Shifa Dawakhana
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shifa Dawakhana, Health/Beauty, Nabiganj.
শরীরে কখন কি ঘটলে কি ঔষধ খাবেন
******************************
⚕️১. আঘাত পেয়ে যেকোন রোগ হলে- Arnica
⚕️২. হঠাৎ আসা তরুণ বা যেকোন রোগে- Aconite
⚕️৩. গলায় মাছের কাটা বিধলে-Silicia 200
⚕️৪. ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে গেলে-Staphysagria
⚕️৫. পিন , তারকাটা , পেরেক , লোহা বিধলে-Ledum Pal 200
⚕️৬. অতিরিক্ত হাঁচি আসলে-Natrum Mur 30
⚕️৭. যানবাহনে চড়ে বমি হলে-Cocculus Ind
⚕️৮. ঘুমের মাঝে নাক ডাকলে- O***m
⚕️৯. ঘুম না আসলে- O***m
⚕️১০. অত্যধিক ঘুমের জন্য লেখা পড়ার ক্ষতি হলে-Ferrum Phos 3x
⚕️১১. চোখের পাতায় বার বার অঞ্জলি/তেলেঙ্গা হলে-Staphysagria
⚕️১২. যেকোন স্থানে , যেকোন ব্যথায় -Mag phos 6x
⚕️১৩. ক্ষুধা ও বলশক্তি বৃদ্ধির জন্য-Nux Vom Q
⚕️১৪. খাবারে রুচি না থাকলে-Amloki Q
⚕️১৫. শরীরের কোন স্থান কেটে রক্তপাত ঘটলে-Calendula Q ( বাহ্যিক )
⚕️১৬. বর্ষা/বৃষ্টির কারণে যেকোন রোগ হলে-Rhus Tox
⚕️১৭. আমাশয় হলে-Merc Sol
⚕️১৮. আমাশয়ে রক্ত গেলে-Merc Cor
⚕️১৯. শরীরের যেকোন স্থান দিয়ে টাটকা লাল রক্ত স্রাব হলে-Sinaberis
⚕️২০.খুব সর্দি কাশি হলে {বিশেষ করে জলের মত সর্দি হলে}আর খুব কাশি হলে --Arsenic 30 , Myrica Q
⚕️২১. কি ঔষধ প্রয়োগ করবেন না জানলে-NuxVom- 30
⚕️২২. নড়াচড়া বা চাপলে আরাম-RhusTox
⚕️২৩. চুপচাপ থাকলে আরাম-Bryonia Alb
⚕️২৪. স্কুল কলেজ/অবিবাহিত যুবকদের কামরিপু দমনের জন্য Cantharis
⚕️২৫. গায়ক/বক্তার স্বর ভেঙ্গে গেলে-Custicum/Arg Nit
⚕️২৬. স্মরণশক্তি লোপ পেলে-Anacardium
⚕️২৭. খিটখিটে মেজাজ বদ-রাগি লোকদের যেকোন রোগে-Camomila
⚕️২৮. আগুন, গরম ও রৌদ্রজনিত যেকোনো রোগে বা সমস্যায়-Glonoine
⚕️২৯. শুঁচিপায়ি রোগির জন্য- Syphillinum-10m
⚕️৩০. বাচ্চারা বিছানায় প্রস্রাব করলে-Cina
⚕️৩১. মৌমাছি হুল ফুটালে-Apis Mel
⚕️৩২. চুন খেয়ে জিহ্বা পুড়লে/সমস্যা হলে-Causticum
⚕️৩৩. পিঠে ব্যথায়-Lycopodium
⚕️৩৪. ঘাড় ব্যথার জন্য-Conium
⚕️৩৫. দুরগন্ধযুক্ত যেকোন স্রাব হলে-Achinesia
⚕️৩৬. সোরাইসিসের জন্য-Gynocardium Q
⚕️৩৭. যা খায় তাই বমি করে , কোন খাবার হজম হয়না-Symphoricur pus 30
⚕️৩৮. মাথায় যন্ত্রনা বা ব্রেনের যেকোন সমস্যায় - Kali Phos 6x
⚕️৩৯. মহিলাদের জরায়ু ঝুলে গেলে-Sipia 200
⚕️৪০. মহিলাদের তল পেটে ব্যথা হলে-Colophylom Q
⚕️৪১. প্রস্রাব ধারনে অক্ষমতা-Causticum 200
⚕️৪২. গুরুপাক খাবার খেয়ে অসুখ হলে-Pulsitilla
⚕️৪৩. যেকোনো বাতের জন্য -Guacum
⚕️৪৪. শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে-Calcaria phos-6x
⚕️৪৫. শরীরে আইরনের অভাব হলে-Ferum phos-6x
⚕️৪৬. শরীরে মাল্টিভিটামিনের প্রয়োজন হলে- Five Phos
⚕️৪৭. ছাত্র-ছাত্রীদের পড়তে গেলে মাথাব্যথা-Calcaria phos
⚕️৪৮. রোগী কথায় কথায় “ যদি ” শব্দ থাকলে- Arg Nit 200
⚕️৪৯. মুখ ও গলার ভিতর যেকোন রোগে- Marc Sol
⚕️৫০. ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার ঔষধ- Eupatorium Perfoliatum
⚕️৫১. হৃদরোগের মহা ঔষধ- Crataegus Oxyacanth.
⚕️৫২."গ্যাস জনিত সমস্যায় "----carboveg 30
⚕️৫৩.আঁচিলের জন্য- থুজা mother. Causticum 30
⚕️৫৪.লিভারের সমস্যায় - cheledonium mother.
⚕️৫৫.অত্যাধিক acid কমানোর জন্য - আইরিশ ডার্স্
- 30
⚕️৫৬.বাঁদিকে মাইগ্রেন সমস্যায়- স্প্যাইলেজিয়া 30
⚕️৫৭.ডানদিকে মাইগ্রেন সমস্যায় sancan 30
⚕️৫৮.দাদের সমস্যায় টেলুরিয়াম 30, Grafitish ointment
Enlargement of liver -cheledonium mother
⚕️৫৯.খিঁচ ব্যাথায় Rush tox 30
⚕️৬০.আক্কেল দাঁতের সমসঘ Merc sol 30
⚕️ ৬১.পাতলা পায়খানা (এলো আর গেল)
pulsatila 30 (জলে গুলে এক চামচ আধ ঘণ্টা/ এক ঘন্টা অন্তর)
Normal influenza Acconite 30
⚕️৬২.সর্দি-জ্বরে Beledona 30
⚕️৬৩.খুব শ্বাসকষ্ট হলে Vanadium 30, yarbasanta mother (বিশেষ ক্ষেত্রে প্রজয্য)
⚕️৬৪.পুরাতন ক্ষত-- আর্জেন্টটিকাম
নাইট্রিকাম 30
⚕️৬৫. পিঠে ও কোমরে ব্যথা-লাইকোপডিয়াম 30
⚕️৬৬.পায়ের ডিমে টেনে ধরা বা কোন শিরা স্টিফ হয়ে গেলে ---এমন কার্ব 30
⚕️৬৭.ঘামাচি হইলে---আর্টিকা ইউরেন্স 3x.এন্টিম ক্রুড 30
⚕️৬৮.গ্যাসটিক আলসার Acid carbolic 30, আর্জেন্টটিকাম নাইট্রিকাম 30,
ক্যালি বাইক্রম 30
(ডাক্তার বাবুর পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা
উচিত ।)
🙏🙏🙏
14/02/2026
With Emili Akter – I'm on a streak! I've been a top fan for 5 months in a row. 🎉
ধ্বজভঙ্গ রোগ বা পুরুষত্বহীনতা।
ইংরেজি ভাষায়ঃ-Impotence, ইউনানী চিকিৎসা ভাষায়:- যওফে বাহ্।
প্রধান লক্ষণ:-
লিঙ্গ শক্ত হবেনা, নরম ও শিথিল থাকবে।
কারো কারো পুরুষাঙ্গের গোড়া ক্ষীণ আগা মোটা বাঁকাতেড়া সরু হয়ে যাবে।
সঙ্গমের ইচ্ছে মোটেও জাগবেনা জাগলেও মুহুর্তে নেতিয়ে পড়বে।
কারো কারো ইচ্ছে হলেও নারীকে আলিঙ্গন করার সাথে সাথে ২-৪ফোটা শুক্রস্খলন হয়ে পুরুষাঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যাবে, এক কথায় যৌন সম্ভোগ করার ক্ষমতা লোপ পাবে।
কিছু কথাঃ-
ধ্বজভঙ্গ বা পুরুষত্বহীনতা হলো পুরুষের প্রধান যৌনোন্দ্রিয় পেনিস বিকলাঙ্গ বা অস্বাভাবিক হয়ে যাওয়া এবং উত্থান না হওয়া, সঙ্গম ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে ফেলা।
ধ্বজভঙ্গ রোগ পুরুষের জন্য এক বিরাট অভিশাপ।
এই রোগের চিকিৎসা করতে যেয়ে অনেকেই আত্মগ্লানিতে ভুগেন, চিকিৎসকের কাছে প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করেন।
পারিবারিক কলহ, বিরহ ও খোটায় অনেকেই আত্মহননের মতো পথ বেছে নেন, সেইসাথে বিষণ্ণতা ও উদ্ভিগ্নতা বাসা বাধে।
কারণ সমূহঃ-
যৌবনের শুরুতে মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন, মাত্রাতিরিক্ত স্বপ্নদোষ, অপ্রাকৃতিক উপায়ে অতিরিক্ত ধাতুক্ষয়, প্রস্রাবের সাথে ধাতুক্ষয়, সমকামিতা বা পায়ুকামিতা, বিভিন্ন প্রকার যৌনবাহিত রোগে ভোগা যেমনঃ-প্রমেহ বা ধাতুসরা রোগ, অতীতে সিফিলিস ও একাধিক বার গনোরিয়ায় আক্রান্ত হওয়া।
এছাড়াও বহুবিদ কারনে ধ্বজভঙ্গ রোগ হতে পারে, দ্রুত বীর্যস্খলন যেসব কারনে হয় ধ্বজভঙ্গ রোগও সেসব কারনে হতে পারে।
অন্যান্য রোগের প্রভাবে দেহের প্রধান অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যেমনঃ-
মস্তিষ্ক, হৃদপিন্ড, লিভার, কিডনিজনিত বিভিন্ন রোগ ও দুর্বলতার কারনেও ধ্বজভঙ্গ হতে পারে।
দেহের স্নায়ুকোষ সমূহ দুর্বল হলে এই রোগ হতে পারে, হস্তমৈথুনে প্রেশার ক্রিয়েট ও হরমোনের অভাবজনিত কারনেও হতে পারে।
শোক-চিন্তা, ভয়-ভীতি, মানসিক অস্থিরতা, অত্যধিক ধুমপান, নেশাপান, অতিরিক্ত চা পান, মিষ্টি ও উষ্ণ স্বভাবের ও অতিরিক্ত স্বেত স্বভাবের খাদ্য বেশি খেলে এই রোগ হতে পারে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কারণ:-
অতিরিক্ত হস্তমৈথুন, সমকামিতা ও অন্যান্য অস্বাভাবিক উপায়ে বীর্যপাত ঘটিয়ে যৌন তৃপ্তি লাভ করা, যার ফলে লীঙ্গের বৈকল্যতা দেখা দেয়, লিঙ্গ ক্ষীণ, বাকা, তেড়া, শৈথিল্যতা, গোড়ার দিক ক্ষীণ, মাথার দিক মোটা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়।
চিকিৎসা ব্যবস্থাঃ-
রোগের প্রকৃত কারণ উৎঘাটন করে তদানুসারে চিকিৎসা করতে হবে।
অন্য কোন রোগের কারনে হলে সেইসব রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরনাপন্ন হতে হবে।
কিছু মেডিসিনঃ-
শুক্র সঞ্জীবনী মোদক ১চামচ করে ২বার ১চামচ মধুসহ।
ট্যাবলেট সিলেনিয়াম ৩ক্স ১টা করে রোজ তিন বার খাবার এক ঘন্টা আগে চুষে।
সিরাপ এভেনা স্যাটাইভা ২চামচ করে রোজ দুইবার খাবার এক ঘন্টা পর আধা কাপ পানিতে মিশিয়ে।
ডিবেক্স অয়েন্টমেন্ট রাতে ঘুমানোর আগে আলতোভাবে পুরুষাঙ্গে মালিশ করতে হবে।
নিয়মিত জিংক ও ভিটামিন ডি3 সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
উপরের মেডিসিন একটানা ২-৩ মাস ধৈর্যের সাথে খেতে হবে, ধ্বজভঙ্গ অনেক কঠিন রোগ।
একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে ডিভোর্স ও পরকীয়ার অন্যতম কারণ যৌন দুর্বলতা, অতৃপ্তি ও দুর্বলতা জনিত কারণে সঙ্গীনিকে এড়িয়ে চলা।।
06/09/2025
মুসতায়ফী জলক (হস্তমৈথুন)।
হস্তমৈথুন বা মাস্টারবেশন এর কুফল।
হস্তমৈথুন কোনো রোগ নয়, ইহা একপ্রকার মোহ ও আসক্তি।
হস্তমৈথুন বা স্বমেহন একরূপ যৌনক্রিয়া যাতে একজন ব্যক্তি কোনো সঙ্গী বা সঙ্গিনীর অংশগ্রহণ ব্যতিরেকেই যৌনসুখ অর্জনের চেষ্টা করে।
আত্মমৈথুন ও স্বকাম এর সমার্থক শব্দ।
এই যৌনক্রিয়ায় প্রধানত আঙ্গুল তথা হাতের সাহায্যে পুরুষ তার লিঙ্গ এবং নারী তার যোনী ঘর্ষণ করে বলে একে সচরাচর “হস্তমৈথুন” হিসেবে উল্লেখ করা হয়ে থাকে।
উঠতি বয়সী তরুণ ও যুবকরা ক্ষণিকের সুখ পাবার জন্য হস্তমৈথুনের মধ্য দিয়ে নিজেদের পুরুষত্বকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন, প্রজনন তন্ত্রকে দুর্বল ও বিকলাঙ্গ করে দিচ্ছেন।
সেইসাথে নিজেদের পুরুষত্বে আঘাত করে পুরুষত্বহীন বা ধ্বজভঙ্গের শিকার হচ্ছেন, পুরুষাঙ্গকে নিস্তেজ করে দিচ্ছেন, যৌবনের শুরুতেই যৌবন হারা হচ্ছেন, বিভিন্ন ধাতুস্থ ও ক্ষয়রোগের সৃষ্টি করছেন।
আজ অনেকেই অতিরিক্ত মাস্টারবেশনের কুফল ভোগ করছেন, মানসিকভাবে দুশ্চিন্তা গ্রস্ত ও হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন।
হস্তমৈথুন ইসলাম সাপোর্ট করেনা, ইসলামের দৃষ্টিতে এটা কবিরা গোনাহ, চিকিৎসা বিজ্ঞান তেমন নিষেধ করে না, তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় অতিরিক্ত মাস্টারবেশন ক্ষতিকর।
অতিরিক্ত মাস্টারবেশনের ফলে মস্তিষ্কে নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়, অনিদ্রা, স্মরণশক্তি লোপ পাওয়া, নিউরালজিক মাথাব্যথা।
শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া, বুক ধরফর করা, লিভারের সমস্যা ও পেটের নানাবিধ পীড়া দেখা দেয়।
সংক্ষিপ্ত আলোচনাঃ-
মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন, ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয়ঃ-মুসতায়ফী জলক, ইংরেজীতে Ma********on.
মাস্টারবেশন কোন রোগ নহে, ইহা বিশেষ ধরণের কূঅভ্যাস, নিজের সাথে নিজের বিকৃত যৌনাচার বা যৌন অত্যাচার, প্রেশার ক্রিয়েট করে বীর্যপাত, ইসলামের দৃষ্টিতে ইহা জঘন্য অপরাধ ও কবিরা গোনাহ এবং নিন্দনীয় কাজ, যৌন বিকাশের পরে এবং যৌবনের পারম্ভে অনেকেই এই খারাপ অভ্যাসে লিপ্ত হন।
হস্তমৈথুন অত্যন্ত খারাপ অভ্যাস, যা সাময়িক আনন্দ লাভের পর মন মানসিকতায় দীর্ঘমেয়াদী অনূশোচনার জন্ম দেয়, যার কুফল মেহরোগ সেইসাথে ধ্বজভঙ্গ রোগ দেখা দেয়।
মানসিক বিষাদ ও অশান্তি, দৈহিক অবক্ষয়, মস্তিস্ক হৃদপিন্ডের দুর্বলতা মাজায় ও কিডনিতে কঠিন সমস্যা দেখা দেয়।
কিছু কারণঃ-
যৌবনারম্ভে স্বাভাবিকভাবে প্রত্যেকের কাছে কমবেশ যৌন উত্তেজনা ও অনুভূতি দেখা দেয়, তখন অনেকেই বেশামাল হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই বদ অভ্যাসে জড়িয়ে পড়েন।
কেউ অশ্লীল যৌন কল্পনা ও যৌনাবেগ সৃষ্টিকারী বই ও নাটক, পর্ণ ফিল্ম ইত্যাদি নিয়মিত দেখলে খারাপ প্রবণতা দেখা দেয়, আবার কেহ বন্ধু বান্ধবের পরামর্শে এই কাজ শুরু করে থাকেন।
যারা মধুর প্রলোভনে কয়েকবার এই কুঅভ্যাস করে ফেলেন তাদের জীবন বেশামাল হয়ে যায়, রাত কিংবা দিন যখন'ই ফুরসত পায় এই অভ্যাসটি চর্চা করতে থাকেন।
একসময় যৌনেন্দ্রিয় আহত হতে থাকে এক পর্যায়ে লিঙ্গ বিকলাঙ্গ এমনকি ক্লিবত্বপ্রাপ্ত হয়।
অনেক রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসা প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়।
পরামর্শঃ-
ভবিষ্যৎ জীবনের প্রতি খেয়াল রেখে এই সর্বনাশা বদ অভ্যাসটিকে ঘৃণাভরে পরিত্যাগ ও প্রত্যাখ্যান করতে হবে।
বলিষ্ঠ মনে প্রত্যয়ের সঙ্গে প্রতিজ্ঞা করতে হবে যেন এই বদ চর্চাটি যেন আর না হয় এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাইতে হবে। বিবাহের বয়স হয়ে গেলে অবশ্যই বিবাহ করতে হবে।
আল্লাহ যেন আমাদের এহেন কবিরা গোনাহ ও কূঅভ্যাস থেকে মুসলিম তরুণ যুবকদের বিরত রাখেন, আমিন।
________________________________________________
কিছু চিকিৎসা:- এভেনা স্যাটাইভা (ম্যাক্সফেয়ার এন্ড কোম্পানি) ২ চামচ রোজ ৩ বার খাবার ৩০মিনিট পর আধা কাপ পানির সাথে মিশিয়ে খাবেন একটানা ৩মাস।
সুফুপ জিরিয়ান ২ চামচ করে রোজ দুইবার খাবার পর এক কাপ গরম দুধের সাথে মিশিয়ে খাবেন।
মাজুন ফালাসাফা নির্দিষ্ট চামচে এক চামচ করে দিনে দুইবার খাবার পর চুষে।
পরামর্শ:- হস্তমৈথুন থেকে পরিপূর্ণ বিরত থাকতে হবে।
ইনশাআল্লাহ্ আল্লাহর ইচ্ছায় পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
এই সংক্রান্ত চিকিৎসা ও পরামর্শের প্রয়োজন হলে মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করবেন।।
Female Infertility.
ফিমেল ইনফার্টিলিটি বা নারীদের বন্ধ্যাত্ব।
দুঃখজনক হলেও সত্য অনেক নারী শুধুমাত্র জরায়ু ও ডিম্বাশয়ের দুর্বলতা, প্রতিবন্ধকতা এবং জরায়ুর সঠিক তাপমাত্রার অভাবে মা হতে পারছেন না।
প্রাকৃতিক সমাধান নিয়ে কিছু লিখবো সেইসাথে কনসিভ হলেও কিছুদিনের মধ্যে যেসমস্ত মা বোনদের এবরশন হয়ে যাচ্ছে তাদের নিয়ে কিছু বলার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
প্রথমেই বলে রাখি গর্ভধারণে সবচেয়ে বড় বাধা অনিয়মিত ঋতুস্রাব ও ঋতুস্রাব কালীন বাধক বেদনা, যাদের এমন সমস্যা আছে তাদেরকে এসব সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে এবং উপযুক্ত চিকিৎসা নিতে হবে।
যাদের ঋতুস্রাব নিয়মিত হচ্ছে কিন্তু গর্ভধারণ হচ্ছেনা তার মূল কারণ জরায়ুর দুর্বলতা ও সঠিক তাপমাত্রার অভাব, সেইসাথে ডিম্বাশয় থেকে যে ডিম্বাণু গুলো জরায়ুতে আসে এবং নিষিক্ত হয় সেই ডিম্বাণুর অপরিপক্বতা।
করণীয় ডিম্বাশয় ও জরায়ুকে সঠিক তাপমাত্রা ফিরিয়ে আনতে হবে, ডিম্বাশয় বা ওভারি ও ইউটেরাসকে সঠিক ছন্দে ফিরিয়ে আনতে হবে।
শারীরিক দুর্বলতা ও মানসিক দুর্বলতাকে দূর করতে হবে।
গর্ভধারণে এসব সমস্যাগুলোও প্রতিবন্ধক, সোজা কথা সব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে।
অনেক মহিলা কন্সিভ হচ্ছেন আবার নির্দিষ্ট সময়ের সাথে সাথে এবরশন হয়ে যাচ্ছে, বারবার এবরশন হওয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় হেভিচুয়াল এবরশন বলে, অনেকটা অভ্যাসগত বা স্বভাবগত এবরশন।
চিকিৎসা ও পরামর্শ।
হেভিচুয়াল এবরশনের কথা জরায়ুকে ভুলিয়ে দিতে হবে, অন্তত বছর দেড়েক কনসিভ হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
এরপর যখন conceive (গর্ভধারণ) হবে তখন একাধারে হাব্বে আমল ও মাজুন সোহাগশুঠ সেবন করে যেতে হবে।
শুধুমাত্র যারা জরায়ুর দুর্বলতা ও বিভিন্ন অসঙ্গতির কারণে যারা মা হতে পারছেন না, তাদের জন্য চিকিৎসা:-
ট্যাবলেট রিক্যাল (কুরছ রেহমিন) ২টা করে দুই দুইবার খাবার এক ঘন্টা আগে।
মাজুন সুপারিপাক /মাজুন সোহাগশুঠ এক চামচ করে দুইবার দুধ সহ।
সিরাপ জোনেসিয়া অশোকা ২ চামচ করে রোজ তিন বার খাবার পর।
ক্যাপসুল এজটাক্যাপ ৪ এমজি প্রতিদিন একটা ৬ সপ্তাহ।
ইনশাআল্লাহ চমৎকার একটা ফলাফল আসবে।
পথ্য:-
নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে, সকালে বা রাতে অন্তত দুটো সিদ্ধ ডিম খেতে হবে।
নিয়মিত দুধসহ খেজুর খেতে হবে, আল্লাহর নিকট সাহায্য চাইতে হবে।
✔️🎍এন্টিবায়োটিকের বিকল্প ৩০টি হোমিও মেডিসিন~
এন্টিবায়োটিকের বিকল্প হিসেবে হোমিওপ্যাথিতে অনেক ঔষধ ব্যবহার করা হয়। তবে মনে রাখতে হবে—হোমিও ঔষধ এন্টিবায়োটিক নয়, এগুলো শরীরের ভেতরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে (immune system) শক্তিশালী করে জীবাণু ও সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। নিচে ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ হোমিও ঔষধ ও তাদের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেওয়া হলো:
1. Belladonna – হঠাৎ জ্বর, লালচে গরম ফোলা, গলা ব্যথা, টনসিলাইটিসে উপকারী।
2. Aconitum Napellus – হঠাৎ ঠান্ডা লাগা থেকে শুরু হওয়া জ্বর, গলা ও বুকে সংক্রমণ।
3. Hepar Sulphuris – পুঁজ জমা, ফোড়া, গলা ব্যথা, সর্দি কাশির শেষ পর্যায়ে।
4. Mercurius Solubilis – গলা ব্যথা, টনসিল ফোলা, মুখে দুর্গন্ধ, লালারস বেশি।
5. Arsenicum Album – খাদ্যে বিষক্রিয়া, ডায়রিয়া, দুর্বলতা, সংক্রমণ পরবর্তী দুর্বলতায়।
6. Rhus Toxicodendron – ত্বকের সংক্রমণ, ফোঁড়া, লালচে র্যাশ, জ্বালাপোড়া।
7. Silicea – দীর্ঘস্থায়ী পুঁজ, ক্ষত শুকাতে না চাওয়া, হাড়ের সংক্রমণ।
8. Echinacea – রক্ত পরিশোধক, ইনফেকশন, সেপটিসেমিয়া, ইমিউন বুস্টার।
9. Pyrogenium – সেপটিক জ্বর, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব, রক্ত সংক্রমণে কার্যকর।
10. Calendula – ক্ষত, কাটাছেঁড়া, ফোঁড়া ও সার্জারির পর ক্ষত শুকানোর কাজে।
11. Hypericum – স্নায়বিক ব্যথাযুক্ত ক্ষত, কাটা, ছিদ্র হওয়া আঘাত।
12. Sulphur – দীর্ঘস্থায়ী চুলকানি, ত্বকের সংক্রমণ, অ্যালার্জি।
13. Kali Bichromicum – ঘন শ্লেষ্মা, সাইনাস ইনফেকশন, টনসিলাইটিস।
14. Phytolacca – টনসিল ও গলার প্রদাহ, গ্রন্থি ফোলা।
15. Baptisia Tinctoria – টাইফয়েড ধাঁচের জ্বর, সংক্রমণজনিত দুর্বলতা।
16. Bryonia Alba – শুকনো কাশি, বুকের সংক্রমণ, নিউমোনিয়া শুরুতে।
17. Antimonium Tartaricum – ফুসফুসে কফ জমে শ্বাসকষ্ট।
18. Carbo Vegetabilis – অক্সিজেন ঘাটতি, সেপসিস, রক্ত সংক্রমণে।
19. Nitric Acid – দুর্গন্ধযুক্ত ক্ষত, মলদ্বারের ফিশার, দীর্ঘস্থায়ী ইনফেকশন।
20. Thuja Occidentalis – ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, ওয়ার্ট, ত্বকের সমস্যা।
21. Lachesis – বেগুনি রঙের ক্ষত, সংক্রমণ-পরবর্তী রক্ত জমাট সমস্যা।
22. Apis Mellifica – মৌমাছির কামড়ের মতো ফোলা, লালচে সংক্রমণ।
23. Cantharis – মূত্রনালির ইনফেকশন, জ্বালা, রক্তসহ প্রস্রাব।
24. Arnica Montana – আঘাত, ফোলা, ক্ষত সংক্রমণ ঠেকাতে।
25. Gelsemium – ভাইরাস জ্বর, ইনফ্লুয়েঞ্জা, দুর্বলতা।
26. Ferrum Phosphoricum – জ্বরের প্রাথমিক স্তর, শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন।
27. Chamomilla – দাঁতের সংক্রমণ, শিশুদের ইনফেকশন, জ্বালা।
28. Pulsatilla – ঘন কফ, কান-নাক-গলা সংক্রমণ, কোমল স্বভাবের রোগীতে।
29. Drosera Rotundifolia – দীর্ঘস্থায়ী কাশি, হুপিং কাশি, গলার সংক্রমণ।
30. Cinchona Officinalis (China) – রক্তক্ষয় পরবর্তী দুর্বলতা, সংক্রমণ-জনিত ক্লান্তি।
👉 এগুলো রোগীভেদে লক্ষণ অনুযায়ী বেছে নিতে হয়, এন্টিবায়োটিকের মতো একেবারে সরাসরি জীবাণু নষ্ট করে না; বরং দেহকে শক্তিশালী করে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
🤷♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।
সংগৃহীত।
04/09/2025
পুরুষদের ইনফার্টিলিটি (Male Infertility)।
পুরুষের শুক্রাণুর দুর্বলতা বা অপরিপক্বতা, শুক্র স্বল্পতা ও স্থুলতা, সেই সাথে শুক্রতারল্যের ন্যাচারাল সমাধান কল্পে ইনশাআল্লাহ্ কিছু লেখার প্রচেষ্টা করবো।
পুরুষের শুক্রাণু সমস্যা-শুক্রাণুর দুর্বলতা-অপরিপক্বতা ও শুক্র স্বল্পতা ও স্থুলতা বন্ধ্যত্ব বা সন্তান জন্মদানে অন্যতম প্রতিবন্ধক, পিতা হবার পথে অন্তরায়।
চিকিৎসা বিজ্ঞান এই সমস্যাকে Male Infertility হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
অনেক পুরুষ শুধুমাত্র স্পার্ম কাউন্ট স্বল্পতার ও স্থুলতার কারণে সন্তান জন্মদিতে পারছেননা, তাদের সর্বদা বিব্রতকর অবস্থায় অসহায়ভাবে দিনাতিপাত করতে হয়।
আবার শুক্র তারল্যতা থাকলে শুক্রাণুর পরিমাণ অন্যদের তুলনায় কম থাকে, শুক্রতারল্য দ্রুত বীর্যপাত বা রেতঃপাতের অন্যতম কারণ, সেইসাথে ঘনত্বের উপর শারীরিক শক্তি ও দৈহিক ফিটনেস অনেকটা নির্ভরশীল।
এসবের পেছনে প্রিভিয়াস অনেক ইতিহাস থাকে যেমনঃ-অত্যধিক শারীরিক পরিশ্রম, অতিরিক্ত মদপান, তামাক বিভিন্ন প্রকার নেশা অন্যতম কারণ, যৌবনের পারম্ভে অপ্রাকৃতিক উপায়ে ( হস্তমৈথুন ) শুক্রক্ষয়ও অন্যতম কারণ।
অতিরিক্ত ওজন ও স্থুলতা চর্বিও অনেকক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে।
সব ধরণের বদ অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
এখানে আমার উদ্দেশ্য যে পুরুষ শুক্রাণু স্বল্পতা, স্থুলতা ও অপরিপক্বতা জনিত কারণে ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যাত্বে ভুগছেন, পিতা হতে পারছেননা তাদের উদ্দেশ্যে আমার আজকের ন্যাচারাল চিকিৎসা পদ্ধতি তুলে ধরেছি মাত্র, চিকিৎসকরা উচিলা মাত্র, তকদিরের সাথে তদবির করতে হবে, বাকিটা আল্লাহ ভরসা।
স্পার্ম কাউন্ট নরমালি ২০ মিলিয়ন থাকতে হয়।
শুক্রাণুর স্থুলতা থাকলে সেই শুক্রাণু সামনে দিকে দৌড়াতে পারেনা যেখানে পতিত হয় সেখানেই মারা যায়, আবার শুক্রাণু অপরিপক্ব হলে সেটা জরায়ুতে পৌছার আগেই নিস্তেজ হয়ে মারা যায়, প্রজননের জন্য দরকার একটি শক্তিশালী স্পার্ম যা ডিম্বাণুর সাথে নিষিক্ত হয়ে একটা মানব ব্রুণতে রূপ নেবে।
মেডিসিনঃ--
প্রিজাসোল নির্দিষ্ট চামচে ১ চামচ করে দুইবার।
ট্যাবলেট জিনোমেক্স ১টা করে রোজ ২ বার খাবার পর।
টেস্টিস ৩এক্স ২ টা করে রোজ ২ বার চুষে কিংবা চিবিয়ে খেতে হবে।
সিরাপ অশ্বগন্ধা হোমিও রিসার্চ ২ চামচ করে রোজ দুইবার খাবার পর কিছু পানিসহ।
পথ্য প্রতিদিন ১টা করে সিদ্ধ ডিম ও সিজনাল ফল খাবেন।।
ইনশাআল্লাহ আল্লাহ চাইলে সমাধান চলে আসবে, স্পার্ম ক্রাউন্ট বেড়ে যাবে, সেইসাথে অনেক যৌন দুর্বলতা চলে যাবে, শুভ কামনা ও ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করছি।
আলহামদুলিল্লাহ,
ডাকসু নির্বাচনে আর কোন প্রতিবন্ধকতা নেই।
ধন্যবাদ জানাচ্ছি এডভোকেট জনাব শিশির মনির সাহেবকে, সব ক্রেডিট উনারই।
মেহ বা ধাতুসরা রোগ।
লক্ষণ:-অল্প উত্তেজনায় ও মৃদু শিহরণে, সংস্পর্শে, মৃদু কামোত্তেজনায়, ফোনালাপে কিংবা পাশাপাশি বসে কথা বলায়, নীলছবি দর্শন ও কল্পনাতে যাদের শুক্রপাত বা রেতঃপাত (পিচ্ছিল পদার্থ) বের হয়ে যায় এবং সেইসাথে ঘুমের মধ্যে প্রস্রাবের সাথে বীর্যপাত হয়ে যায় তাদের নিয়ে কিছু কথা।
এটাকে ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় জিরিয়ানি রোগ বলে, বাংলায় মেহ প্রমেহ রোগ বলা হয়।
অনেক বিবাহিত ও অবিবাহিত পুরুষ দেশ ও বিদেশ থেকে প্রায়ই অভিযোগ করেন যে কবিরাজ সাহেব আমি বিদেশে থাকি, বিভিন্ন সময়ে স্ত্রীদের সাথে কথা বলতে হয়, অনেকেই বলেন বান্ধবীদের সাথে কথা বলতে হয়, কথা বলার মধ্যে কখনো যদি মনের মধ্যে কামনা বাসনা চলে আসে তাহলে অটোমেটিক পিচ্ছিল পদার্থ বের হয়ে আসে যা অত্যন্ত বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, আবার অনেকেই বলেন ভাই কাপড়ের ঘর্ষণেও অনেক সময় সাদা পিচ্ছিল আঠালো পদার্থ বের হয়ে আসে, ওযু চলে যায় নামাজ পড়তে সমস্যা হয়, অনেক যুবক ও পুরুষ আছেন খারাপ স্বপ্ন ছাড়াই ঘুমের মধ্যে বীর্যপাত হয়ে যায়। অনেকের প্রস্রাবের সাথে শুক্রক্ষরণ হয়।
এমন সমস্যা চলতে থাকলে একসময় মানসিক ও শারীরিক দুর্বলতা দেখা দেয়, স্বাস্থ্য ভেঙ্গে পড়ে কাজকর্মে অনীহা ও অমনোযোগিতা চলে আসে, প্রস্রাবের ধারণ ক্ষমতা কমে যায়।
কারণ হিসেবে দেখা গেছে এসব পুরুষ প্রিভিয়াসে অপ্রাকৃতিক উপায়ে অতিরিক্ত শুক্রপাত করেছে, যার কারণে রিপ্রডাক্টিভ গ্ল্যান্ড গুলোতে যথেষ্ট দুর্বলতা ও শীতিলতা চলে আসে, এসবে আর নিয়ন্ত্রণ থাকেনা।
পরামর্শঃ-সবধরণের কুচিন্তা পরিহার করতে হবে।অতিরিক্ত রাত জাগা পরিহার করতে হবে, মোবাইলে নগ্নছবি ও অশ্লীল কাহিনী পরিহার করতে হবে।
রাতে উঞ্চ কাপড় পরিধান থেকে বিরত থাকতে হবে।
চিকিৎসাঃ- সূপুফ জিরিয়ান দুই চামচ 🥄 করে রোজ দুইবার খাবার পর দুধের সাথে মিশিয়ে।
সিলেনিয়াম ৩এক্স ২ বড়ি করে রোজ তিন খাবার এক ঘন্টা অথবা পর আগে চুষে খাবেন।।
মাজুন মুগাল্লিজ চা 🥄 এক চামচ করে রোজ ২ বার মধুসহ।
এই প্রাকৃতিক ভেষজ চিকিৎসা স্বপ্নদোষ নিরাময়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ইনশাআল্লাহ এই সমস্যা থেকে অনেকটা ভালো থাকা যাবে। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করে শেষ করছি।
পাইলসের প্রাকৃতিক চিকিৎসা।
পাইলস বা বাওয়াসির রিহি, চিকিৎসার ভাষায় পাইলস বা অর্শ গেজ বলা হয়।
কারণঃ-
অর্শ বা পাইলস কেন হয় (অর্শের কারণসমূহ):
অর্শের সঠিক কারণ জানা না গেলেও নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্শ হওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখেঃ
এছাড়াও বিরোদ্ধ ভোজন, গরম মসলাযুক্ত খাদ্য ও মাংস জাতীয় খাদ্য বেশি খাবার ফলে এই রোগ হতে পারে।কোন কারণে দেহের রক্ত প্রজ্জলিত হয়ে রক্তের মধ্যে আঙ্গার বা কার্বণ (তলানি) সৃষ্টি হলে রক্ত গাঢ় ভারী হয়ে যায় তখন ঐ গাঢ় ভারী রক্ত নিম্নগামী হয়ে গুহ্যদ্বারে বা মল দ্বারে গিয়ে জমা হলে তখন মলদ্বার বা রেকটামের শিরা উপশিরা সমূহ ভারী রক্তের প্রভাবে ফুলে মোটা হয়ে যায় এবং মলদ্বারকে সংকীর্ণ করে তুলে।
যার ফলে রোগীর কোষ্ঠকাঠিন্যতা দেখা দিতে পারে এবং গুহ্যদ্বারে প্রবল ব্যথা, চিম চিম ভারী ও রক্তক্ষরণ দেখা দেয়।
অর্শ বা গেজ খুব যন্ত্রণাদায়ক ব্যাধি, এই রোগ দেখা দেওয়া মাত্র চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে এবং যেসব কারণে এই রোগ হয় এবং রোগ যাতনা বেড়ে যায় তা বর্জন করতে হবে।
আজকাল অনেক চিকিৎসক গ্যারান্টি দিয়ে বিনা অস্ত্রে অপারেশনের আশ্বাস দিয়ে রোগীর চিকিৎসা করে প্রায় রোগীর সর্বনাশ করে যাচ্ছেন, ঐসব চিকিৎসা পদ্ধতির কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই, ঐসব চিকিৎসার ফলে অনেক রোগী জীবনে কঠিন ভোগান্তি হয়, তাই অত্যন্ত সতর্কতার সহিত এই রোগের চিকিৎসা করানো উচিৎ বলে মনে করি।।
লক্ষণসমূহঃ-
মলদ্বারের অভ্যন্তরে হলে নিচের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারেঃ
কোষ্ঠকাঠিন্যতা, গুহ্যদ্বারে বা মলদ্বারে প্রবল শূল ব্যথা হয়, চিম`চিম`চুলকানি এবং ভারি বোধ হয়, কোষ্ঠ কাঠিন্যতার ফলে মল ত্যাগের সময়ে রোগির কষ্ট বেড়ে যায়, শক্ত মল নিঃসরনকালে গুহ্যদ্বারে কোন শিরা ছিঁড়ে গেলে মলের সাথে মিশ্রিত বা মল ত্যাগের পর রক্তক্ষরণ হয়।
গুহ্যদ্বারে একপাশে বা কখনো চারদিক ফুলে যায়, একপাশে গেজ বা বলি বাহির হয়। রোগীর মাথা ধরা, গাড়ে ধরা অস্থিরতা, পেরেশানি, স্মরণ শক্তি লোপ, দুর্বলতা এবং পিপাসা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
করণীয়ঃ-
১. কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং নিয়মিত মলত্যাগ করা
২. পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসব্জী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া এবং পানি (প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস) পান করা
৩. সহনীয় মাত্রার অধিক পরিশ্রম না করা
৪. প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো
৫. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা
৬. টয়লেটে অধিক সময় ব্যয় না করা
৭. সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণ করা
৮. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া লেকজেটিভ বেশী গ্রহণ না করা
৯. মল ত্যাগে বেশী চাপ না দেয়া।
১০. দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া থাকলে তার চিকিৎসা নেয়া।
কি খাব (অর্শ বা পাইলস রোগে গ্রহণীয় কিছু খাবার।
শাকসবজি, ফলমূল, সব ধরণের ডাল, সালাদ, দধি, পনির, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লেবু ও এ জাতীয় টক ফল, পাকা পেপে, বেল, আপেল, কমলা, খেজুর, ডিম, মাছ, মুরগীর মাংস, ভূসিযুক্ত (ঢেঁকি ছাঁটা) চাল ও আটা ইত্যাদি।
কি খাব না (অর্শ বা পাইলস রোগে বর্জনীয় কিছু খাবার):
খোসাহীন শস্য, গরু, খাসি ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবার, মসৃণ চাল, কলে ছাঁটা আটা, ময়দা, চা, কফি, চীজ, মাখন, চকোলেট, আইসক্রীম, কোমল পানীয়, সব ধরণের ভাজা খাবার যেমনঃ পরোটা, লুচি, চিপস ইত্যাদি।
গেজ রোগের অন্যান্য লক্ষণ গুলো কি কি?
১) গর্ভাবস্থায় এই রোগের প্রকোপ বাড়ে।
২) পায়খানার সময় বিশেষ করে কষা পায়খানার সময় পাইলসের (অর্শ) রক্তনালী ছিঁড়ে যায় এবং রক্তক্ষরণ হয়।
কিছু ভেষজ মেডিসিনঃ-
Cap. Esscarb (Warson Pakistan)
দুইদিন পরপর একটা ক্যাপসুল রাতে ঘুমানোর সময় পরিষ্কার পানিসহ।
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে সিরাপ আরক এঞ্জেবার ৪ চামচ করে দিনে তিন বার, রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়ে গেলে ঔষধ টা বন্ধ থাকবে।
কোলাস অয়েল /এসকিউলাস হিপ অয়েন্টমেন্ট রোজ দুইবার গুহ্যদ্বারের গেজ ও অশ্ব বুটিতে লাগাতে হবে।।
ইনশাআল্লাহ্ ২/৩ মাসের মধ্যে ভালো ফলাফল আসবে।।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Nabiganj
3370
