Green Velly Herbs
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Green Velly Herbs, Health/Beauty, diimla, nilphamari, Rangpur.
31/05/2023
সুস্বাস্থ্য রক্ষায় বরবটির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা জেনে নিন
বাংলাদেশ কৃষি-প্রধান দেশ তাই ফলমূল, শাক-সবজি সবকিছুরই ফলন এখানে হয়। মৌসুম ভেদেও চাষাবাদ হয়। নানান সবজির মধ্যে বরবটি সবজি হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। বরবটির সবজি বাড়ির ছোট-বড় সকলে খেতে পছন্দ করেন। রান্না করে খাওয়ার পাশাপাশি এটি কাঁচাও খাওয়া যায়। তবে বরবটি সাধারণত ভর্তা, ভাজি, ঝোল রান্না করে খাওয়া হয় পুষ্টিগুণে ভরপুর বরবটির রয়েছে নানান উপকারিতা। বরবটিতে রয়েছে প্রোটিন, শর্করা, খনিজ পদার্থ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন বি-১, ভিটামিন বি- ২, ভিটামিন সি, খাদ্য-শক্তি প্রভৃতি।
বরবটির পুষ্টিগুণ: খাদ্যোপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম বরবটিতে রয়েছে জলীয় অংশ ৮৭.৫ গ্রাম, আমিষ ৩.০, শর্করা ৯.০, মোট খনিজ পদার্থ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩৩ মিলিগ্রাম, আয়রন ৫.৯, ভিটামিন বি-১ ০.১৪, ভিটামিন বি- ২ ০.৩০ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি খুব অল্প, খাদ্যশক্তি ১৮ ক্যালরি। বরবটির জাত ও স্থানের পরিবর্তনের সঙ্গে পুষ্টিমানের পরিবর্তন হতে পারে।
বরবটির বীজ বপনের উপযুক্ত সময়: হলো ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই মাস এবং শীতকালে বরবটির বীজ বোনা উচিত নয়। বরবটি বিভিন্ন জাতের হয়ে থাকে। যেমন- বিএইউ বরবটি-১ , কেগর নাইটি, চীনা বরবটি, ফেলন, লালবেনী, ঘৃত কুমারী, গ্রিন লং, তকি, বনলতা ইত্যাদি। তবে কেগরনাটকী নামে একটি উন্নত প্রজাতির বরবটি অনেক দিন পর্যন্ত চাষ হয়ে আসছে। কেগরনাটকী প্রজাতিটি পৌষ এবং মাঘ মাস ছাড়া সারা বছরই চাষ করা যায়। বরবটির উল্লেখযোগ্য প্রজাতির মধ্যে কেগরনাটকী ও লাল বেণী প্রজাতির ফলন সবচেয়ে বেশি।
প্রোটিন-সমৃদ্ধ বরবটি বসতবাড়িতেও চাষ করা যায় এবং ভাজা-সেদ্ধ-তরকারি সবকিছুতেই সমান উপযোগী। পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। এটি সাধারণত সেদ্ধ, ভাজা বা ঝোল রান্না করে খাওয়া হয়। চলুন জেনে নেই সুস্বাস্থ্যে বরবটির গুনাগুণ:
উপকারিতা:
আয়রনের ঘাটতি মেটায়: বরবটিতেও রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণ আয়রন। যাদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি রয়েছে তারা বরবটি খেলে খুব তাড়াতাড়ি এই ঘাটতি পূরণ হবে। এছাড়া বরবটিতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় আয়রন পরিশোষণে ভূমিকা রাখে।
হার্টের সুরক্ষা দেয়: বরবটিতে থাকা ডায়েটারি ফাইবার এলডিএল (ক্ষতিকর) কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে দিয়ে হার্টের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। এছাড়াও এটি উচ্চ রক্তচাপ, বুক জ্বালাপোড়া প্রভৃতি সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে।
অস্থিসন্ধির ব্যথা কমায়: শরীরের ভিটামিন কে-এর চাহিদা মেটাতে পারে বরবটি। এতে যে ভিটামিন কে রয়েছে তা অস্টিও আর্থারাইটিস সমস্যা থেকে অস্থিসন্ধির উপকারে আসে। আর রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন কে- এর ভূমিকা অপরিসীম।
চর্বি কমাতে সাহায্য করে: কম ক্যালরিযুক্ত এবং অধিক ফাইবার সমৃদ্ধ খাদ্য হলো এই বরবটি। যার ফলে এটি চর্বি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া বরবটিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীর থেকে দূষিত যৌগগুলোকে বের করে দেয়। ফলে সহজে শরীরে চর্বি জমতে পারে না।
হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে: বরবটিতে থাকা সিলিকন হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে। বরবটির বীজে থাকা ক্যালিসিয়াম হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে। নারীদের স্বাস্থ্য উপকারেও ক্যালসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়: বরবটিতে ফ্ল্যাভোনয়েড উপাদান ক্যাম্পফেরল ও কুয়ারসেটিন থাকে যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। আর এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এই দুই উপাদান ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রোধে চমৎকার কাজ করে।
লবঙ্গ খাওয়ার উপকারিতা :
আকারে বেজায় ছোট। কিন্তু প্রাকৃতিক শক্তির দিক থেকে যদি বিচার করেন, তাহলে বলতেই হয় লবঙ্গের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। প্রসঙ্গত, বেশ কিছু আধুনিক গবেষণাতেও এই কথাটি প্রমাণিত হযে গেছে। শুধু তাই নয়, একথাও প্রমাণিত হয়েছে যে নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপাদানটি খাওয়া শুরু করলে ক্যান্সারের মতো রোগ দূরে থাকতেও বাধ্য হয়। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে।
মেলে আরও অনেক উপকার। আসলে "দা হেলদিয়েস্ট ফুড" এর তকমা পাওয়া লবঙ্গের শরীরে মজুত রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন কে, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম। এই সবকটি উপাদানই নানাভাবে শরীরে কাজে লেগে থাকে। শুধু তাই নয়, ভিতর থেকে শরীরকে এতটা শক্তিশালী করে তোলে যে একাধিক রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। যেমন ধরুন...
১. অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজে পরিপূর্ণ: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে এই প্রকৃতিক উপাদানটির অন্দরে উপস্থিত একাধিক অ্যান্টি-অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ যে কোনও ধরনের জীবাণুকে মেরে ফেলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো সংক্রমণের থেকে দূরে থাকতে অনেকেই নিয়মিত লবঙ্গ খেয়ে থাকেন। একই কাজ আপনিও কিন্তু করতে পারেন, যদি ইনফেকশনের থেকে দূরে থাকতে চান তো!
২. আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা কমায়: লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ এই ধরনের হাড়ের রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে এক কাপ লবঙ্গ চা বানিয়ে কয়েক ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। তারপর সেই ঠান্ডা চা ব্যথা জায়গায় কম করে ২০ মিনিট লাগালে দেখবেন যন্ত্রণা একেবারে কমে গেছে। প্রসঙ্গত, জয়েন্ট পেন কমানোর পাশাপাশি পেশির ব্যথা এবং ফোলা ভাব কমাতেও এই ঘরোয়া ঔষধিটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৩. দাঁতের ব্যাথা নিমেষে কমে: লবঙ্গতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু বিক্রিয়া করে যে নিমেষে দাঁতের যন্ত্রণা কমে যায়। তাই তো এবার থেকে দাঁতে অস্বস্তি বা মাড়ি ফোলার মতো ঘটনা ঘটলে কয়েকটা লবঙ্গ চা খেয়ে নেবেন। দেখবেন উপকার পাবেন।
৪. জ্বরের প্রকোপ কমায়: লবঙ্গে থাকা ভিটামিন কে এবং ই, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে শরীরে উপস্থিত ভাইরাসেরা সব মারা পরে। ফলে ভাইরাল ফিবারের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার হয়ে যাওয়ার পর সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়।
৫. ত্বকের সংক্রমণ সারাতে কাজে আসে: এবার থেকে কোনও ধরনের ত্বকের সংক্রমণ হলেই চোখ বুজে ক্ষতস্থানে লবঙ্গের রস বা এই প্রকৃতিক উপাদানটি দিয়ে বানানো চা লাগাতে ভুলবেন না। এমনটা করলে দেখবেন কষ্ট কমতে একেবারে সময়ই লাগবে না। আসলে লবঙ্গে উপস্থিত ভোলাটাইল অয়েল শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে জীবাণুদেরও মেরে ফেলে। ফলে সংক্রমণজনিত কষ্ট কমতে একেবারেই সময় লাগে না।
৬. সাইনাস ইনফেকশনের প্রকোপ কমায়: মাঝে মধ্য়েই কি সাইনাসের আক্রমণ সহ্য করতে হয়? তাহলে তো বলতে হয় এই প্রবন্ধটি আপনার জন্যই লেখা। কারণ লবঙ্গ যে এই ধরনের সমস্যা দূর করতে কাজে আসতে পারে, সে বিষয়ে কি জানা ছিল? আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে উপস্থিত ইগুয়েনাল নামে একটি উপাদান সাইনাসের কষ্ট কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা আজও এই ধরনের অসুখের চিকিৎসায় লবঙ্গের উপরই ভরসা করে থাকেন।
৭. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: লাঞ্চ বা ডিনারের আগে লবঙ্গ দিয়ে বানানো এক কাপ গরম গরম চা খেলে হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে পেটের দিকে রক্ত প্রবাহেরও উন্নতি ঘটে। ফলে খাবার হজম হতে সময় লাগে না। তাই যাদের কম ঝাল-মশলা দেওয়া খাবার খেলেও বদ-হজম হয়, তারা লবঙ্গ চা পান করে একবার দেখতে পারেন। এমনটা করলে উপকার যে মিলবে, তা হলফ করে বলতে পারি।
৮. লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ায়: লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের অন্দরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শুধু লিভার নয়, শরীরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই নিয়মিত যদি অ্যালকোহল খাওয়ার অভ্যাস থাকে, তাহলে রোজ লবঙ্গ খেতেও ভুলবেন না যেন!
>>>>>>>>🌹🌹🌹ধন্যবাদ🌹🌹🌹
12/02/2020
বহেড়ার উপকারিতা :
বহেড়া এক ধরনের ঔষধি ফল। এই ফলের আরেক নাম বিভিতকি, তবে বহেড়া নামেই বেশি পরিচিত। এই গাছের জন্ম ভারতবর্ষে। গাছের গুড়িও অনেক লম্বা। শীত কালে এর ফল পুষ্ট হয়, তারপর নিজ থেকেই গাছ থেকে খসে পড়ে। বহেড়ার ফল দু'রকমের হয়-এক প্রকার গোল, আরেকটি ডিম্বাকৃতির। এর ফল ও ফলের শাস ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বহেড়ার উপকারিতা.....
ইন্দ্রিয়-দৌর্বল্যে:- এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে হলে রোজ দু'টি করে বহেড়া বিচীর শাঁস খান।
শ্বেতী রোগে:- বহেড়া বিচির শাঁসের তেল বের করে শ্বেতীর ওপর লাগালে গায়ের রং অল্পদিনের মধ্যেই স্বাভাবিক হবে।
অকালে টাক পড়লে:- বহেড়া বিচির শাঁস অল্প জলে মিহি করে বেটে চন্দনের মতো টাকে লাগালে, টাক সেরে যায়।
শ্লেস্মায়:- আধা চা-চামচ বগেড়া চূর্ণ, ঘি গরম করে তার সাথে মিশিয়ে আবার গরম করে মধু মিশিয়ে চেটে খেলে উপরকার পাওয়া যায়।
আমাশয়:- সাদা বা রক্ত যে কোনও আমাশয়ে প্রতিদিন সকালে জলর সাথে বহেড়া চূর্ণ খেলে উপকার পাওয়া যায়।
অকালে চুল পাকলে:- বহেড়ার বিচি বাদ দিয়ে ১০ গ্রাম ছাল নিয়ে জল দিয়ে বাটুন। এক কাপ জলে গুলে জলে ছেঁকে নিন, এবার সে জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
ফুলো কমানোর জন্য:- বহেড়ার বিচি বাদ দিয়ে ছাল বেটে একটু গরম করে ফুলোয় প্রলেপ দিলে ফুলো কমে যাবে।
ভেষজ দাওয়াই ব্যবহার:- বহেড়া বিশেষভাবে পরিশোধিত করে এর ফল, বীজ এবং বাকল ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধ ও চিকিত্সায়।
ঔষধি গুণ:- কথিত আছে, প্রতিদিন বহেড়া ভেজানো জল এক কাপ পরিমাণ পান করলে দীর্ঘায়ু হওয়া যায়। বহেড়া হৃত্পিণ্ড এবং যকৃত্ রোগের আক্রমণ কমায়। সর্দি-কাশি নিরাময় করে। এটা কৃমিনাশক, স্বরনাশক এবং অনিদ্রা দূর করে। এ ছাড়া পাইলস, হাঁজল ও কুষ্ঠরোগে বহেড়ার চিকিত্সা বেশ ফলপ্রসূ।
>>>>>>>>🌹🌹🌹ধন্যবাদ🌹🌹🌹
10/02/2020
আমলকি টক আর তেতো স্বাদের ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল। আমরা কম বেশি অনেকেই আমলকি পছন্দ করি। এর স্বাদ প্রথমে কষটে লাগলেও খাওয়া শেষে মুখে মিষ্টি ভাব আসে। আমলকি খেলে মুখে রুচি বাড়ে। স্কার্ভি বা দন্তরোগ সারাতে টাটকা আমলকির জুড়ি নেই। এছাড়া লিভার, জন্ডিস, পেটের পীড়া, সর্দি, কাশি ও রক্তহীনতার জন্যও খুবই উপকারী।
পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারার চেয়ে ১০ গুণ ও কাগজি লেবুর চেয়ে ৩ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। এছাড়া আমলকিতে কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। একজন বয়স্ক লোকের প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ দরকার। এই পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ দিনে দুটো আমলকি খেলেই এসে যায়।
আমলকি, হরিতকী ও বহেড়াকে একত্রে ত্রিফলা বলা হয়। এ তিনটি শুকনো ফল একত্রে রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালবেলা ছেঁকে খালি পেটে শরবত হিসেবে খেলে পেটের অসুখ ভালো হয়। বিভিন্ন ধরনের তেল তৈরিতে আমলকি ব্যবহার হয়। কাঁচা বা শুকনো আমলকি বেটে একটু মাখন মিশিয়ে মাথায় লাগালে খুব তাড়াতাড়ি ঘুম আসে।
আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। বিভিন্ন রোগব্যাধি দূর করা ছাড়াও রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে তুলতেও আমলকি দারুণ সাহায্য করে। তাছাড়া আমলকির ভিটামিন সি প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা শরীরের বিভিন্ন ক্ষতিকর মুক্ত মৌলগুলোর (ফ্রি রেডিকেল) প্রভাব থেকে রক্ষা করে।
এবার জেনে নেই আমলকির ২০ উপকারিতা সম্পর্কে-
১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।
২. এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।
৩. আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এ ছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।
৪. এক গ্লাস দুধ বা পানির সঙ্গে আমলকি গুঁড়া ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারলে অ্যাসিডিটির সমস্যা কমবে।
৫. আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে।
৬. প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
৭. আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ, চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়।
৮. আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িত ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
৯. এ ছাড়াও প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে।
১০. আমলকির টক ও তেঁতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকির গুঁড়ার সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।
১১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়।
১২. কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী।
১৩. ব্রঙ্কাইটিস ও অ্যাজমার জন্য আমলকীর জুস উপকারী।
১৪. আমলকি শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশি মজবুত করে।
১৫. এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে।
১৬. শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে আমলকি।
১৭. লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে।
১৮. এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান বুড়িয়ে যাওয়া ও সেল ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
১৯. সর্দি-কাশি, পেটের পীড়া ও রক্তশূন্যতা দূরীকরণে বেশ ভাল কাজ করে।
২০. ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখতে যথেষ্ট সাহায্য করে।
তবে কিডনি রোগীদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আমলকি খাওয়া উচিত।
16/09/2019
হরতকির অসাধারণ গুণাবলি
আয়ুর্বেদিক বিজ্ঞানে ত্রিফলা নামে পরিচিত তিনটি ফলের একটি হরতকি। এর নানা গুণ আছে। স্বাদ তিতা। এটি ট্যানিন, অ্যামাইনো এসিড, ফ্রুকটোজ ও বিটা সাইটোস্টেবল সমৃদ্ধ। হরতকি দেহের অন্ত্র পরিষ্কার করে এবং একই সঙ্গে দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। এটা রক্তচাপ ও অন্ত্রের খিঁচুনি কমায়। হৃদপিণ্ড ও অন্ত্রের অনিয়ম দূর করে। এটি পরজীবীনাশক, পরিবর্তনসাধক, অন্ত্রের খিঁচুনি রোধক এবং স্নায়ুবিক শক্তিবর্ধক। হরতকি কোষ্ঠকাঠিন্য, স্নায়ুবিক দুর্বলতা, অবসাদ এবং অধিক ওজনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। চলুন জেনে নেয়া যাক হরতকির আরো কিছু উপকারিতা-
১. হরতকিতে অ্যানথ্রাইকুইনোন থাকার কারণে রেচক বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হরিতকি। অ্যালার্জি দূর করতে হরতকি বিশেষ উপকারী।
২. হরতকি ফুটিয়ে সেই পানি খেলে অ্যালার্জি কমে যাবে।
৩. হরতকি গুঁড়া নারিকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে মাথায় লাগালে চুল ভালো থাকবে।
৪. হরতকির গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
৫. গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরিতকি পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে গার্গল করলে আরাম পাবেন।
৬. দাঁতে ব্যথা হলে হরতকি গুঁড়া লাগান, ব্যথা দূর হবে।
৭. রাতে শোয়ার আগে অল্প বিট লবণের সঙ্গে ২ গ্রাম লবঙ্গ বা দারুচিনির সঙ্গে হরিতকির গুঁড়া মিশিয়ে খান। পেট পরিষ্কার হবে।
>>>>>>>>🌹🌹🌹ধন্যবাদ🌹🌹🌹
07/09/2019
অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর বিভিন্ন উপকারিতা:
অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী আমাদের কাছে একটি অতি পরিচিত উদ্ভিদ। অ্যালোভেরার বাংলা নাম ঘৃতকুমারী। তবে সারাবিশ্বের মানুষ একে অ্যালোভেরা হিসাবে চিনে। এটি একটি কাণ্ডবিহীন রসাল এবং শাসযুক্ত গাছ। এই গাছটি গড়ে ৬০-১০০ সেমি লম্বা হয়। পাতা ১০-২০ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। পাতার দুইপাশে কাঁটা থাকে এবং পাতা দেখতে অনেকটা চ্যাপ্টা আকৃতির। এই গাছের ফুলও অনেক দর্শণীয়। অ্যালোভেরার আদি বাস উওর-আফ্রিকা এবং কেনারিদিপুঞ্জে। ক্যারলিনিয়াস সর্বপ্রথম অ্যালোভেরার নামকরন করেন। বহু বছর ধরে মানুষ অ্যালোভেরাকে ঔষধি গাছ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।
অ্যালোভেরার পাতার মধ্য যে স্বচ্ছ জেলির মত বস্তু পাওয়া যাই তাকে আমরা জেল বলে জানি। পাতার ঠিক নিচেই থাকে হলুদ রং এর ল্যাটিস এবং তার নিচেই এই জেল পাওয়া যায়। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬, বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায়ও ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরার জুস পান করে থাকেন। অ্যালোভেরায় রয়েছে অসংখ্য বিস্ময়কর উপকারিতা..
১) হার্ট সুস্থ রাখতে অ্যালোভেরা :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরার জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্তর করে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং রক্তে অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ফলে দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে।
২) মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।
৩) দাঁতের যত্নে অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরার জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। দাঁতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরার জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।
৪) ওজন হ্রাস করতে অ্যালোভেরা :- ওজন কমাতে অ্যালভেরা জুস বেশ কার্যকরী। ক্রনিক প্রদাহের কারণে শরীরে মেদ জমে। অ্যালোভেরা জুসের অ্যাণ্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান এই প্রদাহ রোধ করে ওজন হ্রাস করে থাকে। পুষ্টিবিদগণ এই সকল কারণে ডায়েট লিস্টে অ্যালোভেরা জুস রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
৫) হজমশক্তি বাড়াতে অ্যালোভেরা :- হজমশক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুসের জুড়ি নেই। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া রোধ করে, যা হজমশক্তি বাড়িয়ে থাকে। অ্যালোভেরা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধেও অনেক ভাল কাজ করে।
৬) ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরা জুস রক্তে সুগারের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে। ডায়াবেটিসের শুরুর দিকে নিয়মিত এর জুস খাওয়া গেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। সুতরাং খাওয়ার আগে বা খাওয়ার পরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস পান করুন তাহলে আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকবে।
৭) ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা :- ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার ব্যবহার সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। অ্যালোভেরার অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান ত্বকের ইনফেকশন দূর করে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়।
৮) রোগ-প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরা হল অ্যান্টি ম্যাইকোবিয়াল এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদানসমৃদ্ধ একটি গাছ। অ্যালোভেরা জুস নিয়মিত পান করলে রোগ-প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দেহের টক্সিন উপাদান করে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
৯) মুখের দূরগন্ধ দূর করতে অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরায় আছে ভিটামিন-সি, যা মুখের জীবাণু দূর করে মাড়ি ফোলা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করে। গবেষণাই দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরার জেল মাউথ ওয়াশ এর বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।
১০) চুল সুন্দর করতে অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরার গুনাগুন বলে শেষ করা যাই না, মাথায় খুশকি দূর করতে এর কোন তুলনা নেই। এমনকি ঝলমল চুলের জন্যেও অ্যালোভেরা অনেক উপকারী। সুতরাং চুলের যত্নে অ্যালোভেরা আপনার নিত্যসংগী।
১১) মুখের ঘা সারাতে অ্যালোভেরা :- অনেকের মুখে ঘা হয়, আর এই মুখের ঘা দূর করতে অ্যালোভেরা অত্যন্ত কার্যকারী। ঘায়ের জায়গায় এলভেরার জেল লাগিয়ে দিলে মুখের ঘা ভাল হয়।
১২) ক্যান্সার প্রতিরোধে অ্যালোভেরা :- গবেষণায় দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যালো ইমোডিন, যা স্তন ক্যান্সার ছড়ানো থেকে রোধ করে। এছাড়াও অন্যান্য ক্যান্সার প্রতিরোধে অ্যালোভেরা অনেক কার্যকারী ভূমিকা পালন করে থাকে।
১৩) রক্তচাপ কমাতে সাহায্য কর :- অ্যালোভেরার অনেক গুনাগুনের মধ্যে আর একটি হল রক্তচাপ কমাতে এর কোন তুলনা নেই। অ্যালোভেরার ঔষধি গুণ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও চিনির মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সাহায্য করে।
১৪) ক্ষতিকারক পদার্থ অপসারণ করতে :- কিছু ক্ষতিকর পদার্থ দেহের মধ্যে প্রবেশ করে নানা ধরনের রোগের সৃষ্টি করতে পারে। ফলে তা দেহের জন্য মোটেও ভাল কিছু নয়।এই সকল ক্ষতিকর পদার্থ দেহ থেকে অপসারণ প্রয়োজন। অ্যালোভেরার রস পান করলে দেহের ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশ করতে পারে না। আর যদি প্রবেশ করেও ফেলে, তাহলেও অ্যালোভেরার জুস পানে তা অপসারণ হতে সাহায্য করে। এই ক্ষেত্রে অ্যালোভেরার জুসের গুন অপরিসীম।
১৫) চর্মরোগ ও ক্ষত সারাতে :- অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ঔষধিরও কাজ করে থাকে। বিভিন্ন চর্মরোগ ও ক্ষত সারায় এই অ্যালোভেরার জুসে। অনেক সময় প্রাথমিক চিকিত্সায় ব্যবহার করা হয় এই অ্যালোভেরা।
১৬) ক্লান্তি দূর করতে :- দেহের দুর্বলতা দূর করতে অ্যালোভেরার জুসের গুন অনেক। আপনি যদি অ্যালোভেরার জুস নিয়মিত পান করেন তাহলে দেহের ক্লান্তি দূর হবে এবং দেহকে সতেজ ও সুন্দর রাখবে।
১৭) কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে:- অ্যালোভেরার জুসের মধ্যে যে জেল থাকে তার অনেক গুন। এই জেল নিয়মিত পানে পেটের সমস্যা দূর হবে। আর যদি সুষম খাদ্যের পাশাপাশি নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করেন তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হওয়া সম্ভাব। এছাড়া অ্যালোভেরা জেলে প্রায় ২০ রকম অ্যামিনো অ্যাসিড আছে যা ইনফ্লামেশন এবং ব্যাকটেরিয়া রোধ করে হজম, বুক জ্বালাপোড়া রোধ করে থাকে।
>>>>>>>>🌹🌹🌹ধন্যবাদ🌹🌹🌹
14/08/2019
পেয়ারার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
পেয়ারা সবার পরিচিত একটি ফল । কিন্তু এর মধ্যে থাকা পুষ্টি উপাদান ও গুণাবলী গুলো অনেকের জানা নাই । জানলে পেয়ারাকে আর কখনোই উপেক্ষা করবেন না এটা আমি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি। পেয়ারা একটি ভিটামিন-সি আর ময়েশ্চারাইজেশনসমৃদ্ধ ফল। এর উচ্চমাত্রার ভিটামিন-এ ও ‘সি’ ত্বক, চুল ও চোখের পুষ্টি জোগায়, ঠান্ডাজনিত অসুখ দূর করে।
আসুন জেনে নেই পেয়ারার পুষ্টিগুণাগুণ ও উপকারিতাগুলো :
১। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ:
পেয়ারায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে এবং এটি কোষকে রক্ষা করে ও তাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে করতে সাহায্য করে।
২। ডায়াবেটিকের ঝুঁকি হতে রক্ষা করে:
এর ফাইবার ব্লাড সুগার কমাতে সাহায্য করে। এবং শরীরের ডিজেস্টিভ সিস্টেমকেও ভালো রাখে। পেয়ারা শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে ৷ এছাড়াও এতে যে ফাইবার রয়েছে তা বেশ উপকারি৷ এই বিশেষ ফলটি টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সক্ষম৷
৩। চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে:
ভিটামিন এ দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করতে চমৎকার কাজ করে। পেয়ারা Retinol সমৃদ্ধ ফল। তাই আপনি যদি গাঁজর খেতে অপছন্দ করেন তাহলে আপনার দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করতে পেয়ারা খেতে পারেন।
৪। রক্তচাপ কমায়:
পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে৷ এটি শরীরের অতিরিক্ত রক্তপাচ কমাতে সাহায্য করে ও রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখে৷
৫। ট্রেস উপাদান কপার সমৃদ্ধ :
থাইরয়েড গ্রন্থি কার্যকরী বজায় রাখতে পেয়ারা খুব ভাল উপাদান, এতে ট্রেস উপাদান তামা থাকে। এটি থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাস্থ্য সমস্যা দূর করে।
৬। ম্যাঙ্গানিজের কার্যকারিতা:
পেয়ারা আমরা আমাদের খাদ্য থেকে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি শোষণ করে শরীরের সকল খাবারের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। এটি ম্যাঙ্গানিজ সমৃদ্ধ । এটি পুষ্টির ভাণ্ডার।
৭। স্নায়বিক আরাম:
পেয়ারা একটি ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ ফল। এটা শরীরের পেশী এবং স্নায়ু শিথিল করতে সাহায্য করে। সুতরাং একটি কঠিন কাজ করার পরে, একটি পেয়ারা আপনি আপনার পেশী শিথিল এবং আপনার কর্ম সিস্টেমে একটি চমৎকার শক্তির সাহায্য দিতে সাহায্য করবে।
৮। রক্ত পরিষ্কার করে:
পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি ও লাইকোপিন রয়েছে৷ এর ফলে রক্ত পরিষ্কার হয় ও ত্বক অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়৷ এছাড়াও লাইকোপিনের সাহায্যে গালে গোলাপী আভা ফুটে ওঠে৷
৯। ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করে:
পেয়ারায় অবস্থিত ভিটামিন সি বিভিন্ন ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে৷ এছাড়াও এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম৷
১০। পাকস্থলীর স্বাস্থ্য ভালো রাখে:
যেকোন ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ বা পেটের গোলযোগে সবচেয়ে কার্যকরী হল পেয়ারা৷ এই ফলটিতে অ্যাস্ট্রিজেন্ট ও অ্যান্টি-মাইক্রোবাল উপাদান থাকে ফলে এটি পাকস্থলীর স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে৷
১১। ওজন কমায়:
যাদের ওজন অতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তারা পেয়ারা খেতে পারেন৷ পেয়ারা খেলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন খুব সহজেই ঝড়ানো যেতে পারে৷
১২। ত্বক সুস্থু রাখে:
ত্বককে ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে রক্ষা করে। ত্বক, চুল ও দাঁতের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। পুষ্টির বিচারে পেয়ারা হোক সবার নিত্যসঙ্গী।
১৩। চুল ভালো রাখে:
পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও খনিজ যা চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করে ও চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। পেয়ারা নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।
১৪। রোগ প্রতিরোধ বৃদ্ধি করে:
পেয়ারায় রয়েছে ক্যারটিনয়েড, পলিফেনল, লিউকোসায়ানিডিন ও অ্যামরিটোসাইড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ক্ষতস্থান শুকানোর জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
>>>>>>>>🌹🌹🌹ধন্যবাদ🌹🌹🌹
29/07/2019
ডাব খাওয়ার উপকারিতা
সারা বছর ধরে যদি নিয়ম করে ডাবের পানি খাওয়া যায়, তাহলে একাধিক রোগ শরীরের ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। শুধু তাই নয়, ডাবের পানিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, মেঙ্গানিজ এবং জিঙ্ক নানাভাবে শরীরে গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : ডাবের পানিতে ক্যালসিয়াম, হাড়কে শক্ত-পোক্ত করে তোলার পাশাপাশি হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ডাবে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়ামও এক্ষেত্রে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।
শরীরকে বিষমুক্ত করে : দেহের প্রতিটি কোণায় উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দিতে এই প্রকৃতিক উপাদানটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস ডাবের পানি পান করলে নানাবিধ রোগ যেমন শরীরের ধারে কাঁছে ঘেঁষতে পারে না, তেমনি সার্বিকভাবে শরীরিক ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।
ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : ডাবের পানিতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এই কারণেই রোজের ডায়েটে ডাবকে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।
কিডনির ক্ষমতা বাড়ে : প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে ডাবের পানি কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত টক্সিন উপাদানদের ইউরিনের সঙ্গে বের করে দিয়ে নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমায়।
পানির ঘাটতি মেটে : ডাবের পানি শরীরে প্রবেশ করা মাত্র জলের ঘাটতি মিটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে এতে থাকা ইলেকট্রোলাইট কম্পোজিশান ডায়ারিয়া, বমি এবং অতিরিক্ত ঘামের পর শরীরের ভিতরে খনিজের ঘাটতি মেটাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
শরীর এবং ত্বকের বয়স কমে : ডাবের পানিতে রয়েছে সাইটোকিনিস নামে নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরের উপর বয়সের ছাপ পরতে দেয় না। সেই সঙ্গে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
ওজন হ্রাসে পায় : ডাবের পানিতে বেশ কিছু উপকারি এনজাইম হজম ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মেটাবলিজমের উন্নতিতেও সাহায্য় করে থাকে। ফলে খাবার খাওয়া মাত্র তা এত ভালো ভাবে হজম হয়ে যায় যে শরীরে হজম না হওয়া খাবার মেদ হিসেবে জমার সুযোগই পায় না। ফলে ওজন কমতে শুরু করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, থিয়ামিন এবং পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারি উপদানে ভরপুর ডাবের পানি প্রতিদিন পান করলে শরীরের শক্তি এতটা বৃদ্ধি পায় যে জীবাণুরা কোনওভাবেই ক্ষতি করার সুযোগ পায় না। সেই সঙ্গে ডাবের পানিতে অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল প্রপাটিজ নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : শরীরে বাজে কোলেস্টেরল বা এল ডি এল-এর পরিমাণ কমিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ডাবের পানির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। দেহে ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমাতেও ডাবের পানি বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে।
মাথা যন্ত্রণার প্রকোপ কমে : ডিহাইড্রেশনের কারণে মাথা যন্ত্রণা বা মাইগ্রেনর অ্যাটাক হওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে শীঘ্র এক গ্লাস ডাবের পানি পান করবেন। এমনটা করলে দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে। প্রাকৃতিক উপাদানটিতে ম্যাগনেসিয়াম, এই ধরনের শারীরিক সমস্যার চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
>>>>>>>>🌹🌹🌹ধন্যবাদ🌹🌹🌹
13/07/2019
পেয়ারা পাতার উপকারিতা
আমরা সবাই কমবেশি পেয়ারা ফলের কথা জানি। তাই পেয়ারা পাতাও সবার কাছে পরিচিত। আজকে আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরব পেয়ারা পাতার কিছু বিষ্ময়কর উপকারিতা।
আমরা সবাই পেয়ারা খেতে ভালবাসি এবং খাই। আর পেয়ারা তো ভিটামিন সি এর অন্যতম উৎস। কিন্তু আমারা অনেকেই জানি না পেয়ারা পাতার উপকারিতা ।
আসলে পেয়ারায় রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম। এ ছাড়া পেয়ারা পাতায় রয়েছে কিছু অসাধারণ স্বাস্থকর গুণ। চলুন তাহলে জেনে নেই পেয়ারা পাতার উপকারিতা :
১. পেয়ারা পাতার চা বানিয়ে নিয়মিত খেলে এটি রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্ট্রলের মাত্রা অনেক কমিয়ে দেয়।
২. পেয়ারা পাতার চায়ের মধ্যে থাকা এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের জন্য এটি ডায়রিয়া ও ডিসেন্ট্রি কমাতে কাজ করে থাকে।
৩. কফ ও ব্রঙ্কাইটিস কমাতেও পেয়ারা পাতার চা খুব কার্যকরি।
৪. পেয়ারা পাতার চা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি চর্বি কমাতে কাজ করে এবং পেট ভরা ভরা রাখে। ফলে ওজন কমে যায়।
৫. ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিয়মিত পেয়ারার চা পান করা ভালো। এটি রক্তে কোলেস্টলের মাত্রা কমাতে কাজ করে।
৬. পেয়ারা পাতা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে থাকে। এ পাতা রক্তকে অতিরিক্ত ঘন হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে এবং রক্ত চলাচল সচল রাখে।
৭. পেয়ারা পাতা পানিতে ফুটান। এর পর ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হলে পানি চুলে মাসাজ করুন। এতে চুল পড়া কমবে।
চুল পড়া রোধ করে পেয়ারা পাতা:
চুল পড়া কমাতে পেয়ারা পাতার রস ত্বকে ও চুলে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই রস ব্যবহার চুল হবে মসৃন ও ঝকঝকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেয়ারা পাতা ভিটামিন বি ও মিনারেলে ভরপুর। ভিটামিন বি চুলকে পুষ্টি সমৃদ্ধ করে।
পেয়ারা পাতায় থাকা ভিটামিন বি নষ্ট হয়ে যাওয়া হেয়ার রুটের কোষ মেরামত করে চুলকে মসৃন করে তোলে। তবে পেয়ারা পাতার রস সরাসরি চুলে না দেওয়াই ভালো। অনেকগুলো পরিষ্কার পেয়ারা পাতা নিয়ে তা এক লিটার পানিতে ফুটিয়ে নিতে হবে। ১৫ – ২০ মিনিট সেই পানি ফুটতে দিতে হবে। এতে পেয়ারা পাতার সমস্ত গুণাগুণ পানিতে চলে আসবে।
এরপর পেয়ারা পাতার পানি ঠান্ডা করে ছেকে শিশিতে সংরক্ষন করা যেতে পারে। সংরক্ষন করা পানি প্রতিদিন চুলের গোড়া ও চুলে ভালো করে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিতে হবে। কয়েক মাসের মধ্যে তফাৎ আপনি বুঝতে পারবেন।
৮. পেয়ারা পাতা পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা দূর করে। এ পাতায় অনেক ব্যাক্টেরিয়া প্রতিরোধক শক্তি আছে। যা অন্ত্রকে ক্ষারীয় করে জীবানু বৃদ্ধি রোধ করতে সাহায্য করে। এ পাতা অতিরিক্ত মিউকাস ক্ষরণ রোধ করে। তাই ডাইরিয়া বা পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা দূর করতে এটি খুবই উপকারি।
৯. পেয়ারা পাতা ক্যান্সার রোগের বিরুদ্ধেও কাজ করে থাকে। এ পাতায় প্রচুর এন্টি অক্সিডেন্ট লাইকোফেন থাকে। যা ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। স্তন ক্যান্সার, জরায়ু মুখের ক্যান্সারে এ পাতা খুবই কার্যকর।
১০. পেয়ারা পাতা সর্দি-কাশি নিরাময় করে থাকে। এ পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি ও আয়রন। যা বেশি মিউকাস ক্ষরনে বাধা দিয়ে থাকে। এটি জীবানুর বংশ বৃদ্ধি রোধ করতেও সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে কাচা পেয়ারা অনেক বেশি উপকারি।
১১. পেয়ারা পাতা অ্যালার্জির পাশ্বপ্রতিক্রিয়া রোধক হিসেবে কাজ করে। এ পাতা দেহে হিস্টামিন তৈরি প্রক্রিয়া নিরাময় করে থাকে। পোকা মাকড়ের কামড়ে ফুলে গেলেও পেয়ারা পাতার ব্যবহার খুবই উপকারি।
১২. পেয়ারা পাতা ব্রন কমাতেও সাহায্য করে থাকে। এ পাতায় থাকা ভিটামিন সি ব্রন কমাতে অনেক ভালো কাজ করে থাকে। এ পাতার সঠিক ব্যবহার মুখের কালো দাগও দূর করে থাকে।
>>>>>>>>🌹🌹🌹ধন্যবাদ🌹🌹🌹
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Contact the business
Telephone
Address
Diimla, Nilphamari
Rangpur
5402
