Daily Health Tips
স্বাস্থ্য সকল সুখের মুল।স্বাস্থ্য বিষয়ে সকলপ্রকার সমস্যার অনলাইন সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করব
ইনশাআল্লাহ
টাইম লাইনের সবাইকে ব্যাথার ঔষধ সংক্রান্ত কয়েকটা কথা বলি-
১. Diclofenac (ডাইক্লোফেন/ Voltalin) ঔষধ টা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কখনোই খাবেন না--
২.. Voltalin suppository ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া কখনোই ব্যবহার করবেন না-
৩.. যারা ডাক্তার আছেন, তারা ব্যাথার জন্য Diclofenac সব সময় এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করবেন, কখনো কোন রোগীকে Diclofenac প্রেশক্রিপশন করবেন না,
acute pain এ Voltalin suppository SOS রাখতে পারেন, তবে তাও যেন ২ দিনের বেশি না হয়-
৪.. ৫ দিনের উপর Diclofenac / Voltalin ব্যবহার করলে AKI developed করা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা--
যারা নন মেডিকেল, তাদের উদ্দেশ্যে বলে রাখি-
AKI মানে হঠাৎ করে কিডনি ড্যামেজ হওয়া, ৫-৭ দিন টানা ব্যাথার ঔষধ বিশেষ করে Diclofenac খেলে কিডনি ড্যামেজ হতে পারে--
৫..serum creatinine 1.1 mg /dl এর বেশি থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ভাবেই কোন ব্যাথার ঔষধ খাবেন না--
৬.. ডাক্তার ভাইয়েরা, serum creatinine 1 এর উপর দেখলে অবশ্যই তার EGFR calculation করবেন, EGFR below 60 হলে কোনো NSAIDs দিবেন না
৭.. NSAID এর পরিবর্তে ব্যাথার জন্য Paracetamol /Napa 500 mg দুইটা একত্রে দিবেন-
৮.. Tramadol + Paracetamol =Napadol দিতে পারেন
৯.. যারা হার্টের রোগী, তারা কখনোই Etoricoxib খাবেন না অথবা ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত দোকান থেকে কোন ব্যথার ঔষধ কিনে খাবেন না।
নিজের ইচ্ছামতো দোকান থেকে অথবা ডাক্তার না দেখিয়ে দোকানদারের কথা মত কোন ধরনের ব্যথার ঔষধ সেবন করবেন না। এতে আপনার মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে বিশেষ করে কিডনি নষ্ট হয়ে যেতে পারে!
জনস্বার্থে পোস্টটি শেয়ার করুন মানুষকে সচেতন করুন।
ডাঃ মোঃ মাহফুজুর রহমান
🛑🛑 চিকেন পক্স হলে শিশুদের জন্য করণীয়
✔️নিয়মিত গোসল করা জরুরি। তবে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানিতে গোসল করাবেন না।
✔️নিমপাতা ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে গোসল করালে বেশি উপকার মিলবে। নিমের অ্যান্টিসেপটিক উপাদান র্যাশ নির্মূল করতে সাহায্য করে।
✔️চুলকানি ও ব্যথা থেকে নিস্তার পেতে মাঝে মাঝে শরীর ঠান্ডা পানিতে মুছে দিন, এতে ত্বকে খানিকটা হলেও আরাম মিলবে।
✔️প্রতিদিন দুই বেলা করে জামাকাপড় বদলানো উচিত। তাহলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে। ত্বক পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
✔️সুতি ছাড়া অন্য কাপড়ের পোশাক পরাবেন না,তাতে চুলকানি বা অস্বস্তি বেড়ে যেতে পারে।
✔️চুলকানি হলে কখনো নখ লাগাবেন না। এ থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তাই শিশুদের হাম হলে তাদের নখ ছোট করে কেটে দিন।
✔️চর্বিজাতীয় খাবার যেমন মাখন, তেল, বাদাম, পনির, নারকেল বা চকলেট-জাতীয় খাবারে অতিরিক্ত ফ্যাট থাকে, যা এর প্রদাহ বাড়িয়ে দিতে পারে।তাই এগুলো না খাওয়ানো ভাল।
✔️অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার খাওয়াবেন না। আর হাম বা জলবসন্ত হলে মুখে বা জিবেও ক্ষত সৃষ্টি হয়, এতে ঝাল লাগলেই প্রদাহ বেড়ে যাবে। তাই ঠান্ডা ও সহজপাচ্য খাবার ভাল।
✔️আখরোট, চিনাবাদাম, কিশমিশের মতো খাবার অর্গিনিন নামের একধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে, যা হাম বা জলবসন্তের জীবাণুর বংশবিস্তার করে। এমনিতে এই অ্যাসিড শরীরের পক্ষে ভালো হলেও হাম বা জলবসন্তের সময় তা একেবারেই খাওয়াবেন না।
✔️রোগীকে বেশি ক্যালরি, ভিটামিন ও মিনারেলসমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হবে। তবে মুখে স্বাদ আনতে পাতলা স্যুপও খাওয়াতে পারেন।
✔️ইলিশ-চিংড়ি-জাতীয় মাছ ছাড়া যেকোনো মাছের পাতলা ঝোল আর ভাত দেওয়া যায়। ডাল খাওয়া খুবই উপকারী। বিশেষ করে ডালের পানি যদি চুমুক দিয়ে খাওয়ানো যায়, তাহলে শরীর খুব ঠান্ডা থাকে।
✔️ফলের রস খাওয়াতে পারেন, এটি শরীরে পুষ্টি জোগাবে। তবে লেবুর রস খাওয়া যাবে না। কারণ, এতে থাকে উচ্চমাত্রায় সাইট্রিক অ্যাসিড, যা মুখের ভেতরে ক্ষতস্থানে জ্বালাযন্ত্রণার কারণ হতে পারে।
22/04/2025
27/01/2025
দাঁদ কি, কেন হয়, চিকিৎসায় করনীয় কি?
ডাঃ মো :মাহফুজুর রহমান
মানুষের ত্বকের উপরিভাগে কেরোটিন থাকে যা ত্বক, চুল এবং নখের গঠনে সহায়তা করে৷ ফাঙ্গাস জীবানু এ কেরোটিনকে আক্রমণ করে এবং এখানেই বসবাস ও বংশবৃদ্ধি করে। এর সংক্রমণে ত্বকের কোষগুলোর অতিদ্রুত সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটতে থাকে, ফলে ওই এলাকার ত্বক আঁশ আঁশ ও মোটা-পুরু হয়ে পানি বের হওয়া বা ঘায়ের মত সৃষ্টি হওয়াকেই দাদ বা Tinea বলা হয়৷ একে রিংওয়ারমর্সও বলা হয়৷
দাদের আক্রমণের উপর ভিত্তি করে একে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়েছে
১- টিনিয়া ক্রুরিস
টিনিয়া ক্রুরিস হলো কুঁচকি অঞ্চলের ত্বকের ফাঙ্গাস সংক্রমণ। এটি সাধারণ গ্রীষ্মকালে হয়ে থাকে। এতে দু’পাশের কুঁচকির ত্বক লাল, আঁশ আঁশ হয়ে ফুলে ওঠে। আক্রান্ত স্থান সব সময়ই চুলকায়।
২- টিনিয়া কর্পোরিস
টিনিয়া কর্পোরিস ত্বকের উপরিভাগের মধ্যে মুখমণ্ডল, বুক, কাঁধ, পেট ও পিঠের ত্বকে হয়৷ ত্বকে সমতুল্য আঁশ আঁশ ও গোলাকার অংশ দেখা যায়৷ এটি দেহের উন্মুক্ত অংশে বেশি হয়। আক্রান্ত অংশ খুব চুলকায় এবং ছোট ছোট দানার মতো উঁচু অংশ হতে বর্ণহীন জলীয় পদার্থ বেরিয়ে আসতে দেখা যায়৷
৩- টিনিয়া পেডিস
টিনিয়া পেডিসে আক্রান্তদের পায়ের দু আঙুলের মাঝের অংশ ফ্যাকাসে ও থকথকে হয়ে যায়। এখান থেকে বর্ণহীন যেন জলীয় পদার্থ নিঃসৃত হয়। পানিতে ভিজলে এ অংশ আরও খারাপ আকার ধারণ করে৷
৪- টিনিয়া ক্যাপাইটিস
এটি মাথার ত্বকে হয়৷ আক্রান্ত স্থানে প্রদাহ সৃষ্টি হয়৷ দীর্ঘ দিন থাকলে মাথার চুল পড়ে যায়৷
৫- টিনিয়া আঙ্গুয়াম
নখের দাদ৷ এতে নখ ভঙ্গুর, পুরু এবং নষ্ট হয়ে যায়। পায়ের নখ এবং হাতের নখ উভয়ই এতে আক্রান্ত হতে পারে।
৬- Tinea manuum
হাতের তালু, উপর ও ফাঁকের মধ্যে যে দাদ দেখা যায়৷
৭- Tinea barbae
এটি সাধারণত মুখ ও ঘাড়ে দেখা যায় বিশেষ করে ঘোফ দাঁড়িতে বেশি হয়
দাদ সংক্রামণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য –
(১) পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH) পরীক্ষা, (২) ফাঙ্গাস কালচার,
(৩) উডস লাইট পরীক্ষা করানো যেতে পারে৷
চিকিৎসাঃ-
ফাঙ্গাস বা দাদ জাতীয় অসুখের জন্য এক ধরনের এন্টি ফাঙ্গাল ঔষধ (Griseofulvin বা Fluconazole বা Itraconazole) চিকিৎসকরা দিয়ে থাকেন৷ সাথে Miconazole, clotrimazole, ketoconazole, অথবা oxiconazole জাতীয় ক্রিম বা লোসন ব্যবহার করতে দিয়ে থাকেন৷
(বিঃদ্রঃ অবশ্যই রেজিস্টার্ড চিকিৎসক চাড়া এ জাতীয় ঔষধ ব্যাবহার করা খুবই মারাত্মক বিপদ ঢেকে আনতে পারে, কেননা এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুবই মারাত্বক)
প্রাকৃতিক প্রতিরোধঃ
-প্রাকৃতিক, এন্টিসেপটিক বা Antimicrobial হিসাবে কাচা চায়ের পাতা ভাল একটি ঔষধ৷ অাক্রান্ত স্থানে চা পাতার তৈল ব্যবহার করতে পারেন৷
-কাচা পেঁপের কষ বা আটা এন্টি ফাঙ্গাল সে জন্য পেঁপের কষ ব্যবহার করতে পারেন৷
-Tinea versicolor এর জন্য ঘৃতকুমারী বিশেষ ভাবে কার্যকর৷
- প্রতিদিন সকালে আক্রান্ত জায়গায় নিম তেল লাগিয়ে দিন কেননা নিম তৈল ভাল একটি এন্টিফাঙ্গাল হিসাবে পরিচিত৷
প্রতিকার ও সাবধানতাঃ
-ফাঙ্গাস সংক্রমণগুলোর বেশিরভাগ খুব ছোঁয়াচে বলে পরিবারের কোনও এক সদস্যের এ রোগ হলে অন্যদের সতর্ক থাকতে হবে।
-ব্যবহার্য দ্রব্যাদি বিশেষ করে কাপড় চোপড়,বিছানাপত্র, বসার আসন ইত্যাদি ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
-পায়ের ত্বকে দাদ হলে চলাফেরায় সব সময় স্যাল্ডেল পরতে হবে, গণশৌচাগার ব্যবহার করা যাবেনা এবং পা সব সময় শুকনা রাখতে হবে।
-ঘাম সবসময় মুছে ফেলতে হবে৷
-সুতির ও ডিলা ডালা কাপড় চোপড় পরার অভ্যাস করতে হবে৷
-এলার্জী বাড়ায় এমন সব খাবার পরিহার করতে হবে৷
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ
অধিকাংশ দাদের রোগী এলোপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহনের পর কিছুদিন ভালো থাকে পরবর্তীতে রোগ অাবার ফিরে অাসে৷ কারন এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় এটি সমুলে ধবংষ না হয়ে বরং চাপা পড়ে থাকে ও ঔষধের কার্যকারিতা শেষ হলে তা অাবার ফিরে ফিরে দেখা দেয়৷ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় এটি সম্পুর্নরুপে অারোগ্য হয়৷ লক্ষনভেদে যেকোন ঔষধ নির্বাচিত হতে পারে তবে Bacilinum, Graphitis, Tellurium, Sepia, Nat mur, Mezerium ঔষধগুলো এরোগ চিকিৎসায় ভালোই কার্যকরী৷
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Narayanganj
