NutriWindow
পুষ্টি ও খাদ্য বিষয়ক তথ্য ভান্ডার
Nutrition and food related information to lead a healthy life.
02/05/2023
জনপ্রিয় শুষ্ক ফল ডুমুর। নানান গুনে ভরপুর এই ফল। ডুমুর নরম এবং মিষ্টিজাতীয় একটি ফল। অনেকেই এই ফলকে 'আঞ্জির' নামেও ডেকে থাকেন। প্রচুর পরিমাণে খাদ্যশক্তি রয়েছে এই ফলে। শুধু তাই নয় রখ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়ক এই ফল।
আসুন জেনে নেই ডুমুর ফলের কার্যকারিতা সম্পর্কে-
ওজন কমাতে সাহায্য করে।
চুলের যত্নে বেশ উপকারী।
হাত পায়ের নখ সুন্দর রাখে।
ক্যানসারের সম্ভাবনা হ্রাস করে।
ত্বকের যত্নে বেশ উপকারী একটি ফল।
হজমে সাহায্য করে।
উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।
ডুমুর ফলে রয়েছে ক্যালসিয়াম যা হাড়ের জন্য বেশ উপকারী।
বাড়ির আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা এসব প্রাকৃতিক ফল ফলাদি আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অধিক কার্যকরী।
29/03/2023
Let food be your medicine
11/01/2023
সকালে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
অ্যাসিডিটি আপনার পিছু ছাড়বে
11/01/2023
Mustard green leaves( সরিষা শাক)
Nutritivie value( পুষ্টিগুণ)
সরিষা শাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, বিটা ক্যারোটিন এবং ভিটামিন সি থাকে, এছাড়াও এই শাকে রয়েছে ভিটামিন এ, কে, ডি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম।
অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের মধ্যে সরিষা শাকে রয়েছে lutein, zeaxanthin. এই দুইটি উপাদান চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।
এছাড়াও সরিষা শাক একদম কোলেস্টেরল ফ্রি, এবং এর বিটা ক্যারোটিন ফাস্টিং ব্লাড গ্লুকোজ লেভেলকে কমাতে সাহায্য করে।
এই শীতের মওসুমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এবং চোখ, ব্রেইন, ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য প্রতিদিন অম্তত ১/২ কাপ সরিষা শাক খাওয়া প্রয়োজন।
10/10/2022
আমাদের দেশে গ্রাম অঞ্চলে এই গাছটি পাওয়া যায়। গ্রাম অঞ্চলের মানুষ সবাই এই গাছটির গন্ধভাদাল গাছ নামেই চিনে কারণ এই গাছের পাতা অনেক গন্ধ তাই সবাই গাছটির নামকরণ করছেন গন্ধভাদাল গাছ।
এই গাছের উদ্ভিদটির ইংরেজি নাম:skunkvine stinkvine
এবং গন্ধভাদালের বৈজ্ঞানিক নাম হল:paederia foetida
গন্ধভাদালের পাতার গুনাগুন:
এই গাছের পাতা বেটে বড়া বানিয়ে খেলে ঠান্ডা,কাশি,মাথাব্যথা দূর করতে সহায়তা করে। তাছাড়া এই গন্ধভাদাল পাতা গরম পানিতে সিদ্ধ করে চা মতন খাইলে দেহের ঠান্ডা ,কাশি জ্বর, এনার্জি শক্তি স্বার্থের সহায়তা করে। এই গাছ পাতা আমাশয়, কোষ্ঠকাঠিন্য, ইত্যাদি সহায়তায় বিশেষ উপকারী এই গাছের পাতা ও ডাল গরম পানিতে সিদ্ধ করে ক্কাথ তৈরি করে লবণ মিশিয়ে খেলে মুখের রুচি বেড়ে যায়।
18/09/2022
খিচুড়ির পুষ্টিমূল্য, গুনাগুন ও রন্ধন প্রণালী
খিচুড়িঃ খিচুড়ি একটি জনপ্রিয় বাঙালী খাবার।শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের জন্য খুবই উপকারী একটি খাবার।
খিচুড়ি বিভিন্নভাবে রান্না করা হয়।
নিম্নে কিশোর কিশোরীদের জন্য উপযোগী
আদর্শ মিক্সড ভুনা খিচুড়ির রেসিপি, পুষ্টিমূল্য, পুষ্টিগুণ, পরিবেশন ও সংরক্ষণের আদর্শ সময়কাল বর্ণনা করা হলো।
মিক্সড ভুনা খিচুড়িঃ ভুনা খিচুড়ি সাধারণত কয়েকপ্রকারের ডাল, মাংস, এবং হরেক রকম সবজি ব্যবহার করা হয়। আমরা এই ভুনা খিচুড়িতে মসুর ডাল, ছোলা, মুরগীর মাংস, মটরশুটি ব্যবহার করেছি, যা কৈশোরকালীন সময়ে শরীরের সঠিক বৃদ্ধির জন্য জরুরী প্রয়োজন।
উপাদান( Ingredients)ঃ
১. মসুর ডাল
২. ছোলা
৩.চিকন চাল
৪. মুরগীর মাংস( হাড়ছাড়া)
৫. মটরশুটি
৬. পেয়াজ
৭. কাচামরিচ
৮. ঘি
৯. তেল
১০. আদা বাটা, রসুনের কোয়া, এলাচ, তেজপাতা, লবণ, হলুদ, জিরা,দারুচিনি প্রভৃতি।
রান্নার প্রণালী( cooking method)
খিচুড়িতে ব্যবহার করার জন্য তিন থেকে ছয় ঘন্টা ছোলার ডাল পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। মসুর ডালে বিদ্যমান গ্যাসীয় উপাদান র্যাফিনোজ দূর করতে ডাল প্রথমে তিন মিনিট পানিতে সিদ্ধ করে, তারপর একঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
১. প্রথমে প্যান চুলায় বসিয়ে দেই। তারপর প্যান গরম হয়ে গেলে এক কাপ তেল দেই। গরম তেলে এক কাপ পেয়াজ কুচি ছেড়ে দেই। পেয়াজ বাদামী হয়ে এলে এতে একে একে তেজপাতা, এলাচ, আদা বাটা, জিরা বাটা, দারুচিনি দিয়ে কষে নেই। মসলা কষানো হয়ে গেলে তাতে ভিজিয়ে রাখা ছোলা দেই। এক কাপ পানি দিয়ে ছোলা ভালভাবে ভুনা করি। ভুনা ছোলাতে একে একে বাসমতি চাল, মসুর ডাল, মটরশুটি, কাচামরিচ দিয়ে দেই। পানি শুকিয়ে একে চাল ডাল হালকা ভাজা ভাজা হলে তাতে পরিমাণমত পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে চুলার ফ্লেইম কমিয়ে রান্না করি।
অন্য পাত্রে মুরগীর মাংস কষিয়ে নেই।
দশ মিনিট পর কষানো মুরগীর মাংস খিচুড়িতে যোগ করি। তারপর হালকা নেড়ে চেড়ে আরো কম ফ্লেইমে চুলায় বসিয়ে রাখি।
আধঘন্টা পরে পানি শুকিয়ে গেলে খিচুড়িতে এক কাপ ঘি যোগ করি, নেড়ে দিয়ে আবার দশ মিনিটের জন্য দমে বসিয়ে রাখি। দশ মিনিট পর পানি শুকিয়ে তেল উপরে উঠলে খিচুড়ি চুলা থেকে নামিয়ে ফেলি।
পুষ্টিমূল্য( nutritive value)ঃ
প্রতি ১০০ গ্রামে পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ-
শক্তি- ৬৭৫ কিলো ক্যালোরি
শর্করা-১২.৩৭ গ্রাম
আমিষ-৯.২২ গ্রাম
চর্বি- ৭.৪ গ্রাম
পানি-৫৮ গ্রাম
ক্যালসিয়াম-১২.৭৫ মিলিগ্রাম
ম্যাগনেসিয়াম-২৪.১৮ মিলিগ্রাম
লৌহ- ০.৮১৫ মিলিগ্রাম
জিংক-১.১০
ভিটামিন এ-৪২.০ ইউনিট
খাদ্য আশ- ১.৭৮ গ্রাম
পুষ্টিগুণঃ খিচুড়ি স্বাদে যেমন মজা, তেমনই পুষ্টিগুণে ভরপুর।খিচুড়িতে শর্করা ও আমিষের ব্যালেন্স ঠিকভাবে থাকে বলে, একে পরিপূর্ণ খাবার বলা হয়। এছাড়াও এই খিচুড়ি অত্যাবশ্যকীয় এমাইনো এসিডের একটি গুরুত্বপূর্ণ সোর্স।খিচুড়িতে ব্যবহৃত মসুর ডালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য আশ, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম ইত্যাদি। ছোলার ডালে উপস্থিত খাদ্য আশ গ্লুকোজের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও ছোলার ডালে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রণ রয়েছে। খিচুড়িতে ব্যবহৃত মটরশুটিতে বেশ ভালো পরিমাণে খাদ্য আশ থাকায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে। মটরশুটি একইসাথে প্রাকৃতিক এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মুরগীর মাংস পুষ্টিগুণে ভরপুর। এই মাংসে শতকরা ২০ ভাগ প্রোটিন থাকে। অন্যান্য মাংসের তুলনায় কম পরিমাণে চর্বি এবং শর্করা থাকে।এছাড়াও আয়রণ, জিংক, ও পটাসিয়াম পাওয়া যায়। মুরগীর মাংস ক্রিয়েটিনের ভালো সোর্স, যা শারীরিক কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
খিচুড়িতে ব্যবহৃত এলাচ, তেজপাতা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
সংরক্ষণ ওপরিবেশনের সময়কালঃ
খিচুড়ি একটি সম্ভাব্য পচনশীল খাবার।গরমের দিনে এই খাবারটি ভালো রাখা একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়।রান্নার পর দুই থেকে তিন ঘন্টার মধ্যেই খিচুড়ি টক হতে শুরু করে।তবে ফ্রিজিং ছাড়াই ঘরের তাপমাত্রায় এই খিচুড়ি ভাল রাখার জন্য রন্ধন প্রক্রিয়ায় কিছু কৌশল অবলম্বন করা জরুরী। যেমন রান্নার পূর্বে ডাল ভিজিয়ে রাখলে ডালে বিদ্যমান র্যাফিনোজ দূর হয়, যা খিচুড়িকে দ্রুত নষ্ট করে ফেলে। এবং অবশ্যই রান্নার সময় বারবার পানি ব্যবহার না করে, একবারে পরিমাণমত জল পানি ব্যবহার করে ঝরঝরে খিচুড়ি রান্না করতে হবে।
ঝরঝরে এই ভুনা খিচুড়ি ঘরের তাপমাত্রায় ৩- ৪ ঘন্টা ভালো থাকে। তবে রান্নার একঘন্টার মধ্যে পরিবেশন করাই উত্তম।
ফ্রিজে এই খিচুড়ি সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টা সংরক্ষণ করা যাবে, এবং পরিবেশনের পূর্বে অবশ্যই ৬০-৭০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গরম করে নিতে হবে।
28/08/2022
পটল চিংড়ি
উপকরণঃ
, চিংড়ি মাছ ( ২০০ গ্রাম)পটল( আটটা) সরিষা বাটা(দুই চামচ, কাচা মরিচ বাটা(হাফ কাপ), আদা বাটা(এক চামচ) পেয়াজ বাটা(হাফ কাপ) জিরা বাটা( এক চামচ), কাচামরিচ ফালি তিনটা
পরিমাণমত নুন, হলুদ।
প্রণালীঃ
প্রথমে পটলগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। তারপর পটলের খোসার আস্তরণ ছাড়িয়ে নিয়ে কাটা চামচ দিয়ে পটল কেচে নিতে হবে।
ভালোভাবে কেচানোর পর পটলগুলো লবণ দিয়ে মাখিয়ে হালকা সিদ্ধ করে নিতে হবে।
পটল সিদ্ধ করার সময় পাতিলের ঢাকানা হালকা খুলে রাখতে হবে যাবে, পানির বাষ্পে পটলের সবুজ ডরং নষ্ট না হয়।
পটল হালকা সিদ্ধ হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে নেই। এরপর চ জিরা বাটা পেয়াজ বাটা, আদা বাটা, মরিচ বাটা এবং এক কাপ দুধ দিয়ে চিংড়ি মাছগুলো ভালোভাবে কষিয়ে নেই।
চিংড়ি কষানো হয়ে গেলে এরমধ্যে সিদ্ধ পটলগুলো দিয়ে নেড়ে চেড়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে একটু পানি দিয়ে কষিয়ে নেই।
কষানো হয়ে গেলে দুই কাপ পানি, এবং কাচা মরিচ ফালি দিয়ে আবার অর্ধেক ঢাকা দিয়ে রান্না করতে হবে।
পানি শুকিয়ে মাখা মাখা হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে গরম ভাতের সাথের পরিবেশন করুন ইয়াম্মি পটল চিংড়ি।
পুষ্টিগুণঃ পটলে প্রচুর পরিমানে ফাইবার আছে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে। এছাড়াও পটল শরীরের রক্ত পরিষ্কার করে। এছাড়াও চিংড়ি মাছে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ থাকে, যা শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
সরিষায় ভিটামিন এ, ই, কে এবং উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে।এছাড়াও এতে সেলেনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। ফলে সরিষা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, মাছের ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে শ্বসনতন্ত্রের সমস্যা দূর করে।
এককথায় সরিষা দিয়ে রান্না এই পটল চিংড়ি একদিকে শরীর ঠান্ডা রাখে, হার্টের সমস্যা দূর করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তশূন্যতা দূর করে।
24/08/2022
চালকুমড়ার জেল সংস্করণে হাইড্রেটিং এবং ময়শ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সেরা ফলাফলের জন্য এটি নিয়মিত ত্বকে লাগান। এটি জ্বালাপোড়া এবং রোদে পোড়া ত্বককে শান্ত করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Pabna
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |
