Galib Mart
All Products 100 % Pure
একদিন সক্রেটিসের কাছে তার এক পরিচিত লোক এসে বলল, আপনি কি জানেন আপনার বন্ধু সম্পর্কে আমি কি শুনেছি?
সক্রেটিস তেমন আগ্রহী না হয়ে বললেন, এক মিনিট থামেন।
আমাকে কিছু বলার আগে আপনাকে ছোট্ট একটা পরীক্ষা পার হতে হবে; এই পরীক্ষার নাম ‘ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট’।
লোকটা অবাক হয়ে প্রশ্ন করল, ট্রিপল ফিল্টার!!!
এইটা আবার কি জিনিস?
সক্রেটিস বললেন, আমার বন্ধু সম্পর্কে আমাকে কিছু বলার আগে আপনি যা বলবেন তা ফিল্টার করে নেওয়া ভালো।
তিন ধাপে ফিল্টার হবে বলে আমি এটাকে 'ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট' বলি।
প্রথম ফিল্টার হলো ‘সত্যবাদিতা/Truthfulness.
আপনি কি নিশ্চিত যে আপনি যা বলবেন তা সত্য?
লোকটা বলল, না, আমি শুধু শুনেছি জাস্ট এতটুকুই।
পুরোপুরি সত্য কিনা, তা নিশ্চিত নই।
সক্রেটিস বললেন, ঠিক আছে।
তাহলে আপনি জানেন না এটা সত্য কিনা।
এবার দ্বিতীয় ফিল্টার। এই ফিল্টারের নাম হল ‘ভালোত্ব/Goodness.
আমার বন্ধু সম্পর্কে আপনি যা বলবেন তা কি ভালো কোনো বিষয়?
লোকটা একটু আমতা আমতা করে বলল,
না, ভালো নয়, খারাপ কিছু।
সক্রেটিস বললেন, তার মানে আপনি আমার বন্ধু সম্পর্কে এমন একটা খারাপ কথা বলতে এসেছেন যা আদৌ সত্য কিনা সে ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত নন।
আচ্ছা, আপনি হয়ত এখনো পরীক্ষায় পাস করতে পারেন। কারণ তিন নাম্বার ফিল্টার বাকি আছে।
এটা হল ‘উপকারিতা/Usefulness.
আমার বন্ধু সম্পর্কে আপনি যা বলবেন তা কি আমার বা আপনার কোনো উপকারে লাগবে?
লোকটি বলল, না, সেরকম না। এতে আমার বা আপনার কারোই উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
সক্রেটিস তখন শান্তভাবে বললেন বেশ, আপনি যা বলতে চান তা-
সত্য না,
ভালো কিছুও না,
আবার আমার বা আপনার কোনো উপকারেও আসবে না।
তাহলে কেনইবা আমরা এসব অহেতুক কাজে সময় নষ্ট করব? We shall try to use our time truthfulness, goodness and usefulness.
চলুন, সময়টাকে একটা ভালো কাজে ব্যয় করি।
লোকটা তাই আর কিছু না বলে চলে গেল।
23/05/2023
আপনার প্রিয়জন ফোন দিলে তাড়াতাড়ি রিসিভ করেন,বস ফোন দিলে ফোন রিসিভ করে দাড়িয়ে যান।কলিগ ফোন দিলে সাথে সাথে রিসিভ করেন অফিসে কোনো সমস্যা হলো কিনা জানার জন্য।বন্ধুরা ফোন দিলে অপ্রোয়জনে দীর্ঘ সময় কথা বলেন। কিন্তু টং দোকানে চা খাওয়ার মতো অগুরুত্বপূর্ণ কাজে থাকলেও আমাদের জেনারেশন বাবা - মায়ের ফোন রিসিভ করেন না। ভাবটা এমন খুব বিজি বা তারা কি আর এমন বলবে! হয়তো জিজ্ঞেস করবে" কখন আসবি বাসায়" কিংবা জানতে চাইবে " রাতে খেয়েছিস? "
হ্যা ,হয়তো এসব একেবারেই গুরুত্বহীন প্রশ্ন। এসবের উত্তর পরে দিলেও হয়। কিন্তু লিখে রাখেন এগুলা একসময় পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হবে আপনার কাছে। যেদিন ফোন দিয়ে এসব জানার কেউ থাকবে না সেদিন। সেদিন চিৎকার করে বুক ফেটে গেলেও একবার কেউ বলবে না " কিরে ,এখনও আসলি না বাসায়। কত রাত হয়ে গেলো। "
আজকাল অনেকেই বাবা বা মা নাম দিয়ে সেভ করা নাম্বারটার ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করে তার আর্তনাদ জানান।এখন কেউ আর ফোন করে না ,কেউ এই নাম্বার থেকে খোঁজ নেয় না সেটা প্রকাশ করেন। তার কাছে এই নাম্বার থেকে একটা কল কত গুরুত্বপূর্ণ সেটা পৃথিবীর আর কেউ জানে না।
তাই সময় থাকতে এসবের একটু গুরুত্ব দিন। রিসিভ করে ঠান্ডা মাথায় বলুন " বাবা - মা এইতো ফিরবো একটু পর। টেনশন করো না। "
"অহংকার বলে দেয় টাকা কত আছে.
সংস্কার বলে দেয় পরিবার কেমন.
স্পর্শ বলে দেয় স্বভাব কেমন.
তর্ক বলে দেয় জ্ঞান কেমন.
মুখের ভাষা বলে দেয় মানুষটা কেমন.
পছন্দ বলে দেয় ভাবনা চিন্তা কেমন.
স্বপ্ন বলে দেয় ভবিষ্যৎ কেমন.❤️🥀🌹
"আমাদের প্রত্যেকের আচরণের মাধ্যমে
আমাদের ব্যক্তিত্ব প্রকাশ পায় ,,,🥀🥀
21/05/2023
বৈদ্যুতিক বাতির আবিস্কারক বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন এর একটি গল্প পড়েছিলাম। 'মাদারস লাভ ফর এ বয়' গল্পটির কাহিনি অনেকেই জানেন। তারপরও আজকে এই ছবিটি দেখে, সেই গল্পের কথা মনে পড়ে গেল।
এডিসন পড়াশোনাতে বেশ দূর্বল ছিলেন। পরীক্ষায় খাতায় তেমন ভালো করতে পারেননি। ফলে তার হাতে একটি চিঠি ধরিয়ে দিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ বলেন, 'চিঠিটা যেনো খোলা না হয়। সোজা মায়ের হাতে দেয়া হয়।
এডিসন মায়ের হাতে চিঠি দিলেন এবং চিঠিতে কি লেখা কৌতুহলবশত মায়ের কাছে জানতে চাইলেন।
তার মা আওয়াজ করে এডিসনকে শুনিয়ে বললেন,‘আপনার পুত্র খুব মেধাবী, এই স্কুলটি তার জন্য অনেক ছোটো এবং এখানে তাকে শেখানোর মতো যথেষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নেই। দয়া করে আপনি নিজেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করুন।'
তারপর থেকে তিঁনি মায়ের কাছেই শিক্ষা নেওয়া শুরু করলেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হবার পর টমাস আলভা এডিসন হয়ে উঠেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী, শিল্পপতি এবং মার্কেটিং জগতে সফল উদ্যোক্তা। কিন্তু তাঁর মা সেসময় বেঁচে ছিলেন না। হঠাৎ একদিন পুরানো কাগজ নাড়তে থাকেন। ভাঁজ করা এক কাগজের দিকে চোখ আটকে যায়। চিঠিটি খুলে দেখেন সেই পুরানো স্কুলের চিঠি। আবেগতারিত হয়ে যান। মনের ক্যানভাসে ভেসে উঠে সেসব দিনের কথা।
সেই চিঠিতে লেখা ছিল- ‘আপনার সন্তান স্থূলবুদ্ধিসম্পন্ন, সে এই স্কুলের উপযুক্ত নয়, আমরা কোনোভাবেই তাকে আমাদের স্কুলে আর আসতে দিতে পারি না’।
তারপর এডিসনের চোখ ভিজে যায়! তাঁর মায়ের কথা ভীষণ মনে হয়। ডাইরীতে লিখে রাখলেন তখন,‘টমাস আলভা এডিসন মানসিক অসুস্থ এক শিশু ছিলেন কিন্তু তার মা তাকে শতাব্দীর সেরা প্রতিভাবান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছেন।’
এই ছবিটি কে তুলেছেন জানা নেই।
তবে জানা আছে মায়ের ভালোবাসার কথা। এই সন্তানকে গড়তে মায়ের অকৃত্রিম ভালোবাসা আর সংগ্রামের কথা। মায়েরা সন্তানকে এভাবেই গড়ে তোলেন!
একজন সাহসী, সংগ্রামী, মমতাময়ী
সব মায়েরা যেনো এমনি।
স্যালুট মা ❤️
আসসালামু আলাইকুম।
Galib Mart All Products 100 % Pure
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Rajshahi
6000
