FA FoyJar RahmaN

FA FoyJar RahmaN

Share

জীবন্ত মানুষকে হারিয়ে ফেলার শুন্যতা
?

02/11/2025

সতেরো বছরের সংসার জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে আজ আমি নিঃসংকোচে বলতে পারি —
পুরুষগণ আল্লাহ প্রদত্ত এক অশেষ নেয়ামত।

কারণ, তারা তাদের যৌবন, স্বপ্ন আর শক্তি— সবকিছু কুরবান করে দেয় শুধু তাদের স্ত্রী ও সন্তানদের সুখের জন্য।
তাদের কাঁধেই টিকে থাকে আমাদের সংসারের হাসি, আমাদের জীবনের শান্তি, আমাদের প্রতিদিনের নিরাপত্তা।

একজন পুরুষ এমন এক সত্তা,
যিনি নিজের আরামকে বিসর্জন দিয়ে সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলেন।
যিনি নিজের চাওয়া-পাওয়ার হিসাব না করে শুধু পরিবারের স্বপ্নের হিসাব রাখেন।

কিন্তু পরিহাসের বিষয় হলো—
এই মানুষগুলোই অনেক সময় সবচেয়ে বেশি অবহেলিত হয়ে পড়ে আমাদের কাছেই।

🔹 তারা যদি একটু বাইরে গিয়ে মন বদলায়, আমরা বলি — “বে-পরোয়া!”
🔹 ঘরে বসে থাকলে বলি — “অলস, অকর্মণ্য!”
🔹 সন্তানের ভুল ধরলে বলি — “নির্দয়, কঠোর!”
🔹 স্ত্রীকে চাকরি করতে না বললে — “সেকেলে, অনাধুনিক!”
🔹 মায়ের সাথে সময় কাটালে — “মা-পাগল!”
🔹 আবার স্ত্রীর প্রতি মায়া দেখালে — “বৌ-পাগল!”

এমন হাজারো অপবাদ, ভুল বোঝাবুঝি, অবহেলার পরও
পুরুষ নামের এই বীর পৃথিবীর সবচেয়ে শক্ত অথচ কোমল হৃদয়ের মানুষ।

একজন বাবা এমন এক যোদ্ধা,
যিনি জীবনের প্রতিটি দিন কাটান সন্তানদের মুখে হাসি দেখতে দেখতে।
তারা সবসময় চায়— সন্তান যেন সুখে থাকে, সফল হয়, নিরাপদে থাকে।

একজন পিতা তো এমন এক রোবট,
যিনি সন্তানের কাছ থেকে উপেক্ষা, কষ্ট আর ব্যর্থতা পেলেও
তবুও প্রতিদিন তাদের জন্য দোয়া করেন, ভালোবাসা পাঠান।

তিনি এমন এক মহাপুরুষ—
যিনি নিজের ক্লান্ত দেহ, পরিশ্রান্ত মন আর ঘামে ভেজা শরীর নিয়েও
সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যান।

তিনি সহ্য করেন সব অপমান, অবহেলা, তবুও মুখে হাসি রাখেন।
যখন সন্তান ছোট, তখন তাকে হাঁটতে শেখান—
আর যখন সন্তান বড় হয়ে যায়,
তখন সেই সন্তানই অনেক সময় পিতার বুকের উপর পা রেখে এগিয়ে যায়।
তবুও বাবা কষ্ট পান না— বরং হাসিমুখে বলেন,
“যতদূর যাস, আল্লাহ তোর মঙ্গল করুক।”

একজন বাবা এমন এক নেয়ামত,
যিনি সারাজীবন নিজের কষ্টার্জিত সম্পদ, সময় ও স্বপ্নগুলো
সন্তানদের জন্য অকাতরে বিলিয়ে দেন।

যদি মা সন্তানকে নয় মাস পেটে ধারণ করেন,
তবে বাবা সন্তানকে সারা জীবন মস্তিষ্কে ও হৃদয়ে ধারণ করে রাখেন।

পৃথিবীটা সুন্দর, জীবনটা নিরাপদ—
যতদিন বাবার ছায়া মাথার উপর থাকে।
বাবা চলে গেলে পৃথিবীর সব আলো যেন হঠাৎ ম্লান হয়ে যায়।

তাই,
যতদিন বাবা বেঁচে আছেন, ততদিন তাঁকে ভালোবাসুন, সম্মান দিন, তাঁর সেবায় ত্রুটি করবেন না।
আর যদি তিনি পরপারে পাড়ি জমিয়ে থাকেন,
তবে প্রতিদিন অন্তত একবার হলেও তাঁর জন্য দোয়া করুন —
“আল্লাহ, আমার বাবা যেন জান্নাতে প্রশান্তি পান।”

🌸 আল্লাহ তাআলা সকল মা-বাবাকে দুনিয়া ও আখেরাতে সুখ, শান্তি ও রহমত দান করুন। 🌸

26/10/2025

💻 নতুন কম্পিউটার ইউজারদের জন্য সেরা ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ কীবোর্ড শর্টকাট 🔥
📚 একসাথে Computer Basic, MS Word, MS Excel & PowerPoint
🖥️ 🔹 Computer Basic শর্টকাট
⌨️ Ctrl + C → কপি করার জন্য ব্যবহার হয়।

✂️ Ctrl + X → কাট বা স্থানান্তর করার জন্য।

📋 Ctrl + V → পেস্ট করার জন্য।

🔙 Ctrl + Z → আগের কাজ ফিরিয়ে নেওয়া (Undo)।

🔁 Ctrl + Y → Undo করা কাজ পুনরায় ফিরিয়ে আনা (Redo)।

🧾 Ctrl + A → সব নির্বাচন করা (Select All)।

🔄 Alt + Tab → এক প্রোগ্রাম থেকে অন্য প্রোগ্রামে যাওয়া।

❌ Alt + F4 → অ্যাপ বা প্রোগ্রাম বন্ধ করা।

🖥️ Windows + D → ডেস্কটপ দেখা বা লুকানো।

🔒 Windows + L → কম্পিউটার লক করা।

📂 Windows + E → ফাইল এক্সপ্লোরার খোলা।

⚙️ Ctrl + Shift + Esc → টাস্ক ম্যানেজার খোলা।

📸 Print Screen (PrtSc) → স্ক্রিনশট নেওয়া।

🆕 Ctrl + N → নতুন উইন্ডো বা ডকুমেন্ট খোলা।

🚪 Ctrl + W → বর্তমান ট্যাব বন্ধ করা।

🔍 Alt + Enter → ফাইলের প্রপার্টিজ দেখা।

📁 Ctrl + Shift + N → নতুন ফোল্ডার তৈরি করা।

🔽 Alt + Space + N → উইন্ডো মিনিমাইজ করা।

🔼 Alt + Space + X → উইন্ডো ম্যাক্সিমাইজ করা।

🖨️ Ctrl + P → প্রিন্ট করার জন্য।

📝 🔹 MS Word শর্টকাট

🅱️ Ctrl + B → টেক্সট Bold করা।

*️⃣ Ctrl + I → টেক্সট Italic করা।

✍️ Ctrl + U → টেক্সটে Underline দেওয়া।

⬅️ Ctrl + L → টেক্সট বাম পাশে সাজানো।

➡️ Ctrl + R → টেক্সট ডান পাশে সাজানো।

↔️ Ctrl + E → টেক্সট মাঝখানে আনা (Center)।

🧾 Ctrl + J → টেক্সট সমানভাবে সাজানো (Justify)।

💾 Ctrl + S → ফাইল সেভ করা।

📁 Ctrl + O → নতুন ফাইল খোলা।

🚫 Ctrl + W → ফাইল বন্ধ করা।

🔍 Ctrl + F → টেক্সট সার্চ করা।

🧭 Ctrl + H → টেক্সট Replace করা।

📄 Ctrl + Enter → নতুন পেজ দেওয়া (Page Break)।

🗑️ Ctrl + Backspace → একটি সম্পূর্ণ শব্দ মুছে ফেলা।

🔤 Shift + F3 → বড় ও ছোট অক্ষরে পরিবর্তন।

🧷 Ctrl + Shift + L → বুলেট লিস্ট তৈরি।

📐 Ctrl + 1 / 2 / 5 → লাইন স্পেসিং পরিবর্তন।

🧩 Ctrl + T → হ্যাঙ্গিং ইনডেন্ট তৈরি।

📋 Ctrl + Shift + C → ফরম্যাট কপি করা।

📋 Ctrl + Shift + V → ফরম্যাট পেস্ট করা।

🧮 Ctrl + = → সাবস্ক্রিপ্ট লেখা।

🔠 Ctrl + Shift + + → সুপারস্ক্রিপ্ট লেখা।

🕒 Alt + Shift + D → তারিখ যোগ করা।

🕐 Alt + Shift + T → সময় যোগ করা।

🧾 Ctrl + Q → অনুচ্ছেদের ফরম্যাট মুছে ফেলা।

📊 🔹 MS Excel শর্টকাট

📗 Ctrl + N → নতুন ওয়ার্কবুক তৈরি।

💾 Ctrl + S → সেভ করা।

📂 Ctrl + O → ফাইল খোলা।

📋 Ctrl + C / X / V → কপি / কাট / পেস্ট।

🔙 Ctrl + Z → Undo করা।

🔁 Ctrl + Y → Redo করা।

🔢 Ctrl + Shift + "+" → নতুন রো বা কলাম যোগ করা।

➖ Ctrl + "-" → রো বা কলাম ডিলিট করা।

🔍 Ctrl + F → সার্চ করা।

🔄 Ctrl + H → Replace করা।

🔼 Ctrl + ↑ / ↓ / ← / → → দ্রুত সেল মুভ করা।

📈 Alt + = → অটো সাম (AutoSum)।

💡 F2 → সেলের ডাটা এডিট করা।

🔤 Ctrl + 1 → ফরম্যাট সেল ডায়ালগ খোলা।

🎨 Alt + H + H → সেল রঙ পরিবর্তন।

📊 F11 → চার্ট তৈরি করা।

🧮 Ctrl + Shift + L → ফিল্টার অন/অফ করা।

🔢 Ctrl + Arrow → ডাটার শেষ পর্যন্ত যাওয়া।

📄 Ctrl + Page Up/Page Down → শিট পরিবর্তন করা।

📋 Ctrl + D → উপরের সেল কপি করা।

⬇️ Ctrl + R → বাম সেল কপি করা।

📆 Ctrl + ; → বর্তমান তারিখ ইনপুট করা।

⏰ Ctrl + Shift + ; → বর্তমান সময় ইনপুট করা।

📏 Ctrl + Space → সম্পূর্ণ কলাম সিলেক্ট।

📐 Shift + Space → সম্পূর্ণ রো সিলেক্ট।

📽️ 🔹 MS PowerPoint শর্টকাট

🆕 Ctrl + M → নতুন স্লাইড যোগ করা।

✍️ Ctrl + D → স্লাইড বা অবজেক্ট ডুপ্লিকেট করা।

🖼️ Ctrl + G → একাধিক অবজেক্ট গ্রুপ করা।

🔓 Ctrl + Shift + G → গ্রুপ খুলে দেওয়া (Ungroup)।

🧾 Ctrl + A → সব সিলেক্ট করা।

🧩 Ctrl + C / V → কপি-পেস্ট করা।

🧭 Ctrl + Shift + > / < → ফন্ট বড় বা ছোট করা।

🧭 Ctrl + K → হাইপারলিংক যোগ করা।

🖱️ F5 → স্লাইডশো শুরু করা।

⏩ Shift + F5 → বর্তমান স্লাইড থেকে শো শুরু করা।

⬅️➡️ ← / → → পরের বা আগের স্লাইডে যাওয়া।

⏹️ Esc → স্লাইডশো বন্ধ করা।

🧲 Ctrl + Shift + C / V → ফরম্যাট কপি/পেস্ট।

🎨 Alt + F9 → গাইডলাইন অন/অফ।

📏 Ctrl + G → গ্রিডলাইন দেখা।

🖌️ Ctrl + T → ফন্ট ডায়ালগ খোলা।

🧾 Ctrl + Enter → পরের টেক্সট বক্সে যাওয়া।

📄 Ctrl + Shift + N → নতুন প্রেজেন্টেশন তৈরি।

📑 Ctrl + O → প্রেজেন্টেশন খোলা।

💾 Ctrl + S → প্রেজেন্টেশন সেভ করা।

🎥 Ctrl + P → প্রেজেন্টেশন প্রিন্ট করা।

🧹 Ctrl + Backspace → এক শব্দ মুছে ফেলা।

🧭 Ctrl + Shift + L → বুলেট লিস্ট যোগ করা।

🔤 Ctrl + Shift + F → ফন্ট পরিবর্তন করা।

⚡ Ctrl + Shift + S → সেভ অ্যাজ করা।

🧮 Ctrl + Up/Down → টেক্সট মুভ করা।

📏 Alt + Shift + Up/Down → লিস্ট আইটেম মুভ করা।

🖥️ Ctrl + Shift + D → স্লাইড ডুপ্লিকেট করা।

🕹️ Alt + F5 → প্রেজেন্টেশন ভিউ মোডে দেখা।

🌟 Ctrl + Q → PowerPoint থেকে বের হওয়া।

🏁 শেষ কথা:

এই 💯 শর্টকাট শিখে ফেললে আপনি হয়ে উঠবেন 💪 কম্পিউটার প্রো ইউজার!

📘 পোস্টটি Share / Save করে রাখুন ভবিষ্যতে কাজে আসবে।
🚀 ফ্যামেলি অথবা বন্ধুদের সাথে Share করতে পারেন যেন তারাও শিখে নিতে পারে।
🧮এই পোস্টটি আপনি কোন জায়গা থেকে দেখছেন কমেন্টে জানান?
🧮কমেন্টে জানান— পরবর্তী পোস্ট কোন টপিক নিয়ে চাচ্ছেন? পোস্ট করলে উপকৃত হবেন নাকি ভিডিও শেয়ার করলে?

Photos from Biborno Sahin's post 18/10/2025
21/08/2025

দাম্পত্য জীবনের খুটিনাটি বিষয় কখনোই কারো সাথেই শেয়ার করতে নেই। এমনকি নিজের মা-বাবা, শ্বশুর-শ্বাশুড়ি, ভাই-বোন, ননদ-দেবর, কারো সাথেই শেয়ার করতে নেই।

সংসারে স্বামী-স্ত্রী ছাড়া বাকি সবাই তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা পালন করে। দাম্পত্য জীবনের খুটিনাটি সমস্যাগুলো মূলত স্বামী-স্ত্রী মিলেই সমাধান করতে হয়। আর যখনই তা তৃতীয় পক্ষের কানে পৌঁছায়, তখন সমস্যা সমাধান হওয়ার চাইতে উল্টো আরও বেশি জটিল আকার ধারণ করতে থাকে!

একটি সংসার কি করে সুখের করা যায়, তা বোধহয় স্বামী-স্ত্রী দু'জন ছাড়া অন্য কেউ ভালো বুঝবে না-বোঝার কথাও না। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে যতই মান-অভিমান কিংবা ঝগড়া হোক, দিনশেষে কিন্তু একসাথে থাকতে হবেই।

সংসারের খুটিনাটি বিষয় যখনই তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করবেন, ঠিক তখনই নানা রকম ঝামেলা সামনে আসতে থাকবে! সঙ্গীর সাথে মনমালিন্য কিংবা ঝগড়া লাগলেই যদি তা নিজের মা-বাবা কিংবা অন্য কারো সাথে শেয়ার করেন, তবে অবশ্যই সঙ্গীকে তাদের কাছে ছোট করা হয়।

দাম্পত্য জীবনের খুটিনাটি বিষয় যত গোপন রাখা যায়, ততই স্বামী-স্ত্রী দু'জনের জন্যই মঙ্গল। আপনার সমস্যার কথা আপনার সঙ্গী যতটা গুরুত্বসহকারে দেখবে, অন্য কেউ ততটা গুরুত্ব নিয়ে দেখবে না।

মনে রাখবেনঃ
দাম্পত্য জীবন আপনাদের ব্যক্তিগত একটা জগত। যেখানে শুধু স্বামী-স্ত্রী পরস্পর পরস্পরের বিষয় জানতে পারবে। আর যখনই সেখানে অন্য কাউকে জানার স্পেস দিবেন, ঠিক তখন থেকেই আপনাদের আর কোনো প্রাইভেসি সংসারে থাকবে না!

Photos from Daily Health Tips's post 28/07/2025
20/07/2025
04/06/2025

সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসি দেওয়ার পর যখন তাঁর মরদেহ বাহিরে রাখা হল,
তখন একদল মানুষ সেখানে এসে এই মানুষটার মৃতদেহের ওপরে থুতু ছিটিয়েছিল,
যারা প্রত্যেকেই ইরাকের নাগরিক;
পক্ষান্তরে তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত সেই ১২ জন আমেরিকান সেনা সদস্যের প্রত্যেকেই কেঁদেছিল।

ইন্দিরা গান্ধীর পরিণতি হয়েছিল আরও করুণ।
শত্রুর গুলিতে না, তার মৃত্যু হয়েছিল নিজেরই দেহরক্ষীর গুলিতে।

বঙ্গবন্ধুর পিতা শেখ লুৎফর রহমানের দেহ নামাতে যে লোকটি কবরে নেমেছিল, বঙ্গবন্ধুর মাতার মৃত্যুতে যে লোকটি মাটিতে শুয়ে কান্নায় গড়াগড়ি করেছিলো, শেখ কামালের বিয়ের উকিল বাপ যে মানুষটি ছিলো, ১৯৭৫ সালের ১৪ই আগস্ট দুপুরে যে লোকটি বাসা থেকে তরকারী রান্না করে নিয়ে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে খাইয়েছিলো তারপরের দিন ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে সেই লোকই খুন করেছিল যার নাম খন্দকার মোশতাক।

ইতিহাসের পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায়, এক একটা সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে তাদের সব চাইতে কাছের মানুষদের হাত ধরে। সৌদি আরবের বাদশা ফয়সাল যখন তার ভাইপোকে আলিঙ্গন করার উদ্দেশ্যে দু-হাত বাড়িয়ে দিলেন, প্রতি উত্তরে হঠাৎই পকেট থেকে পিস্তল বের করে পরপর তিনটা গুলি করে বসলেন।

গোয়েন্দারা আসামী সনাক্ত করার জন্য অনেক গুলো পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে,
তার একটি হল প্রত্যেককেই সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখা।
সব চাইতে বেশি সন্দেহ তাকে করা যাকে মনে হবে সব চাইতে কম সন্দেহজনক।

ইতিহাস আমাদের বার বার শিখিয়ে গেছে,
মানুষের জীবনের সব চাইতে বড় যে শত্রু তাকে কখনোই চেনা যায় না,
সে থাকে সব থেকে কাছের বন্ধুর মত করে।

আপনার ব্যক্তিগত জীবনেও তাই...

আপনি সব চাইতে বেশি প্রতারিত হবেন আপনার কাছের মানুষদের কাছ থেকে।

আপনাকে সব চাইতে বেশি কষ্ট দেয়া মানুষের তালিকা করলে সেখানে শত্রু না,আপন মানুষদের নাম দেখতে পাবেন।
শত্রু কখনো বিশ্বাস ঘাতক হয় না, বিশ্বাস ঘাতকতা করে কেবল আপন মানুষরাই।

16/05/2025

পুরুষের দায়িত্ব অনেক, একথা সত্যি। তাই বলে তাকে অনুভূতিহীন যন্ত্র ভাবা বন্ধ করুন। এমনও অনেক পুরুষ আছেন যারা সারাদিন পর বাড়ি ফিরে মা কিংবা স্ত্রীর কাছে দুটো ভালো ভালো কথা, আশা-ভরসার কথা শোনার বদলে নালিশের পরে নালিশ শুনে যায়। বহু দীর্ঘ সংগ্রামের পর যখন প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন শুরু হয় একে একে সবার আবদার-আহ্লাদ মেটানোর পালা। দিতে না পারলেই মুখ কালো, প্রশ্ন শুনতে হয়- কী করেছো আমাদের জন্য? এর-ওর-তার শখ পূরণ করতে গিয়ে নিজের দুইটা শখ পূরণের জন্য পুরুষটিকে হয়তো দশবার ভাবতে হয়।

কত পুরুষ আছেন যাদের বোন বিবাহযোগ্য হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়, এরপর বোনের বিয়ে হলে তবেই নিজে বিয়ের মুখ দেখতে পান। ভাই-বোনের সমস্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের স্ত্রী-সন্তানের দায়িত্ব পালন করতে পারেন না, স্ত্রীর মন রক্ষা করার জন্য মাকে বাড়িতে আসতে নিষেধ করতে হয়, মায়ের মন রক্ষা করার জন্য স্ত্রীকে বকাঝকা কখনোবা মা/র/ধো/র করতে হয়! ছেলের সংসারে অশান্তি হতে দেখে যে খুশি হয় সে কেমন মা? স্বামীর মাকে অসম্মানিত হতে দেখলে যে শান্তি পায় সে কেমন স্ত্রী?

মা নাকি বউ- এই দ্বন্দ্বের ভয়ে বিয়েকেই ভয় পান অনেক পুরুষ। অথচ একজন পুরুষের জীবনে এই দুইজন নারীর থেকে বেশি অবদান কারও হওয়ার কথা নয়। একজন যদি জান্নাত হয়, অপরজন তবে জান্নাতে যাওয়ার সার্টিফিকেট। কিন্তু কখনো কখনো এই দু’জনের দ্বন্দ্বেই পুরুষটির জীবন হয়তো জাহান্নাম হয়ে যায়!
__________________

16/04/2025

১. ভুলঃ কোমর ব্যথা মানে কিডনি রোগ!
নির্ভুলঃ কিডনি রোগে প্রস্রাব কমে যায়, খাওয়ার রুচি কমে যায়, বমি বমি লাগে, মুখ ফুলে যায়!

২. ভুলঃ ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ!!
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হলে প্রথম অনুভূতি হল- এতো খেলাম, তবুও কেন শক্তি পাইনা, এছাড়া ওজন কমে যায়, মুখে দুর্গন্ধ হয়, ঘা শুকাতে চায়না!

৩. ভুলঃ ঘাড়ে ব্যথা মানেই প্রেসার!
নির্ভুলঃ প্রেসার বাড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ পাওয়া যায় না! একটু অস্বস্তিকর অনুভুতি হয় মাত্র।

৪. ভুলঃ বুকের বামে ব্যথা মানে হার্টের রোগ!
নির্ভুলঃ হার্টের রোগে সাধারণত বুকে ব্যথা হয় না। হলেও বামে নয়তো বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়... হার্টের সমস্যায় সাধারণত বুকের মাঝখানে চাপ চাপ অনুভূতি হয়, মনে হয় বুকের মাঝখানটা যেন কেউ শক্ত করে ধরে আছে!!

৫. ভুলঃ মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়।
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হরমোনাল অসুখ। অগ্ন্যাশয় ঠিকমত কাজ না করলে ডায়াবেটিস হয়। তাই মিষ্টি খাওয়ার সাথে এই রোগ হবার সম্পর্ক নেই। কিন্তু ডায়াবেটিস হয়ে গেলে মিষ্টি খেতে হয় না।

৬. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে বেশি পানি খেলে পায়ে পানি আসে।
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে প্রোটিন কম খেয়ে, কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে পায়ে পানি আসে। তাই প্রোটিন বেশি বেশি খেতে হয়।

৭. ভুলঃ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীন বেবির (৬মাসের আগে পানিও খাওয়ানো যায় না একারণে) ডায়রিয়া হলে, মা স্যালাইন খেলেই বেবিরও চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।
নির্ভুলঃ মা খেলেই বাচ্চার চাহিদা পূরণ হয় না... বেবিকেও স্যালাইন খাওয়াতে হয়।

৮. ভুলঃ দাঁত তুললে চোখের আর ব্রেইনের ক্ষতি হয়।
নির্ভুলঃ দাঁত তোলার সাথে চোখের আর ব্রেইনের কোনো সম্পর্ক নেই। দাঁত, চোখ, মাথার নার্ভ সাপ্লাই সম্পূর্ণ আলাদা।

৯. ভুলঃ মাস্টারবেশন করলে চোখের জ্যোতি কমে যায়!
নির্ভুলঃ ভিটামিন এ জাতীয় খাবার না খেলে চোখের জ্যোতি কমে যায়।

১০. টক/ ডিম/ দুধ খেলে ঘা দেরীতে শুকায়।
নির্ভুলঃ টক/ ডিমের সাদা অংশ/ দুধ খেলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়।

১১. ভুলঃ অস্বাভাবিক আচরন, ভাংচুর, পাগলামি মানেই জ্বিন ভুতে ধরা!!!
নির্ভুলঃ এটা বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, হ্যালুসিনেশন।

১২. ভুলঃ তালু কাটা, এক চোখ, কপালে চোখ, বাঘের মত ডোরাকাটা দাগ নিয়ে জন্ম গ্রহন করা বাচ্চা কিয়ামতের আলামত, আল্লাহর গজব, বাঘের বাচ্চা।
নির্ভুলঃ মানুষের পেট থেকে বাঘের বাচ্চা হয় না আর কিয়ামতের আলামত বা গজব বাচ্চাদের উপর আসে না। এসব জিনগত রোগ বা জন্মগত রোগ।

১৩. ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম এসব খেলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়। তাই গাইনী ডাক্তার সিজার করার জন্য এগুলা প্রেসক্রাইব করে....
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম না খেলে গর্ভস্থ বেবির নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়।

১৪. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে সাদাস্রাব হলে ফ্লুইড কমে যায়।
নির্ভুলঃ White discharge এবং Amniotic fluid সম্পূর্ণ আলাদা দুটো ফ্লুইড.. একটার সাথে আর একটার কোনো সম্পর্ক নেই।

১৫. বাচ্চা না হওয়া মানেই বন্ধ্যা নারী।
নির্ভুলঃ বন্ধ্যা, নারী এবং পুরুষ উভয়ই হতে পারে।।

এ ধরণের আরো অনেক ধরণের গুজব বা কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত, যেগুলোর কোনো ভিত্তি বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।

সৌজন্যেঃ ডাক্তার তানিয়া সুলতানা

বিঃ দ্রঃ আমাদের পোষ্টগুলো যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Rangpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Rangpur