Alif Homeo Research Center - SI Shahjahan
আলহামদুলিল্লাহ
অন্যান্য প্যাথির তুলনায় অনেকটাই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা।
টিউবার অর্থ ক্ষয়, মানে দেহের ওজন কমে যাওয়া।খাবার অনুযায়ী যদি দেহে বৃদ্ধি না ঘটে তাহলে ওজন কমে যায়।
যাকে ক্ষয় রোগ বলে।আর ক্ষয় রোগকেই টিউবার মায়াজম বলে।আর এই কমাকেই টিউবারকোলেসিস বলা হয়।এই দোষ আসে দুইভাবে
১.বংশগতভাবে ২.চাপা দেয়া চিকিৎসার মাধ্যমে।আবদ্ধ ঘরে বসবাস, পুষ্টিকর খাদ্যের অভাব ও দূষিত বায়ু ইত্যাদি টিউবারকুলারের কারণ।অধুনা এটাকে টি,বি রোগ ও বলেছেন অন্যান্য প্যাথির লোকেরা।সোরার সাথে অর্জিত সিফিলিস দোষ মিশ্রিত হলে এ দোষ দেখা দেয়।পিতার অন্যায় কুকার্যের ফলে সন্তানের এ সমস্যা হয়।হস্তমৈথুনের ফলে এ রোগ হয় ধর্মীয় অবক্ষয় এর মূল কারণ।হাঁচি কাশি দিলেও কারো কারো বীর্যপাত হয় যারা এ দোষের রোগী।সময়মতো বিবাহ করালে সন্তানদেরকে এ রোগ হতে বাঁচাতে পারবেন।বীর্য ক্ষয় রোগের ফলে অনেকেই তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন ফলে তাদের ঔরষের সন্তানদেরও টিউবার সমস্যা দেখা দেয়।সন্তারা দূর্বল, বিকলাঙ্গ, রুগ্ন হয়ে দুনিয়ায় আসে।তাদের ঔরষের সন্তান কখনো কখনো মৃত হয়ে জন্ম নেয়
আলিফ হোমিও রিসার্চ সেন্টার।
আলাদীনের ছেরাগ
সোরিক রোগীর খাদ্য
সোরার রোগিদের ক্ষুধা যেন লেগেই থাকে।পেটভরা থাকলেও তারা সামনে খাবার দেখলেই খেতে বসে যায়। এদের পেট খালি বোধ হয়।
মাংস খেলে সোরার বীজ সক্রিয় হয়।
সোরার রোগি গরম খাবার চায়। সিফিলিস ঠান্ডা চায়, সাইকোসিসের রোগী মাঝামাঝি খাবার চায়।
পিতা মাতা থেকে সোয়া সন্তানের ভিতরে ঢুকে যায়।
সোরার মন থাকে কল্পনাপ্রবণ, বাস্তবায়ন করেনা আবার সে।
সোরিক রোগীকে বন্ধা দার্শনিক বলা হয়ে থাকে।
চঞ্চলতার ফলে তাকে কখনো সন্তুষ্ট করাই যায় না।
চঞ্চলতার ফলে তাকে কখনো সন্তুষ্ট করাই যায় না।
এরা মেধাবী হয়।
এদের দ্বারা মহৎ কাজ সম্পাদিত হয়।
আবার ব্যর্থতা ওদের পিছু ছাড়ে না।
ওরা দুই প্রকার হয়। সুস্থ চিন্তা যখন করে তখন খুব ভালো কাজ করে অন্যথায় ব্যর্থ হয়।
ওরা দুই প্রকার হয়। সুস্থ চিন্তা যখন করে তখন খুব ভালো কাজ করে অন্যথায় ব্যর্থ হয়।
অন্ধকারে ঘরে একা থাকতে পারে না। ভবিষ্যতে কী যেন একটা হয়ে যাবে এই ভয়ে থাকে
এরা খুব ভীতু হয়,কারণ ছাড়াই ভয় পেতে থাকে।
সোরার বিশেষত্ব হলো তারা দুশ্চিন্তা, চঞ্চলতা ও ভয়।
আলিফ হোমিও রিসার্চ সেন্টার।
হোমিওপ্যাথি আরো এগিয়ে যেত, যদি এতে মেধাবীদের অনুপ্রবেশ ঘটানো যেত।
রোগীলিপির কৌশল।
১.রোগীর নাম,পেশা, ঠিকানা মোবাইল নং ও তারিখ লিখবেন।
২.রোগীর বর্তমান কষ্ট কারণ ও তার ইতিহাস লিখতে হবে।
৩.অতীত রোগ ও তার কারণ অনুসন্ধান করতে হবে
৪.রোগীর বংশগত রোগের ইতিহাস, মা-বাবা,দাদা,দাদি, নানা নানী, ভাই বোন, চাচা জেঠা ও ফুপুদের রোগের ইতিহাস উল্লেখ করতে হবে
৫ ব্যক্তিগত লক্ষণের ২টি দিক আছে
১.শারীরিক
২.মানুসিক
৬.দেহাংগিক লক্ষন,তবে এই লক্ষণে ঔষধ দেয়া যাবে না
খাবার পছন্দ অপছন্দ, কাতরতা: শীতকাতর,গরম কাতর উভয় কাতর
৭ : অর্গানন৮৩নং সূত্র লক্ষ রাখা
প্রত্যেকটি রোগীর ব্যক্তিগত স্বাতন্ত্র্য অনুসন্ধান করিবার জন্য আমি সাধারণভাবে কতগুলি উপদেশ দিব।
তন্মধ্যে যাহা যেই ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক চিকিৎসক তাহা সেক্ষেত্রে অনুসরণ করিবেন।
এই ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পূরবসংস্কার হইতে মুক্তি,ইন্দ্রীয় শক্তির অটুট কর্মক্ষমতা, রোগী পর্যবেক্ষণ মনোযোগ এবং রোগী লিপি অন্কনে বিশ্বস্ততা একান্ত প্রয়োজন।
সংকলনে: আলিফ হোমিও রিসার্চ সেন্টার।
সর্বাধুনিক পদ্ধতিতে হ্যানিম্যানের জ্বলন্ত ,জীবন্ত, যুগান্তকারী আবিষ্কারের ঔষধ হোমিও ঔষধ।
এই হোমিও ঔষধের মাধ্যমে শুধু চেহারা দেখেই মায়াজম নির্ণয় খুবই সহজ।
উক্ত পদ্ধতিতে এখন হতে সেবা দিতে পারব ইনশাআল্লাহ।
মায়াজমেটিক ঔষধের পাশাপাশি লক্ষণ সাদৃশ্যপূর্ণ ঔষধ খাওয়ার নিয়ম পদ্ধতি ও বিস্তারিত জানতে
হোটসএপ 01735770720 এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন।
আমরা আমাদের চিকিৎসা জীবনে মাঝে মধ্যে কিছু অদ্ভুত ধরনের রোগী পাই,তা অনেক সময় আমাদের ও বিস্মিত করে।
আওয়াজ, চিৎকার, ঝামেলা সহ্য হয় না,এ লক্ষণে আমাদের লাইকোপোডিয়াম সহ অনেক ঔষধে আছে।
কিন্তু রোগী সামান্যতম আওয়াজ বা শব্দও সহ্য করতে পারে না।
মেঝেতে কারো হাঁটার শব্দ,সামান্য কাগজ ছেঁড়ার শব্দও সহ্য করতে পারে না।
এ লক্ষনে এসারাম ইউরোপাম ও থেরিডিয়ন কুরাসিভাম ঔষধ দুটির কথা মনে করবেন।
মেটেরিয়া মেডিকা হতে পড়ে অন্যান্য লক্ষনের প্রার্থক্য আলাদা করে নেবেন।
ডাঃ মুহাঃ মহিব্বুর রহমান।
৩০-৯-২০২২.
জন সচেতন মূলক পোস্ট...❗
নীরবে মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছে...
'চোখ উঠা' বা 'ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস'।
করণীয়ঃ
✔ আক্রান্ত ব্যক্তি সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
✔ চোখ লাল হয়ে গেলে জনসমাগম এড়িয়ে চলুন।
✔ চোখে হাত লাগাবেন না।
✔ চোখে পানি দিবেন না।
✔ উজ্জ্বল আলো কিংবা সূর্যালোকে কালো চশমা কিংবা সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
✔ চোখের পাতা ফুলে গেলে শুকনো গরম সেঁক দিতে পারেন।
✔ ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন কাপড়চোপড়, গ্লাস, প্লেট, গরম পানি দিয়ে ধৌত করুন এবং আলাদা রাখুন।
✔ কোনো অবস্থাতেই ফার্মেসী বা ঔষধের দোকান থেকে নিজে নিজে ঔষধ কিনে ব্যবহার শুরু করবেন না। চোখ অত্যন্ত সংবেদনশীল অঙ্গ। নিজে নিজে ডাক্তারির ফলে চোখের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
সাধারণত জটিল কোনো উপসর্গ না থাকলে ৭-১০দিনের মধ্যেই এটি সেরে যায়।
কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন?
✔ চোখ থেকে অনবরত পানি ঝরতে থাকলে
✔ কেতুরের জন্য চোখ খুলতে অসুবিধা হলে
✔ চোখে পুর্বের চাইতে ঝাপসা দেখলে
✔ চোখে ব্যথা শুরু হলে
হোমিওপ্যাথি ঔষধে এর সুন্দর সমাধান রয়েছে।
Upharesia 30
ও অন্যান্য ঔষধ।
হে প্রভু সবাইকে রক্ষা করুন...
১।রোগীনির বয়স ২৮,
২। সমস্যা পলিসিস্ট,
৩।মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা,
৪।সারা শরীর ব্যথা,
৫।সাদা স্রাব আছে।
৬।বন্ধাত্ব্য ৭ বছর ধরে বাচ্ছা হয়না।
৭.রোগীর টনসিল সমস্যা আছে ক্রনিক
৮. মাসিকের সময় বুকে ব্যথা হয়
৯.শীতকাতর
১০.সহবাসের সময় ব্যাথা পায়
১১.কোমরের যন্ত্রণা
১২.জরায়ুর দূর্বলতা
সিফিলিনাম ১০০০
পরে কোনিয়াম ২০০ সেবনে রোগ ভালো হবে। ইনশাআল্লাহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
কৈলাটী , হালুয়াঘাট
Mymensingh
61124
