Daru Tarum.

Daru Tarum.

Share

Respiratory of Medicines public

19/09/2025

হাড়জোড়া বা হাড়ভাঙা লতা হলো একই ঔষধি উদ্ভিদের ভিন্ন ভিন্ন নাম। এই লতাটি দেখতে জোড়া দেওয়া হাড়ের মতো হওয়ায় একে হাড়জোড়া বা হাড়ভাঙা লতা বলা হয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Cissus quadrangularis। এটি ভাঙা হাড় জুড়তে সাহায্য করে বলে এর এমন নাম হয়েছে এবং এর কাণ্ড সবজি হিসেবেও খাওয়া হয়।
নামকরণের কারণ
হাড়জোড়া:
লতানো কাণ্ডের টুকরাগুলো জোড়া দেওয়া হাড়ের মতো দেখতে লাগে, তাই এর নাম হাড়জোড়া।
হাড়ভাঙা:
লতাটির কাণ্ড যখন একটু এগিয়ে থেমে যায় এবং হাঁটুর মতো আকৃতি দিয়ে আবার শুরু হয়, তখন সেটা ভাঙা হাড়ের মতো দেখতে লাগে, তাই এর নাম হাড়ভাঙা।
ঔষধি গুণ
এই লতা ভাঙা হাড় জুড়তে বিশেষভাবে কার্যকর।
এতে অক্সো স্টেরয়েড (oxo steroid) নামক একটি রাসায়নিক যৌগ রয়েছে, যা হাড় জোড়া লাগাতে সাহায্য করে।
হাড়ের ব্যথা বা ফ্র্যাকচার নিরাময়ের জন্য এর ডাঁটা ও পাতা বেটে রসুন ও গুগগুলুর সাথে মিশিয়ে প্রলেপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
এটি স্কার্ভি, নাক ও কানের সমস্যাতেও ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য ব্যবহার
হাড়জোড়া লতা একটি আলংকারিক উদ্ভিদ এবং বিভিন্ন বাগানে শোভাবর্ধক হিসেবে লাগানো হয়।
এর কচি কাণ্ড সবজি হিসেবেও খাওয়া যায়।

19/09/2025

টিপ বেগুন বা তিত বেগুনে প্রচুর ভেষজ গুণ রয়েছে, যা রক্তচাপ কমাতে, কৃমি দূর করতে, এবং সর্দি-কাশি সারাতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে ভিটামিন ও খনিজ থাকায় এটি মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতেও সহায়ক হতে পারে। এর ফল, পাতা, শিকড়, ফুল সব অংশই ভেষজ উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
টিপ বেগুনের উপকারিতা:
কৃমি দূর করে:
যাদের কৃমির সমস্যা আছে, তারা তিত বেগুন গাছের পাতা নিয়মিত খেলে কৃমি থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে:
তিত বেগুন রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং এতে থাকা বিভিন্ন যৌগিক উপাদান একে প্রাকৃতিক ঔষধ হিসেবে কাজ করতে সহায়তা করে।
সর্দি-কাশি উপশম করে:
কাঁচা তিত বেগুন লবণ দিয়ে চিবিয়ে খেলে সর্দি-কাশি জাতীয় সমস্যার উপকার পাওয়া যায়।
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি:
এই সবজিতে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট মস্তিষ্কের জ্ঞানীয় ক্ষমতা উন্নত করে, অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের প্রবাহ বাড়ায়, এবং স্মৃতিশক্তি ও বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
পুষ্টিগুণে ভরপুর:
তিত বেগুনে ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, আয়রন এবং ফাইবার রয়েছে, যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী।
ব্যবহার:
এর ফল ভর্তা, ভাজি বা তরকারি হিসেবে রান্না করে খাওয়া যায়।
এছাড়াও এর ফুল, পাতা, শিকড় ও বীজ ভেষজ উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ভেষজ উদ্ভিদ তিত বেগুন,তার আছে নানা গুন,আসুন জেনে নেই।
Apr 25, 2021 — বীজ থেকে এর বংশ বিস্তার ঘটে। রৌদ্রজ্জল উঁচু ভূমি ও প্রায় সব ধরনের মাটিতে তিত বেগুন জন্মে, তবে বেলে থেকে বেলে দো-আঁশ এবং দো-আঁশ মাটিতে ভালো জন্মে।তিত বেগুন ভেষজ...

শিক্ষক বাতায়ন

ঔষধিগুণে ভরপুর তিত বেগুন | Barcik News Portal
May 11, 2018 — এতে আমরা খুব মজা পেতাম।” একই গ্রামের বাসিন্দা সোনালী খাতুন বলেন, “তিত বেগুনে অনেক ঔষধি গুণাগুণ আছে। এটি কাঁচা লবণ দিয়ে চিবিয়ে খেলে সর্দি-কাশি সমস্যায় ভালো উপ...

barcik news

তিত বা বন বেগুনের গাছের উপকারিতা - Daily Sunshine
Nov 26, 2024 — যাদের কৃমির সমস্যা আছে তারা এই তিত বেগুন গাছের পাতা ৬-৭ দিন নিয়মিত রস করে খেলে কৃমি থেকে মুক্তি পাবেন। ৪। রক্তচাপ কমাতে : তিত বেগুন রক্তচাপ কমাতে প্রকৃতিক ঔষধ ...

Daily Sunshine

তিত বেগুন নামটা আমাদের অনেকের কাছে অজানা। সাধারণত যারা গ্রামে বড় ...
Jul 17, 2025 — ... ধারে, জমির আইলে, পুকুর পাড়ে দেখা যায়। এটি এক থেকে দুই মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এই উদ্ভিদের সারা গায়ে এমনকি পাতাতে পর্যন্ত কাটা থাকে। এ উদ্ভিদের ফুল হালকা...

Facebook

বেগুন (বাইঙ্গান): স্বাস্থ্য উপকারিতা , ব্যবহার, সতর্কতা এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
বেগুনের স্বাস্থ্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট যা মস্তিষ্কের জ্ঞানীয় ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে । তাছাড়া, এটি মস্তিষ্কে অক্সিজে...

TATA AIG

03/05/2025

কাটা খুরা গাছ (হাদা মা‌রেজ শাক): উপকা‌রিতা সম্প‌কে বিস্তা‌রিত :
গাছটি চিনে নিবো। কাটাখুরা গাছ সাধারণ একটি গুল্মজীবি উদ্ভিদ। এই কাটাখুরা গাছকেও কেউ কেউ কাটা নটে গাছ বলে থাকে। এই গাছটি সাধারণত দেড়-দুই ফুট উচ্চতার হয়ে থাকে।

গাছের পাতা ডাটা শাক এর মত খাওয়া যায়। এই কাটা খুরা গাছের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত একটি বিশেষ কাঁটাযুক্ত দ্বারা আবৃত থাকে বর্ষার শেষে ফুল ফোটে ও বিজলি কালো উজ্জ্বল বর্ণের তার বীজ হয় গাছটি রাস্তার ধারে পতিত জমি জমির আইল খেতে দেখতে পাওয়া যায়।

এটা রোপন করতে হয় না নিজে থেকেই বংশবিস্তার হয় আমাদের চারপাশেই। এই গাছের শাক খেলে অন্যান্য শাকের মতো রয়েছে অনেক ভিটামিন ও পুষ্টিগুণ উপাদান। ভিটামিন হিসেবে রয়েছে প্রোটিন, ভিটামিন A এবং ভিটামিন C।

ভিটামিন ও প্রোটিনের পাশাপাশি রয়েছে খনিজ উপাদানে ভরপুর। যেমন- ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও সেলেনিয়াম ছাড়া প্রচুর পুষ্টিগুণ বিদ্যমান।

কাটাখুরা গাছ সাধারণত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক এবং বিভিন্ন কবিরাজি চিকিৎসা এর যথেষ্ট পরীক্ষিত প্রমাণও রয়েছে। কাঁটা নটে গাছের গুণাগুণ কাঁটা নটে গাছের উপকারীতা সবচেয়ে বেশি যে কাজ কাজ করে তা হলো হারানো যৌবন ফিরিয়ে দেয়া।

কখনো আপনি এই গাছ দেখতে পেলেই তুলে নিয়ে বাড়ি চলে যান কাঁটানটে গাছের উপকারিতা কাটা খুরা গাছের উপকারিতা | কাটা নটে গাছের শিকড় খেলে কি হয়? কাটা নটে গাছের শিকড় সহ কাঁটানটে উপকারীতায় অলৌকিক ভূমিকা রাখে।
তো চলুন এবার কাটা খুরা গাছের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করা যাক। কাটানট গাছের যে সমস্ত রোগে ব্যবহৃত হয়ে আসছে সেটি হলো মহিলা ও পুরুষদের যৌন রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

কাটা খুরা গাছের উপকারিতাঃ
# কামশক্তি বৃদ্ধি
শরীরের কাম শক্তি বাড়াতে এই কাটানোটা কাটাখুরা গাছ তুলনা ঝুড়ি নেই। এই গাছটির অসাধারণ একটি শক্তি রয়েছে যা ফিরেয়ে আনতে পারে আপনার যৌবন। তাই রাস্তার কিংবা ক্ষেতের ধারে বা যেখানেই এটি দেখতে পাবেন গাছটি তুলে নিয়ে বাড়িতে আসুন এবং

নিরাপদ জায়গায় সেটিকে রোপন করুন এবং এর শিকড় খাবার ব্যবস্থা করুন বিশেষ করে কাম শক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে।

# হস্তমৈথুনের ক্ষয়রোধ বৃদ্ধি
যে সকল পুরুষের বা নারীর শরীর খুব দুর্বল বিশেষ করে কম বয়সের যে সমস্ত দুষ্টু ছেলে-মেয়েরা দীর্ঘদিন হস্তমৈথুনের করে শরীর দুর্বল করে ফেলেছেন এবং রোগা হয়ে গিয়েছে।

তাদের শরীরে কোন শক্তি নেই শরীর দুর্বল করে। অর্থাৎ এক কথায় বীর্য পাতলা জলের মত করে ফেলেছেন হেঁটে যেতে পারে না অর্থাৎ শরীরের শক্তি বলতেই নেই তারা নির্ভুলভাবে এই কাটাখুরা গাছ এরশাদ বা শিকড়ের রস যদি খেতে পারেন ভীষণ উপকার পাবেন। যৌন রোগের উপর ভিত্তি করে এই কাটাখুরা গাছ বেশ উপযোগী।

# গনোরিয়া
গনোরিয়া রোগ সাধারণত পুরুষ বা মহিলাদের হয়ে থাকে। গনোরিয়া রোগ থেকে মুক্তি পেতে হলে এই কাটা খুরার কোনো বিকল্প নেই।

# দুধ বৃদ্ধি

বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের অনেক গরিব শ্রেণীর মানুষেরা একটি কাজ করে থাকেন সেটি হল মায়ের দুধ বাড়াতে কাটাখুরা শাক ভাজা করে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

# কোষ্ঠকাঠিন্য
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কাটাখুরা গাছ এর অবদান অনিস্বীকার্য। যদি কোনো যুবক অথবা বৃদ্ধ যিনি কোষ্ঠকাঠিন্য রোগে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন তারা নিয়মিত কাটাখুরা খেয়ে যাবেন।

তাহলে তারা সেই কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ থেকে মুক্তি থাকবেন কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কাটাখুরা গাছ শেকর খান অথবা পাতায় খান বাসাক করে খান, ভেজে খান, তাতেই আপনারা অনেক উপকার পাবেন।

তো এখন থেকে আমরা আর ঔষধের ব্যবহার বেশি করব না বরং প্রকৃতির নির্ভর হওয়ার চেষ্টা করব। যেমন- পশু-পাখিরা হয়ে থাকে।

তাছাড়া যদি কোথাও বুঝতে সমস্যা হয়, তাহলে কমেন্টে জানিয়ে দিন।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট

Photos from Daru Tarum.'s post 01/05/2025

নু‌নিয়া শাক এর উপকা‌রিতাঃ

বাংলা ভাষায় নু‌নিয়া শাক চাকমা ভাষায় ত‌দেক‌জিল শাক। এই শাক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন-A, ভিটামিন-C, ভিটামিন-E, থাইয়ামিন, রিবোফ্লাভিন, ক্যারোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ও খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ। *নুনিয়া শাকে থাকা ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনিসিয়াম শরীরের হাড়কে মজবুত করে। পটাশিয়াম, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে দারুণ ভূমিকা রাখে এই শাক। May 1, 2025.
নু‌নিয়া শাক সম্প‌র্কে বিস্তা‌রিতঃ

নু‌নে শাক একটি বর্ষজীবী, রসাল, গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Portulaca oleracea। এটি Portulacaceae পরিবারের উদ্ভিদ। অন্যান্য স্থানীয় নাম বুল খুরিয়া শাক, নুনে শাক, নুন খুড়িয়া, নুইন্না শাক, নূনতা শাক, চিড়া শাক, নুনিয়া শাক।

নুনে শাক একটি অনাবাদি উদ্ভিদ। এটি জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় মাসে আখের ক্ষেত এবং অন্যান্য সবজি ক্ষেতে বেশি পরিমাণে জন্মে। বৃষ্টিপাতের উপর নির্ভর করে বছরের যে কোনো সময় ফুল ফোটে। পাতা গুচ্ছের মাঝখানে একটি করে ফুল ফুটে। ফল পাকার পরে ফেটে বীজ ঝরে পড়ে। লম্বা শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে এবং খরার সময় টিকে থাকে। নুনে শাকের পাতা তেলতেলে, রসালো এবং গাঢ় সবুজ রঙের। এই শাক অন্যান্য শাকের সাথে মিশিয়ে ভাজি করা হয়। স্বাদ একটু লোনতা এবং টক ধরনের।

পুষ্টি উপাদানের বিবেচনায় একটি উন্নতমানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন সমৃদ্ধ শাক। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-ই, থাইয়ামিন, রিবোফ্লাভিন, ক্যারোটিনসহ মানবদেহের জন্য অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান। এছাড়া এতে রয়েছে ওমেগা-৩ এর মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাটি এসিড যা হার্টের জন্য খুবই উপকারী। এতে খনিজ পদার্থের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনিসিয়াম, পটাশিয়াম এবং আয়রন। প্রতিগ্রাম নুনে শাকে ০.০১ মিলিগ্রাম ইকোচ্যাপেনটানিক এসিডও রয়েছে। এই শাক বাংলাদেশের সর্বত্র পাওয়া যায়। নুনে শাক ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ঔষধি ব্যবহার

১. নুনে শাকে রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনিসিয়াম যা শরীরের হাড়কে মজবুত করে।
২. নুনে শাকে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
৩. চোখ উঠলে চোখে ময়লা জমে চোখ খোঁচা খোঁচা ভাব হয়। এক্ষেত্রে নুনে শাকের রস দিলে সমস্যা দূর হয়ে যাবে।
৪. নুনে শাকের রস কিছুক্ষণ মুখে ধরে রেখে ফেলে দিবেন এভাবে কিছুদিন ব্যবহার করলে তোতলামিও ভালো হবে।
৫. বিষাক্ত কোনো কিছু লেগে গা চুলকালে নুনে শাক বেটে উষ্ণ করে প্রলেপ দিলে জ্বালা ও চুলকানি ভালো হয়ে যায়।
৬. নুনে শাক থেঁতো করে এই রস হালকা গরম করে সেবন করলে বাচ্চাদের কাশি ভালো হয়।
৭. নুনে শাক থেঁতো করে এই রস হালকা গরম করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে সকাল-বিকেল সেবন করলে আমাশয় ভালো হয়।
৮. এই শাক যকৃৎ, স্পিলিন, কিডনি, ডায়াবেটিস, এ্যাজমা ও হৃদ্‌রোগে উপকারী।

সূত্র: dhaka Post

Photos from Daru Tarum.'s post 12/09/2024

থানকু‌নি পাতার বৈজ্ঞা‌নিক তথ‌্য ঃ
থানকুনি বা আদামণি (বৈজ্ঞানিক নাম: Centella asiatica) এক ধরনের খুব ছোট বর্ষজীবী ভেষজ উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক পরিবাবের নাম ম্যাকিনলেয়াসি যাকে অনেকে এপিকেসি পরিবাবের উপপরিবার মনে করেন।[১]
থানকু‌নি পাতার উপকা‌রিতাঃ
এর অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান মাথার ত্বকে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এ ছাড়াও থানকুনি পাতায় থাকা প্রচুর ভিটামিন 'সি' রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, মুখের ঘা দূর করে, সর্দির জন্য উপকারী, পেটের অসুখে থানকুনির জুস বেশ কার্যকর। আমাশয়ের পাশাপাশি কাশি ও গলা ব্যথায় থানকুনি পাতার ভেষজগুণ অতুলনীয়।
চিকিত্‍সকদের মতে, থানকুনি পাতায় এমন ভেষজ গুণ রয়েছে, নিয়মিত খেলে পেটের অসুখে কোনও দিনও ভুগতে হবে না। শরীর সতেজ থাকে, ছোটবেলা থেকে খেলে বুদ্ধির বিকাশ হয়।
আরও রয়েছে থানকুনি পাতার হরেক রক‌মের‌ ভেষজ গুণ-

👉 এইতো শীত আসছে। আপনার চামড়ায় শুষ্কতা দেখা দেবে। এসময় মৃতকোষের ফলে শুষ্ক হয়ে যায় চামড়া। থানকুনি পাতার রস মৃতকোষগুলোকে পুনর্গঠন করে ত্বক মসৃণ করে দেয়।
👉পেটের রোগ থেকে বাঁচতে থানকুনি পাতার বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলে যে কোনও পেটের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একই সঙ্গে পেট নিয়ে কোনও দিনও সমস্যায় ভুগতে হয় না।
👉 শুধু পেটই নয়, আলসার, এগজিমা, হাঁপানি-সহ নানা চর্মরোগ সেরে যায় থানকুনি পাতা খেলে। ত্বকেও জেল্লা বাড়ে।
👉 থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
👉 এটি স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।
👉 পুরনো ক্ষত সারাতে থানকুনি পাতা সিদ্ধ করে তার পানি লাগালে সেরে যায়। সদ্য ক্ষতে থানকুনি পাতা বেটে লাগালে, ক্ষত নিরাময় হয়ে যায়।
👉থানকুনি পাতা চুল পড়া কমিয়ে দেয়। এমনকি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।
👉থানকুনি পাতা খেলে কী স্মৃতিশক্তি বাড়ে
👉বয়স বাড়লেও, যৌবন ধরে রেখে দেয় থানকুনি পাতার রস। প্রতিদিন একগ্লাস দুধে ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে খেলে, চেহারায় লাবণ্য চলে আসে। আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়।
👉মুখের ব্রুন দূর ক‌রে।
👉মুখে ঘা ও অন্যান্য ক্ষতে উপকারী।
👉সর্দির জন্য উপকারী।
👉পেটের অসুখে থানকুনির ব্যবহার আছে।
👉আমাশয়ে ভাল কাজ করে।[৭]
👉সাময়িকভাবে কাশি কমাতে সাহায্য করে।
👉গলা ব্যাথার জন্য উপকারি।
প্রতি‌দিন খাবারের তা‌লিকায় থান কু‌নি পাতা রাখুন শরী‌রের রোগপ্রতি‌রোধ ক্ষমতা বৃ‌দ্ধি করুন। নি‌জের এবং প‌রিবার‌কে সুস্থ রাখুন।

Photos from Daru Tarum.'s post 28/08/2024

ঢেঁকি শাকের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ
ঢেঁকি শাক || যা জানলে কোটি টাকার উপকার হবে || Diplazium esculentum || ঢেঁকি শাকের উপকারিতা
Fiddlehead Ferns (Dheki Shak) Benefits: মুঠো মুঠো ...
ঢেঁকি শাক - উইকিপিডিয়া
ঢেঁকি শাক পটাশিয়াম বেশি থাকার কারণে এটি উচ্চ রক্তচাপ কমায়। এছাড়াও এই শাকে বেশি ভিটামিন এ ও সি থাকার ফলে এই শাক খেলে দাঁতের ক্ষত(oral cavity) এবং ফুসফুসের ক্যান্সার, ত্বকের ক্যান্সার ও গর্ভ ক্যান্সার(womb cancer) প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
সর্বশেষ জাতীয় আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিনোদন খেলা স্বাস্থ্য তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সুস্বাদু ‘ঢেঁকি শাক’

কাঁচা বাজারে নানা ধরনের শাকের দেখা মেলে। যেমন- পালং শাক, কলমি শাক, লাল শাক, পুঁই শাক, কচু শাক, সরষে শাক, পাট শাক প্রভৃতি।

সবগুলোই হাঁট-বাজারে স্থানীয় বিক্রেতারা ছোট ছোট আঁটি হিসেবে বেঁধে বিক্রি করে থাকেন। মজার ব্যাপার হলো- কাঁচামালের এসব বিক্রেতারা সেসব শাকের আঁটিগুলোতে পানির ঝাপটা দিতে দিতে সবগুলোকেই মুহূর্তে তরতাজা বানিয়ে ফেলেন! যা দেখে মুগ্ধ হয়ে যান সাধারণ ক্রেতা।

ঢেঁকি শাকের উদ্ভিদ তাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিক নাম Diplazium esculentum এবং এটি Athyriaceae পরিবারের উদ্ভিদ। বাবু শাক, ঢেঁকিয়া শাক, বৌ শাক এই শাকের আঞ্চলিক নাম। তার কোমলকচি ডাটায় ডাটায় পুষ্টিগুণ ভরা।

কী আছে এই ঢেঁকি শাকে? কৃষি বি‌শেষজ্ঞ‌দের তথ‌্য ম‌তে সাধারণত আমাদের দেশে বিভিন্ন ঋতুতে প্রায় ১৫ ধরনের শাক পাওয়া যায়। এগুলো কেউ কেউ স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন আবার কেউ কেউ ঘরোয়াভাবে প্রকৃতি থেকে সংগ্রহ করে খেয়ে থাকেন। এসবগুলোর মধ্যে ঢেঁকি শাক খেতে সুস্বাদু। এটি সবজি জাতীয় ফার্ণ উদ্ভিদ।

রোগব্যাধির ক্ষে‌ত্রে অন্যান্য শাকের মতো এই ঢেঁকি শাকও শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন রোগব্যধির হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে। এই শাক উচ্চ পরিমাণে ফাইবার সমৃদ্ধ বলে শারীরিক ওজন কমায় এবং হার্টের রোগ কিছুটা কমিয়ে দেয়। ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ থাকায় আমাদের দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

এছাড়াও এই ঢেঁকি শাকে ভিটামিট ‘সি’ রয়েছে বলে ক্যানসার, বিভিন্ন প্রদাহ, পরিপাকতন্ত্রে ইনফেকশন দূর করে এবং ছোঁয়াচে ঠাণ্ডা-কাশিজনিত সমস্যা থেকে রক্ষা করে থাকে। ঢেঁকি শাকে পাটাশিয়াম বেশি থাকায় উচ্চ রক্তচাপ কমায় এবং ডায়াবেটিক রোগের জন্য এটি নির্ভরশীল খাবার বলে কৃষি বি‌শেষজ্ঞরা জানান।

22/08/2024

I got 2 reactions on my recent top post! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉

প্রাচীনকাল থেকেই নানান রোগের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন ধরণের ঔষধি গাছ ব্যবহার হয়ে আসছে আর তার মধ্য পাথরকুচি হলো অন্যতম। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে পাথরকুচি পাতা কিডনি রোগসহ বিভিন্ন রোগের বিশেষ উপকারে আসে।
সূত্র : উইকিপিডিয়া

জেনে নিন পাথরকুচি পাতার আরও স্বাস্থ্য উপকারিতা-

১. কিডনির পাথর অপসারণ : পাথরকুচি পাতা কিডনি এবং গলব্লাডার পাথর অপসারণ করতে সাহায্য করে।

২. পেট ফাঁপা: অনেক সময় দেখা যায় পেট ফুলে গেছে অথবা প্রসাব আটকে আছে। সে ক্ষেত্রে একটু চিনির সাথে এক বা দুই চা-চামচ পাথর কুচির পাতার রস গরম করে পানির সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

৩. মৃগী: মৃগী রোগাক্রান্ত সময়ে পাথর কুচির পাতার রস ২-১০ ফোঁটা করে মুখে দিতে হবে, এর রস একটু পেটে গেলেই রোগের উপশম হবে।

৪. শিশুদেও পেট ব্যথায়: শিশুর পেটব্যথা হলে, ৩০-৬০ ফোঁটা পাথর কুচির পাতার রস পেটে মালিশ করলে ব্যথার উপশম হয়।

৫. ত্বকের যত্ন: পাথরকুচি পাতায় রয়েছে জ্বালাপোড়া কমানোর ক্ষমতা, পাথরকুচি পাতায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

৬. পাইলস: পাথরকুচি পাতার রসের সাথে গোল মরিচ মিশিয়ে পান করলে পাইলস্ ও অর্শ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৭. জন্ডিস নিরাময়ে: লিভারের যেকোনো সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে তাজা পাথরকুচি পাতা ও এর জুস অনেক উপকারী।

৮. শরীর জ্বালাপোড়া: দু-চামচ পাথর কুচি পাতার রস, আধা কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে দুবেলা খেলে শরীরের জ্বালাপোড়া কমে।

৯. উচ্চ রক্তচাপ: উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং মুত্রথলির সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় পাথরকুচি পাতা।

Photos from Daru Tarum.'s post 17/08/2024

তেতুল পাতার উপকা‌রিতাঃ
তেঁতুল পাতায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে। এগুলো হার্ট সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে কাজ করে। ডায়াবেটিস (Diabetes), কোলেস্টেরল (Cholesterol) কমাতেও এই চা উপকারী। তেঁতুল পাতার চা পান করা পরিপাকতন্ত্রের জন্য উপকারী।

রোজ তেঁতুল পাতার চা খান, কমবে সুগার-কোলেস্টেরল; ভাল থাকবে হার্টও ।
# তেঁতুল পাতার চা ওজন কমাতে উপকারী
# হার্ট সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতেও কাজ করে
তেঁতুল পাতা (Tamarind Leaves) ঔষধি গুণে পরিপূর্ণ। এতে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ক্যালরি, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদান থাকে, এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। জানলে অবাক হবেন যে অনেকেই তেঁতুল পাতার চা (tamarind leaves tea) বানিয়ে খান। এই চা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তেঁতুল পাতার চা অনেক রোগ সারাতে কাজ করে। এর উপকারিতা জানলে আপনিও প্রতিদিন তেঁতুলের চা পান করা শুরু করবেন।
তেতু‌ল পাতার স্বাস্থ‌্য টিপস ,যা রোগ নিরাম‌য়ে কাজ ক‌রে।
১) কাচা স‌র্দি হা‌ঁচি নাক দি‌য়ে কাঁচা জল পড়া ।
২) রক্তা স্রাবী অর্শ রোগ।
৩) প্রস্রা‌বের জ্বালা পড়া,
৪) বসন্ত
৫) আমাশয়
৬) মচকা‌নো ব‌্যথা
৭) পুরাতন ক্ষত
৮) মু‌খের ঘা
৯) বা‌তের ব‌্যথা
১০) শীত পিত্তে (প্রচ‌লিত আমবাত ) শরীর চাকা চাকা হ‌য়ে ফু‌লে ও‌ঠে ও চুলকোয়।
সংগৃ‌হিতঃ

15/08/2024

লাউ খাওয়ার যত উপকা‌রিতা
লাউ হচ্ছে পানি জাতীয় সবজি। এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, বি এবং ডি। এছাড়া ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ফোলেট, আয়রন এবং পটাশিয়াম চমৎকার উৎস এটি। নানা ধরনের রোগ থেকে দূরে থাকতে চাইলে উপকারী লাউ খাওয়ার বিকল্প নেই। আমরা আজ জানব লাউ খাওয়ার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে।
১. লাউয়ের ৯৬ শতাংশই পানি। ফলে নিয়মিত লাউ খেলে আমাদের শরীর হাইড্রেট থাকে।
২. লো ক্যালোরি এবং উচ্চমাত্রার আঁশ মেলে এতে। ফলে যারা ওজন কমানোর কথা ভাবছেন তারা নিশ্চিন্তে খেতে পারেন লাউ।
৩.কোষ্ঠকাঠিন্য, অর্শ, পেট ফাঁপা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে সবজিটি।
৪. কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায় নিয়মিত লাউ খেলে।
৫. লাউ খেলে দূর হয় হজমের সমস্যা।
৬. লাউয়ে থাকা পটাশিয়াম ও ফাইবার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।
৭. রক্তে কোলেস্টেরলের পরিরমান কমাতেও লাউয়ের জুড়ি নেই।
৮. লাউয়ে থাকা ভিটামিন, মিনারেল ও উচ্চমাত্রার পানি আমাদের ত্বক ও চুল সুস্থ রাখে।
৯. ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে লাউয়ে। এই দুই উপাদান শরীরে ঘামজনিত লবণের ঘাটতি দূর করে। পাশাপাশি দাঁত ও হাড়কে মজবুত করে।
১০. কিছু গবেষণা দাবি করছে, রাতে ঘুম হওয়ার সমস্যা দূর করতে লাউয়ের ভূমিকা রয়েছে।

তথ্য: টাইমস অব ইন্ডিয়া

15/08/2024

জার্মানি লতা/ জারমনি পাতা / রিফুজি লতাপাতা বলে
কিছু কথা

সোনায় সোহাগা আমাদের এই বাংলাদেশ। এদেশের আনাচে কানাচে, ঝোপ জঙ্গলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মুক্তো মানিক। কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় এই যে আমারা আজও সেই মুক্তো মানিক চিনতেই পারিনি। আমরা এগুলোকে পা দিয়ে মাড়িয়ে চলে যাই,তারপরও ভেবে দেখিনি, জেনেও দেখিনি কোন উপকারে আসবে কিনা। রাস্তার ধারে, পুকুরের পাড়ে,বনে বাগানে হাজারো উপকারী গাছপালা, লতাপাতা আছে যা আমাদের প্রাকৃতিক সুরক্ষার দেয় , পাশাপাশি অনেক সুবিধাও দিয়ে থাকে। আজ আপনাদের জানাবো এমনই এক উপকারী গাছের কথা।

■ রিফুজি লতা'র পরিচয়
বাংলা নাম রিফুজি লতা বা আসামি লতা। বৈজ্ঞানিক নাম Mikania micantha । আসামলতা, কইয়া লতা, বুচিলতা, তরুলতা, রিফুজি লতা, শঙ্খুনি লতা, ইত্যাদি নামে এটাকে ডাকা হয়। এই লতা অতি বৃদ্ধিপ্রবল, একবার বেড়ে উঠবার সুযোগ পেলে বিপুলভাবে ছড়িয়ে পড়ে, জড়িয়ে ধরে অন্য গাছের শাখা-প্রশাখা।

রিফুজি লতা বনে-জঙ্গলে, পতিত জমিতে বা পথের পাশে যেখানে ফোটে সে স্বমহিমায় উদ্ভাসিত হতেই থাকে। রিফুজি লতার কোন ধরনের যত্ন না নিলেও চলে,এটি একবার বেয়ে গেলে আর সহজে মরে না।

■ রিফুজি লতা'র ঔষধী গুনাগুন
* প্রসাবে জ্বলাপোড়ায় নিয়মিত পাতার রস খেলে সমস্যা কেটে যাবে।
* লিভারের যে কোন সমস্যায় এই পাতার রস অনেক উপকার করে।
* চোখ লা ল হয়ে গেলে এই পাতার রস খেলে সমস্যা কেটে যাবে।
* পাকস্থলীর প্রদাহ হলে আদার সাথে তিনটি পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন।

* এই পাতার রস নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

* শরীরের কাটা ছেঁড়ায় এ লতার পাতা পিষে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে তিন থেকে চার ঘন্টা বেধে রাখুন, জোড়া লেগে যাবে।
* বসন্ত বা হাম হয়েছে যাদের, তারা রিফুজি পাতা পিষে রস পানির সাথে মিশিয়ে পু্রো শরীর ধুয়ে ফেলুন।
* র ক্ত দূষিত হলে ৭দিন প্রতি সকালে খালি পেটে আধা-কাপ পাতার রস এক চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে খাবেন।
* পেটে গ্যাস, এসিডিটি হলেই আধা-কাপ রিফুজি পাতার রস খেয়ে নিন, সেরে যাবে।
* বিষাক্ত পোকা-মাকড় কাঁমড় দিলেই রিফুজি পাতার রস দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, সেই সাথে পাতা পিষে লাগিয়ে রাখুন।
* চুলকানী, একজিমা, দাদ হলে এই পাতার রস দিয়ে ধুয়ে রস লাগাতে থাকেন দেখবেন সেরে যাবে।
* এই পাতার রস কাচা হলুদের সাথে মিশিয়ে শরীরে লাগালে শরীর ঠান্ডা থাকে এবং শরীরে দাগ দুর হয়।
* মূখে মেসতা হলে হলুদের সাথে লেবুর রস ও এই পাতার রস মিশিয়ে লাগান সেরে যাবে।

(গাছের গ্রুপ থেকে সংগৃহীত)

14/08/2024

প্রাচীনকাল থেকেই নানান রোগের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন ধরণের ঔষধি গাছ ব্যবহার হয়ে আসছে আর তার মধ্য পাথরকুচি হলো অন্যতম। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে পাথরকুচি পাতা কিডনি রোগসহ বিভিন্ন রোগের বিশেষ উপকারে আসে।
সূত্র : উইকিপিডিয়া

জেনে নিন পাথরকুচি পাতার আরও স্বাস্থ্য উপকারিতা-

১. কিডনির পাথর অপসারণ : পাথরকুচি পাতা কিডনি এবং গলব্লাডার পাথর অপসারণ করতে সাহায্য করে।

২. পেট ফাঁপা: অনেক সময় দেখা যায় পেট ফুলে গেছে অথবা প্রসাব আটকে আছে। সে ক্ষেত্রে একটু চিনির সাথে এক বা দুই চা-চামচ পাথর কুচির পাতার রস গরম করে পানির সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

৩. মৃগী: মৃগী রোগাক্রান্ত সময়ে পাথর কুচির পাতার রস ২-১০ ফোঁটা করে মুখে দিতে হবে, এর রস একটু পেটে গেলেই রোগের উপশম হবে।

৪. শিশুদেও পেট ব্যথায়: শিশুর পেটব্যথা হলে, ৩০-৬০ ফোঁটা পাথর কুচির পাতার রস পেটে মালিশ করলে ব্যথার উপশম হয়।

৫. ত্বকের যত্ন: পাথরকুচি পাতায় রয়েছে জ্বালাপোড়া কমানোর ক্ষমতা, পাথরকুচি পাতায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

৬. পাইলস: পাথরকুচি পাতার রসের সাথে গোল মরিচ মিশিয়ে পান করলে পাইলস্ ও অর্শ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৭. জন্ডিস নিরাময়ে: লিভারের যেকোনো সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে তাজা পাথরকুচি পাতা ও এর জুস অনেক উপকারী।

৮. শরীর জ্বালাপোড়া: দু-চামচ পাথর কুচি পাতার রস, আধা কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে দুবেলা খেলে শরীরের জ্বালাপোড়া কমে।

৯. উচ্চ রক্তচাপ: উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং মুত্রথলির সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় পাথরকুচি পাতা।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Rangamati?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Rangamati