Aayeshi
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Aayeshi, Health/Beauty, Uttar Fakirpur, Maijdee, Noakhali Sadar Upazila.
we want to serve everyone 100% pure coconut oil & ghee.Because now a days everyone need these products for their health & beauty care.To do this pure products should be needed.Thats why we are here to serve you���
24/12/2025
এক দেশে এক রাজা ছিলেন। তিনি নিয়ত করলেন, সুন্দর একটি মসজিদ বানাবেন। কিন্তু তিনি এক কঠিন শর্ত জুড়ে দিলেন, "এই মসজিদ নির্মাণের কাজে কেউ কোনো সাহায্য করে শরিক হতে পারবে না। পুরো খরচ আমি একা দেব।"
মসজিদ নির্মাণ শেষ হলো। রাজা খুব গর্বের সাথে মসজিদের প্রধান ফটকে নিজের নাম বড় করে লিখে দিলেন।
এক রাতে রাজা স্বপ্নে দেখলেন, আকাশ থেকে একজন ফেরেশতা নেমে এলেন। ফেরেশতা মসজিদের দরজা থেকে রাজার নাম মুছে ফেললেন এবং তার জায়গায় এক নারীর নাম লিখে দিলেন।
রাজা ভয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠলেন। তিনি সৈন্যদের পাঠালেন দেখতে যে নাম ঠিক আছে কি না। সৈন্যরা ফিরে এসে জানাল, "মহারাজ! আপনার নামই লেখা আছে।" রাজা ভাবলেন, এটা হয়তো মনের ভুল।
কিন্তু দ্বিতীয় রাতেও তিনি একই স্বপ্ন দেখলেন। তৃতীয় রাতেও একই ঘটনা ঘটল। এবার রাজা সেই নারীর নামটি মুখস্থ করে ফেললেন, যা স্বপ্নে বারবার লেখা হচ্ছিল।
সকালবেলা রাজা সৈন্যদের ওই নারীকে খুঁজে বের করতে হুকুম দিলেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সৈন্যরা এক গরিব ও বয়স্ক বৃদ্ধা নারীকে খুঁজে পেল। বৃদ্ধা ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে রাজার সামনে উপস্থিত হলেন।
রাজা জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি আমার এই মসজিদ নির্মাণে কোনো সাহায্য করেছ?"
বৃদ্ধা বললেন, "মহারাজ! আমি গরিব মানুষ। তাছাড়া আমি শুনেছি আপনি নিষেধ করেছেন কেউ যেন সাহায্য না করে। তাই আমি কিছুই করিনি।"
রাজা বললেন, "তোমাকে বলতেই হবে তুমি কী করেছ।"
বৃদ্ধা তখন আমতা আমতা করে বললেন, "আমি তো তেমন কিছুই করিনি। তবে..."
রাজা বললেন, "বলো, তবে কী?"
বৃদ্ধা বললেন, "একদিন আমি মসজিদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। দেখলাম, মসজিদের নির্মাণ সামগ্রী বহনকারী একটি পশু (ঘোড়া বা গাধা) খুঁটিতে বাঁধা আছে। পশুটি খুব পিপাসার্ত ছিল এবং কাছেই রাখা পানির বালতি থেকে পানি খাওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু রশি ছোট হওয়ায় সে পানি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারছিল না। তার কষ্ট দেখে আমার দয়া হলো। আমি শুধু ওই বালতিটা টেনে তার মুখের কাছে এগিয়ে দিলাম। সে তৃপ্তি সহকারে পানি পান করল। ব্যাস, এটুকুই আমি করেছি।"
রাজা অবাক হয়ে বললেন, "সুবহানাল্লাহ! তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সামান্য একটু পানি পান করিয়েছ, আর আল্লাহ সেটা কবুল করে নিয়েছেন। আর আমি এত টাকা খরচ করে মসজিদ বানালাম শুধু 'রাজার মসজিদ' নাম কামানোর জন্য, তাই আল্লাহ আমার কাজ কবুল করেননি।"
রাজা তখন তওবা করলেন এবং নির্দেশ দিলেন মসজিদের দরজা থেকে নিজের নাম মুছে ওই বৃদ্ধার নাম লিখে দিতে। তিনি ওই বৃদ্ধাকে সম্মানিত করলেন এবং তার বাকি জীবনের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করে দিলেন।
রাসূল (সা.) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল।" লোকদেখানো বড় কাজের চেয়ে ইখলাসের সাথে করা ছোট কাজ আল্লাহর কাছে অনেক বেশি দামী।
© Salman Farsi
সূত্র: আল কিসাসুল ইরফানিয়্যাহ, আল-মাওয়ায়িজুল উসফুরিয়াহ
😥
10/07/2025
প্রাকৃতিক পণ্য 🌴🌴🌴
Thanks for the recommendations ❤️❤️❤️
25/06/2025
❣️❣️❣️
05/06/2025
আমার মা একজন ৩৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন গৃহিনী এবং আমাদের বাসার সেকেন্ড হায়েস্ট ইকোনমিক কন্ট্রিবিউটর। গৃহিনীরা আবার কীভাবে ইকোনমিক কন্ট্রিবিউশন করে এইটা অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, তাই একটা এক্সামপল দিয়ে এক্সপ্লেইন করি।
আমি যে পরিমাণ ভাত প্রতিবেলায় খাই, সেটার জন্য প্রায় ১৫০ গ্রাম মত চাল লাগে। আমরা যে চালের ভাত খাই সেটার ১৫০ গ্রামের দাম প্রায় ১৪ টাকা। আমরা দ্বিমুখী চুলার গ্যাস বিল দিই ১০৮০ টাকা, এর মানে এক চুলার জন্য মাসে ৫৪০ টাকা, দিনে ১৮ টাকা, ঘন্টায় ৭৫ পয়সা। ভাত রান্না করতে ২০ মিনিট লাগলে গ্যাস যাচ্ছে ২৫ পয়সার। এর সাথে ধরেন আরও ২৫ পয়সার পানি। তাহলে, ১৪+০.২৫+০.২৫=১৪.৫ টাকা, এর সাথে আম্মুর এফোর্ট যোগ হয়ে যে ভাত তৈরি হচ্ছে, সেই কোয়ালিটির ভাত রেস্টুরেন্টে খেতে আমার লাগতো মিনিমাম ৫০ টাকা। তার মানে, ৫০-১৪.৫=৩৫.৫ টাকা এইটা হচ্ছে প্রতিবেলায় শুধু আমার ভাতের জন্য আম্মুর এফোর্টের মূল্য। আমরা বাসায় চারজন লোক, চারজনের জন্য দুইবেলা করে ভাত রান্না করলে দিনেই বাঁচাচ্ছেন ২৮৪ টাকা, মাসে ৮৫২০ টাকা। 'বাঁচাচ্ছেন' মানে কিন্তু উল্টো করে এটাও বলা যায় উনি এই টাকাটা বাসায় কন্ট্রিবিউট করছেন।
এ তো গেলো শুধু ভাতের হিসাব। এই ছাড়া ভাতের সাথে আমরা যে তরকারি খাই, সকালে-সন্ধ্যায় নাস্তা খাই, চা খাই, ঘরে আম্মু যে কাজগুলো করেন, সব মিলিয়ে উনার কন্ট্রিবিউশন মাসে ৬৮ থেকে ৭৫ হাজার টাকার মত।
এবং, আমার আম্মুর মত লাখ লাখ আম্মুরা মিলে শুধু বাংলাদেশের ইকোনমিতে যে কন্ট্রিবিউশন করছেন, তার ভ্যালু প্রায় ৭ থেকে ১০ লক্ষ কোটি টাকা মাত্র।
এই যে হিসাবটা আপনাদের দিলাম, এই হিসাবের সিমিলার কিছু ছোটবেলা থেকে কোনো পাঠ্যবইয়ে পেয়েছেন? আমি পাই নি, বরং আমি উল্টোটাই দেখেছি। ইন্ডাস্ট্রিতে লেবার সেল করা নারীদের 'ওয়ার্কিং উমেন' হিসেবে প্রমোট করে বিপরীতে গৃহিণীদের কাজকে ছোট করে দেখার মানসিকতা স্লো পয়জনের মত পুশ করা হয়েছে। ছেলেকে বুঝানো হয়েছে তোমার মা যে কাজ করে সেটার তেমন কোনো ভ্যালু নাই, মেয়েকে শিখানো হয়েছে তোমার মায়ের মত হলে তোমারও সম্মান থাকবে না। এটার এন্ড টার্গেট যে আসলে কী, সেটা আশা করি বলে দিতে হবে না।
এই যে গৃহিণীদের কাজকে এতো ছোট করে দেখানো হলো, এটার পেছনের কারণটা কী? এই ব্যাপারে আমার অবজারভেশন হলো, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশনে লেবার সাপ্লাই বাড়ানো। আর সাপ্লাই বাড়লে দাম কমে যাবে, এই কোরিলেশন কারও অজানা থাকার কথা নয়। একটু বুঝিয়ে বলি। ধরেন একটা অফিসে একই পজিশনে দুইটা পোস্ট ফাঁকা আছে, কোম্পানির রিক্রুটমেন্ট বাজেট ২০০ টাকা। এখন, ক্যান্ডিডেট দুইজন হলে কোম্পানি দুইজনকেই ২০০ টাকা দিয়ে নিতে বাধ্য। কিন্তু, ক্যান্টিডেট যদি ৪ জন হয়, তখন কোম্পানি ৫০টাকা করে ৪ জনকে অনবোর্ড করবে, নাকি 'আরও ক্যান্ডিডেট আছে' বলে সবার সাথেই নেগোশিয়েট করে কম স্যালারিতে এমপ্লয়ি অনবোর্ড করার চেষ্টা করবে? এর মধ্যে কেউ হয়তো প্রয়োজনের চাপে কম স্যালারিতেই রাজি হয়ে যাবে। একটু মনে করে দেখেন, ৩০-৪০ বছর আগেও একজনের ইনকামে ১০ জনের একটা ফ্যামিলি অনায়াসে চলতে পেরেছে, টুকটাক সেভিংসও করতে পেরেছে, যেতা এখন প্রায় অসম্ভব। 'চলছে না' বলে স্বামী-স্ত্রী দুইজনেই শ্রমবাজারে নিজেদের বিক্রির জন্য তুলে দিচ্ছেন, লেবার এক্সপ্লয়েটেশনে নিজেদের ক্রমাগত সঁপে দিয়ে আরও বেশি লেবার এক্সপ্লয়েটেশনের সুযোগ করে দিচ্ছেন।
এ তো গেলো শুধু ইকোনমির হিসাব। এর সাথে, সময়ের অভাবের কারণে বিভিন্ন অ্যাপ্লায়েন্সের পিছনে লিভিং কস্ট বাড়া, প্রসেসড ফুড খেতে বাধ্য হওয়া এবং এর কারণে বাড়া মেডিকেল কস্টের হিসাব করলে যে কারোরই মাথা ঘুরবে, আমারও ঘুরেছিলো। আর ইমোশনাল লস তো টাকায় হিসাব করা যায় না, সেইটার ভ্যালু যার যার উপরেই ছেড়ে দিলাম।
লাস্ট দুইটা কথা বলি।
এক, গৃহিণী নারীরা পুরুষের উপর 'নির্ভরশীল', এই প্রোপাগান্ডাকে ডিনাই করতে শিখুন। নির্ভরশীলতা হতো যদি সহযোগিতাটা একপাক্ষিক হতো। পরিবারে আর্নিং পার্সন, হাউজহোল্ড ওয়ার্কিং পার্সনের ভূমিকাটা মিথোজিনিক, একজন আরেকজনকে সাপোর্ট দিচ্ছে, এখানে কোনো 'নির্ভরশীলতা' নেই।
দুই, একাডেমিয়াকে হোলি প্লেস ভাবা বন্ধ করুন। একাডেমিয়ার লক্ষ্য 'আলোকিত মানুষ করা' এটা সর্বৈব মিথ্যা, বরং একাডেমিয়ার ডিজাইনটা হচ্ছে 'দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত ডগম্যাটিক স্লেভারি' ট্রেনিং দেয়া। আপনাকে, আমাকে যেই মানসিকতায় বড় করলে আমাদের শাসক, শোষকদের সুবিধা হয়, একাডেমিয়া সেভাবেই চেঞ্জ হয়। 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত' এই কথাটাকে বিশ্বাস করুন, নিজের ব্যক্তিগত পড়াশুনা, জ্ঞান চর্চা, চিন্তাভাবনা বাড়ান।
(কালেক্টেড)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Uttar Fakirpur, Maijdee
Noakhali Sadar Upazila
3800
