Rakib Medical Store
Rakib Medical Store পেজটিতে আপনাকে স্বাগতম। যে কোন ধরনের সাস্থ সম্পর্কিত টিপস ও প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য পেজটা ফলো দিয়ে পাশে থাকবেন। ধন্যবাদ ।
31/08/2025
সিজারের পর মায়েরা শুধু নতুন জীবনের সাথে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টাই করেন না, শরীরের যত্ন নিয়েও চিন্তিত থাকেন। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে –
👉 "আমি কবে থেকে গোসল করতে পারব?"
👉 "গোসল করলে কি কাটার জায়গায় সমস্যা হবে?"
চলুন জেনে নিই সিজারের পর সঠিক স্নানের নিয়ম 👇
---
🌸 প্রথম ৭–১০ দিন
এই সময় সরাসরি গোসল বা শাওয়ার একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ সেলাইয়ের জায়গা তখনও নরম থাকে। পানি লাগলে ব্যথা ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
✅ তাই এসময় হালকা গরম পানিতে ভেজানো নরম কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে শরীর মুছে নিন। এতে শরীর পরিষ্কার থাকবে, আবার ঝুঁকিও কমবে।
---
🌸 ডাক্তারের অনুমতির পর
ডাক্তার যখন গোসলের অনুমতি দেবেন, তখন থেকে সাবধানে শাওয়ার নিতে পারবেন। তবে খেয়াল রাখুন—
✅ সেলাইয়ের জায়গায় সাবান, শ্যাম্পু বা কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার করবেন না।
✅ বেশি সময় ধরে ভিজে থাকবেন না।
✅ কাটার জায়গায় পানি পড়লেও ভয় নেই, তবে পরে অবশ্যই ভালোভাবে শুকিয়ে ফেলতে হবে।
---
🌸 স্নানের পর যত্ন
👉 তোয়ালে দিয়ে ঘষে নয়, হালকা চাপ দিয়ে জায়গা শুকান।
👉 সম্ভব হলে খোলা বাতাসে শুকাতে দিন।
👉 সবসময় পরিষ্কার, ঢিলেঢালা ও নরম কাপড় পরুন যাতে জায়গায় চাপ বা ঘষা না লাগে।
---
🌸 সতর্কতার লক্ষণ
সেলাইয়ের জায়গায় যদি—
🔴 লালচে হয়ে যায়
🔴 ফুলে ওঠে
🔴 পুঁজ বের হয়
🔴 দুর্গন্ধ আসে
তাহলে দেরি না করে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
---
💡 অতিরিক্ত টিপস
✅ নিয়মিত হালকা হাঁটাহাঁটি করুন।
✅ পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
✅ কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে আঁশযুক্ত খাবার খান।
✅ আর সবচেয়ে জরুরি – ডাক্তারের সব নির্দেশ মেনে চলুন।
---
🌷 মনে রাখবেন, মায়ের সুস্থতা মানেই শিশুর সুস্থতা। সিজারের পর নিজের যত্ন নেওয়া কোনো বাড়তি বিলাসিতা নয়, বরং আপনার আর আপনার সন্তানের নিরাপত্তার জন্য একান্ত প্রয়োজন।
❤️ প্রিয় মা, আপনার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? সিজারের পর প্রথম কবে গোসল করেছিলেন? কমেন্টে লিখে শেয়ার করুন, যাতে অন্য মায়েরাও উপকৃত হতে পারেন।
31/08/2025
✨ পুরুষ বনাম নারী – শরীরের গোপন ঘড়ি
আমরা সবাই জানি সময় ঘড়ির কাঁটায় চলে। কিন্তু জানেন কি❓ আমাদের শরীরের ভেতরেও একটা গোপন ঘড়ি আছে!
তবে সেই ঘড়ি পুরুষ আর নারীর জন্য একেবারেই আলাদা।
---
👨🦱 পুরুষের ২৪ ঘণ্টার ছন্দ
পুরুষের শরীর প্রতিদিন টেস্টোস্টেরনের ওঠানামার সাথে তাল মিলিয়ে চলে।
☀️ সকাল: টেস্টোস্টেরন সর্বোচ্চ থাকে। এ সময় এনার্জি, আত্মবিশ্বাস আর মনোযোগ একেবারে টপে থাকে।
🌤️ দুপুর-বিকেল: ধীরে ধীরে টেস্টোস্টেরন কমতে শুরু করে। তাই শরীর একটু শান্ত হয়, মিটিং বা মনোযোগী কাজের জন্য ভালো সময়।
🌙 রাত: সবচেয়ে নিচে নেমে আসে। তখন শরীর চায় বিশ্রাম, ঘুম আর রিল্যাক্সেশন।
অর্থাৎ, পুরুষের শরীর প্রতিদিন নতুনভাবে চার্জ হয় এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আবার রিসেট হয়।
---
👩🦰 নারীর ২৮ দিনের ছন্দ
নারীর শরীর প্রতিদিন নয়, বরং মাসজুড়ে ধাপে ধাপে পরিবর্তিত হয়।
🌸 ফোলিকুলার ফেজ (মাসিকের পর): এ সময় এনার্জি, সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস—সবকিছু বাড়ে।
💫ডিম্বস্ফোটন ফেজ: শরীর সবচেয়ে ফার্টাইল অবস্থায় থাকে। মুড, সৌন্দর্য ও সামাজিকতা সর্বোচ্চ থাকে।
🌧️ লুটিয়াল ফেজ: হরমোনের পরিবর্তনে ক্লান্তি, আবেগপ্রবণতা ও বিশ্রামের প্রয়োজন বাড়ে।
🍂 মাসিকের সময়: শরীর পুরোনো স্তর ঝরিয়ে দিয়ে নতুনভাবে প্রস্তুত হয়। বিশ্রাম ও যত্ন নেওয়ার সঠিক সময়।
অর্থাৎ, নারীর শরীর প্রতিদিন নয়—বরং ২৮ দিনের ছন্দে কাজ করে।
---
🔹 পুরুষের শরীর = প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টায় ওঠানামা করে।
🔹 নারীর শরীর = পুরো মাস জুড়ে এক ভিন্ন হরমোনাল ছন্দে চলে।
👉 এই প্রাকৃতিক ছন্দগুলোকে বোঝা মানে হলো নিজের শরীরকে ভালোভাবে চেনা।
যখন আমরা শরীরের ঘড়িকে বুঝি, তখন কাজ, বিশ্রাম, সম্পর্ক আর সুস্থতা—সবকিছুই সুন্দরভাবে সামঞ্জস্য করা সহজ হয়।
✨ তাই আসুন, নিজের শরীরকে শুনি, তার ছন্দকে সম্মান করি—কারণ শরীরই আমাদের আসল সঙ্গী।
১। মস্তিস্কের আবরনের নাম কি==মেনিনজেস
০২। হৃদপিন্ডের পর্দার নাম কি===পেরিকার্ডিয়াম
০৩। ফুসফুসের পর্দার নাম কি===প্লুরা
০৪। যকৃতের পর্দার নাম কি==গ্লিসনস ক্যাপসুল
০৫। অস্থির পর্দার নাম কি==পেরি অষ্টিয়াম
০৬। তরুণাস্থির পর্দার নাম কি ==পেরিকন্ডিয়াম
০৭। স্নায়ুতন্ত্রের গঠনের একক কি==নিউরন
০৮। রেচনতন্ত্রের গাঠনিক একক==নেফ্রন
০৯। কঙ্কালতন্ত্রের গাঠনিক একক==অস্থি
১০। যকৃতের গাঠনিক একক==হেপাটোসাইট
১১। মাংশপেশীর গাঠনিক একক===মায়োসাইট
১২। ফুসফুসের গাঠনিক একক==এলভিওলাই
১৩। মানবদেহে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি==হাইপোথ্যালামাস
১৪। কোন রস যা মর্করা বা আমিষ উভয়কে পারিপাক করে ==অগ্ন্যাশয় রস
১৫। মানুষের লালায় কোন রস থাকে==টায়ালিন
১৬। কোন জারক রস পাকস্থলিতে দুগ্ধ জমাট বাধায়==রেনিন
১৭। HCL কোন কোষ থেকে নিঃসৃত হয়==প্যারাইটাল কোষ
১৮। যে ভিটামিন ক্ষতস্থান হতে রক্ত পড়া বন্ধ
করতে সাহায্য করে ভিটামিন ‘K’ (২৬তম
বিসিএস)।
১৯। যে হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস
রোগ হয় ইনসুলিন (২০তম বিসিএস)।
২০। কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে
উপাদানের জন্য লৌহ (১০তম বিসিএস)।
২১। আমাদের দেহকোষ রক্ত হতে গ্রহণ করে
অক্সিজেন ও গ্লুকোজ। (১০ তম BCS )
২২। মানুষের গায়ের রং নির্ভর করে যে উপাদানের
উপর মেলানিন (২৭তম বিসিএস)।
২৩। এনজিও প্লাষ্টি হচ্ছে হ্রৎপিন্ডের বন্ধ শিরা
বেলুনের সাহায্যে ফুলানো। (২১ তম BCS)
২৪। মানুষের স্পাইনাল কর্ডের দৈর্ঘ্য ১৮
ইঞ্চি (প্রায়) (২৮তম বিসিএস)।
২৫। আপেলে কোন অ্যাসিড থাকে ?
==
ম্যালিক অ্যাসিড
২৬। আমলকিতে কোন অ্যাসিড থাকে ?== অক্সালিক
অ্যাসিড
২৭। কোন গ্রুপের রক্তকে সর্বজন গ্রহীতা
বলে ? ==এবি গ্রুপ কে
২৮। আমিষ জাতীয় খাদ্য কোন জারক রস পরিপাক
করে ? ==পেপসিন
২৯। ইনসুলিন কোথায় উত্পন্ন হয় ?
অগ্নাশয়ে
৩০। কোন মস্তিস্ক যে কোনো সিদ্ধান্ত দ্রুত
দিতে পারে ? ==পুরুষ
৩১। কোন গ্রুপের রক্তকে সর্বজনীন দাতা
বলে ? ==ও গ্রুপ
🧪 রক্তের পরীক্ষা (Blood Tests)
CBC = Complete Blood Count
ESR = Erythrocyte Sedimentation Rate
HbA1c = Hemoglobin A1c
FBS = Fasting Blood Sugar
RBS = Random Blood Sugar
PPBS = Post Prandial Blood Sugar
BT = Bleeding Time
CT = Clotting Time
PT = Prothrombin Time
APTT = Activated Partial Thromboplastin Time
CRP = C-Reactive Protein
D-Dimer = D-dimer (Clot marker)
Blood Group & Rh Typing
---
🫀 হার্টের পরীক্ষা (Heart/Cardiac Tests)
ECG = Electrocardiogram
ECHO = Echocardiography
TMT = Treadmill Test
Holter Monitoring = Continuous ECG Recording
Troponin-I / Troponin-T = Myocardial Infarction Marker
---
🩸 লিভারের পরীক্ষা (Liver Tests)
LFT = Liver Function Test
SGPT / ALT = Serum Glutamate Pyruvate Transaminase
SGOT / AST = Serum Glutamate Oxaloacetate Transaminase
Bilirubin (Total, Direct, Indirect)
Alkaline Phosphatase (ALP)
Serum Albumin & Globulin
---
🫘 কিডনির পরীক্ষা (Kidney/Urinary Tests)
KFT = Kidney Function Test
RFT = Renal Function Test
Blood Urea
Serum Creatinine
Uric Acid
Electrolytes = Sodium, Potassium, Chloride, Bicarbonate
Urine R/M/E = Routine, Microscopy, Examination
Urine C/S = Urine Culture & Sensitivity
24 Hrs Urinary Protein
---
🧬 হরমোন ও থাইরয়েড পরীক্ষা
TSH = Thyroid Stimulating Hormone
FT4 = Free Thyroxine
FT3 = Free Triiodothyronine
LH = Luteinizing Hormone
FSH = Follicle Stimulating Hormone
Prolactin
Insulin Level
Testosterone / Estrogen / Progesterone
---
🧫 সংক্রমণ/ইনফেকশন টেস্ট
HbsAg = Hepatitis B Surface Antigen
Anti-HCV = Hepatitis C Antibody
HIV Test = Human Immunodeficiency Virus Test
VDRL = Venereal Disease Research Laboratory (Syphilis)
Widal Test = Typhoid Test
Mantoux Test = Tuberculosis Test
Dengue NS1 Antigen / IgM / IgG
Malaria Parasite (MP) Test
Chikungunya IgM
---
🧠 মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর পরীক্ষা (Neuro Tests)
EEG = Electroencephalogram
EMG = Electromyography
NCV = Nerve Conduction Velocity
CT Scan (Brain) = Computed Tomography Scan
MRI (Brain) = Magnetic Resonance Imaging
---
🩻 ইমেজিং টেস্ট (Imaging Tests)
X-Ray = X-Radiography
# #রোগ অনুযায়ী কোন ডাক্তার দেখাবেন''
🔹 মাথা, মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর সমস্যা
মাথা ব্যথা, খিঁচুনি, পক্ষাঘাত, স্নায়ুর ব্যথা → নিউরোলজিস্ট (Neurologist)
মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচার, টিউমার → নিউরোসার্জন (Neurosurgeon)
🔹 চোখের সমস্যা
চোখের ঝাপসা, লাল হওয়া, ছানি, গ্লুকোমা → চক্ষু বিশেষজ্ঞ (Ophthalmologist)
🔹 কান, নাক ও গলার সমস্যা
কানে কম শোনা, কানে পুঁজ পড়া, টনসিল, সাইনাস, নাক দিয়ে রক্ত পড়া → ইএনটি বিশেষজ্ঞ (ENT Specialist)
🔹 দাঁত ও মুখের সমস্যা
দাঁতের ব্যথা, মাড়ির সমস্যা, দাঁত তোলা/ব্রেস → ডেন্টিস্ট (Dentist)
🔹 হৃদরোগ ও রক্তচাপ
বুক ধড়ফড়, হার্ট ব্লক, হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ/নিম্ন রক্তচাপ → কার্ডিওলজিস্ট (Cardiologist)
হার্টের অপারেশন লাগলে → কার্ডিয়াক সার্জন (Cardiac Surgeon)
🔹 শ্বাসকষ্ট / ফুসফুস
হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, কাশি, যক্ষ্মা → মেডিসিন / চেস্ট বিশেষজ্ঞ (Pulmonologist)
🔹 পেট ও হজমের সমস্যা
গ্যাস্ট্রিক, পেট ব্যথা, লিভারের সমস্যা, আলসার → গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট (Gastroenterologist)
🔹 কিডনি / প্রস্রাবের সমস্যা
কিডনির পাথর, প্রস্রাবে জ্বালা, ইউরিন ইনফেকশন → নেফ্রোলজিস্ট (Nephrologist)
অপারেশন লাগলে → ইউরোলজিস্ট (Urologist)
🔹 হাড়, জয়েন্ট ও মেরুদণ্ড
কোমর ব্যথা, হাঁটু ব্যথা, হাড় ভাঙা, বাত → অর্থোপেডিক সার্জন (Orthopedic Doctor)
🔹 ত্বক ও যৌন রোগ
চুলকানি, চুল পড়া, ফুসকুড়ি, যৌন রোগ → ডার্মাটোলজিস্ট (Skin & VD Specialist)
🔹 নারী রোগ
মাসিকের সমস্যা, গর্ভাবস্থা, সন্তান জন্ম → গাইনোকলজিস্ট (Gynecologist & Obstetrician)
🔹 শিশু রোগ
শিশুদের জ্বর, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া → পেডিয়াট্রিশিয়ান (Child Specialist)
🔹 মানসিক রোগ
দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশন, ঘুম না আসা, সিজোফ্রেনিয়া → সাইকিয়াট্রিস্ট (Psychiatrist)
🔹 সাধারণ অসুখ
সর্দি, কাশি, জ্বর, ডায়রিয়া, শরীর ব্যথা → মেডিসিন বিশেষজ্ঞ (Medicine Specialist)
জরুরি বা ছোটখাটো সমস্যা → MBBS ডাক্তার (General Physician)
19/08/2025
রোগো প্রতিরোধে শিশুর টিকা। কখন এবং কিভাবে দিবেন?
একটি পরিবারে শিশুর জন্ম হলে সবার মুখে যেমন হাসি ফুটে তেমনি অসুখ বিসুখের ভয় তার স্বজনদের শঙ্কায় ফেলে। সবাই চায় সন্তানটি যেন সুস্থ থাকে। আর এজন্য টিকার গুরুত্ব অপরিসীম। কখন এবং কিভাবে আপনার শিশুকে এই টিকাগুলো দিবেন আসুন জেনে নিই বিস্তারিত।
শিশুদের বিভিন্ন টিকা সমূহ:
আমাদের দেশে সরকারী পর্যায়ে বিনামুল্যে যে রোগ সমূহের বিরুদ্ধে শিশুদের টিকা দেয়া হয় সেগুলো হলো- যক্ষা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, টিটেনাস, হেপাটাইটিস-বি, হেমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা – বি, নিউমোনিয়া, পোলিওমায়েলাইটিস, হাম ও রুবেলা।
কোন সময় আপনার শিশুকে টিকা দিবেন?
প্রায় সকল অবস্থায়ই শিশুর টিকা দেওয়া যায়। সামান্য জ্বর বা ব্যথা হতে পারে এই ভয়ে শিশুকে টিকা দেয়া বন্ধ করা যাবেনা। অপুষ্টিতে ভুগছে এমন শিশুর দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে তাই এমন শিশুকে অবশ্যই টিকা দিতে হবে। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করার জন্য অবশ্যই তাঁকে টিকা দেয়া খুবই জরুরি। অতীতে শরীরে কোনো দানা উঠে থাকলে বা আগে হাম/রুবেলা হয়ে থাকলেও শিশুকে ৯ মাস পূর্ণ হওয়া মাত্র ১ ডোজ এমআর টিকা এবং ১৫ মাস বয়স পূর্ণ হলে হামের ২য় ডোজ টিকা দিতে হবে।
শিশুকে টিকা দেয়ার ডোজ ও সময়:
সবগুলো টিকা দেয়ার জন্য প্রত্যেক বাচ্চাকে কমপক্ষে ৬ বার টিকা কেন্দ্রে আসতে হবে।
প্রথম ডোজ: কোন বাচ্চা জন্মের সাথে সাথে যক্ষা রোগের প্রতিরোধে বিসিজি টিকা দেয়া হয়। এটি সাধারণত বাচ্চার বাম হাতে চামড়ার ভিতরে দেয়া হয়। এই টিকা দিলে টিকার স্থানে সামান্য ঘা হয়ে পেকে যায় যা টিকা কার্যকর হবার প্রমান। আর যদি টিকা স্থানে ঘা না হয় তাহলে ধরতে হবে টিকা কার্যকর হয়নি এবং বাচ্চাকে পুনরায় টিকা দিতে হবে। টিকার দেয়ার পর সামান্য জ্বর হতে পারে এতে ভয়ের কিছু নেই। তবে জ্বর ১০১ডিগ্রী এর বেশি হলে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করে ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। জন্মের পর পর বা ১৪ দিনের মধ্যে শিশুকে পোলিও টিকার ডোজ বা ওপিভি দিতে হবে।
দ্বিতীয় ডোজ: বাচ্চার বয়স ছয় সপ্তাহ বা ৪২ দিন পূর্ণ হলে তাকে পুনরায় টিকা দেয়ার জন্য টিকা কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে। এ সময় বাচ্চাকে ২ ফোঁটা পোলিও টিকা বা ওপিভি মুখে খাওয়াতে হবে। এছাড়া এসময় ডান পায়ে নিউমোনিয়ার টিকা পিসিভি এবং বাম পায়ে আরেকটা টিকা দিতে হবে যা পেন্টাভ্যালেন্ট ভ্যাকসিন নামে পরিচিত। এই টিকা শিশুকে পাঁচটি রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা যোগাবে, রোগ গুল
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Puran Bogra
5800
