Wellness shop

Wellness shop

Share

Be active and healthy

25/12/2023

কুমড়োর বীজের স্বাস্থ্য উপকারিতা

কুমড়োর বীজ হল খনিজ, যেমন পটাসিয়াম, জিঙ্ক, এবং ম্যাঙ্গানিজ এবং ভিটামিন কে-এর মতো ভিটামিন সহ অসংখ্য পুষ্টির একটি শক্তিশালী উৎস। কুমড়োর বীজের এই পুষ্টি উপাদানগুলি ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে এবং সেইসাথে অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।

তি পরিবেশনে উপস্থিত কুমড়ার বীজ সম্পর্কে পুষ্টির তথ্য নীচে দেওয়া হয়েছে।

ক্যালোরি: কুমড়ার বীজে 180 kCal থাকে এক-চতুর্থাংশ কাপে শুকনো কুমড়ার বীজ পরিবেশন করা হয়।
প্রোটিন: কুমড়ার বীজে প্রতি পরিবেশনে প্রায় 10 গ্রাম প্রোটিন থাকে।
ফ্যাট: কুমড়োর বীজ প্রতি পরিবেশনে প্রায় 16 গ্রাম চর্বি সরবরাহ করে।
শর্করা: কুমড়োর বীজে প্রতি পরিবেশনে প্রায় 3 গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে।
ফাইবার: কুমড়ার বীজের প্রতি পরিবেশনে প্রায় 2 গ্রাম ফাইবার থাকে।

কুমড়া বীজ স্বাস্থ্য উপকারিতা
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়
অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য
হার্ট ফাংশন সমর্থন করে
ভালো ঘুম
ক্যান্সার প্রতিরোধক বৈশিষ্ট্য
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
পুরুষ প্রজনন স্বাস্থ্য সমর্থন করে
মহিলা প্রজনন স্বাস্থ্য সমর্থন করে

ডাঃ রমাদেবী.ডি
সিনিয়র ডায়েটিশিয়ান, কেয়ার হাসপাতাল

24/12/2023

সবজি হিসেবে গাজরের ব্যবহার ব্যাপক। মাছ-গোশতের সঙ্গেও খাওয়া যায়। গাজরের হালুয়া অনেকের কাছেই অতি প্রিয়। সালাদ হিসেবে গাজর বেশ জনপ্রিয়। সামান্য লবণ মিশিয়ে এটি কাঁচাই খাওয়া যায়। পুষ্টিসমৃদ্ধ এ সবজিটির বাজারমূল্য মৌসুমের সময় থাকে একেবারেই সস্তা। এর উচ্চ পুষ্টিমান জানা থাকলে এর বাজারমূল্য চড়ে যেতো বহুগুণ। এখানে গাজরের প্রতি ১০০ গ্রাম আহার উপযোগী অংশে পুষ্টিমান উল্লেখ করা হলো-

খাদ্য শক্তি- ৪৮ ক্যালোরি
শর্করা- ১০.৬০ গ্রাম
খনিজ পদার্থ- ১.১০ গ্রাম
ক্যালসিয়াম- ৮০.০০ মি. গ্রাম
ফসফরাস- ৫৩০.০০ মি. গ্রাম
লৌহ- ২.২০ মি. গ্রাম
ক্যারোটিন- ১৮৯০.০০ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন বি ১ - ০.০৪ মি. গ্রাম
ভিটামিন সি- ৩.০০ গ্রাম
উৎস : কৃষি প্রযুক্তি হাত বই, বারি-২০০৫

গাজরের রসের উপকারিতা
চোখের মহৌষধ
হজমশক্তি বৃদ্ধি করে
হাড়ের রোগ প্রতিরোধে সহায়ক
ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক
ব্যথা ও জ্বালাপোড়া কমায়

24/12/2023

সজিনা পাতার অবাক করা গুণ

সজনের কাঁচা লম্বা ফল সবজি হিসেবে খাওয়া হয়, পাতা খাওয়া হয় শাক হিসেবে। খরা সহিষ্ণু ও গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলের একটি উদ্ভিদ।ডাল ও বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার করলেও আমাদের দেশে সাধারণত ডালের মাধ্যমে বা অঙ্গজ জননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করানো হয়।

সজিনা পাতা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যা আপনাকে অবাক করবে:-

১) সজিনা পাতায় কমলা লেবুর তুলনায় ৭ গুণ ভিটামিন-সি রয়েছে।
২) দুধের তুলনায় ৪ গুণ ক্যালসিয়াম এবং দুই গুণ আমিষ রয়েছে।
৩) গাজরের তুলনায় ৪ গুণ ভিটামিন-এ পাওয়া যায়।
৪) কলার চেয়ে ৩ গুণ পটাশিয়াম বিদ্যমান।

24/12/2023

পালং শাকের যা জেনে রাখা ভালো

পালং শাক খেতে যেমন মজা তেমনি কাজেও দারুণ। শাকটি খাওয়ার রয়েছে অনেক উপকারিতা। এটি একটি শীতকালীন সবজি যাতে রয়েছে শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখার জন্য প্রচুর পুষ্টি উপাদান। বিভিন্ন প্রকার অসুখ-বিসুখকে দূরে রাখতে খাবারের তালিকায় শাকটি রাখা যেতে পারে। চলুন শাকটির ১০টি স্বাস্থ্যকর গুনাগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই।

পালং শাকের পুষ্টিগুণ

প্রতি ১০০ গ্রাম পালং শাকে প্রোটিনের পরিমাণ ২.০ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ২.৮ গ্রাম, আয়রন ১১.২ মি. গ্রাম, ফসফরাস ২০.৩ মি. গ্রাম, নিকোটিনিক এসিড ০.৫ মি. গ্রাম, অক্সালিক এসিড ৬৫২ মি. গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৭৩ মি. গ্রাম, পটাশিয়াম ২০৮ মি. গ্রা। এতে আঁশের পরিমাণ ০.৭ গ্রাম। এতে প্রচুর ভিটামিন বিদ্যমান রয়েছে। এতে ভিটামিন-এ আছে ৯৩০০ আইইউ, রিবোফ্লোবিন ০.০৮ মি. গ্রাম, ভিটামিন সি ২৭ মি. গ্রা, ও থায়ামিন ০.০৩ মি. গ্রাম।

পালং শাকের ১০টি স্বাস্থ্যকর গুনাগুণ
১। রক্তচাপ কমাতে
২। দেহের ওজন কমাতে
৩। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
৪। চোখ ভালো রাখতে
৫। ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে
৬। দেহের ক্লান্তিভাব দূর করতে
৭। প্রদাহ জনিত সমস্যা রোধ করতে
৮। হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে
৯। দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে১০। ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে

23/12/2023

Bitter melon( তিতা করলা)

অনেকের কাছেই খুব প্রিয় একটি সবজি হচ্ছে করলা। যদিও এটি খেতে তেতো। তাই ছোটরা এই সবজিটি খেতে খুব একটা পছন্দ করেন না। তারপরও ছোট-বড় সবারই খাদ্য তালিকায় করলা রাখা জরুরি। নইলে পুষ্টিগুণে ভরপুর এই সবজিটির স্বাস্থ্য উপকারিতা থেকে বঞ্চিত হতে হবে।

পুষ্টি উপাদান

প্রতি ১০০ গ্রাম করলায় আছে ২৮ কিলোক্যালরি, ৯২ দশমিক ২ গ্রাম জলীয় অংশ, ৪ দশমিক ৩ গ্রাম শর্করা, ২ দশমিক ৫ গ্রাম আমিষ, ১৪ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১ দশমিক ৮ মিলিগ্রাম লোহা ও ৬৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি।

শক্তিবর্ধক
করলার রস শক্তিবর্ধক হিসেবেও কাজ করে। এটি স্ট্যামিনা বাড়ানোর পাশাপাশি ভালো ঘুমে সহায়তা করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
ক্যান্সার প্রতিরোধী
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ
ওষুধি গুণ
সুগার নিয়ন্ত্রণ
হার্ট অ্যাটাক রোধ করে
শ্বাসরোগ দূর করে
হজমে স্বস্তি আনে
বাতের ব্যথা নিরাময়
তারুণ্য ধরে রাখতে

23/12/2023

ডালিম খাওয়ার ১০ উপকারিতা

ডালিমে ক্যালোরি এবং চর্বির পরিমাণ কম, কিন্তু ফাইবার, ভিটামিন, এবং খনিজ উপাদানে পরিপূর্ণ। একটি মাঝারি সাইজের ডালিমে মেলে ২৩৪ ক্যালোরি, ৪.৭ গ্রাম প্রোটিন, ৩.৩ গ্রাম চর্বি এবং ১১.৩ গ্রাম ফাইবার। এছাড়া উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন সি, ফলেট, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম পাওয়া যায় ফলটি থেকে। নানা ধরনের রোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব সুমিষ্ট ফল ডালিম খেলে। জেনে নিন ডালিম খাওয়ার ১০ উপকারিতা সম্পর্কে।

১ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পলিফেনলিক যৌগের সমৃদ্ধ উৎস ডালিম। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে ডালিম খেলে।

২ ডালিমের যৌগগুলোতে ক্যানসার প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি টিউমারের বৃদ্ধিকে ধীর করে দিতে পারে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

৩ হৃদরোগীদের জন্য দালিম বেশ উপকারী ফল। হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের উপর একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ডালিমের রস পান করলে বুকে ব্যথার তীব্রতা হ্রাস পায়। সেইসাথে হার্টের স্বাস্থ্যের উপর প্রতিরক্ষামূলক প্রভাব ফেলতে সাহায্য করে ফলটি।

৪ প্রচুর পরিমাণে আয়রন পাওয়া যায় ডালিম থেকে। রক্তশূন্যতা রোধ করতে ডালিম খেতে পারেন প্রতিদিন।

৫ ২০১৪ সালের এক গবেষণায বলছে, ডালিমের নির্যাস রক্তে অক্সালেট, ক্যালসিয়াম এবং ফসফেটের ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করতে পারে। এতে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমে।

৬ ডালিমে এমন যৌগ রয়েছে যা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাকের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে মুখের জীবাণু যা নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ এবং দাঁতের ক্ষয় সৃষ্টি করতে পারে।

৭ ডালিমের নির্যাস ক্লান্তি দূর করে ও কর্মক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে।

৮ ডালিমে রয়েছে এলাজিটানিন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

৯ মস্তিষ্ক ভালো রাখে ডালিম। আলঝেইমার এবং পারকিনসন রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে ফলটি।

১০ ফাইবার সমৃদ্ধ ডালিম হজমের গণ্ডগোল দূর করতে পারে।

তথ্যসূত্র: হেলথলাইন

23/12/2023

পরিচিত ফল পেঁপে। কাঁচা অবস্থায় সবজি হিসেবে খাওয়া হলেও পাকলে এটি হয়ে যায় ফল। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনই পুষ্টিকরও। তবে বেশিরভাগ মানুষই পেঁপের উপকারিতা সম্পর্কে খুব বেশি জানেন না। যে কারণে অনেকে এটি খাওয়ার গুরুত্ব সম্পর্কেও বুঝতে পারেন না। পুষ্টিবিদদের মতে, পাকা পেঁপে পুষ্টির ভাণ্ডার।

পেঁপেতে থাকে ফোলেট, ভিটামিন এ, ম্যাগনেশিয়াম, কপার, ফাইবার এবং প্যান্টোথেনিক অ্যাসিডের মতো উপকারী উপাদান। আপনি যদি নিয়মিত পাকা পেঁপে খেতে পারেন তবে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, ভিটামিন কে, ক্যালশিয়াম ও কিছু উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও মিলবে। আমাদের শরীরের পুষ্টির ঘাটতি দূর করতে সাহায্য করে এই ফল।

অ্যাজমার সমস্যা কমবে
ক্যান্সার দূরে রাখে
হাড় ভালো রাখে
হার্ট ভালো রাখে
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা
ডেঙ্গু প্রতিরোধে

23/12/2023

পেয়ারার পুষ্টিগুণ

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি পেয়ারায় ৪টি কমলালেবুর সমান পুষ্টিগুণ, বিশেষ করে ভিটামিন সি রয়েছে। একটি পেয়ারায় রয়েছে চারটি আপেল ও চারটি কমলালেবুর সমান পুষ্টিগুণ। এতে আছে প্রচুর পরিমাণ পানি, ফাইবার, ভিটামিন এ, বি, কে, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও খনিজ পদার্থ। পেয়ারা ভিটামিন সি–এর ভালো উৎস। এতে ২১১ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি মুখগহ্বর, দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখে।

একটি পেয়ারায় আছে ৪টি কমলালেবুর সমান পুষ্টিগুণ
সাধারণত ফলে ভিটামিন এ সরাসরি পাওয়া যায় না। এটি প্রথমে ক্যারোটিন রূপে থাকে, পরবর্তী সময়ে তা ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। ক্যারোটিন শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। চোখের রেটিনা ও কোষের সুস্থতা বজায় রাখতে এটি সাহায্য করে।
প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারায় শূন্য দশমিক ২১ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি ওয়ান ও শূন্য দশমিক শূন্য ৯ মিলিগ্রাম বি টু পাওয়া যায়।

প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ৭৬ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি, ১ দশমিক ৪ গ্রাম প্রোটিন, ১ দশমিক ১ গ্রাম স্নেহ ও ১৫ দশমিক ২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়।
পেয়ারা নানা রকম খনিজ উপাদানে ভরপুর। প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারায় শূন্য দশমিক ৬ গ্রাম মিনারেল, শূন্য দশমিক শূন্য ৩ মিলিগ্রাম থায়ামিন, শূন্য দশমিক শূন্য ৩ রিবোফ্লেভিন ১ দশমিক ৪ মিলিগ্রাম আয়রন, ২৮ মিলিগ্রাম ফসফরাস ও ২০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।

***
ডায়াবেটিস প্রতিরোধে
রোগপ্রতিরোধে
ক্যানসার প্রতিরোধে
দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
স্ট্রেস দূর করে
পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে
পেটের সমস্যায়

23/12/2023

আদা (Ginger)

আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে আদা হল মহৌষধি। তাই তো নানা জটিল-কুটিল রোগের ওষুধ হিসাবে আদা সেবন করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন আয়ুর্বেদাচার্যরা।

তবে শুধু ঔষধ হিসাবেই নয়, রোগ প্রতিরোধের অস্ত্র হিসেবেও আদা ব্য়বহার করা যেতে পারে। আর একথা প্রামণিত হয়ে গেছে একাধিক গবেষণাতেও। তাই তো সুস্থ-সবল জীবন কাটানোর উদ্দেশ্যে অনেকেই নিয়মিত আদা সেবন করছেন।

আদার অ্যাক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট হল জিঞ্জেরল। এই উপাদানটি একাধিক শারীরিক সমস্যার সমাধানে সিদ্ধহস্ত, যেমন ধরুন-

আদা খেলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপার মতো সমস্যা কমে যায়
বমি বা বমিভাবের এক নম্বর চিকিৎসা হল আদা
আদায় রয়েছে একাধিক উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ইমিউনিটি বাড়ানোর কাজে সিদ্ধহস্ত
নিয়মিত আদা খেলে মস্তিষ্কে সেরোটোনিন এবং ডোপামিন হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধি পায়। ফলে মুড থাকবে চাঙ্গা
আদা খেলে কমবে মাথা ব্যথাও।

22/12/2023

Red spinach

অনেকে মনে করেন, রক্তশূন্যতা দূর করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় বেশি বেশি লালশাক খাওয়া। ধারণাটি ভুল নয়। তবে শুধু রক্তশূন্যতা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় আয়রনই নয়; এ শাকে রয়েছে আরও নানা গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান, যা শিশুদের শারীরিক বিকাশেও বিশেষ উপযোগী।

পুষ্টিগুণ
প্রতি ১০০ গ্রাম লালশাকের মধ্যে ৮৮ গ্রামই জলীয় অংশ; ১ দশমিক ৬ গ্রাম খনিজ পদার্থ। এ শাকে বিদ্যমান খনিজ উপাদানের মধ্যে আয়রন বা লৌহ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, দস্তা, পটাশিয়াম, ফসফরাস উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর ক্যারোটিন; যার পরিমাণ প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ১২ হাজার মাইক্রোগ্রাম। চোখ ভালো রাখতে লালশাকের ক্যারোটিন বেশ উপকারী। শাকটিতে আরও রয়েছে ভিটামিন বি–১, ভিটামিন বি–২, ভিটামিন সি।

উপকারিতা
লালশাকে প্রচুর আয়রন রয়েছে। তাই নিয়মিত এ শাক খেলে রক্তশূন্যতা দূর হয়। এ ছাড়া এ শাকের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট বিভিন্ন ধরনের প্রদাহ ও ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি রক্তে কোলেস্টেরল কমিয়ে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়। লালশাকে ক্যালরির পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকে। মানবদেহের দাঁত ও অস্থি গঠনে, দাঁতের মাড়ির সুস্থতা রক্ষায় এবং মস্তিষ্কের বিকাশে লালশাকের কার্যকর ভূমিকা রয়েছে। এ শাকের আঁশ বা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এটা বাড়তি ওজন কমাতেও সহায়ক।

22/12/2023

লেবুপানির ৫ উপকার জেনে নিন

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরেই এক গ্লাস লেবুপানি শরীরের জন্য উপকারী, এটা অনেকেই জানেন। তবে রমজানে যাঁরা রোজা রাখেন, তাঁরা এই এক মাস সেই নিয়ম থেকে বিরত থাকুন। শরীরের বাড়তি ওজন কমাতেও সাহায্য করে এই পানীয়।

১. সকাল সকাল শরীরে হজমপ্রক্রিয়া ঠিক করতে পারে লেবুপানি। এক গ্লাস লেবুপানিতে বদহজম কিংবা অম্বলের মতো সমস্যাও দূর হবে। একই সঙ্গে লেবুপানি পানের অভ্যাস গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা তৈরিতে বাধা দেয়।

২. লেবুপানি আপনার রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। লেবুর রসে থাকা উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি এই ক্ষমতা তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে লেবু ভিটামিন বি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও এনজাইমসমৃদ্ধ খাবার।

৩. লেবুপানি ত্বকের জন্য দারুণ উপকালী। কারণ, লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা আপনার ত্বকের চামড়া কুঁচকে যাওয়ার বদলে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

৪. লেবুতে অ্যান্টিইনফ্লেমারি বৈশিষ্ট্য আছে, যা ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। তাই যাঁদের দাঁতে ব্যথা আছে, তাঁরা অর্ধেক লেবুর রসের সঙ্গে পানি মিশিয়ে তাতে একটু লবণ যোগ করে দাঁতে লাগালে উপকার পাবেন। প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ বার ব্যবহারে আপনার দাঁতের ব্যথা কমে আসবে।

৫. একটি লেবু থেকে প্রায় ৩১ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি পাওয়া যায়, যা দৈনিক সি গ্রহণের অর্ধেকেরও বেশি (৫১ শতাংশ)। গবেষণা বলছে, ভিটামিন সি–সমৃদ্ধ ফল ও শাকসবজি খেলে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। শুধু ভিটামিন সির কারণে নয়, লেবুতে থাকা আঁশ ও উদ্ভিদ উপাদানের জন্যও হার্ট ভালো থাকে।

সূত্র: ভোগ ও হেলথ লাইন

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Patenga?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Patenga