Psycho "U & Me"

Psycho "U & Me"

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Psycho "U & Me", Health/Beauty, Rajshahi.

02/06/2026

মৃত্যুর অবহেতুক ভয় যখন জীবনকে থমকে দেয়: লক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক সমাধান 🧠✨

​মৃত্যু জীবনের এক অনিবার্য সত্য। কিন্তু এই চিন্তা যখন সারাক্ষণ মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে, বুকে কাঁপন সৃষ্টি করে, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় কিংবা মনে হয় "এই বুঝি আমি মারা যাচ্ছি"—তখন একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় 'থানাটোফোবিয়া' (Thanatophobia) বা তীব্র মৃত্যু ভীতি বলা হয়।
​অনেকেই একে স্রেফ "অতিরিক্ত চিন্তা" বা "মনের দুর্বলতা" ভেবে অবহেলা করেন। কিন্তু এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা, যা প্রমাণের ভিত্তিতে এবং বৈজ্ঞানিক থেরাপির (যেমন: CBT বা Cognitive Behavioral Therapy) মাধ্যমে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব।
​তীব্র মৃত্যু ভীতির সাধারণ কিছু লক্ষণ:
​📌 সারাক্ষণ নিজের বা প্রিয়জনের মৃত্যুর অবহেতুক চিন্তা আসা।
​📌 সামান্য শারীরিক অস্বস্তি (যেমন বুক ধড়ফড় বা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা) হলেই মনে হওয়া হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে এবং এখনই মারা যাব।
​📌 প্যানিক অ্যাটাক (হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট, হাত-পা কাঁপা, মাথা ঘোরা ও তীব্র আতঙ্ক)।
​📌 ঘরের বাইরে বের হতে ভয় পাওয়া বা একা থাকতে আতঙ্কবোধ করা।
​📌 জীবনের প্রতি এক ধরণের অনিহা বা তীব্র হতাশা তৈরি হওয়া।
​দীর্ঘ ৮ বছর যাবত মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত থেকে আমি দেখেছি, সঠিক মনস্তাত্ত্বিক নির্দেশনার মাধ্যমে এই তীব্র আতঙ্ক কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক, সুন্দর ও প্রাণবন্ত জীবনে ফিরে আসা পুরোপুরি সম্ভব।
​আপনার বর্তমানকে মৃত্যুর ভয়ে স্থবির হতে দেবেন না। মন খুলে কথা বলুন একজন বিশেষজ্ঞের সাথে।

​👨‍⚕️ পরামর্শে:
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট
​শিক্ষাগত যোগ্যতা: বি.এস.সি (অনার্স), এম.এস (ক্লিনিক্যাল সাইকোলজী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)
​অভিজ্ঞতা: ০৮ বছর (ক্লিনিক্যাল সাইকোলজী)
​বিশেষত্ব: রিলেশনশিপ কাউন্সেলিং, OCD, অ্যাংজাইটি ও প্যানিক ডিসঅর্ডার।
​📌 অনলাইন ও অফলাইন কাউন্সেলিং সেশনের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে যোগাযোগ করুন:

📞 হটলাইন: ০১৭০১০৮১২৪৯
​(আপনার মানসিক সুস্থতাই আমাদের অগ্রাধিকার। পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও সচেতন হতে সাহায্য করুন।)

02/06/2026

For Help: 01701081249

14/05/2026

“OCD” শব্দটা আমরা প্রায়ই হালকাভাবে ব্যবহার করি—“আমি তো একটু OCD আছি!” 😅 কিন্তু সত্যিটা হলো, অবসেসিভ-কম্পালসিভ ডিসঅর্ডার একটি গুরুতর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা। এটা শুধু “পরিপাটি” বা “গোছানো” হওয়ার ব্যাপার না।

🔍 OCD আসলে কী?
এটা দুই অংশের:
1️⃣ অবসেশন (অনিচ্ছাকৃত চিন্তা): বারবার ভয় বা উদ্বেগ জাগানো চিন্তা আসা (যেমন: “হাত জীবাণুতে ভরা”)
2️⃣ কম্পালশন (পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ): সেই চিন্তা দূর করতে বারবার একই কাজ করা (যেমন: ক্ষত হওয়া পর্যন্ত হাত ধোয়া)

💔 বাস্তবতা:
➜ সময় নষ্ট হয় (দিনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা)
➜ কষ্টদায়ক এবং দুর্বল করে ফেলে
➜ রোগী বুঝতে পারে যে এসব অযৌক্তিক, কিন্তু থামাতে পারে না

❌ ভুল ধারণা মিথস্ক্রিয়া:
“সবাই মাঝে মাঝে কিছু বারবার করে”— সেটা অভ্যাস, রোগ না। OCD নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

✅ আমরা কী করতে পারি?
✔ সহানুভূতি দেখান, উপহাস নয়
✔ “এটা ছাড়ো” না বলে পেশাদার সাহায্য নিতে উৎসাহ দিন
✔ থেরাপি ও ওষুধে OCD নিয়ন্ত্রণ সম্ভব

💡 মনে রাখবেন:
মানসিক অসুস্থতা দুর্বলতার লক্ষণ নয়—সাহস ও চিকিৎসার বিষয়।

📣 আপনার মতামট দিন:
আপনি কি কখনো “আমার একটু OCD আছে” বলে শুনেছেন বা বলেছেন? নিচে কমেন্ট করে জানান। আর বোঝার চেষ্টা করুন—আসল সমস্যায় যারা ভুগছে তাদের জন্য আমাদের সহানুভূতির জায়গাটা বাড়ুক।

```
#ম entalHealth #মানসিকস্বাস্থ্য #সচেতনতা #মিথ ভাঙি
```

03/04/2026

“এই পোস্টটা হয়তো কিছু মানুষের ‘কান্না’ লুকানোর দেয়াল ভাঙবে। জানি, মন বলে সব মিথ্যে, কেউ বুঝবে না। তবুও বলছি—একবার কথা বলো। ফোন করো। কাছের মানুষ ডিপ্রেশন নিয়ে রসিকতা করলে দূরে সরে এসো। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: পেশাদার সাহায্য নিতে কখনো দ্বিধা করো না। তুমি একা না।”

যোগাযোগ : ০১৭০১-০৮১২৪৯

30/03/2026

Contact: 01701081249

23/03/2026
04/02/2026

ভাগ্য, নিয়ন্ত্রণবোধ এবং মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য: এক গভীর অনুসন্ধান
মানুষের মানসিক অস্থিরতার অন্যতম বড় উৎস হলো— “আমার সাথে এমনটা কেন হলো?”
এই প্রশ্নের কেন্দ্রে যে ধারণাটি ঘুরপাক খায়, তার নাম আমরা দেই ভাগ্য।
অনেকেই ভাগ্যকে মনে করেন কোনো অদৃশ্য, রহস্যময় বা পূর্বনির্ধারিত শক্তি—যা মানুষের চাওয়া-পাওয়া, সুখ-দুঃখ নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু আধুনিক মনোবিজ্ঞান এবং আচরণগত বিজ্ঞানের আলোকে দেখলে, ভাগ্য আসলে কোনো অলৌকিক বস্তু নয়। বরং এটি প্রতিদিনের, এমনকি প্রতিটি মুহূর্তের চিন্তার ধরন (thought pattern), ক্ষুদ্র সিদ্ধান্ত (micro-decisions) এবং সেই অনুযায়ী নেওয়া কর্ম বা একশন-এর ধারাবাহিক ফলাফল।
আমরা প্রতিদিন অসংখ্য ছোট ছোট সিদ্ধান্ত নেই—কীভাবে ভাববো, কী বলবো, কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবো, কী খাবো, কার সাথে থাকবো, নিজের শরীর ও মনকে কতটা যত্ন নেবো। এই সিদ্ধান্তগুলো এককভাবে খুব বড় কিছু মনে না হলেও, সময়ের সাথে সাথে এগুলো একত্রিত হয়ে একটি শক্তিশালী কম্বাইন্ড ইফেক্ট তৈরি করে।
এই সমষ্টিগত ফলাফলকেই আমরা পরে “ভাগ্য” বলে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করি।
মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা যায় Perceived Control—অর্থাৎ মানুষ কতটা মনে করে যে তার জীবনের নিয়ন্ত্রণ তার নিজের হাতে আছে। এই নিয়ন্ত্রণবোধ যত বেশি স্বাস্থ্যকর হয়, মানুষের মানসিক স্থিতিশীলতাও সাধারণত তত ভালো থাকে।
তাহলে সব ঠিক করেও কেন মানুষ ভেঙে পড়ে?
কিন্তু বাস্তবতা এখানেই থেমে যায় না।
ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় বারবার দেখা যায়—অনেক মানুষ আছেন যারা:
সচেতনভাবে চিন্তা করেন
সম্পর্কগুলো যত্ন নিয়ে সামলান
নিজের কাজ ও দায়িত্ব ঠিক রাখেন
খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপন স্বাস্থ্যসম্মত রাখেন
তারপরও হঠাৎ করে তাদের জীবনে নেমে আসে এমন কিছু ঘটনা, যা তাদের মানসিক ভিত্তিকেই নাড়িয়ে দেয়।
ধরা যাক— সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল,
কিন্তু হঠাৎ করেই ধরা পড়লো একটি বড় শারীরিক ব্যাধি।
বা এমন কোনো ক্ষতি এলো, যার জন্য ব্যক্তিগতভাবে তাকে দোষ দেওয়ার কোনো যৌক্তিক জায়গা নেই।
এই পর্যায়ে মানুষ তীব্র মানসিক সংকটে পড়ে।
তার ভিতরে জন্ম নেয় self-blame, helplessness, এবং কখনো কখনো existential depression—
অর্থাৎ জীবনের অর্থ নিয়েই প্রশ্ন উঠে যায়।
মানসিক স্বাস্থ্যের দৃষ্টিতে বৃহৎ কারণগুলো বোঝা
এখানেই মেন্টাল হেলথের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে আসে—
সব সমস্যার উৎস ব্যক্তি নিজে নন।
বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ, দর্শন এবং আধুনিক সামাজিক মনোবিজ্ঞান আমাদের শেখায় যে মানুষ কেবল ব্যক্তি নয়; সে একটি বৃহৎ পরিবেশ ও ব্যবস্থার অংশ।
আজ আমরা প্রকৃতির ভারসাম্য ভেঙে ফেলেছি।
বায়ু, পানি, খাদ্য—সবকিছুর সাথে জড়িয়ে গেছে বিষাক্ততা।
এর ফলস্বরূপ, ব্যক্তিগতভাবে যতই সচেতন হোক না কেন, মানুষ আজ এমন সব রোগ ও মানসিক চাপের শিকার হচ্ছে, যার উৎস সমষ্টিগত মানব আচরণ।
এই উপলব্ধি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি মানুষকে অযথা নিজেকে দোষারোপ করা থেকে বাঁচায়।
অদৃষ্ট ও মানসিক শান্তি: যেখানে গ্রহণযোগ্যতা জরুরি
সব ব্যাখ্যার পরেও একটি জায়গায় এসে যুক্তি থেমে যায়।
মনোবিজ্ঞানেও একে বলা হয় Acceptance of Uncertainty।
কিছু ঘটনা আছে— যেগুলোকে পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা যায় না,
পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণও করা যায় না।
এই জায়গায় এসে মানুষ যখন অদৃষ্ট বা সৃষ্টিকর্তার ধারণাকে গ্রহণ করে, তখন অনেক সময় তা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়—বরং সহায়ক হয়।
কারণ এটি মানুষকে শেখায়—
সবকিছু আমার হাতে নয়
আমি চেষ্টা করেছি, সেটুকুই আমার দায়িত্ব
বাকিটুকু মেনে নেওয়াও এক ধরনের মানসিক শক্তি
এটাই Psychological Acceptance—যা মানসিক সুস্থতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
উপসংহার: মানসিক স্বাস্থ্যের ভারসাম্য কোথায়?
ভাগ্যকে যদি শুধু অদৃশ্য শক্তি মনে করি, তাহলে আমরা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ি।
আর যদি ভাগ্যকে শুধু নিজের দোষ মনে করি, তাহলে আমরা ভেঙে পড়ি।
মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজন এই দুইয়ের মাঝামাঝি একটি ভারসাম্য—
সচেতন চিন্তা ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত
নিজের সীমাবদ্ধতা মেনে নেওয়ার ক্ষমতা
এবং অজানার সাথে সহাবস্থানে থাকার মানসিক পরিপক্বতা
এই ভারসাম্যই মানুষকে মানসিকভাবে দৃঢ় করে, ভেঙে নয়—বুঝে ওঠার শক্তি দেয়।

অনুপ কুমার সূত্রধর
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট

15/12/2024

মেডিকেল সাইন্সে একটা বিষয় রয়েছে, প্রত্যেকটা মানুষের কাজ করার একটা ক্যাপাসিটি রয়েছে। বিশেষ করে কোয়ালিটি সম্পন্ন কাজ করতে । কোন কাজ সঠিকভাবে করতে গেলে কোয়ান্টিটির থেকে কোয়ালিটিতে গুরুত্ব দেয়া উচিত।
সঠিক সময়ে কাজে যোগদান করা এবং সঠিক সময়ে কাজ সম্পন্ন করা। একটা ব্যক্তির কাজ করার ক্ষমতা এবং নতুন ইনেসিয়েটিভ নেওয়ার ক্ষমতা এবং বোরিংনেস কমায়।
পরিবারের সাথে সময় দেওয়া, ঘুরাঘুরি করা এবং আনন্দ ফূর্তির সাথে থাকা একটা মানুষের কোয়ালিটি সম্পন্ন কাজ করতে বায়োলজিক্যালি হেল্প করে।

কগনিটিভ সাইকোলজি এর সাইন্টিফিক পরিভাষায় ব্রড ব্যান্ডের ফিল্টার মডেল অনুযায়ী যদি আমরা ব্যাখ্যা করি তাহলে দেখতে পাবো যে, একটা মানুষ একই সময়ে একাধিক বিষয় মনোযোগ দিতে পারে না । যেটাকে বলা হয় মাল্টি টাস্কিং আর যদি দেও তাহলে কোয়ালিটি সম্পন্ন হয় না। দুই কানে দুইটা ফোন ধরে একই সাথে কথা বলা এবং বুঝতে পারা পসিবল নয়। কারণ আমাদের ইনফরমেশন প্রসেস একই সাথে ব্রেনে এক উদ্দীপক থেকেই হয়।

বেশি ড্রাগ নিয়ে ফেললে যেমন ওভারডোজ হয়ে যায়। তেমনি অল্প সময়ের মধ্যে অধিক কর্ম নিয়ে নিলে, ব্রেনের অভারডোস হয়ে যায়। ঠিক ওই সময় কোয়ালিটি সম্পন্ন কাজ হয়ে ওঠেনা করা বা সম্ভব হয় না। তেমনি সব সময় টাইম ম্যানেজমেন্ট এবং স্মার্ট পদ্ধতি ব্যবহার করা আমাদের সকলের প্রয়োজন। যেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমরা সঠিক ভাবে কোয়ালিটি সম্পন্ন সেবা প্রদান করতে পারি।

মানুষের সে যেমন খাওয়া, ঘুম, প্রসাব পায়খানা এবং সেক্স ইত্যাদি বায়োলজিক্যাল প্রয়োজনীয়তা। যেটা জীবন রক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি ঠিক তেমনি প্রত্যেকটা মানুষের সাইকোলজিক্যাল কিছু চাহিদা রয়েছে। একটা ব্যক্তি তখনই সকল কাজে সঠিকভাবে মনোযোগ দিতে পারে যখন সে মনগতভাবে সুস্থ,নির্মল এবং ফুর্তির সাথে থাকতে পারে। একটা কাজে বোরিংনেস তখনই আসবে না যখন ওই কাজের মধ্যে এবং ওই কাজের পরিবেশের সাথে এবং ওই কাজের টিমের সাথে একটা আনন্দ পূর্ন এবং ফুর্তি সম্পন্ন পরিবেশ বজায় থাকবে।

কাজকে কঠিন হিসেবে নয় কাজকে আনন্দ এবং ফুর্তির বিষয়ে হিসেবে নিতে হবে তাহলে কাজের প্রতি প্রতিটি মানুষের প্রত্যেকটা নিজস্ব ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ টা দেওয়া সম্ভব পর হয়।

১) সঠিক পরিকল্পনা করা
২) টাইম ম্যানেজমেন্ট করা
৩) মেডিটেশন করা
৪) পছন্দের কাজ গুলি করা
৫) কাজের মধ্যে আনন্দ খুঁজে নেওয়ার জন্য পদ্ধতি বের করা।
৬) সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখা।
৭) কাজের মধ্যে বিনোদনের ব্যবস্থা রাখা ।
৮) মাঝে মাঝে কোথাও ঘুরে আসা অর্থাৎ কাজের পস দেওয়া।

অনুপ কুমার সূত্রধর
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট
বি,এস,সি এন্ড এম,এস, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

21/07/2023

অহংকার নিয়ন্ত্রণ করার উপায় :

আমাদের সবার উচিত মৃত্যুকে বারবার স্মরণ করা, আমরা যদি মৃত্যুকে স্মরণ করি আমরা বুঝবো যে, আমারা একসময় ভস্ম হয়ে যাবো, মাটির সাথে মিশে যাবো, পোকামাকড় আমাদের খাবে। আমাদের তখন এই পৃথিবীর অর্জনকে এতো বড় কিছু মনে হবে না। দ্বিতীয়ত যে কাজ করা উচিত আপনি গরীব মানুষের সাথে মিশবেন, চলবেন, তাদের খাওয়াবেন, বাসায় ফিরে আপনাদের ঘরে যে কাজ করে তার সাথে বসে খাবেন। আপনার অফিসের পিয়ন, সবাই আপনিও নিজে আগে সালাম দিবেন, নম্র হবেন, একমাস করেন দেখবেন অহংকার অনেক কমে গিয়েছে। তৃতীয়ত যে জিনিসটা মনে রাখা দরকার যে, আপনি পৃথিবীর যতোই সাফল্য অর্জন করেছেন না কেন, এটা সত্যিকার অর্থে ভগবান বা আল্লাহ্ বা God বা সৃষ্টিকর্তা আপনাকে আসলে, একটি অনুকূল অবস্থায় ফেলেছে দেখে আপনি জিনিসটা করতে পেরেছেন। আপনার মেধা, আপনার বাবা-মা, আপনার পরিবার, আপনার শরীর, আপনার ভালো স্কুল বাস্তবে জীবনের কোন কিছুই আপনার ইচ্ছায় হয়নি। এটি সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় হয়েছে।
এই বিষয় গুলো যদি আমরা মনে রাখতে পারি, আমাদের মন থেকে অহংকার কমে যাবে। এটাকে শুধু বুঝলে হবে না। ভেতর থেকে গভীর অনুভব থাকতে হবে এবং কাজের মাধ্যমে তার প্রকাশ ঘটাতে হবে।



অনুপ কুমার সূত্রধর
(ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট)

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Rajshahi?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Rajshahi
6000,6100, 6203