, বাসায় নিয়ে যাবার পর ফাতেমাকে পর্দা করতে দেয়া হয়নি। ইসলাম পালন করতে দেয়া হয়নি। বন্ধ করার চেষ্টা হয়েছে সব রকম যোগাযোগও। সেই সাথে চলছে ইসলাম ছেড়ে আসার জন্য মানসিক নির্যাতন।
অর্পার বান্ধবী ১৩ ডিসেম্বর তাকে উদ্ধারের জন্য মামলা করেন। কিন্তু ওয়ারেন্ট আসার পরও প্রশাসন তাকে উদ্ধারের কোন ব্যবস্থা নেয়নি। সাম্প্রতিক ইতিহাসের দিকে তাকালে মনে হয়, এমন কোন ব্যবস্থা নেয়ার সম্ভাবনাও নেই।
এই হল অর্পা বা ফাতেমার গল্প।
১১ তারিখ থেকে, আজ প্রায় দু সপ্তাহ আমাদের বোনটা বন্দী। এই দুই সপ্তাহ সে সালাত আদায় করতে পেরেছে কি না, জানি না। এই দিনগুলো, এই রাতগুলো কিভাবে কেটেছে মেয়েটার?
ফাতেমার জন্য আমার, আপনার কিছু কি করার নেই? একটা মানুষকে নির্যাতন করা হচ্ছে কারণ সে বলছে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ – এই মানুষটা কি আমাদের সাহায্য পাবার যোগ্য না? সাহায্য করা কি আমাদের দায়িত্ব না?
হ্যাঁ, আপনার সামর্থ্য কম। আমি জানি। আমার সামর্থ্যও কম। কিন্তু কম হলেও কিছু তো সামর্থ্য আছে। আর কিছু না হোক, আপনি ফাতেমার খবরটা নিজের পরিচিত সবার কাছে পাঠাতে পারবেন। সবাইকে এ নিয়ে কথা বলতে বলতে পারবেন। আমার সবাই মিলে চাইলে পুরো বাংলাদেশকে ওর কথা জানিয়ে দিতে পারবো।
মসজিদের মিম্বরে, ওয়াজের মঞ্চে, বন্ধুদের আড্ডায়, ফেইসবুকের পোস্টে কিংবা লাইভে অর্পার কথা বলতে পারেন। যারা পত্রিকাতে কাজ করেন, তারা নিউস করতে পারেন। ইউটিউবাররা তারা ভিডিও বানাতে পারেন। ইউটিউবারদের পরিচিতরা তাদেরকে এব্যাপারে কথা বলতে উৎসাহিত করতে পারেন। সেলিব্রিটিও বক্তা এবং দা’ঈরা একটা ৫ মিনিটের ছোট্ট ভিডিও রেকর্ড করতে পারেন। এতো লাইক, ভিউস, ফলোয়ার আর বই দিয়ে কী হবে, যদি আমরা একজন মুওয়াহ্হি‌দাহর জন্য এতোটুকু করতে না পারি?
সাধারণ মানুষদের মধ্যে যাদের প্রভাবশালীদের সাথে যোগাযোগ আছে, তারা অর্পাকে আইনী বা অন্য কোন ভাবে সাহায্য করার ক্ষেত্রেও কাজ করতে পারেন। এর কোন কিছু না পারলে, অন্তত দুআকরতে পারবেন।
সীমিত হলেও এই সামর্থ্যগুলো তো একেবারে কম না, তাই না?
আল্লাহ এমন কোন বোঝা দেন না, যা আমাদের সামর্থ্যের বাইরে। যা আপনার পক্ষে করা সম্ভব না, তা নিয়ে আপনাকে প্রশ্ন করা হবে না। কিন্তু যতোটুকু আপনার দ্বারা করা সম্ভব, সেটুকু আপনি করেছেন কি না – সেটা নিয়ে অবশ্যই আমাকে এবং আপনাকে প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।
আসুন, আমরা অর্পাকে; আমাদের বোনটাকে, সাহায্য করি। এই উম্মাহর অনেক বড় অংশের জন্য আমরা কিছু করতে পারি না। আমাদের সেই সক্ষমতা নেই। সেটা নিয়ে আমাদের দুঃখ হয়, কষ্ট হয়। কিন্তু অর্পার জন্য কিছু করা সম্ভব। আমরা অন্তত সেই চেষ্টাটা করি। আসুন অর্পার জন্য আওয়াজ তুলি।
আল্লাহ ফাতিমাকে তাওহীদের ওপর, দ্বীনের ওপর দৃঢ় রাখুন। তাকে শিরক এবং কুফর থেকে হেফাযত করুন। আল্লাহ আল-কাহির, আল-কাহির, তিনি সকল কিছুর ওপর শক্তিশালী। যদি আমরা আমাদের চেষ্টাটুকু করি, তাহলে তিনি চাইলে অবশ্যই সফল হওয়া সম্ভব।

লেখা :............ .....Follow this link to join my WhatsApp community:

Md Shariful Islam WhatsApp Group Invite

28/12/2022

*যখন আমাদের নারীরা শিক্ষিত*

একবার আন্দালুসে সেই সময়ের খলিফা তার ছেলেকে বিয়ে করানোর জন্য পাত্রী খুঁজতে চাইলেন, আর তিনি কোন সাধারণ পাত্রী খুঁজছিলেন না। তিনি চাচ্ছিলেন না, যেনতেন মেয়েকে তার ছেলে বিয়ে করুক। তিনি সাধ্যের মধ্যে সবচেয়ে ভালো মেয়ে খুঁজছিলেন। তাই তিনি কর্ডোভা শহরে ঘোষণা করলেন যে, কোন পরিবারে যদি বিবাহ উপযোগী মেয়ে থাকে আর, সে যদি কুরআন এর হাফেজা এবং বিয়ে করতে ইচ্ছুক হয়, তাহলে তারা যেন আজ রাতে জানালার পাশে প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখে।

বলা হয়, সেই রাতে গোটা শহর আলোকিত হয়েছিল। আল্লাহু আকবার

কারণ সেখানে অনেক তরুণী ছিল যাদের পুরো কুরআন মুখস্থ ছিল! খলিফা বললেন ভালো, কিন্তু আমার ছেলেতো এত মেয়েকে বিয়ে করতে পারবেনা! তাই তিনি পরদিন ঘোষণা করলেন যাদের বিয়ে দেবার মত মেয়ে আছে এবং কুরআন এর পাশাপাশি অন্য কোনও ফিকহের কিতাব যেমন, মালেকি ফিকহ (সেখানে মালিকি ফিকহ জনপ্রিয় ছিলো) এর কোন বই মুখস্থ আছে তারা যেন আজ রাতে জানালার পাশে প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখে। বলা হয়ে থাকে, আগের মত না হলেও প্রায় গোটা শহর আলোকোজ্জ্বল ছিল! আল্লাহু আকবার!

আমার ভয় হয়... যদি আমাদের গোটা উম্মাহকে আজ এমন নারী খুঁজে বের করতে বলা হয় যে, কোরআন এর পাশাপাশি মালেকি বা যে কোন ফিকহ এর একটি বই মুখস্থ করেছে, তাহলে দেখা যাবে জানালার পাশে হয়ত একটি প্রদীপও জ্বলতে দেখা যাবেনা!

এটা আমাদের উম্মাহর বর্তমান অবস্থা বলে দেয়। এবং এটি একটা সংকেত যে, যখন আমাদের নারীরা দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত থাকে তখনই উম্মাহ শক্তিশালী হয়।

আর পুরুষদের বেলায়, তারা তো বেশিরভাগ সময় শিক্ষিত হয় কেননা তাদের হতে হয়, যেমন আমাদের সব সময় একজন ইমাম লাগবে, কিন্তু উম্মাহর সত্যকার পরীক্ষা হল মেয়েদের শিক্ষিত করা, আপনি দেখবেন বিশ্বের অনেক জায়গায় নারীরা এমন কি মসজিদেও যেতে পারেনা, মসজিদেও তাদের জায়গায় নেই! তাদের শিক্ষিত করা তো দূরের কথা সে জানে কিভাবে রান্না করতে হয় বাসা পরিষ্কার করতে হয়, মাশা'আল্লাহ খালাস! আমাদের এটাই যথেষ্ট না, তাদের অবশ্যই শিক্ষিত হতে হবে, এর জন্যই আন্দালুস উম্মাহর অন্যতম উচ্চ শিখরের প্রতীক ছিলো।

দরকার হলো ইসলামকে জানা, না আমি বলছিনা তাকে বিশ্ববিদ্যালয় যেতে হবে এবং আর্টস পড়তে হবে, অ্যাকাউন্টিং পড়তে হবে। আমি ইসলাম সম্পর্কে বলছি, আমি বলছি তাকে ইসলামি হালাকায় যেতে এবং দ্বীনকে জানতে বলছি। আমাদের অবশ্যই এটা করতে হবে কারণ সে একটা জাতিকে গড়ে তুলবে, একজন বাবা সব সময় বাসায় থাকে না সন্তানের লালনপালনের জন্য। মা থাকেন, তিনি যদি দ্বীন সম্পর্কে নাই জানেন তাহলে তার সন্তানকে কি জানাবেন ? এটাই আমাদের অবস্থার মাপকাঠি! আর উম্মাহ হিসাবে আমরা অনেক অসুস্থ, মেয়েরা ইসলাম সম্পর্কে কিছুই জানেনা আর পুরুষরাও বেশিরভাগ অজ্ঞ, তাই আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন করতে হবে।

17/12/2022

প্রশ্নঃ
আমি বারবার *হস্তমৈথুন* করি এবং বারবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তওবা করি। এরকম করাটা কি আল্লাহর সাথে বেয়াদবি হয়ে যাচ্ছে । বুঝতে পারছিনা কি করবো ।

উত্তরঃ
*দেখুন*
হস্তমৈথুন একটি মহামারি । এর কারণে মানুষের জীবন-যৌবন , ইমান-আমল সব শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই এর থেকে বেঁচে থাকা অবশ্যক । মানব প্রকৃতি গুনাহের দিকে ধাবিত হবে এটাই স্বাভাবিক । তবে গুনাহ হয়ে যাওয়ার পর মুমিন বান্দা বসে থাকতে পারে না। তাওবা না করা পর্যন্ত তার মনে স্থীরতা আসে না। কাজেই যখনই কোনো গুনাহ হয়ে যাবে সাথে সাথে তাওবা করে নিতে হবে। *আর বারবার তাওবা করা এটাই মুমিনের শান* । তবে তাওবা হতে হবে খাঁটি দিলে। আপনি ওই গর্হিত কাজ পরিহার করে আল্লাহ তায়ালার দরবারে তাওবা করে ফিরে আসুন । এই মহামারী থেকে বাঁচার উপায়
(১) সদাসর্বদা নিজের মধ্যে আল্লাহ তায়ালার ধ্যান ও খেয়াল জাগ্রত রাখুন এবং এই পাপকাজ থেকে বাঁচতে সর্বদা আল্লাহ তায়ালার সাহায্য কামনা করুন। আপনি যেখানেই থাকুন আল্লাহ তায়ালা আপনাকে দেখছেন । আপনি কি আপানার পিতা-মাতা কিংবা উস্তাত-শিক্ষকের সামনে এই গর্হিত কাজ করতে পারবেন ? নিশ্চয়ই না! কেননা , তাদের ভক্তি-শ্রদ্ধা , ভয়-ভালোবাসা আপনাকে এই পাপাচারে লিপ্ত হতে দিবে না। তাহলে যিনি আমার খালিক , আমার মালিক , আমার দিবানিশি, যার সামনে। আমাকে চাইলে যিনি এক মুহূর্তে তুলে নিতে পারেন । যার হাতে আমার জান , যার হাতে আমার প্রাণ-সেই মহান রাজাধীরাজ বিশ্বচরাচরের একচ্ছত্র অধিপতি মহান আল্লাহ তায়ালার সামনে আমি কি করে এই পাপ করি। এই খেয়াল ও অনুভূতি যদি কোনো মানুষের মধ্যে থাকে তাহলে তার দ্বারা ইনশাআল্লাহ কোনো গুনাহ হতে পারে না। আল্লাহ তায়ালা আমাকে আমল করার তাওফিক দান করুন।
(২) অশ্লীল ছবি, ভিডিও, সিনেমা, গেইম এবং যৌনউত্তেজক কোনো বই, গল্প , উপন্যাস, ফিচার, নিউজ পড়া , শোনা এবং দেখা থেকে বিরত থাকুন। পরনারী, গার্লফ্রেন্ড, মামাতো, চাচাতো, ফুফাতো… ইত্যাদী বোনদের সাথে দেখা-সাক্ষাত, একান্ত কথাবার্তা ও অপ্রয়োনীয় আলাপচারিতা পরিহার করুন। মনেরাখবেন *"বাইরের অশ্লীলতাই আস্তে আস্তে আপনাকে ভিতরের অশ্লীলতার দিকে নিয়ে যাবে*
(৩) যথাসম্ভব নিজেকে কোনো না কোনো কাজে ব্যস্ত রাখুন। কারণ অবসরতাই এজাতীয় গুনাহের অন্যতম হাতিয়ার।
(৪) হস্ত মৈথুন খারাপভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই একা একা থাকবেন না। দ্রুত আপনার অবস্থান পরিবর্তন করুন। বসে থাকলে দাঁড়িয়ে যান। শুয়ে থাকলে ওঠে হাঁটাহাঁটি শুরু করুন। আসতাগফিরুল্লাহ্, দুরুদশরীফ, লা হাওলা ইত্যাদী পড়তে থাকুন। শরীয়তে সীমার মধ্য খেলাধুলা করুন। শরীরচর্চা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ছাত্র হলে ক্লাস বন্ধুদের সাথে পড়াশুনা শুরু করুন। লাইব্রেরি বা কফি দোকানে গিয়ে কিছুটা রিফ্রেশ হয়ে আসুন।
(৫) সন্ধ্যায় সময় কখনই ঘুমাবেন না। কিছু করার না থাকলে কুরআন তেলাওয়াত করুন, দ্বিনী বই-পুস্তক পড়ুন।
(৬) যে সময়গুলোতে হস্তমৈথুন বেশী হয় বলে মনে করেন সেই সময়গুলো মার্ক করুন। বাথরুমে বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, হঠাৎ কোনও সময়ে যদি হস্ত মৈথুনের ইচ্ছে জাগে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই কোনো না কোনো শারীরিক পরিশ্রমের কাজে বা ব্যায়াম করতে লেগে যান। যতক্ষণ পর্যন্ত শরীর ক্লান্ত না হয়, এবং হস্তমৈথুন করার শক্তি ও ইচ্ছা নিশেঃষ না হয়, গোসলের সময় হস্তমৈথুনের ইচ্ছে জাগলে শুধুমাত্র ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত সময়ে বাথরুম থেকে বেরিয়ে আসুন।
(৭) নির্জনতা পরিহার করে বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সাথে বেশি বেশি সময় কাটান। হঠাৎ বিছানায় শুয়ে পড়বেন না। যথাসম্ভব কোল বালিশব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
(৮) ফোন, কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের অযাচিত ব্যবহার রোধ করুন।‌ গুনাহ্ বর্জনের প্রবল ইচ্ছাশক্তি এবং আল্লাহ তায়ালার সাহায্যই আমাদের সবচে বড় ও মজবুত হাতিয়ার। সুতরাং, হস্তমৈথুন নামক যৌনবিকৃতি থেকে সবসময় দূরে থাকুন। মহান আল্লাহ্‌ তায়ালার সাহায্য প্রার্থনা করুন এবং তার আজাবকে সবসময় ভয় করুন। রসূলুল্লাহ্‌ ( সঃ ) ইরশাদ করেন, "যে ব্যক্তি আমাকে তার দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী জিনিস (জিহ্বার) এবং দুই পায়ের মধ্যবর্তী জিনিস (যৌনাঙ্গ) নিশ্চয়তা দেবে আমি তার বেহেশতের নিশ্চয়তা দিব ।" (বুখারী ও মুসলিম)

07/08/2022

😢 মৃতেরা কিভাবে বুঝতে পারে যে তারা মারা গেছে?

*"ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!!!*
মৃত ব্যক্তি বুঝতে পারে না যে সে শুরুতেই মারা গেছে। মৃত্যু পরবর্তী ----আত্মীয় স্বজনের কান্নাকাটি, গোসল, কাফনের কাপড় পরানো এমন কি তাকে কবরস্থ করা পর্যন্ত নিজেকে সে মনে করে মৃত্যুর স্বপ্ন দেখছে। তার মনে সবসময় স্বপ্ন দেখার ছাপ থাকে। তখন সে চিৎকার করে কিন্তু কেউ তার চিৎকার শুনতে পায় না।
পরবর্তীতে, যখন সবাই ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং মাটির নিচে একা থাকে, আল্লাহ তার আত্মাকে পুনরুদ্ধার করেন। সে তার চোখ খোলে এবং তার "খারাপ স্বপ্ন" থেকে জেগে ওঠে। প্রথমে তিনি খুশি এবং কৃতজ্ঞ যে তিনি যা দেখেছিলেন তা কেবল একটি দুঃস্বপ্ন ছিল এবং এখন সে তার ঘুম থেকে জেগে উঠেছে। তারপর সে তার শরীরকে স্পর্শ করতে শুরু করে, যা সবেমাত্র একটি কাপড়ে মোড়ানো হয়েছে, অবাক হয়ে প্রশ্ন করে;
"আমার জামা কোথায়, আমার অন্তর্বাস কোথায়?"
তারপর তিনি বলতে থাকেন: " আমি কোথায়, এই জায়গাটি কোথায়, কেনো সর্বত্র ময়লা-কাদার গন্ধ, আমি এখানে কী করছি? তারপর সে বুঝতে শুরু করে যে সে আন্ডারগ্রাউন্ড, এবং সে যা অনুভব করছে তা স্বপ্ন নয়! হ্যাঁ, তিনি সত্যিই মারা গেছেন।
তিনি যতটা সম্ভব জোরে চিৎকার করেন, ডাকেন: তার আত্মীয়রা যারা তাকে বাঁচাতে পারে:
"রাজ্জাক..!!!"
"আব্দুল্লাহ..!!!"
"খাদিজা....!!!!"
"আয়েশা....!!!!"
কেউ তার উত্তর দেয় না। তখন তার মনে পড়ে যে এই মুহূর্তে আল্লাহই একমাত্র ভরসা। তখন তিনি কাঁদেন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকেন-------
"ইয়া আল্লাহ! ইয়া আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা কর ইয়া আল্লাহ...!!!
সে এমন এক অবিশ্বাস্য ভয়ে চিৎকার করে যা সে তার জীবদ্দশায় আগে কখনো অনুভব করেনি।
যদি সে একজন নেক মানুষ হয়,তবে হাস্যোজ্জ্বল মুখের দুইজন ফেরেশতা তাকে সান্ত্বনা দিতে বসবে, তারপর তার সর্বোত্তম সেবা করবে।
যদি সে খারাপ লোক হয় তবে দুইজন ফেরেশতা তার ভয় বাড়িয়ে দেবে এবং তার কুৎসিত কাজ অনুযায়ী তাকে নির্যাতন শুরু করবে।
হে আল্লাহ, আমাদের গুনাহ ক্ষমা করুন, নেক কাজের তৌফিক এবং ঈমান নিয়ে পরকালে পাড়ি দেওয়া নসিব দান করুন,,আমিন।

৬-এসো ইসলামের পথে চলি -৬🌹 11/01/2022

*সূরা মুমিনূন : সফল মুমিনের কয়েকটি গুণ :*

---------------- *[শেষ:পর্ব]*---------------

*সাত : وَ الَّذِیْنَ هُمْ عَلٰی صَلَوٰتِهِمْ یُحَافِظُوْنَ*

যারা নিজেদের নামাযের পরিপূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ করে।

https://chat.whatsapp.com/LaXbWK7Vus80TTYOjeHADQ

সপ্তম বৈশিষ্ট্য হল, মুমিন নামাযের পরিপূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ করে। ‘নামাযের রক্ষণাবেক্ষণ করে’ কথাটা ব্যাপক। এর মধ্যে অনেক বিষয় অন্তভুর্ক্ত। যেমন, পাবন্দির সাথে নামায আদায় করা, কখনো পড়বে কখনো পড়বে না-এমন নয়। সময়মতো নামায আদায় করা। জামাতের সাথে আদায় করা। নামাযের অন্য সকল শর্ত, আদাব ও নিয়ামাবলি রক্ষা করে সুন্দর ও সুচারুরূপে আদায় করা। *(দ্র. তাফসীরে কাবীর ২৩/২৬৩)*

এর জন্য জরুরি হল নামাযের এসকল শর্ত ও আদাব সম্পর্কে ইলম হাছিল করা।

এই সাতটি বৈশিষ্ট্য যাদের মধ্যে থাকবে আল্লাহ্ রাব্বুল 'আলামীন তাঁদের ব্যাপারে সফলতার ঘোষণা দিচ্ছেন এবং সুসংবাদ দিচ্ছেন যে, তাঁরা জান্নাতুল ফিরদাউস লাভ করবে। সেখানে তাঁরা চিরকাল অবস্থান করবে।
লক্ষণীয় বিষয় হল, এই সাতটি বৈশিষ্ট্যের প্রথম ও শেষ উভয়টিই নামাযের সাথে সম্পৃক্ত। এর দ্বারা বুঝা যায় মুমিনের যিন্দেগীর সফলতার জন্য নামাযের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।

আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের সকলকে এই সব বৈশিষ্ট্য অর্জনের তাওফীক দান করুন এবং আপন ফযল ও করমে জান্নাতুল ফিরদাউসের উত্তরসূরি বানিয়ে দিন।আমীন..!

৬-এসো ইসলামের পথে চলি -৬🌹 WhatsApp Group Invite

09/11/2021

আল্লাহ তালাই সর্ব উত্তম সমাধানকারী।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Mymensingh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Mymensingh