Dr.Md.Abdul Alim Bangali
Kishorgonj govt College get
kishorgonj,Nilphamari
14/04/2026
রংপুর বিভাগের সকল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সহ কিশোরগঞ্জ উপজেলা বাসীকে বাংলা ১৪৩৩ নববর্ষের শুভেচ্ছা ও ভালবাসা,,,,,,,
14/04/2026
সকল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট !
মূল কথা: দীর্ঘ প্রতীক্ষিত "হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও শিক্ষা আইন ২০২৩"-এর গেজেট কপিটি আপনাদের সবার সুবিধার্থে শেয়ার করছি। আমাদের পেশাগত সুরক্ষা, অধিকার এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এই আইনের ধারাগুলো জানা ও প্রিন্ট করে চেম্বারে রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব।
অনুরোধ: পোস্টটি শেয়ার করে অন্য সহকর্মীদেরও জানার সুযোগ করে দিন।
বি: দ্র: গেজেট, সার্টিফিকেট তোলার ফরম ও রেজিস্ট্রেশন তোলার ফরম এর ডাউনলোড লিংক কমেন্টে দেয়া হলো।
15/07/2024
পর্ব -১
মাথা ব্যাথা কাকে বলে ? ও এর কারন গুলো কি কি ?
মাথা ব্যাথাঃ যদি আমরা এক কথায় বলি যে মাথার মধ্যে যে যন্ত্রণা হয় এটাকে বলে থাকি। কিন্তু আসলে এটা সঠিক নয় কারন মাথার যন্ত্রণাকে স্থানিক রোগ বলে চিহ্নিত করা যুক্তি যুক্ত নয়। সারা দেহের বিভিন অংশের সঙ্গে এর খুব নিকট সম্পর্ক আছে বলে মাথার যন্ত্রণা উপলব্ধি করতে পারি।মাথার যন্ত্রণা কি কারনে হয় বা কোথা থেকে হতে পারে তা বুঝতে হবে।
মাথার যন্ত্রণা কোন একক রোগ নয়, এর অনেক কারন যুক্ত আছে, সেই কারনটিকে বুঝতে হবে আর না হলে মাথা ধরা রোগটি চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। কি কারনে মাথা ব্যাথা হয় তা বলতে গেলে হাজার হাজার কারন প্রকাশ করে এর মধ্য থেকে প্রধান উপসর্গ গুলো বিবেচনা করে সমস্টি গত লক্ষ্মণ কে মাথা ব্যাথা বলে।
মাথা ব্যাথার কারনঃ
মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্ত সঞ্চয় হলে (cerbral congestion)। নাকে সর্দি বেশি হলে মাথার খুলির মধ্যে অবস্থিত বায়ুকোষ বা বিভিন্ন সাইনাস গুলে আক্রান্ত হলে, চোকের দৃস্টি শক্তির কেন গোলমাল হলে, দাত,কান,,মাড়ি প্রভুতি স্তানের প্রদাহ হলে মাথার ভিতরে প্রদাহ, টিউমার, ফোড়া হলে।মাথার স্নায়ুর প্রদাহ হলে বিশেষ করে Trigeminal Nerve প্রদাহ হলে মাতায় অতিরিক্ত রক্তচাপ হয়।এতে পাকাশয়ের গোলযোগে, অর্জিনতা গ্যাস্টিক, আলসার,পেপটিক আলসার প্রভুতি রোগ থেকে হতে পারে। লিভারের দোষে, পুরোনো কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে মাথা ব্যাথা হতে পারে।নারীর জরায়ু ব্যাধি থাকলে মানুষিক বা দৈহিক কারন বশত মাথা ব্যাথা হতে পারে।শরীরের যে কোন গোলযোগ দেখা দিলে মাথা ধরা লক্ষনটি প্রকাশ পায়। এই কারন গুলোকে বিশ্লেসন করলে দুই ভাগে ভাগে ভাগ করা যায় যেমন মুখ্য কারন ও গৌন কারন।
👉মুখ্য কারনঃ
অর্শের রক্ত শ্রাব,রমনীদের মাসিক ঋতুস্রাবে হটাৎ অবরুদ্ধ হলে,বাতের বেদনা স্পিত হটাৎ কমে গেলে,খোসপাচঁরা বা চর্ম উদ্ভেদ বসে গিয়ে বিভিন্ন উপসর্গ হওয়া,পরিশ্রম বন্ধ করে ালস জীবন যাপন করা ইত্যাদির কারনে মাথা যন্ত্রণা বা মাথা ব্যাথা হতে পারে।
👉গৌন কারনঃ
রমনীদের অধিক দিন পর্যন্ত স্তায়ী ঋতুস্রাব হলে,শিশুদের দীর্ঘদিন দুধ পান করালে,অতিরিক্ত শুক্র ক্সয় হলে,হৃদপিন্ডের কোন যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দিলে,বাত উপদংশ,কয়ান্সার,মজ্জাগত জ্বর ইত্যাদি দেখা দিলে অন্ত্রে কৃমি দেখা দিলেও মাথা ব্যাথা হতে পারে।
উপরোক্ত মুখ্য কারন অথবা গৌন কারনে যে মাথা ধরা বা শীরা দেখা দেয় তাকে আমরা এক কতায় মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চয় জনিত শির পিরা বলতে পারি কিন্তু এই কারন গুলো ছাড়াও আরো অনেক কারন শীর পীড়ার সৃষ্টি হয়ে থাকে।
আবার হেমবয়ড্যাল কনজেসটিভ হেডএক এবং এনিমিক হেডএক এর কারনেও মাথা ব্যাথা হতে পারে। অর্শ বলির রজঃশ্রাব বন্ধ হয়ে যে শীরপীরা দেকা দেয় তাকে হেমবয়ডয়াল কনজেসটিভ হেডএক বলে।
আবার কোন রমনীর জরায়ু জনিত দোষ তাকার পলে মাসিক ঋতুতে ভয়ানক অনিয়মিত ভাব দেখা দেয়। নির্দিষ্ট সময়ের পুর্বে বা পরে, অল্প আা অধিক স্রাব হবার কারনে মাথা বয়াথা বা যন্ত্রণা দেখা দিতে পারে একে এ্যানিমিক হেডএক বলে।
এ ছারা আরও কিচু বিশেস কারনে মাথা ব্যাতা দেখা দিতে পারে তা হল স্নায়বিক শির পীরা। এই পীরার কারনে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চয় জনিত কারণে হয়ে থাকে।প্রধানত সিম্পেতিটিক নার্ভের দুর্বলতা হেতু নার্ভের মধ্যে রক্তাধিক্য এবং সেই নার্ভ মস্তক ও মুখের যে যে পেশীর উপর দিয়ে চালিত হয় সেই স্তানে বেদনার সঞ্চার হয়। স্নায়ু মন্ডলের দুর্বলতার কারনে এই পীড়া হয়ে থাকে। স্নায়বিক শিরপীরার কারনে বিবেচনা করলে আমরা দেখতে পাই যে সেরিব্রোস্পাইনাল সিম্পেথিটিক নার্ভের গোল যোগ হেতু মাথা ব্যাথা রোগ হতে পারে বা উদ্ভব হয়।এই সকল স্নায়ুর সঙ্গে মস্তিষ্ক, লিভার,কিডনি,মুত্রযন্ত্র,অন্ত্র,অতি ঘনিষ্ঠ ভাবে সংশ্লিষ্ট।এছাড়াও হৃদযন্ত্র, শ্বাসনালী,গলা,মুখ,প্রভুতি স্থানের স্নায়ু শাখার সংগে যোগাযোগ এ জন্য বহুদুরে অভ্যান্তরিন কোন যন্ত্রের বিকৃত বা গোলযোগ দেখাদিলেবশির পিরার সৃষ্টি হয়।
শীড়পীড়া রোগীর আক্রান্ত রোগীর মধ্যে যে লক্ষন গুলি দেখা দেয় তা হল ঃ
👉মাথায় প্রচন্ড যন্ত্রণা হয় এবং মুখমন্ডল রক্তিম আকার ধারন করে।
👉মাথার মধ্যে সময় সময় দপদপ করে,কখনও বমি হয়,বমির ভাব দেখা দেয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য লেগেই থাকে।
👉পেটে বায়ুর সঞ্চয় হয়,কখোনো কখোনো করোটির সাইনাস এ সর্দি জমে বা ইনপ্লামেশান হয় একে সাইনোসাইটিস বলে।
👉অনেক সময় দুর্বলতার জন্য মাথা ঘোরে,অনিদ্রা প্রভুতি দেখা যায়।
👉শিরপিরার কোন নির্দিষ্ট কোন সময় নেই যে কোন সময় দেখা দিতে পারে। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে ১ সপ্তাহ,২ সপ্তাহ অথবা ৩ সপ্তাহে বা একমাস বা দুই মাস অন্তর অন্তর হতে পারে।
👉ব্যাথা মাথার অর্ধেককাংশে বেশী হয় এবং মাতার যে পার্শ্বে বেদনা হয় সেই দিকে চোখ ফোলা থাকে বা চোখে পানি লাগতে পারে।
👉মাথা ধরার সময় বমি হয় এবং এতে যে রকম বমি হয় তা অম্লপিত্ত পুর্ন হয় না।
বমির লক্ষ্মণ বিশেষ ভাবে উল্লেখ যোগ্য কারন পৈত্তিক ও অজীর্ন জনিত কারনে শিরপীড়া হয় এবং এতে বমি হতে পারে তবে প্রভেদ এইযে পৈত্বিক বা অজীর্ন শিরপীরা আরম্ভ সংগে সংগে বমি হয় কিন্তু স্নায়বিক শিরপীরা আরম্ভ হওয়ার অনেক সময় পরে বমি হতে পারে বা হয়।
👉অত্যান্ত দুর্বল ও স্নায়ু প্রধান ধাতু বিশিষ্ট ব্যাক্তিরাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
👉অনেক সময় মাথার পাশে চোখের উপরিভাগে যন্ত্রণা আরম্ভ হয়।
👉 অনেক সময় মাথা ব্যাথার কারনে চোখ মুখ লালচে ভাব হয় এবং মুখ মন্ডল ফুলে যেতে পারে।
কবি ও লেখক, কলামিস্ট
ডাঃমোঃআব্দুল আলিম (বাঙালি)
ডিএইচএমএস (বাহোচিশিকা)ঢাকা
গভঃরেজিষ্টার্ড হোমিও চিকিৎসক।
কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী।
13/05/2024
👉👉 গর্ভবতী মায়েদের জন্য করনীয় কি কি ?
❤️গর্ভবতী_মায়েদের_করনীয়ঃ
√পুষ্টিকর খাবার যেমন মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, ফ্রেশ সবজি এবং ফলমুল খেতে হবে।
√গর্ভকালীন সময়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দুর করার জন্য প্রচুর পরিমান পানি পান করতে হবে এবং আশযুক্ত খাবার খেতে হবে।
√ ভাজাপুরা এবং বাহিরের খাবার পরিহার করতে হবে৷
√প্রতিদিন ৮-১০ ঘন্টা ঘুমাবেন। দিনে ২-৩ ঘন্টা শুয়ে বিশ্রাম নিবেন। ঘুমানোর সময় বাম কাতে শুয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করবেন
√ ভারী কাজ করা যাবেনা বিশেষ করে প্রথম ৩ মাস এবং শেষের ২ মাস।।
√পিচ্চিল স্থানে হাটা যাবেনা।
√ সিড়ি বেয়ে উপরে উঠার সময় বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে।
√ সংসারের স্বাভাবিক কাজ কর্মে কোন বাধা নেই।
√ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান করবেন।
√উঁচু জুতা পরা যাবে না।
√প্রতিদিন গোসলের অভ্যাস করবেন।
√ প্রথম ৩ মাস এবং শেষের ৩ মাস দীর্ঘ ভ্রমণ করা যাবে না।।
√ দুঃশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, আবেগ এসব নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে।।
√ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া প্রথম ৩ মাস কোন ওষুধ খাওয়া যাবে না।।
√ গর্ভকালীন সময়ে অন্তত ৩ বার চিকিৎসকের নিকট শরনাপন্ন হয়ে চেকাপ করবেন।।
আশা হোমিও হল
ডাঃমোঃআব্দুল আলিম( বাঙালি)
ডিএইচএমএস(বাহোশিচিকা)
গভঃরেজিষ্টার্ড হোমিও চিকিৎসক
কিশোরগঞ্জ সরকারি কলেজ গেট,
কিশোরগঞ্জ,নীলফামারী।
16/03/2024
হোমিও শিক্ষা চিকিৎসা কাউন্সিল এর নব নিযুক্ত চেয়ারম্যান ডাঃদিলিপ কুমার রায় কে ফুল দিয়ে বরন করছেন হোপেস চেয়ারম্যান ও সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (হোমিও ইউনিট) ডাঃআব্দুর রাজ্জাক তালুকদার।
24/02/2024
হোমিও পেশাজীবি সমিতি( হোপেস) বাংলাদেশ এর ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সেমিনার ২৭ এপ্রিল ২০২৪এর রেজিষ্ট্রেশন চলছে দ্রুত রেজিস্ট্রশন করুন রংপুর বিভাগ থেকে যাঁরা রেজিষ্ট্রেশন করতে চান যোগাযোগ করুন
01713937167
15/01/2024
Dr. Abdur Razzak Talukder, Founder Chairman of Hopes, on behalf of Homeo Professional Association Hopes Bangladesh, extended floral greetings to the Health Minister.
10/01/2024
পোষ্ট নং-ঃ ০১
🌱🌱 সপ্তাহ অনুযায়ি গর্ভ অবস্থান কি ?
👉 প্রথম তিন মাসঃ
৪ সপ্তাহঃ
অভিনন্দন!! আপনি যদি জানতে পারেন যে আপনি গর্ভবতী তাহলে আপনি অনেকের চাইতে ভাগ্যবতী। কারণ অনেকেই মাত্র ৪ সপ্তাহে গর্ভধারণের সুসংবাদটি পান না। এখন গর্ভধারণের উপসর্গ গুলো বুঝতে পারবেন না।এই সময় ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত। তিনি কিছু ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট দিতে পারেন ।এর মধ্যে অন্যতম হল ফলিক এসিড। এখন থেকেই স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহন করুন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।
৫ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে আপনি গর্ভধারণের উপসর্গগুলো সর্ম্পকে পরিচিত হতে শুরু করবেন। স্তনের নাজুকতা, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি ও অবসাদ দেখা দিতে পারে। প্রথম তিন মাস এই লক্ষনগুলো থাকে পরবর্তীতে এর পরিমান কমে আসে। এই সময় নিজের যত্ন নিন।
এই সপ্তাহে বাচ্চার হৃদপিন্ড, পাকস্থলি, লিঙ্গ ও কিডনির গঠন শুরূ হয়। বাচ্চা ৩ ইঞ্চির মত লম্বা হয় এবং খুব দ্রুত বাড়তে থাকে।
৬ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে আপনার আচরণগত কিছু পরির্বতন আসতে পারে। আপনি কখনো হয়ত আবেগপ্রবণ হয়ে উঠতে পারেন আবার কখনো উৎফুল্ল হয়ে উঠতে পারেন। গর্ভধারণের লক্ষনগুলো নিয়ে অস্বস্তিতে ভুগতে পারেন। এই সপ্তাহে বাচ্চার অনেক গুরুত্বপূর্ণ গঠন যেমন: চোখ, নাক, কান, চিবুক এবং রক্ত চলাচল ব্যবস্থা তৈরী হতে শুরু করে। স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহন করুন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।
৭ সপ্তাহঃ
আপনার প্রথম তিন মাসের অর্ধেক সময়ই আপনি পার করে ফেলেছেন। এই সময় যদিও ওজন খুব বেশী বাড়ে না এবং আপনাকে দেখেও গর্ভবতী মনে হবে না।
এই সপ্তাহে বাচ্চা ৮ মি. মি. এর মত লম্বা হয়।বাচ্চার হাড়ের গঠন শুরু হয়। এখন বাচ্চার মুখ, ঠোট, নাকের গঠন বোঝা যায়। অল্পতেই ক্লান্ত বোধ করতে পারেন। যথাসম্ভব বিশ্রাম নেয়ার চেষ্টা করুন। হরমোনাল পরিবর্তনের কারনে হাত পা বা মুখে নতুন লোম দেখা দিতে পারে।যদি অতিরিক্ত বমি হয় বা ওজন কমতে থাকে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
৮ সপ্তাহঃ
আপনি মনে মনে হয়ত আপনার বাচ্চার ছবি আকঁতে শুরু করেছেন। এই সময় বাচ্চা নিয়ে অনেকে স্বপ্ন বা দুঃস্বপ্ন দেখতে পারেন।এই সপ্তাহে বাচ্চা ১২ মি. মি. এর মত লম্বা হয়।বাচ্চার দুধ দাতেঁর গঠন শুরু হয়।আপনি বাচ্চার নড়াচড়া অনুভব করবেন না কিন্তু এখন থেকেই বাচ্চা হাত ও পা নড়াচড়া করা শুরু করে। বদ হজম বা বুক জ্বালাপোড়া দেখা দিতে পারে। একবারে অনেক খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খান।
৯ সপ্তাহঃ
এই সময় বাচ্চা ২০ মি. মি. এর মত লম্বা হয়।হৃদপিন্ডের গঠন সম্পূর্ণ হয়। সকালবেলা বা রাতে বমি ও মাথাব্যথার প্রকোপ বেড়ে যেতে পারে।এই সময় মুড সুইং খুবই সাধারন ঘটনা।অল্প কিছুতেই উদ্বিগ্ন বা রেগে যেতে পারেন অথবা বিষন্নতায় ভুগতে পারেন। শান্ত থাকার চেষ্টা করুন ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। এমন কিছু করুন যাতে আপনরে মন ভালো থাকবে এবং হাসি খুশী থাকুন।
১০ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহ থেকেই আপনি নতুন জামা কাপড় তৈরীর কথা চিন্তা ভাবনা করতে পারেন । ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক পোশাক নির্বাচন করুন। এই সপ্তাহে বাচ্চা ২-৩ সে. মি. এর মত লম্বা হয় এবং ওজন ৩-৫ গ্রামের মত হয়।।বাচ্চার মুখের গঠন বোঝা যায় এবং শরীরের চেয়ে মাথা অনেক বড় দেখায় ।
১১ সপ্তাহঃ
আপনি গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসের শেষের দিকে চলে এসেছেন। এখন আপনার বমি ভাব ও মাথা ব্যথা কমে আসবে। বাচ্চার ওজন ৮ গ্রামের মত হয় ও ৩-৫ সে. মি. এর মত লম্বা হয়।
১২ সপ্তাহঃ
অভিনন্দন!!! এটা আপনার প্রথম তিন মাসের শেষ সপ্তাহ ।এই সপ্তাহে বাচ্চার নাক ও ঠোঁটের গঠন সম্পূর্ণ হয়। এসময় বাচ্চা তার কিডনি থেকে প্রসাব উৎপাদন করতে পারবে।এই সময় কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে।প্রচুর পানি পান করুন ও আঁশযুক্ত খাবার খান। বাচ্চা ৫-৬ সে. মি. এর মত লম্বা হয়।
👉 দ্বিতীয় তিন মাস
১৩ সপ্তাহঃ
অভিনন্দন!!! আপনার দ্বিতীয় তিন মাসের প্রথম সপ্তাহ। খাবারের রুচি বেড়ে যেতে পারে বা বমি ভাবের কারনে অরুচি দেখা দিতে পারে।টক,মসলাদার বা মিস্টি খাবারের প্রতি আসক্তি দেখা দিতে পারে। বমি ভাব কমে যাবে ও আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ বোধ করবেন।
১৪ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার নড়াচড়া অনুভব করবেন। এই সময় বাচ্চা ৯-১০ সে. মি. লম্বা হয় ও ওজন ৫০ গ্রামের মত হয়।এই সময় বাচ্চা শ্বাস প্রশ্বাস নেয় ও অ্যামিওনিটিক ফ্লুইড গ্রহন করে। এটি বাচ্চার শ্বসনতন্ত্র ও খাদ্যতন্ত্র গঠনে সাহায্য করে। ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে ও পায়ে ব্যথা হতে পারে। হালকা ম্যাসাজ করলে উপকার পাওয়া যাবে।
১৫ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চা ৯-১০ সে. মি. লম্বা হয় ও ওজন ১০০ গ্রামের মত হয়।বাচ্চার ত্বক খুবই পাতলা হয় এবং চুল উঠতে শুরু করে।এই সময় বমি বমি ভাব কমে আসবে ও আগের চেয়ে সুস্থ অনুবভ করবেন।হাত ও পায়ে পানি আসতে পারে। এক্ষেত্রে হালকা ব্যায়াম, সাতাঁর বা হাটাহাটি করতে পারেন এবং অবশ্যই নিয়মিত ৮ গ্লাসের মত পানি পান করবেন।
১৬ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চা ১১-১২ সে. মি. লম্বা হয়। এই সময় বাচ্চার কান ও চোখ সঠিক অবস্থানে আসে । হাত ও পায়ের নখ তৈরী হয়।কোমরে ব্যাথা অনুভব করতে পারেন।এই ক্ষেত্রে বাম দিকে কাত হয়ে ঘুমাবেন। এক জায়গায় অনেকক্ষন দাড়িয়ে থাকবেন না এবং বসার পরে পা ছড়িয়ে দিন ।দাঁতের মাড়ি ফুলে যেতে পারে বা রক্ত পড়তে পারে। দাঁতের সঠিক যত্ন নিন ও ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।
১৭ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চা ১৩.৫ সে. মি. লম্বা হয় ও ওজন ১৫০ গ্রামের মত হয়।পেটের নিচে অংশে ব্যথা হতে পারে কারন বাচ্চার বৃদ্ধির সাথে সাথে পেশীর উপর চাপ পড়ে।কোমরে ও হাত পায়ে ব্যাথার অনুভূতি থাকতে পারে।আপনার ক্ষুধা বেড়ে যেতে পারে। বুকজ্বালা পোড়া হলে একাসাথে বেশী খাবার খাবেন না ও খাবার পরপর শুয়ে পড়বেন না।
১৮ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চা ১৫ সে. মি. লম্বা হয় ও ওজন ২৫০ গ্রামের মত হয়।এই সময় বাচ্চা শব্দ শুনতে পায় ও নড়াচড়া করার সুযোগ পায়।মাথা ঘুরাতে পারে, সাদা রংয়ের vaginal discharge বের হতে পারে।যদি vaginal discharge এর রং পরিবর্তন হয় এবং চুলকনি ও দুর্গন্ধ থাকে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
১৯ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ৩০০ গ্রামের মত হয় ও ১৬ সে. মি. লম্বা হয় । এই সময় বাচ্চার ত্বকে সাদা ক্রিমের মত পদার্থের প্রলেপ দেখা যায়। এটা বাচ্চার ত্বককে অ্যামিওনিটিক ফ্লুইডের এফেক্ট থেকে রক্ষা করে।যথাসম্ভব বিশ্রাম নেয়ার চেষ্টা করুন।
২০ সপ্তাহঃ
অভিনন্দন !! আপনি গর্ভকলীন সময়ে অর্ধেক সময় পার করে ফেলেছেন।এই সপ্তাহে বাচ্চা ১৮ সে. মি. লম্বা হয় ও ওজন ৩৫০ গ্রামের মত হয়।ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে ও দু:স্বপ্ন দেখতে পারেন। নিজেকে মানসিকভাবে শান্ত রাখার চেষ্টা করুন।যেহেতু বাচ্চা খুব দ্রুত বাড়তে থাকে তাই এটি ফুসফুসে চাপ সৃষ্টি। এই জন্য শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।
২১ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ৩৫০-৪২৫ গ্রামের মত হয় ও ১৯ সে. মি. লম্বা হয়। বাচ্চার চোখের পাপড়ি ও ভ্রু যুগল তৈরী হতে শুরু করে।বাচ্চার নড়াচড়া আগের চেয়ে বেশী অনুভব করবেন।এই সময়ে বাচ্চা স্বাদগ্রন্থি তৈরী হতে শুরু করে তাই মায়ের বিভিন্ন স্বাদের খাবার খাওয়া্ উচিত।
২২ সপ্তাহঃ
আপনার ২য় তিন মাস প্রায় শেষ হওয়ার পথে। এই সময় আপনি নতুন বাচ্চার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরূ করতে পারেন। এই সপ্তাহে বাচ্চা ২০ সে. মি. লম্বা হয় ও ওজন ৪২৫-৫০০ গ্রামের মত হয়।আপনার ওজন এখন থেকে দ্রুত বাড়তে থাকবে। এই সময় বাচ্চার ঠোঁটের গঠন সর্ম্পূণ হয়।ডায়াবেটিস টেস্ট করার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন (২৪-২৮ সপ্তাহের মধ্যে করাবেন)
২৩ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ৫০০-৬০০ গ্রামের মত হয় ও ২১ সে. মি. লম্বা হয়।বাচ্চার ফুসফুসের বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে।বাচ্চা আপনার কথা ও হৃদস্পন্দন শুনতে পায়।পায়ে পানি আসতে পারে ও কোমরে ব্যথা থাকে।দাঁত থেকে রক্ত পড়তে পারে তাই দাঁতের যত্ন নিন।
২৪ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ৬০০-৭০০ গ্রামের মত হয় ও ২২ সে. মি. লম্বা হয়। বাচ্চার চোখের গঠন সম্পূর্ণ হয়। এই সময় বুক জ্বালাপোড়া,পেশীতে ব্যথা, মাথা ঘুরানো ও অবসাদ অনুবভ করতে পারেন।চোখে শুস্ক ভাব, কচকচে ভাব ও আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা আসতে পারে।শরীরে স্ট্রেচ মার্ক দেখা যায় বিশেষ করে পেটে এবং হালকা চুলকানিও হতে পারে।এই সময় লোশন বা ক্রীম মাখতে পারেন এতে করে চুলকানি কমবে।
২৫ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ৭০০-৮০০ গ্রামের মত হয় ও ২৩ সে. মি. লম্বা হয়।এই সময় বাচ্চার বিভিন্ন ইন্দ্রিয় যেমন চোখ, নাক, কান ও জিহ্বা পূর্ণতা পেতে শুরু করে।বারবার প্রসাবের বেগ হওয়া বা প্রসাবে জ্বালাপোড়া মূত্রনালীর সংক্রমণ বা ইউরিনারি ট্রাক্টে ইনফেকশনের লক্ষন। এই লক্ষনগুলোকে পর্যবেক্ষন করুন ও ডাক্তরের পরামর্শ নিন।কোন হাসপাতালে ডেলিভারী করাতে চান তা এখন থেকেই ঠিক করে নিতে পারেন।
২৬ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ৮৫০-১০০০ গ্রামের মত হয় ও ২৪ সে. মি. লম্বা হয়।এই সপ্তাহে বাচ্চা প্রথমবারের চোখ খুলতে পারে। যদিও মায়ের গর্ভে দেখার তেমন কিছুই নেই কিন্তু কোন তীব্র আলো মায়ের গর্ভে পড়ে তাহলে তা সনাক্ত করতে পারে।মায়ের খাবারের প্রতি বেশী যত্নশীল হতে হবে।অল্প অল্প করে বার বার খাবেন এতে করে আপনার ব্লাড সুগার লেভেল ঠিক থাকবে এবং ক্লান্তি অনুভব করবেন না।আগামী সপ্তাহ থেকে আপনার তৃতীয় তিন মাস শুরু হবে।
👉 তৃতীয় তিন মাস
২৭ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ১০০০-১১০০ গ্রামের মত হয় ও ২৫ সে. মি. লম্বা হয়। এই সময় বাচ্চার অধিকাংশ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের গঠন সম্পূর্ণ হয় ও শ্রবন শক্তির বিকাশ ঘটে।
২৮ সপ্তাহঃ
বাচ্চার ওজন ১১০০-১২৫০ গ্রামের মত হয় ও ২৬ সে. মি. লম্বা হয়।আপনি প্রসবকালীন সময়ের কাছাকাছি চলে এসেছেন ।অনেকেরই প্রসবের নির্ধারিত সময়ের আগে ব্যাথা বা কিছু লক্ষন দেখা দিতে পারে ।একে প্রির্টাম লেবার বলে। এর লক্ষন হল কোমরে হালকা ব্যথা, পানি ভেঙ্গে যাওয়া, জরায়ু থেকে রক্ত বা পিচ্ছিল পদার্থ বের হওয়া ও ১০ মিনিট পরপর জরায়ুর সংকোচন ও প্রসারণ অনুভব করা। এই লক্ষনগুলো দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
২৯ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ১৩০০-১৪০০ গ্রামের মত হয় ও ২৭ সে. মি. লম্বা হয়।ফুসফুসের গঠন সম্পূর্ণ না হলেও বাচ্চা শ্বাস প্রশ্বাস নিতে শুরু করে। বাচ্চার চোখ আলো সনাক্ত করতে পারে ও হাড়ের গঠন সম্পূর্ণ হয়।গর্ভাবস্থায় হাটা সবচেয়ে ভাল ব্যায়াম।
৩০ সপ্তাহঃ
বাচ্চা ২৪ সে.মি. লম্বা হয় ও ওজন ১৫০০-১৬০০ গ্রামের মত হয়।অধিকাংশ সময় বাচ্চা ঘুমিয়ে কাটায়। এখন থেকেই লক্ষ্য রাখতে পারেন যে কখন বাচ্চা ঘুমায় ও কখন খেলা করে।এই সময় স্তন থেকে শাল দুধের নিঃসরণ হতে পারে। অনেকেই একে প্রসবের লক্ষন মনে করতে পারেন । এটি অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় এতে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।জন্মের পরপরই বাচ্চাকে শাল দুধ খাওয়ানো উচিত কারন এতে থাকে প্রচুর প্রোটিন ও অ্যন্টিবডি।
৩১ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ১৭০০-১৮০০ গ্রামের মত হয় ও ২৯ সে. মি. লম্বা হয়।বাচ্চার ওজন দ্রুত বাড়তে থাকে এর ফলে মায়ের ওজনও বেড়ে যায়।এই কারণে হাত পায়ে ব্যথা থাকতে পারে।ব্যথা কমানোর জন্য হালকা ম্যাসাজ করতে পারেন।
৩২ সপ্তাহঃ
বাচ্চা ৩০ সে.মি. লম্বা হয় ও ওজন ১৯০০-২০০০ গ্রামের মত হয়।বাচ্চার কিডনীর গঠন সম্পূর্ণ হয়।এই সময় বাচ্চার মাথা নিচের দিকে থাকবে যদি না তাকে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।হাত পায়ে অতিরিক্ত পানি আসা, চোখে ঝাপসা দেখা ও মাথা ব্যথা থাকলে জরুরি ভিত্তিতে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।এগুলো হল প্রিএকলাম্পাসিয়ার লক্ষন।
৩৩ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ২১০০-২২৫০ গ্রামের মত হয় ও ২৯ সে. মি. লম্বা হয়।এই সময় বাচ্চা আশেপাশের জিনিস দেখতে পায় ও অনুভূতিগুলো বুঝতে শেখে।এমনকি মায়ের হৃদস্পন্দন ও কথা শুনতে পায়।যেহেতু এই সময় বাচ্চা দ্রুত বাড়তে থাকে তাই একটু বাড়তি খাবার খান।
৩৪ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ২০৫০-২৫৫০ গ্রামের মত হয় ও ৩৩ সে. মি. লম্বা হয়।আপনি গর্ভবস্থার শেষ সময়টুকু পার করছেন তাই দীর্ঘ ভ্রমন এড়িয়ে চলুন।প্রসব ব্যথার লক্ষনগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখুন যেমন: জরায়ুর সংকোচন ও প্রসারণ, কোমরের নিচের দিকে ব্যথা, পানি ভেঙ্গে যাওয়া ইত্যাদি।
৩৫ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ২৬০০-২৭০০ গ্রামের মত হয় ও ৩৪ সে. মি. লম্বা হয়। আপনার প্রচুর আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।কারণ বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগের মাসে এই অতি প্রয়োজনীয় মিনারেলটি মায়ের শরীর থেকে নিয়ে নেয়।এটি রক্তের কোষ গঠনে সাহায্য করে
৩৬ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ২৮৫০-২৯৫০ গ্রামের মত হয় ও ৩৫ সে. মি. লম্বা হয়।পরের কয়েক সপ্তাহ বাচ্চার শরীর দ্রুত বাড়তে থাকবে। এই সময়ে প্রচুর সাদা স্রাব যেতে পারে ।এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। যদি স্রাবের সাথে রক্ত দেখা যায় তাহলে বুঝতে হবে প্রসব ব্যথা শুরু হচ্ছে।
৩৭ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ৩০০০-৩১০০ গ্রামের মত হয় ও ৩৬ সে. মি. লম্বা হয়।এই সময় যদি স্রাবের সাথে রক্ত দেখা যায় তাহলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।
৩৮ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ৩২০০-৩২৫০ গ্রামের মত হয় ও ৩৭ সে. মি. লম্বা হয়।এই সময় বাচ্চার গঠন সম্পূর্ণ হয়। ঘন ঘন প্রস্রাব হতে পারে কিন্তু এই সময় প্রচুর পানি খেতে হবে।অধিকাংশ শিশু জন্মের নির্ধারিত সময়ের দুই-চার সপ্তাহের আগে জন্ম নেয়।
৩৯ সপ্তাহঃ
এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ৩২০০-৩২৫০ গ্রামের মত হয় ও ৩৭ সে. মি. লম্বা হয়।এই সময় দ্রুত ওজন বাড়তে থাকে এবং প্রসবের লক্ষণগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
৪০ সপ্তাহঃ
অভিনন্দন!! একটি দীর্ঘ ও সুন্দর যাত্রার এটাই শেষ সপ্তাহ । এই সপ্তাহের যেকোন দিন আপনার ছোট্ট সোনামনি আপনার কোল আলো করে এই পৃথিবীতে আসবে।
জন্মের সময় বাচ্চার ওজনঃ
প্রিটার্মবেবীঃ
যেসকল শিশু ৩৭ সপ্তাহের আগে জন্ম নেয় তাদেরকে প্রিটার্ম বেবী বলে। এই সকল শিশুর জন্মের সময় ওজন ২.২৬ কেজি বা এর কম হয়ে থাকে।
টার্ম বেবী: যেসকল শিশু ৩৮-৪০ সপ্তাহের মধ্যে জন্ম নেয় তাদেরকে টার্ম বেবী বলে।এই সকল শিশুর জন্মের সময় ওজন ৩.৩৪ কেজি হয়ে থাকে।
পোস্টটার্ম বেবী: যেসকল শিশু ৪১ সপ্তাহের পরে জন্ম নেয় তাদেরকে পোস্টটার্ম বেবী বলে।এই সকল শিশুর জন্মের সময় ওজন ৪ কেজির বেশী হয়ে থাকে।
লেখক ও কলামিস্টঃ
ডাঃমোঃআব্দুল আলিম (বাঙালি)
গভঃরেজিষ্টার্ড হোমিও চিকিৎসক
কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী।
24/12/2023
আমার ও পজেটিভ। এক ব্যাগ রক্ত পারে একটি জীবন বাঁচাতে।আসুন আমরা সবাই রক্ত দিয়ে জীবন বাঁচাই।
24/12/2023
all followers like the page
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Rangpur
5320
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |
