Heaven's Hoor
Varieties needy things
আসিফ নজরুল একটা কুত্তার বাচ্চা 🤬 বেইমান নির্বোধ অযোগ্য, বাটপার
আওয়ামী লীগের নিসিদ্ধ বিষয়ে কোনো গা বাঁচানোর সিদ্ধান্ত মানবেন না। Any how or any cost আওয়ামীলীগ নিসিদ্ধ করার জন্য তাদের নিবন্ধন বাতিল করে নিসিদ্ধ ঘোষণা দিতে হবে ডঃ ইউনুসকে। হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীদের জীবনের বিনিময় সে ক্ষমতায় বসেছে বাটপার আসিফ নজরুল অথচ আজ ছাত্রদের জীবনের দাবি তার কানে যায় না। বিচারাধীন অবস্থা পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের নিসিদ্ধ এ রকমের ফালতু ঘোষণা কখনোই মানা উচিত নয়। আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের নিসিদ্ধ আর আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধ এক কথা নয়।প্রয়োজনে আবার যমুনা ও আসিফ নজরুলের অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে দাবি আদায় করতে হবে।
আফরোজী ইউনুস, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্দাথবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটিতে পর্দাথবিজ্ঞানের গবেষক হিসেবে থাকাকালীন সময় পরিচয় হয় মুহাম্মদ ইউনুসের সাথে।
প্রথম ডিভোর্সের পর দীর্ঘদিনের একাকীত্বর অবসান ঘটান ড. ইউনুস, আফরোজী ইউনুসের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হোন। প্রধান উপদেষ্টা হবার পর অনেক জাবিয়ান ইউনুস স্যারকে জাবির দুলাভাই বলে সম্বোধন করেন।
আফরোজী ইউনুসের বেড়ে ওঠা কিন্তু ওপার বাংলায়। কলকাতার বর্ধমান শহরের রাণীগঞ্জ বাজারের কাছে লস্করদিঘি এলাকায় আফরোজী ম্যামের শৈশব, কৈশোর পার হয়। সেই সূত্রে, ইউনুস স্যার কলকাতারও জামাই বাবু।
দাম্পত্য জীবনে তারা সুখী দম্পতি ছিলেন। কিন্তু বিপত্তি বাধে আফরোজী ইউনুসের ডিমেনশিয়া রোগ।
ধীরে ধীরে ভুলতে থাকেন নাম, নাম্বার, দৈনন্দিন কাজ, পুরানো স্মৃতি, পাড়া প্রতিবেশি সবাইকে ... একটা সময় ভুলে বসলেন তার নিত্যদিনের জগতটাকেই। শুধু স্মৃতিতে থেকে গেলেন ইউনুস স্যার।
ডিমেনশিয়ার প্রথম স্টেইজে আছি কিনা সেই নিয়ে আমার ডাক্তার অনেক চেকাপ করেন একসময়। সেই কারণেই এই রোগ সম্পর্কে আমার জানাশোনা আছে। আমি নাম্বার, অনেকের নাম ভুলে যাই (অনেকে হয়তো কষ্ট পান আমার এই আচরণে কিন্তু আসলেই আমি ভুলে যাই, মনে রাখতে পারি না অনেক কিছুই। পুরনো অনেক স্মৃতি একদমই ভুলে গিয়েছি। বিশেষ করে প্রথম বিয়ে সংসার এসব কিছু স্মরণ করতে গেলে আমার পুরানো ছবি দেখতে হয়।) তো এসব ফেইস করছি, আরো অনেক কিছুই আছে। আমার শুধু তাদের কথাই স্পষ্ট ভাবে মনে আছে যাদের সাথে খুব ভালো সময় পার করেছি। যাদের সাথে খুব সুসম্পর্ক ছিলো। আজকে আমি বলি, আমি অনেক কিছুই কেনো লিখে যাই, কারণ ভবিষ্যতে যদি এই সমস্যা আরো বেড়ে যায় অন্তত লেখাগুলো যেনো থেকে যায়।
তো নিজেকে দিয়েই বুঝেছি আফরোজী ম্যাম ইউনুস স্যারকেই কেনো মনে রেখেছেন! কারণ স্যার ম্যামকে যথেষ্ট ভালোবাসতেন, সম্মান করতেন। তার প্রমাণ তিনি প্রধান উপদেষ্টা হবার আগেই জানিয়েছিলেন যে, স্ত্রীর দেখাশোনার দায়িত্ব তার, তার স্ত্রী তাকে ছাড়া কাউকে চিনেন না, খাওয়া দাওয়ার সব দায়িত্ব তার।
একজন মানুষ বৃদ্ধ হলেও দিন দিন শিশুর মতোন হয়ে যাচ্ছেন। কাউকে চিনেন না, কাউকে তার মনে নেই... কতোটা অসহায় লাগে নিজের কাছে নিজেকে? চিনেন শুধু স্বামীকে, সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে আছেন সেই স্বামীর প্রতি।
দুজন মানুষের শেষ জীবন হয়তো এভাবেই একে অপরের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে, যত্নে, ভালোবাসায় কেটে যাবার কথা কিন্তু নাহ বাধা দিলো ৫ই আগস্ট।
আমরা দেশের জন্য যোগ্য নেতা পেলেও, আফরোজী ম্যাম আর আগের মতোন পাশে পান না স্বামী মুহাম্মদ ইউনুসকে।
কেমন যায় তার দিনকাল?
কে যত্ন নেয় তার?
তিনি তো কাউকে চিনেন না, অচেনা কারো যত্ন কি এক্সেপ্ট করতে চান?
অবিশ্বাস, দ্বিধা দ্বন্দ্বের আতংক নিয়ে কেমন যাচ্ছে একজন বয়স্ক নারীর প্রতিটা বেলা?
সম্মান, সুখ, বিলাসিতা, শান্তি, স্ত্রীর প্রতি দেখা শোনার দায়িত্ব সব রেখে একজন ব্যক্তি এই পচে যাওয়া দেশের জন্য নিত্যদিন ছুটে বেড়াচ্ছেন এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। দূর্নীতির বিরুদ্ধে রীতিমতো অঘোষিত যুদ্ধ শুরু করে দিয়েছেন, নিত্যদিনের পণ্য গরীব মানুষের হাতের নাগালে রাখার জন্য তার প্রশাসনকে সর্বোচ্চ কঠোরতা দেখিয়েছেন, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে দূর্নীতিমুক্ত, এই দেশের তরুণদের প্রতিভাকে যোগ্য জায়গায় নিয়ে যাবার জন্য প্রতিদিন একেক মহলে দেন দরবার চালাচ্ছেন, ছুটে যাচ্ছেন বিশ্বের একেক প্রান্তে ...
স্বার্থ তার একটাই, বাংলাদেশকে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যাওয়া।
এই সৎ চাওয়াটুকুর জন্য, তার স্যাক্রিফাইস তার অসুস্থ ওয়াইফের স্যাক্রিফাইস সব ভুলে আমরা যা তা বলে বসছি, সুদখোর ইউনুস বলি, দাজ্জাল বলি।
নিজেদের দিকে তাকাইনা যে, আমরা কি করছি? এই দেশের জন্য, দ্বীনের জন্য আমাদের ডেডিকেশন ১৫ বছরে কি ছিলো আর এখনই বা কি আছে?
জবাবদিহি শুধু ইউনুস স্যারের হবে না, আমাদের মতোন অধম, অকৃতজ্ঞ, নালায়েকদেরও হবে। তবে, ওই মুনাফেকদের বিচার আগে হবে যারা ইনসাফের সংগ্রামে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলো।
মারফিয়া হাসান
আফরোজী ইউনুস, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্দাথবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটিতে পর্দাথবিজ্ঞানের গবেষক হিসেবে থাকাকালীন সময় পরিচয় হয় মুহাম্মদ ইউনুসের সাথে।
প্রথম ডিভোর্সের পর দীর্ঘদিনের একাকীত্বর অবসান ঘটান ড. ইউনুস, আফরোজী ইউনুসের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হোন। প্রধান উপদেষ্টা হবার পর অনেক জাবিয়ান ইউনুস স্যারকে জাবির দুলাভাই বলে সম্বোধন করেন।
আফরোজী ইউনুসের বেড়ে ওঠা কিন্তু ওপার বাংলায়। কলকাতার বর্ধমান শহরের রাণীগঞ্জ বাজারের কাছে লস্করদিঘি এলাকায় আফরোজী ম্যামের শৈশব, কৈশোর পার হয়। সেই সূত্রে, ইউনুস স্যার কলকাতারও জামাই বাবু।
দাম্পত্য জীবনে তারা সুখী দম্পতি ছিলেন। কিন্তু বিপত্তি বাধে আফরোজী ইউনুসের ডিমেনশিয়া রোগ।
ধীরে ধীরে ভুলতে থাকেন নাম, নাম্বার, দৈনন্দিন কাজ, পুরানো স্মৃতি, পাড়া প্রতিবেশি সবাইকে ... একটা সময় ভুলে বসলেন তার নিত্যদিনের জগতটাকেই। শুধু স্মৃতিতে থেকে গেলেন ইউনুস স্যার।
ডিমেনশিয়ার প্রথম স্টেইজে আছি কিনা সেই নিয়ে আমার ডাক্তার অনেক চেকাপ করেন একসময়। সেই কারণেই এই রোগ সম্পর্কে আমার জানাশোনা আছে। আমি নাম্বার, অনেকের নাম ভুলে যাই (অনেকে হয়তো কষ্ট পান আমার এই আচরণে কিন্তু আসলেই আমি ভুলে যাই, মনে রাখতে পারি না অনেক কিছুই। পুরনো অনেক স্মৃতি একদমই ভুলে গিয়েছি। বিশেষ করে প্রথম বিয়ে সংসার এসব কিছু স্মরণ করতে গেলে আমার পুরানো ছবি দেখতে হয়।) তো এসব ফেইস করছি, আরো অনেক কিছুই আছে। আমার শুধু তাদের কথাই স্পষ্ট ভাবে মনে আছে যাদের সাথে খুব ভালো সময় পার করেছি। যাদের সাথে খুব সুসম্পর্ক ছিলো। আজকে আমি বলি, আমি অনেক কিছুই কেনো লিখে যাই, কারণ ভবিষ্যতে যদি এই সমস্যা আরো বেড়ে যায় অন্তত লেখাগুলো যেনো থেকে যায়।
তো নিজেকে দিয়েই বুঝেছি আফরোজী ম্যাম ইউনুস স্যারকেই কেনো মনে রেখেছেন! কারণ স্যার ম্যামকে যথেষ্ট ভালোবাসতেন, সম্মান করতেন। তার প্রমাণ তিনি প্রধান উপদেষ্টা হবার আগেই জানিয়েছিলেন যে, স্ত্রীর দেখাশোনার দায়িত্ব তার, তার স্ত্রী তাকে ছাড়া কাউকে চিনেন না, খাওয়া দাওয়ার সব দায়িত্ব তার।
একজন মানুষ বৃদ্ধ হলেও দিন দিন শিশুর মতোন হয়ে যাচ্ছেন। কাউকে চিনেন না, কাউকে তার মনে নেই... কতোটা অসহায় লাগে নিজের কাছে নিজেকে? চিনেন শুধু স্বামীকে, সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে আছেন সেই স্বামীর প্রতি।
দুজন মানুষের শেষ জীবন হয়তো এভাবেই একে অপরের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে, যত্নে, ভালোবাসায় কেটে যাবার কথা কিন্তু নাহ বাধা দিলো ৫ই আগস্ট।
আমরা দেশের জন্য যোগ্য নেতা পেলেও, আফরোজী ম্যাম আর আগের মতোন পাশে পান না স্বামী মুহাম্মদ ইউনুসকে।
কেমন যায় তার দিনকাল?
কে যত্ন নেয় তার?
তিনি তো কাউকে চিনেন না, অচেনা কারো যত্ন কি এক্সেপ্ট করতে চান?
অবিশ্বাস, দ্বিধা দ্বন্দ্বের আতংক নিয়ে কেমন যাচ্ছে একজন বয়স্ক নারীর প্রতিটা বেলা?
সম্মান, সুখ, বিলাসিতা, শান্তি, স্ত্রীর প্রতি দেখা শোনার দায়িত্ব সব রেখে একজন ব্যক্তি এই পচে যাওয়া দেশের জন্য নিত্যদিন ছুটে বেড়াচ্ছেন এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। দূর্নীতির বিরুদ্ধে রীতিমতো অঘোষিত যুদ্ধ শুরু করে দিয়েছেন, নিত্যদিনের পণ্য গরীব মানুষের হাতের নাগালে রাখার জন্য তার প্রশাসনকে সর্বোচ্চ কঠোরতা দেখিয়েছেন, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে দূর্নীতিমুক্ত, এই দেশের তরুণদের প্রতিভাকে যোগ্য জায়গায় নিয়ে যাবার জন্য প্রতিদিন একেক মহলে দেন দরবার চালাচ্ছেন, ছুটে যাচ্ছেন বিশ্বের একেক প্রান্তে ...
স্বার্থ তার একটাই, বাংলাদেশকে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যাওয়া।
এই সৎ চাওয়াটুকুর জন্য, তার স্যাক্রিফাইস তার অসুস্থ ওয়াইফের স্যাক্রিফাইস সব ভুলে আমরা যা তা বলে বসছি, সুদখোর ইউনুস বলি, দাজ্জাল বলি।
নিজেদের দিকে তাকাইনা যে, আমরা কি করছি? এই দেশের জন্য, দ্বীনের জন্য আমাদের ডেডিকেশন ১৫ বছরে কি ছিলো আর এখনই বা কি আছে?
জবাবদিহি শুধু ইউনুস স্যারের হবে না, আমাদের মতোন অধম, অকৃতজ্ঞ, নালায়েকদেরও হবে। তবে, ওই মুনাফেকদের বিচার আগে হবে যারা ইনসাফের সংগ্রামে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলো।
হাসানাত আব্দুল্লাহর লাস্ট পোস্ট কতটা ভয়ংকর, কতটা বিস্ফোরক — তা বোঝার ক্ষমতা সবার নেই। যাদের রক্তে রাজনীতির নোংরা চক্রান্তের গন্ধ মিশে আছে, যারা জানে ক্ষমতার সিংহাসনের নিচে কত গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গাঁথা — তারা বুঝে গেছে, এই পোস্টটা কোনো সাধারণ বক্তব্য নয়, এটা প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা।
হাসানাত আব্দুল্লাহর এই পোস্ট নিছক একটা ফেসবুক স্ট্যাটাস না — এটা রাষ্ট্রযন্ত্রকে একা হাতে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার ঘোষণা।একটা দেশের সামরিক কাঠামোর বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে যে বিদ্রোহ, সেই বিদ্রোহের জন্ম দিয়েছে হাসানাত। মুখে নয়, রক্তের শপথে।
এক কথায় বললে — ক্যান্টনমেন্টের মিটিংয়ের মতো স্পর্শকাতর ইস্যু নিয়ে এভাবে মুখ খোলার স্পর্ধা এই দেশের তথাকথিত বড় বড় নেতাদেরও নেই। তারা দেয়ালের আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকে। তারা সুবিধাবাদী নীরবতা বেছে নেয়। তারা কাঁপে। তারা মাথা নিচু করে প্রতিপত্তির ভিক্ষা করে।
কিন্তু হাসানাত? হাসানাত দাঁড়িয়ে গেছে।
বুক চিতিয়ে দিয়েছে।
সামনে যা আসুক — রক্ত ঝরবে, তবুও সত্য বলতে পিছপা হবে না।
ছাত্র নেতা? বিপ্লবী? অধিকাংশই এমন পোস্টের পর গর্তে ঢুকে যাবে। নিরাপত্তার খোঁজ করবে। সাহসের মুখোশ পরে ভীরুতার আশ্রয় নেবে।
কিন্তু হাসানাত? সে জন্ম নিয়েছে ধ্বংসের মূর্তি গড়তে।
সে জন্ম নিয়েছে ভয়ের দেয়াল ভাঙতে।
সে জন্ম নিয়েছে রক্ত দিয়ে ইতিহাস লিখতে।
হাসানাতরা ভয় পেয়ে পালানোর জন্য আসে না। তারা আসে ঝড়ের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়াতে। তারা আসে শাসনের ভিত নাড়িয়ে দিতে।তারা জানে, পেছনে ফেরার রাস্তা নেই।
একটাই পথ — এগিয়ে যাওয়া, যুদ্ধে নামা, আর বিজয় ছিনিয়ে আনা।
এই পোস্টের ওজন, এই পোস্টের বারুদের গন্ধ — যারা বোঝে তারা বোঝে। যারা বোঝে না, তারা শুধু সময়ের অপেক্ষা করুক।
হাসানাত আমাদের ক্যাপ্টেন বাংলাদেশে! হাসানাত এর কিছু হলে, জুলাই ফিরবে দ্বিগুণ রক্তের আগুন হয়ে।
সেটা হবে প্রলয়ের জন্ম।
সেটা হবে ইতিহাস লেখা রক্তের কালিতে।
সেটা হবে রাজনীতির আকাশে এক নতুন সূর্যের উদয়।
18/10/2024
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন করে এখন ক্ষমতায় বসে আসিফ নিজের বৈষম্য এর লিডার। এখন আর মেধার মূল্য নেই, পছন্দ, আর কোটায় বিসিবি বোর্ডের পরিচালনা করেছেন🤣🤣
2মাসেই ক্ষমতা পেয়ে নিজেদের আদর্শের নীতি নৈতিকতার বিসর্জন দিয়ে হাসিনার মতো পছন্দের লোকদের প্রাধান্য দিচ্ছেন😨 😵, পরিবর্তন টা তাহলে আসবে কোথা থেকে ❓
এই সাকিব খান তো বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে পক্ষে কিছুই বলে নাই, উল্টা ডি বি হারুনের সাথে একসাথে ডিনার করছে ক্ই তাকে নিয়ে তো কিছু বলতে দেখলাম না, উল্টা এখন সে BPLদলের লিড নিয়েছে কিভাবে ❓❓❓ যত দোষ সাকিব আল হাসানের ক্ষেত্রে ,সে একটা পোষ্ট না করায় দেশেই আসতে পারে না,এই ষড়যন্ত্র কি তার ক্যারিয়ার ধ্বংসের জন্য,❓❓ একটি পোষ্ট না করায়র দায় সাকিবকে নিতে হয় তাহলে বর্তমানে যারা বিসিবি বোর্ডে আছেন তারা কেউ ই কোনো স্ট্যাটাস বা আন্দোলনের শরিক ছিলেন না তাহলে তারা কিভাবে ক্রিকেটের সভাপতি নির্বাচিত হন???
তামিম ,আকরাম, ফারুক, নাফিস এরা তো কোনো এমপি ছিল না তাহলে এদের কি বাধা ছিল , তারা কেন কোনো স্ট্যাটাস দিতে পারলো না ❓❓😡😡শুধু ক্রিকেট নয় এমন অনেক প্রতিষ্ঠানের লোকজন আছেন যারা কিনা এসবের ধারে কাছেও ছিলেন না তারা কিভাবে বহাল রয়েছে এখনো??
টপিক হলো : সাকিব আল হাসান 🫡🫡
অনেকের অনেক রকম কথা,সাকিব দালাল,সাকিব রাজাকার, সাকিব দেশের জন্যে কিছু করে নাই, সাকিব সব নিজের জন্যে করেছে,সাকিব একজন লম্পট , সাকিব একজন চরিত্রহীন,সাকিব একজন খুনি,সাকিব একজন জুয়াড়ি, সাকিব একজন অসামাজিক! আরও কত শত অভিযোগ তার বিরুদ্ধে!
এখন আসি আসল কথায়,, সাকিব একজন সৈনিক। সাকিব একজন লিডার,সাকিব একজন পথপ্রদর্শক, সাকিব একজন প্রতিবাদকারী,সাকিব একজন অলরাউন্ডার, সাকিব একের ভেতর হাজারখানেক গুণের অধিকারী।
এসব শুনতে গায়ে লাগছে তো? লাগারই কথা।বাংলাদেশে কয়জন মানুষ সত্য সহ্য করতে পারে বলুন! হাজারে কয়েকজন হয়তো। সবকিছু সে নিজের জোগ্যতায় অর্জন করেছেন। বাকিরা ও যদি নিজের জন্য এমন কিছু করতো তাহলে বাংলাদেশের নাম ক্রিকেট জগতে ১নাম্বারে থাকতো । বাকি খেলোয়াড় কেন নিজের জন্য খেলে এই অর্জন করতে পারে নাই ,দেশের কথা তো বাদই দিলাম। তাঁদের নিয়ে কেন জোরালো কথা উঠে না❓
এসব কথা আসার পিছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো,ছাত্র-আন্দোলনের সময় তার নিস্তব্ধতা,তার নিরবতা। একজন মানুষের সম্পূর্ণ অধিকার আছে কোন একটা জিনিস নিয়ে কথা বলবে কী না! সে ঐ সময় কানাডা লিগ খেলছে,,তারপর যুক্তরাষ্ট্রে পরিবার এর কাছে গেছে।এমন কোনো বার দেখেনি যে, সে পরিবারের কাছে গেছে কিন্তু ছবি পোস্ট করে নাই ঘুরাঘুরির।তো এইবার ও সে পরিবার নিয়ে ঘুরাঘুরির ছবি পোস্ট করেছে,স্বাভাবিক। কিন্তু কিছু লোক সেটার সাথে দেশের জিনিসটা একসাথে করে অনেক বড় একটা ঝামেলা পাকিয়ে দিলো।সে তো আর ফেইসবুকে এসে তোমাদের বিরুদ্ধে কিছু বলে নাই বা করে নাই। তাহলে তার নিরবতা কিভাবে তার দোষ হয়?
দেশের মানুষ যে যার যার জায়গা থেকে তার তার কাজ করে গেছে।সে একজন রাজনীতিবিদ বলে তার দোষ হয়ে গেলো বড় এই মানোষীকতার পরিবর্তন হবে আর কবে ❓❓তারও ১৭ বছর আগে থেকে সে একজন বাংলাদেশের গর্বিত ক্রিকেটার।এই ৬ মাসের জীবন নিয়ে তাকে এই হেনস্তা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়!
তাহলে তো মাশরাফিকে মেরে ফেলা উচিৎ ছিলো! সে তো ৫.৫ বছর ঐ দলের রাজনীতি করেছে,তাকে কেনো সুন্দর মতো চলাফেরা করতে দেয়া হচ্ছে! বরং মাশরাফি অনেক বড় বড় দায়িত্বে ছিলো, সাকিব তো তাতেও ছিলো না।
আহ আমাদের মানসিকতা! আমাদের মানসিকতায় থুথু ও ফেলবে না কয়দিন পর! অনেক বড় বড় মনিষী কতগুলো বেরিয়ে আসে কয়দিন পর পর,বলে সাকিব কী করছে,হেন তেন! আরে বেটা তুই কী করছস দেশের জন্যে আগে সেটা বল! আন্দোলন করছো, আন্দোলনে আমি ও ছিলাম, কষ্ট করেছি তাই বলে বিবেক হীন হয়ে পরি নাই।।
সাকিব কী করছে, না করছে সেটা বুঝার জন্যে যে জ্ঞান দরকার সেটা আগে অর্জন করে নাও,তারপর তারে নিয়ে সমালোচনা করতে আসিও।
আগে বিসিবি ছিল দলীয়করণ ও দুর্নীতিগ্রস্ত এখন বিসিবি হচ্ছে আত্মীয়করণ ও সুবিধাগ্রস্ত। তাহলে পরিবর্তনটা আসলো কোথায় ⁉️⁉️
এতো কিছুর পরেও যদি আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করা না হয় তাহলে বিষয়টা খুবই বেদনাদায়ক আর উপদেষ্টারা আমাদের আবেগ নিয়ে খেলা করতে চাচ্ছেন।
স্বৈরাচার হাসিনার লোমহর্ষক কান্ড।😭
_❝ফিতনার কোলাহল থেকে নির্জনতা অনেক উত্তম!
যত বেশি একাকিত্ব তত বেশি গীবতমুক্ত।❞
—আলহামদুলিল্লাহ..!!🌸🌻
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Rasulbagh, East Isdair
Narayanganj
1414
