Dr. Mithun Chandra Howlader
মেডিসিন, ডায়বেটিস, হ্রদরোগ, হাঁপানি, বাতব্যাথা ও চর্ম-যৌন রোগে বিশেষ অভিজ্ঞ।
19/09/2025
মস্তিষ্ক খেকো অ্যামিবা, যার বৈজ্ঞানিক নাম Naegleria fowleri, একটি এককোষী জীব যা সাধারণত উষ্ণ মিঠা পানির উৎস যেমন হ্রদ, নদী, ঝরনা এবং মাটিতে পাওয়া যায়। এটি "মস্তিষ্ক খেকো" নামে পরিচিত হলেও, এটি আসলে মানুষের মস্তিষ্ককে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে না, বরং মস্তিষ্কের টিস্যু ধ্বংস করে মারাত্মক সংক্রমণ ঘটায়।
এটি শুধুমাত্র তখনই বিপজ্জনক হয় যখন দূষিত পানি নাক দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে। সাঁতার বা ডুব দেওয়ার সময় এটি খুব সহজে ঘটতে পারে। নাক দিয়ে প্রবেশ করার পর, অ্যামিবাটি মস্তিষ্কে পৌঁছায় এবং সেখানে মারাত্মক সংক্রমণ ঘটায়, যার নাম প্রাইমারি অ্যামিবিক মেনিনগোএনসেফালাইটিস (PAM)।
এটি একটি অত্যন্ত বিরল সংক্রমণ, কিন্তু এটি প্রায় সবসময়ই মারাত্মক। এই সংক্রমণ একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায় না
লক্ষণ এবং সতর্কতা:
সংক্রমণের লক্ষণগুলো সাধারণত ১ থেকে ৯ দিনের মধ্যে দেখা যায় এবং খুব দ্রুত গুরুতর হয়ে ওঠে। এর প্রধান লক্ষণগুলো হলো:
১.তীব্র মাথাব্যথা
২.জ্বর
৩.বমি বমি ভাব
৪.ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া
৫.বিভ্রান্তি বা মানসিক অবস্থার পরিবর্তন
৬.খিঁচুনি
এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে এবং যদি সম্প্রতি কোনো উষ্ণ মিঠা পানিতে সাঁতার কেটে থাকেন, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
প্রতিরোধ:
যদিও এই সংক্রমণ বিরল, তবুও কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা যায়:
গরম, স্থির মিঠা পানিতে সাঁতার বা ডুব দেওয়া থেকে বিরত থাকা।
নাকের মধ্যে পানি প্রবেশ করা থেকে রক্ষা করার জন্য নাকের ক্লিপ বা প্লাগ ব্যবহার করা।
বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে, যখন তাপমাত্রা বেশি থাকে, তখন পুকুর বা হ্রদের মতো উষ্ণ জলাশয়ে সতর্ক থাকা।
23/08/2025
কুচকীতে চুলকানী/দাদ/জক্ ইচ্ প্রতিরোধে ৫টি পরামর্শ:
১.পরিষ্কার ও শুকনো রাখা:
প্রতিদিন গোসল করুন এবং কুচকী ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। ভেজা বা ঘামে ভেজা অবস্থায় চুলকানি বেশি হয়।
২.ঢিলেঢালা ও সুতি কাপড় ব্যবহার:
টাইট ও সিনথেটিক আন্ডারওয়্যার এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে ঘাম আটকে ফাঙ্গাস বাড়ে।
৩.ব্যক্তিগত সামগ্রী আলাদা ব্যবহার:
তোয়ালে, আন্ডারওয়্যার বা কাপড় অন্যের সাথে শেয়ার করবেন না।
৪.অতিরিক্ত সাবান বা কেমিক্যাল এড়িয়ে চলুন :
ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে চুলকানি বাড়ে, তাই কুসুম গরম পানিতে ধোয়া ভালো।
৫.ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ঘাম কমানো :
স্থূলতা ও অতিরিক্ত ঘাম ফাঙ্গাল সংক্রমণ বাড়ায়। পাউডার বা অ্যান্টিফাঙ্গাল পাউডার ব্যবহার করা যেতে পারে।
যদি চুলকানি দীর্ঘস্থায়ী হয়, লাল দাগ বা ঘা দেখা দেয়, তবে দেরি না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
16/08/2025
ভাইরাল জ্বরে যেসব কাজ করা উচিৎ নয় (বর্জনীয়):
১.অযথা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া যাবে না – ভাইরাসে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না, বরং শরীরের ক্ষতি করতে পারে।
২.ঠান্ডা পানি বা আইসক্রিম খাওয়া এড়িয়ে চলুন – এতে গলা ব্যথা ও কাশি বেড়ে যেতে পারে।
৩.তেল-ঝাল ও ভারী খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন – এগুলো হজমে সমস্যা ও দুর্বলতা বাড়ায়।
৪.নিজে নিজে বেশি ওষুধ খাওয়া যাবে না – চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েড, শক্তিশালী ব্যথানাশক বা অন্যান্য ওষুধ খাওয়া বিপজ্জনক।
৫.অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করবেন না – এতে শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা কমে গিয়ে সুস্থ হতে দেরি হয়।
👉 ভাইরাল জ্বরে মূলত বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি, সঠিক খাবার ও প্রয়োজনমতো ওষুধই যথেষ্ট।
16/08/2025
এখন বাচ্চাসহ সকলের ভাইরাল জ্বর বেশি বেশি হচ্ছে। তাই নিচের ৫টি পরামর্শ মেনে চলুন।
১.বিশ্রাম নিন – শরীরকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিন, যাতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে।
২.পানি ও তরল খাবার বেশি খান – পানিশূন্যতা এড়াতে পর্যাপ্ত পানি, স্যুপ, ডাবের পানি বা ফলের রস পান করুন।
৩.হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খান – সহজপাচ্য খাবার যেমন খিচুড়ি, সবজি স্যুপ, ফল খেলে শরীর শক্তি পায়।
৪.জ্বর নিয়ন্ত্রণে রাখুন – জ্বরের তীব্রতা বেশি হলে গরম পানিতে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে নিন বা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল সেবন করুন।
৫.ডাক্তারের পরামর্শ নিন – শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত দুর্বলতা, বুকে ব্যথা বা দীর্ঘদিন জ্বর থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।
তীব্র তাপদাহে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), বরিশাল মহোদয়ের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবার্তাঃ
★ বিনা প্রয়োজনে কেউ ঘরের বাইরে যাবেন না।
★ শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী, দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত (যেমন: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি রোগ) ব্যাক্তিরা রোদের মধ্যে বাইরে যাবেন না।
★ প্রয়োজনের তাগিদে যারা ঘরের বাইরে যাবেন (যেমন: কৃষক, শ্রমিক, রিক্সাচালক) তারা মাথায় শেড (যেমন: ছাতা, ক্যাপ) ব্যবহার করবেন।
★ বাইরে থেকে ঘর্মাক্ত অবস্থায় ঘরে ফিরলে শুধু পানি পান না করে লবন-চিনি মিশ্রিত শরবত পান করুন।
★ গুরুতর অবস্থা হলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাবেন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেয়ার পথে ঠান্ডা পানি / বরফ দিয়ে শরীর ঠান্ডা করার ব্যবস্থা নিবেন।
26/05/2023
ছবিটা আমার নজর কেড়েছে (?)
সকলের জানা উচিৎ (!)
০১. আপনার পাকস্থলী কখন ভীত; যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।
০২. আপনার কিডনি কখন আতঙ্কিত; যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
০৩. আপনার গলব্লাডার ভীত; যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।
০৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।
০৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ভাজা-পোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।
০৬. ফুসফুস তখন ভীত; যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।
০৭. লিভার ভীত; যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।
০৮. হৃদপিন্ড ভীত; যখন আপনি বেশি লবণ এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।
০৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত; যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।
১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত; যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন।
১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত; যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।
সুতরাং আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন।
~ সংগৃহীত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Patuakhali
