City Homeo Hall
Take homeopathic treatment without side effects and stay safe and healthy.
#পার্শ্ব প্রতি-ক্রি-য়াহীন হোমিওপ্যাথিক চি-কি-ৎসা গ্রহণ করুণ, নিরাপদ ও সু-স্থ্য থাকুন।
#আলহামদুলিল্লাহ বিনা অপা-রেশ-নে যত নতুন পুরাতন জটিল কঠিন
#পাই-ল-স
#ফি-স্টু-লা
#এ-নাল ফি-সার
#ম-লদ্বা-রের যে কোন রো-গ হোক না কেন, ইনশাআল্লাহ বিনা অপা-রে-শনে আমাদের ঔ-ষধ সেবনের দিন থেকেই পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারবেন।
১০-১৪ দিনের মধ্যেই যে পরিবর্তনগুলো পাবেনঃ-
#র-ক্তপা-ত সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়।
আ-ক্রা-ন্ত ফো-লা স্থান সংকুচিত করে সম্পুর্নভাবে সরিয়ে তুলবে।
#সকল ধরণের চুল-কানি ও ব্য-থা বন্ধ হয়ে যাবে।
এই ঔষ-ধ নিয়মিত ব্যবহার করলে স্থায়ীভাবে মাত্র দেড় থেকে ২ মাসেই এই রো-গ থেকে চিরস্থায়ী মুক্তি পাবেন #ইনশাআল্লাহ।
#চি-কি-ৎসা সেবায়তজ
ডাঃ গোলাম মুর্তজা (DHMS) ঢাকা
ডাঃ সুধাংশু শেখর বিশ্বাস (DHMS) ঢাকা
ডাঃ মোঃ রাসেল আহম্মেদ (BHB) DHMS ঢাকা
#যোগাযোগঃ সিটি হোমিও হল,
ইস্টার্ন ব্যাংক সংলগ্ন, বাইপাইল, আশুলিয়া, সাভার ঢাকা
ডাক্তারের সিরিয়াল নিতে অথবা যেকোনো প্রয়োজনে কল করুনঃ-
01911-124390 অথবা 01741-494998
বিঃদ্রঃ সারা বাংলাদেশে কুরিয়ারে মেডি-সিন পাঠানো হয়।
15/06/2022
এলার্জি একটি সর্বজনীন বহুল প্রচলিত শব্দ। বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের কাছে এক অসহনীয় ব্যাধি। এলার্জিতে হাঁচি থেকে শুরু করে খাদ্য ও ওষুধের ভীষণ প্রতিক্রিয়া ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে এলার্জি সামান্যতম অসুবিধা করে, আবার কারো ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।
কিন্তু এই এলার্জি সম্পর্কে সঠিক ধারণা কিন্তু আমাদের অনেকেরই নেই। এটা সম্পর্কে সার্বিক ধারণা থাকা সবার জন্য অতীব জরুরি। কেননা শ্বাসকষ্ট, একজিমাসহ বহু চর্মরোগের জন্য দায়ী এই এলার্জি। ধূলাবালি, ফুলের রেনু, নির্দিষ্ট কিছু খাবার ও ঔষধ মানুষের শরীরে প্রদাহজনিত যে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে সাধারণভাবে তাকেই আমরা এলার্জি বলে জানি।
এলার্জি কেন হয়?
যদিও এলার্জি একটি বহুল প্রচলিত শব্দ কিন্তু এই এলার্জি সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই সঠিক কোন ধারণা নেই। শ্বাস কষ্ট, এক্জিমা ইত্যাদি বহু চর্মরোগেরই কারণ এলার্জি। নিম্নলিখিত বিভিন্ন কারনে এলার্জি হতে পারে। ঘরের জমানো ধুলো হাপানি জনিত এলার্জির জন্য একটি অন্যতম কারণ। ঘরের ধুলোতে মাইট নামক এক ধরনের ক্ষুদ্র জীবানু থাকে যা শতকরা প্রায় ষাট শতাংশ ক্ষেত্রে এলার্জি সৃষ্টির জন্য দায়ী। সে জন্যে যারা হাপানি জনিত এলার্জি সমস্যায় ভোগেন তারা ঘরের ধুলো সবসময় এড়িয়ে চলতে হবে বিশেষ করে ঘর ঝাড়ু দেওয়ার সময়। ঘরের কম্বল, পর্দা, তোষক, বালিশ, আপবাবপত্র প্রভৃতিতে যে ধুলো জমে, তা পরিস্কার করার সময়ও দুরে থাকতে হবে।
দুষিত বাতাস, ঘরের ধুলো, ফুলের পরাগ, ধোয়া, কাঁচা রংয়ের গন্ধ, চুনকাম, পুরানো ফাইলের ধুলো ইত্যাদি দেহে এলার্জিক বিক্রিয়া সৃষ্টি করে হাপানি রোগের সৃষ্টি করতে পারে। হাপানির সঙ্গে এলার্জির গভীর সংযোগ আছে তাই যারা হাপানিতে ভুগছেন তাদেরকে এগুলি পরিত্যাগ করে চলতে হবে। আবার ছত্রাক দেহে এলার্জি তথা হাপানি সৃষ্টি করে। ছত্রাক একটি অতি ক্ষুদ্র সরল উদ্ভিদ। কোন কোন খাদ্য ছত্রাক দ্বারা দুষিত হয়ে থাকে। আবার কোন কোন খাদ্য যেমন- পনির, পাউরুটি এবং কেক তৈরিতে ছত্রাক ব্যবহার হয়। এই ছত্রাক এলার্জি তথা হাপানি সৃষ্টির একটি অন্যতম কারণ।
13/06/2022
লাল আটার অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ ডায়াবেটিস রোগের জন্য উপকারী। কারণ এটি রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। * হৃদযন্ত্রের জন্যও উপকারী। * প্রচুর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকায় দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
#পার্শ্ব প্রতি-ক্রি-য়াহীন হোমিওপ্যাথিক চি-কি-ৎসা গ্রহণ করুণ, নিরাপদ ও সু-স্থ্য থাকুন।
#আলহামদুলিল্লাহ বিনা অপা-রেশ-নে যত নতুন পুরাতন জটিল কঠিন
#পাই-ল-স
#ফি-স্টু-লা
#এ-নাল ফি-সার
#ম-লদ্বা-রের যে কোন রো-গ হোক না কেন, ইনশাআল্লাহ বিনা অপা-রে-শনে আমাদের ঔ-ষধ সেবনের দিন থেকেই পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারবেন।
১০-১৪ দিনের মধ্যেই যে পরিবর্তনগুলো পাবেনঃ-
#র-ক্তপা-ত সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়।
আ-ক্রা-ন্ত ফো-লা স্থান সংকুচিত করে সম্পুর্নভাবে সরিয়ে তুলবে।
#সকল ধরণের চুল-কানি ও ব্য-থা বন্ধ হয়ে যাবে।
এই ঔষ-ধ নিয়মিত ব্যবহার করলে স্থায়ীভাবে মাত্র দেড় থেকে ২ মাসেই এই রো-গ থেকে চিরস্থায়ী মুক্তি পাবেন #ইনশাআল্লাহ।
#চি-কি-ৎসা সেবায়ঃ-
প্রভাষক
ডাঃ মোঃ কায়ছার আলী BA (DHMS) ঢাকা
ডাঃ সুধাংশু শেখর বিশ্বাস (DHMS) ঢাকা
ডাঃ মোঃ রাসেল আহম্মেদ (BHB) DHMS ঢাকা
ডাঃ হেলাল উদ্দিন (DHMS) ঢাকা
#যোগাযোগঃ সিটি হোমিও হল,
ইস্টার্ন ব্যাংক সংলগ্ন, বাইপাইল, আশুলিয়া, সাভার ঢাকা
ডাক্তারের সিরিয়াল নিতে অথবা যেকোনো প্রয়োজনে কল করুনঃ-
01911-124390 অথবা 01741-494998
বিঃদ্রঃ সারা বাংলাদেশে কুরিয়ারে মেডি-সিন পাঠানো হয়।
07/06/2022
☑️আসুন আমরা সচেতন হই ।
07/06/2022
হাঁপানি বা এজমা রোগীদের কিছু পরামর্শ মূলক কথা,এজমা বা শ্বাসকষ্ট এমন একটা রোগ,যার নিদৃষ্ট কোন কারণ নেই.এজমা বা হাঁপানি আসলে শ্বাসনালির একটা অসুখ.গ্রীক চিকিত্সক হিপোক্রেটিস যে কোন ধরনের শ্বাসকষ্ট কে হাঁপানি নাম দিয়েছিলেন.এজমার সর্বসম্মত কোণ সংজ্ঞা নাই.এজমা শ্বাসতন্তের শ্বাসনালির দীর্ঘ কালীন প্রদাহ জনিত একটা রোগ.শতকরা 65% মানুষের এলার্জি জনিত কারণে এজমা বা হাঁপানি হয়ে থাকে.এই এজমা রোগে বয়স্করা ও শিশুরা বেশি ভূগে থাকেন.বর্তমান বিশ্বে 30 কোটি লোক এজমায় আক্রান্ত.2025 সাল নাগাদ 40কোটি লোক এজমায় আক্রান্ত হবেন.এজমা একটি জেনেটিক রোগ.এজমার কারন 2প্রকার :এটোপি ও এলার্জি এবং শ্বাসনালির অতি সক্রিয়তা.এজমার রোগীরা সবসময় কষ্টের ভিতর দিয়ে দিন অতিবাহিত করে.এজমা স্থায়ী ভাবে ভাল করা খুবই কঠিন .তবে আপনি নিজে যদি অনেক ক্ষেত্রে সেইফ করে চলতে পারেন,তাহলে আপনি অনেক টা উপশম পাবেন,,,,,,যেমন -আপনি ধুলা বালু,ময়লা আবর্জনা এমন কি কুয়াশা বা আগুনের ধোঁয়া,আবার পশুপাখির লোম ,এগুলো হতে আপনাকে এড়িয়ে চলতে হবে, আর আপনি যদি সঠিক পরামর্শ ক্রমে সঠিক হোমিওপ্যাথিক ওষুধ খেতে পারেন,তাহলে ইনশাআল্লাহ্ আপনি রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন.
07/06/2022
অনেকেই খাদ্য এবং পুষ্টিকে একই মনে করেন। আসলে এটি ভুল ধারণা। কারণ খাদ্য পুষ্টিকর নাও হতে পারে, তবে পুষ্টি অবশ্যই খাদ্য। সুস্থ-সবলভাবে বেঁচে থাকতে পুষ্টিকর খাবার খেতেই হবে। এর চাহিদা পূরণে শাকসবজির অবদান অনন্য। শাকসবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থসহ অন্যান্য অনেক পুষ্টি উপাদান। সে সাথে আঁশে ভরপুর। এসব পুষ্টি উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, খাবারে রুচি আনে। এ ছাড়া হজমশক্তি বৃদ্ধিতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে যথেষ্ট সহায়তা করে। পুষ্টিবিদদের মতে, একজন পূর্ণবয়স্ক লোকের দৈনিক ২ শত গ্রাম শাকসবজি খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু আমরা খাই মাত্র ৬০-৭০ গ্রাম। তাও আলুসহ। তাই চাওয়া-পাওয়ার এ গড়মিলে আমাদের দেশের অধিকাংশ লোক দৈহিক এবং মানসিক অসুখে ভুগছেন। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছেন শিশু ও নারী। মোট জনসংখ্যার শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ লোক, বিশেষ করে মেয়েরা লৌহের অভাবে রক্তস্বল্পতার শিকার। একমাত্র ভিটামিন-এ’র অভাবে বছরে ৩০ হাজারেরও অধিক শিশু অন্ধ হয়ে যায়। চোখে কম দেখার সংখ্যা আরও বেশি। তবে সুস্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টির ঘাটতি যতটুকু তার চেয়ে বড় বাধা পুষ্টির উৎস সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা এবং অসচেতনতা। যারা দিন আনে দিন খায় তারাই কেবল পুষ্টিতে ভোগে তা কিন্তু নয়। বিত্তশালী শিশুরাও আজকাল শাকসবজি না খেয়ে রাতকানায় ভুগছে; যে কারণে ওরা চোখে চশমা পরতে বাধ্য হচ্ছে। অথচ হাতের কাছে পাওয়া কচুশাক, কলমিশাক, হেলেঞ্চা, সজিনাসহ নানারকম শাকসবজি অভাবী মানুষের পুষ্টি সরবরাহ করে। সেজন্য বিভিন্ন শাকসবজির পুষ্টি ও ভেষজগুণ সম্পর্কে জেনে নেয়া দরকার।
07/06/2022
নামাজের বৈজ্ঞানিক উপকারীতা:
১) নামাজে যখন সিজদা করা হয় তখন আমাদের মস্তিস্কে রক্ত দ্রুত প্রবাহিত হয়। ফলে আমাদের স্মৃতি শক্তি অনেক বৃদ্ধি পায়।
২) আমরা যখন নামাজে দাঁড়াই তখন আমাদের চোখ যায় নামাজের সামনের ঠিক একটি কেন্দ্রে বা সিজদাহর জায়গায় স্থির অবস্থানে থাকে, ফলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।
৩) নামাজের মাধ্যমে আমাদের শরীরের একটি ব্যায়াম সাধিত হয়। এটি এমন একটি ব্যায়াম যা ছোট বড় সবাই করতে পারে।
৪) নামাজের মাধ্যমে আমাদের মনের অসাধারন পরিবর্তন আসে।
৫) নামাজ মানুষের দেহের কাঠামো বজায় রাখে। ফলে শারীরিক বিকলাঙ্গতা লোপ পায়।
৬) নামাজ মানুষের ত্বক পরিষ্কার রাখে। যেমন, ওজুর সময় আমাদের দেহের মূল্যবান অংশগুলো পরিষ্কার করা হয়; এর ফলে বিভিন্ন প্রকার জীবানু হতে আমরা সুরক্ষিত থাকি।
৭) নামাজে ওজুর সময় মুখমণ্ডল ৩ বার ধৌত করার ফলে আমাদের মুখের ত্বক উজ্জল হয় এবং মুখের দাগ কম দেখা যায়।
৮) ওজুর সময় মুখমণ্ডল যেভাবে পরিষ্কার করা হয় তাতে আমাদের মুখে এক প্রকার মেসেস তৈরি হয়; ফলে আমাদের মুখের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং বলি রেখা কমে যায়।
৯) কিশোর বয়সে নামাজ আদায় করলে মন পবিত্র থাকে; এর ফলে নানা প্রকার অসামাজিক কাজ সে বিরত থাকে।
১০) নামাজ আদায় করলে মানুষের জীবনী শক্তি বৃদ্ধি পায়।
১১) কেবল মাত্র নামাজের মাধ্যমেই চোখের নিয়ম মত যত্ন নেওয়া হয়; ফলে অধিকাংশ নামাজ আদায়কারী মানুষের দৃষ্টি শক্তি বজায় থাকে।
তাছাড়া সবচেয়ে বড় কথা নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায় ।
06/06/2022
হোমিও প্যাথিক চিকিৎসা হল লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা । রোগীর লক্ষণ ও তীব্রতার উপর সঠিক ডাঃ পরামর্শ অনুযায়ী মেডিসিন প্রয়োগের ফলে যে কোন জটিল ও কঠিন রোগ থেকে স্থায়ীভাবে নিস্তার পাওয়া সম্ভব।
🩺 পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন হোমিও চিকিৎসা গ্রহন করুন সুস্থ ও সুন্দর জীবন গরুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Savar
1212
