Shan Chowdhury sathy

Shan Chowdhury  sathy

Share

i want to spread my happiness with my friends

30/04/2024

রাগ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ছোট একটি শিক্ষণীয় গল্প।

ছোট একটি ছেলে খুব রাগী।

বাবা কিছুতেই ছেলের রাগ নিয়ান্ত্রণে আনতে পারছেন না।

একদিন বাবা ছেলেকে স্নেহের পরশে কাছে ডাকলেন।

একটি পেরেকভর্তি ব্যাগ দিয়ে বললেন,যতবার তুমি রেগে যাবে,ততবার একটি করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে। এটি তোমার প্রতি আমার আদেশ।

প্রথম দিনেই ছেলেটিকে ৩৭টি পেরেক মারতে হয়েছে।

কারণ,সে এদিন ৩৭বার রেগে গিয়েছিল। ক্রমষ সে উপলব্ধি করছিল,তার রাগ অনেক বেশি-৩৭বার পেরেক মারতে হয়েছে।

আরও ভাবল,কষ্ট করে পেরেক মারার চেয়ে রাগ কমিয়ে দেওয়া সহজ।

ছেলেটি পেরেক মারার কষ্ট লাঘব করতে করতে রাগ নিয়ন্ত্রণে আনা শিখে গেল। ধীরে ধীরে পেরেনক মারা কমতে থাকল এবং অবশেষে একদিন তাকে আর একটি পেরেকও মারতে হলোনা।

বাবা বুঝলেন, তার প্রিয় সন্তান রাগ নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

এবার তিনি তাকে প্রতিদিন বাগানের বেড়ার একটি করে পেরেক তুলে ফেলতে বলতেন। বাবার আদেশ পালন করল ছেলেটি।

পেরেক তুলা শেষ হয়ে গেলে তার বাবা তাকে বাগানে নিয়ে গিয়ে কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললেন- দেখ, কাঠে পেরেকের গর্তগুলো এখনো রয়ে গেছে। কাঠের বেড়াটি কখনো আগের অবস্থায় আনা যাবেনা।

যখন তুমি কাউকে রেগে গিয়ে কিছু বলো,তখন তার মনে ঠিক এমন একটা আঁচড় লেগে যায়-যা কখনোই আর মুছে যায়না বেটা।

তাই রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে শিখো।

মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও ভয়ংকর।

22/01/2022
27/11/2021

🖋️এক লোক একটা আস্ত বড় গরু গ্রীল করে তার মেয়েকে বললেন,
আমার শুভাকাঙ্খীদের ভোজের জন্য ডাকো,

মেয়েটি রাস্তায় গিয়ে চিৎকার করতে থাকলো, আমাদের বাসায় আগুন লেগেছে কে কোথায় আছো আমাদের সাহায্য করো______!!

অল্প কিছু সংখ্যক মানুষ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসলো, বাকিরা এমন ভাব করল, যেনো তারা কিছুই শুনতে পারেনি!! যারা সাহায্যের জন্য আসলো, তারা পেট ভরে সেই মজাদার খাবার খেলো||

বাবা আশ্চর্য্য হয়ে মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন,মা যারা এসেছেন তাদের কাউকেই আমি চিনিনা, আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষীরা সব কোথায়??

মেয়েটি উত্তরে বললো-
যারা এসেছে তারাই আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী!!
তারা কিন্তু খাবার খেতে আসেনি, তারা এসেছে আমাদের বাড়ির আগুন নিভাতে, এরাই আমাদের আপনজন,,,

মূলতঃ, বিপদের সময় যারা আপনার পাশে থাকে নি, তারা আপনার আনন্দের অংশীদারি হওয়ার যোগ্যতা রাখে না,!!

বিপদে বন্ধুর পরিচয়,,,, 😭😭😭
কপি

20/09/2021

🌺৯৯ বছর বয়সী বৃদ্ধ মাকে কোলে নিয়ে তার বৃদ্ধ সন্তান ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর মাসে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলা‌দেশ থে‌কে বনগাঁও এলাকা দিয়ে ভারতের বাগদা'য় প্রবেশের মুহূর্ত ৷

📷চিত্রগ্রাহক: সন্তোষ বাসাক ৷

চিত্রগ্রাহক সন্তোষ বসাক ছবি তোলার আগে লোকটিকে জিজ্ঞেস করেছিলো, 'কে এই বৃদ্ধা মহিলা? '
উত্তরে লোকটি জানায়, 'তিনি আমার মা । আমার মা এখন একটি শিশুর মতো । তিনি ঠিকমতো হাঁটতেও পারেন না । এই অবস্থায় আমি তাকে ছেড়ে কিভাবে যাই!'

🔍উল্লেখ্য যে, এই ছবিটি পরবর্তীতে ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো ১৯৭২’ পুরস্কার অর্জন করে ৷

01/08/2021

আমি একজন বিধবা মহিলা আমার বয়স এখন ৬০ বছর। আমি স্কুল শিক্ষিকা ছিলাম।
আমার একটা-ই ছেলে যার বয়স এখন ৩৬ বছর। ওর নাম আশিক আদনান দিপ ও থাকে অষ্ট্রেলিয়া। আমার হাজবেন্ড যখন মারা যায় তখন আমার বয়স ৪০ বছর। আর আমার ছেলে আশিক আদনান দিপ যাকে আমি দিপ বলে ডাকি ওর বয়স তখন ১৬ বছর।

ছেলে কে আমি একা একা বড় করেছি। নিজে কষ্ট করেছি, কখনো ছেলেকে কোন কিছুর অভাব বুঝতে দেই নাই। সব সময় চেয়েছি ওর সব চাহিদা মেটাতে। কখনো যেন না ভাবে - আমার বাবা থাকলে এ-ই চাহিদাটা পূরণ হতো। বাবা নাই বলে এটা পাচ্ছি না। ছেলে কে দেশের সব চাইতে ভালো স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়িয়েছি। তারপর ছেলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়ে চলে গেলো অষ্ট্রেলিয়া । সব খরচ একা হাতে সামলিয়েছি। নিজের দিকে একদম খেয়াল করিনি। সব সময় দেখতে চেয়েছি আমার সন্তানের সফলতা ! তার ভবিষ্যৎ উজ্জল করাই ছিলো আমার জীবনের লক্ষ।আমাকে সবাই সফল মা বলেন।এই নিয়ে আমারও একধরনের চাপা গর্ব আছে।

গত সপ্তাহে আমার এক পুরাতন বান্ধবীর সাথে দেখা হলো ওর নাম লিপি। ওর ছেলে আমার ছেলে দিপের সাথে এক'ই স্কুলে পড়তো। ওর ছেলের সাথে অবশ্য দিপের খুব ভালো বন্ধুত্ব ছিলো না। এর কারণ হয়তো আমি বা আমার ছেলে দিপ।

আমি সব সময় চাইতাম দিপ শুধু মাত্র ভালো স্টুডেন্ট যারা আর সব সময় পড়ালেখা নিয়ে কমপিটিশন করে তাদের সাথে মিশবে। তাতে করে ওর ভেতরে পড়ালেখার প্রতি আরো বেশি প্রতিযোগিতার মনোভাব থাকবে।

সব সময় লিপি বলতো -দেখ আমরা দু'জন কত ভালো বন্ধু। আর আমাদের ছেলেরাও এক'ই স্কুলে পড়ে, তার পরেও ওদের মধ্যে বন্ধুত্ব হলো না।
লিপির ছেলে আরিফ সব ক্লাসে টেনেটুনে পাশ করে যেতো। তবে সব সময়ই স্কুলের খেলাধুলা অন্যান্য কার্যক্রম গুলোতে অংশগ্রহণ করতো। স্কুলের ওয়াল ম্যাগাজিনে ওর লেখা থাকতো, ছবি আঁকতো, এগুলো নিয়েই লিপি খুশি থাকতো।

লিপির কথা,- আমার ছেলে'তো আর ফেল করে না! পাশ করে গেলেই হলো। সবার ছেলেতো ফাস্ট হবে না। আমার ছেলেটা পড়ালেখায় তেমন ভালো না কিন্তু ওর অন্য কাজ গুলো কত সুন্দর!
আমার কাছে লিপির এই কথা গুলো অসহ্য লাগতো। মনে হতো,ছেলের মাথায় তো গোবর আছে। তার চাইতে বেশি গোবর মায়ের মাথায়। তা না হলে যে ছেলে পড়ালেখায় এত পেছনে পরে আছে। তাকে কোন মা স্কুলের এক্সটা কার্যক্রম নিয়ে সময় নষ্ট করতে দেয়!
দিপ কলেজে উঠে নটরডেম কলেজে ভর্তি হলো আর আরিফ খুবই সাধারণ একটা কলেজে ভর্তি হলো। তার পর ওদের সাথে আর যোগাযোগ ছিলো না।

গত সপ্তাহে শপিং মলে ওদের সাথে দেখা হলো। তাও আমি ওদের দেখি নাই। আমাকে লিপির ছেলে আরিফ দেখতে পেয়ে আমার কাছে এসে বলে
-আন্টি আমাকে চিনতে পেরেছেন? আমি আরিফ।
আমি আরিফকে আসলেই চিনতে পারছিলাম না। আরিফ কে যখন শেষ দেখি তখন মাত্র স্কুল ছেড়ে কলেজে যাবে। ছেলে মানুষি এখনো চোখে মুখে। আর এখন রীতি মতো ভদ্রলোক। তার পর আরিফ আমাকে লিপির কাছে নিয়ে যায়। লিপি একটা দোকানে বসা ছিলো। লিপিকে নিয়ে ওর ছেলে শপিং এ এসেছে। তাও আবার লিপির জন্য তার ছেলে পছন্দ করে কি সব রংচঙে থ্রী-পিছ কিনছে।

আমি আর লিপি সব সময় শাড়ি পরতাম, তাই আমি একটু অবাক হলাম। লিপি আমার কাছে বার বার জানতে চাইছিলো।
-তুই বল আমি কোনটা কিনবো আমাকে কোনটায় মানাবে?
-তখনই আরিফ হঠাৎ করে বলে বসে আন্টি আপনি যেটা পছন্দ করবেন আম্মা সেটাই কিনবে।তার পর আমি একটা থ্রী- পিস পছন্দ করি আরিফ সেই একই থ্রী- পিস দুইটা কিনে আমি তা খেয়াল করি।
আমি আর লিপি গল্প করছিলাম কেনাকাটার ফাঁকে ফাঁকে ।
তারপর আরো কিছু টুকিটাকি কেনাকাটা করে ওরা। ওদের কেনাকাটা দেখে মনে হচ্ছিল ওরা কোথাও বেড়াতে যাবে।
আমি আরিফ কে খেয়াল করছিলাম ও লিপির সাথে কেমন সহজ স্বাভাবিক ভাবে কথা বলে। মনে হয় আরিফ ওর মাকে নয় মেয়ে কে নিয়ে বের হয়েছে শপিং করতে। তার পর আমাদের নিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে যায়।আরিফ টুকটাক খাবার অর্ডার করে শেষে আরিফ বলে -
আম্মা কফি খাবে নাকি কোন আইসক্রিম।
লিপি বলল আগে কফি খাব তারপর কোন আইসক্রিম খেতে খেতে বাসায় যাব।
আমি বললাম- আমি শুধু কফি।
লিপি সঙ্গে সঙ্গে বলল -তা হলে আইসক্রিম খাওয়া বাদ।
খেতে খেতে শুনলাম ওরা বেড়াতে যাচ্ছে কক্সবাজারে সেখান থেকে সেন্ট মার্টিন। সাথে লিপি কে নিয়ে যাবে। যদিও সেটা আরিফের অফিসিয়াল টুর।আরিফ একটা বায়িং হাউস এ আছে। বুঝতে পারলাম ভালো দায়িত্বে আছে। আমাদের সাথে বসা অবস্থায় কতবার যে মেইল চেক করলো। আর টুকটাক অফিসিয়াল কল রিসিভ করলো। তার মানে শত ব্যস্ততার মধ্যেও মা'কে শপিং করতে নিয়ে এসেছে। ইতিমধ্যে আরো জানা হয়ে গেলো আরিফের বউ-এর কথা আরিফের বউ একটা মাল্টি ন্যাশনাল কম্পানিতে আছে। তাদের এক সন্তান সে এখন তার নানি বাড়িতে আছে। শপিং শেষ হলে আরিফ তার মেয়ে কে তার শ্বশুর বাড়ি থেকে তুলে নিবে।

আমি একটা বিছানার চাদর আর আমার জন্য টুকটাক বাজার করতে এসেছিলাম। আমি কিছুই কিনি নাই সেদিন। আমার কিছু কিনতে ইচ্ছে হচ্ছে না আর।আমি শুধু আরিফ কে দেখছিলাম। আরিফ কি ভাবে ওর মা'কে এত যত্ন করছে।স্যান্ডেলের দোকানে নিজে তার মায়ের পায়ে স্যান্ডেল পরিয়ে দিলো।লিপি এত দাম দিয়ে স্যান্ডেল কিনবে না। আরিফ তখন বলল আম্মা তুমি মূল্য দেখো কেন? তুমি দেখবে আরাম পাও কিনা?
আরিফের কত খেয়াল তার মায়ের জন্য। সব শেষে সানগ্লাস কিনলো মায়ের জন্য। লিপি সানগ্লাস কিনবে না।তখন আরিফ বলল,
- মা সানগ্লাস কিনতে হবে কারন তুমি যখন সমুদ্রের ধারে হাটবে তখন তোমার চোখে রোদ লাগবে।
ওদের মা - ছেলেকে দেখে আমার এমন লাগছে কেন? আমি আরিফ কে দেখছি, লিপিকে দেখছি। আর আমার ভেতরে কেমন হীনমন্যতা ঢুকে যাচ্ছে। বার বার মনে হচ্ছে আমি হেরে গেছি জীবনের কাছে। আমি একজন ব্যর্থ মা। যে তার ছেলেকে সব চাইতে সফল আর বড় বানাতে গিয়ে এত বড় বানিয়ে ফেলেছি যে, সেই ছেলের নাগাল আমি আর কখনো পাবো না!

এর মধ্যে কয়েকবার আরিফ দিপের কথা জানতে চেয়েছে।দিপের সাথে যোগাযোগের নম্বর চেয়েছে, আমি দেই নাই। বলেছি বাসায় আছে, নোট বইয়ে লেখা। আর দিপ আমাকে কল দেয় সব সময়। আমি তো দেই না তাই মনে নাই। আসলে দিপের অনুমতি না নিয়ে ওর নম্বর কাউকে দিলে ও রাগ করবে। আমাকেই বলে
- মা আমি অনেক বিজি থাকি, যখন তখন কল দিবে না। এতে করে আমার ডিসটার্ব হয়। তুমি এখনো অষ্ট্রেলিয়া আর বাংলাদেশের সময়ে এডজাস্ট করতে পারো না কেন?
আরিফ আমাকে আমাদের বাসায় নামিয়ে দেওয়ার সময় আমার হাতে একটা শপিং ব্যাগ দিয়ে বলল এটা আপনার জন্য। আমি দেখি ঠিক মিনার মতো আমার জন্যও একটা থ্রী-পিস কিনেছে আরিফ। আন্টি এটা আপনার জন্য।আপনারা দুই বান্ধবী এক সময় এক রকম জামা পরে বেড়াতে বের হবেন।
আমার চোখে পানি চলে আসার অবস্থা হয়েছিলো তখন।
আরিফ আরো বলল আন্টি আমার মোবাইল নং তো সেভ করে দিয়েছি আপনার যখন খুশি কল দিবেন, আমি এসে আপনাকে বাসায় নিয়ে যাবো। আমি তখন বললাম -
তুমিও তো বিজি থাকো। তখন আরিফ বলল,
- আন্টি আপনার জন্য আমি সব সময়ই ফ্রি আছি।
তারপর আরো বলল,
-আন্টি আপনি তো একা থাকেন আপনিও চলেন না আমাদের সাথে কক্স বাজার। আম্মা'র একজন সঙ্গী হবে। আম্মার আরো বেশি ভালো লাগবে।
আমি মনে মনে কতক্ষন থেকে বলছি - লিপি আমাকে নিবি তোদের সাথে কক্স বাজার? আমি সমুদ্র দেখবো না। আমি শুধু দেখবো একজন ছেলে তার মা'কে কত আদর যত্ন করে তা।

আমি আরিফ কে বললাম,
- আরিফ আসলেই ঠিক বলেছো।লিপির সাথে কতদিন পর দেখা আমার। আমারও ভালো লাগবে তোমাদের সাথে বেড়াতে গেলে। কিন্তু দিপকে তো বলতে হবে।আমি আজ দিপের সাথে কথা বলে তোমাকে জানাবো।
লিপি মনে হয় আমার কথায় অবাক হলো। আমি এত সহজে ওদের সাথে যেতে রাজি হবো এটা লিপি ভাবতেও পারে নাই। লিপি। আমার হাত জড়িয়ে ধরে বলল,
- শাহী প্লীজ চল, আমার অনেক ভালো লাগবে।
তার পর ওরা চলে গেলো। আমি আমার আলো-হীন ঘরে ঢুকে, আজ আরো বেশি অন্ধকার দেখতে পেলাম। গতকাল রাতের বেলা দিপের সাথে হওয়া কথা গুলো ভাবতে লাগলাম।
দিপের বিয়ে দিপ একা-একা করলো অষ্ট্রেলিয়া, নিজে মেয়ে পছন্দ করলো আর যেহেতু মেয়েরা অষ্ট্রেলিয়া বহু বছর থেকে আছে। তাই বাংলাদেশে এসে বিয়ের করার প্রশ্নই আসে না। আমি টেলিফোনে ওদের আশির্বাদ করলাম। তার পর দেশে আসবে বলে আসলো না। তখন দিপের বউ-এর পড়ালেখা শেষ হয় নাই এর মধ্যে আসা যাবে না দিপের ছেলে হলো এখন ছেলে ছোট তাই বাংলাদেশের আবহাওয়া বাচ্চা'র সহ্য হবে না তা-ই আসা যাবে না। এবছর আমাকে অষ্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য সব কাগজ ঠিক করার কথা। গতকাল কল দিয়ে বলল, এবার ছুটিতে ওদের সবাই কে নিয়ে দিপের শ্বশুর শাশুড়ী সহ আমেরিকা যাবে। দিপ আমাকে কল দিয়ে বলল মা আমরা সবাই চেষ্টা করবো আগামী বছর দেশে আসার তুমি মন খারাপ করো না।

না আমি মন খারাপ করি নাই। আমি আজ আরিফ কে দেখে বুঝতে পেরেছি, শুধু ভালো ছাত্র আর সব সময় ফাস্ট হওয়া ছেলেরাই সেরা সন্তান হয় না। একজন সন্তান কে মানুষ করার ক্ষেত্রে আমি শুধু আমার ছেলেকে সেরাটা দিয়েছি। আর তাকে শিখিয়েছি ফাস্ট হতে হবে পরীক্ষার খাতায় আর চাকরির বাজারে।
সেরা মানুষ হতে হবে এটা আমি কখনো শেখাই নাই।আমি ওকে কখনো শেখাই নাই তোমার বন্ধুদের সহযোগিতা করবে। আমি শিখিয়েছি শুধু প্রতিযোগিতা।.

ওর কিসে ভালো হবে ওকে শিখিয়েছি। কিন্তু সবাইকে নিয়ে ভাবাটা শিখাতে পারি নাই।
আমি সব সময় দিপ কে ভালো জিনিস কিনে দিয়েছি। ওর চাহিদা পূরণ করেছি। কিন্তু আমি কখনো আমার কোন চাহিদা আছে বা থাকতে পারে তা ওকে দেখাই নাই।
আমি দিপকে কল দিবো না কক্স বাজার যাওয়া নিয়ে। এটা আরিফ কে বলার জন্য বলা। আজ লিপিদের সাথে দেখা হওয়ায় ভালো হলো। এখন থেকে আমি আমার ভালো লাগা মন্দ লাগা নিয়ে ভাববো। ছেলেকে নিয়ে আমার ভাবনা শেষ।
ছেলে কে তার ভালো থাকার জন্য সব করে দিয়েছি। ছেলের আর আমার কাছ থেকে পাওয়ার কিছু নাই।
ছেলে আমাকে তার কাছে অষ্ট্রেলিয়া বেড়াতে নিয়ে যাবে বলে, গত দুই বছর থেকে আমার চলার টাকা থেকে একটু একটু করে যথেষ্ট টাকা জমিয়েছি। ওদের জন্য কত কিছু কিনবো তাই।
এবার থেকে আমি আমার জীবনের ছোট ছোট চাওয়া গুলো পূরণ করবো।বাঁচব আর কটা দিন। খুব শখ ছিলো হিমালয় দেখবো আর মিশরের পিরামিড দেখবো! একা একা কি এগুলো দেখা যাবে? তার চাইতে এবার লিপির সাথে কক্সবাজার আর সেন্ট মার্টিন ঘুরে আসি তারপর একটু নিজেকে নিয়ে ভাববো।

💌গল্প টা সত্য ঘটনা অবলম্বনে

24/01/2021

#মানুষের_ইতিবৃত্ত

#ফেইসবুকে_ছবিটা_পেয়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম। কত সুন্দর মিনিংফুল একটি ছবি । ইগো, অহংকার, রাগ এসবের মধ্যে আমরা বন্দি ।
অথচ সবার ভেতরেই একটা শিশু সুলভ মন আছে ।
যে মিশতে চায় । মিলে মিশে থাকতে চায় । কম্প্রোমাইজ করতে চায় । কারণ এই পৃথিবীতে আমরা অনেক একা।
বড্ড একা ।

তারা ভরা রাতে ছাদে শুয়ে নিরিবিলি আকাশের দিকে তাকালে বুঝা যায় কত ছোট আমাদের পৃথিবী । তার মাঝে কত কত ক্ষুদ্র আমরা ।

পৃথিবীর জন্ম থেকে শুরু করে মিলিয়ন মিলিয়ন বছর কেটে গেছে । হয়তো সামনে আরো মিলিয়ন বছর হয়তো টিকে থাকবে ।
তার মাঝে আমরা মাত্র কয়েকটা বছর থাকবো । পৃথিবীর হিসেবে মাত্র কয়েক মিলিসেকেন্ড আমাদের স্থায়িত্ব ।

তবুও কেন এতো মারামারি, এতো হানাহানি, এতো লোভ, এতো লালসা? এতো বিভেদ, এতো দূরত্ব ?

ভাল থাকুক মানুষ । ইগো, রাগ, হিংসার হাজতে বন্দি না থেকে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ুক। মানুষের কল্যাণে ব্যয় হোক মানুষের জীবন।

(সংগৃহীত)

02/01/2021

নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার:

এটা বড় ধরনের এক প্রকার মানসিক রোগ যেখানে রোগী নিজেকে অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি মনে করেন, প্রচুর মনোযোগ ও প্রশংসার দাবি করেন এবং তাদের মধ্যে থাকে সমস্যাসঙ্কুল সম্পর্ক ও সহমর্মিতার দারুন অভাব।
নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার এর রোগীদের জীবনের বিভিন্ন দিকে সমস্যা থাকে।
অন্যের সাথে সম্পর্ক সৃষ্টি ও উন্নয়নে, কর্মস্থলে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, ব্যবসায়িক লেনদেন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাদের ঝামেলার শেষ থাকে না।
যখন তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত সুযোগ-সুবিধা ও প্রশংসা আদায় করতে পারে না তখন তারা খুব সহজেই অসুখী অসন্তুষ্টিতে লিপ্ত হয়।
তখন তারা তাদের কাছের লোকটির সান্নিধ্য আর উপভোগ করে না, সম্পর্কে খুঁজে পায় অপরিপূর্ণতা।
সাধারণ উপসর্গগুলো নিম্নরূপ:
১. নিজের ব্যাপারে অস্বাভাবিক রকমের উঁচু ধারণা
২. সব সময় নিজের প্রশংসা ও স্তুতি শুনতে পছন্দ করে
৩. তেমন কোন অর্জন ব্যতিরেকেই অধিক স্বীকৃতির প্রত্যাশা করে
৪. অতিরঞ্জিত প্রাপ্তি প্রত্যাশী ও সীমাহীন বুদ্ধিমত্তার দাবিদার
৫. নিজেকে উঁচু পর্যায়ের মানুষ দাবি করেন এবং সম পর্যায়ের মানুষরাই কেবল তাঁর সান্নিধ্যে আসতে পারেন বলে বিশ্বাস করেন
৬. একই রকমের বিরক্তিকর আলোচনায় অভ্যস্ত এবং যাদের নিচু হবেন তাদের হেয় প্রতিপন্ন করতে ছাড়েন না
৭. সব সময় আলাদা খ্যাতি পছন্দ করে এবং প্রশ্নাতীত সার্থকতা প্রত্যাশা করেন
৮. যা চান অন্যের কাছ থেকে সে সুযোগটুকু কেড়ে নেন
৯. অন্যের প্রয়োজন ও অনুভূতিকে পাত্তা দিতে চান না
১০. অন্যদের সাথে উদ্ধত আচরণ করেন, অভিনয়ের আশ্রয় নেন
১১. সবকিছুতেই শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার অদম্য আগ্রহ
** সমালোচনা ও সমস্যাকে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয় বলে :
১. তাদের আলাদাভাবে বিবেচনায় না রাখলে রাগান্বিত হন ও অধৈর্যশীল হয়ে পড়েন
২. পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে যথেষ্ট সমস্যা সৃষ্টি করে
৩. তারা রাগ ও বিরক্তি নিয়ে অন্য মানুষকে নিচু করার চেষ্টায় রত থাকে
৪. আবেগ ও আচরণ কে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়
৫. নিজে নিখুঁত হতে না পেরে বিষন্নতায় ডুবে মরে

এই সমস্ত রোগীরা এটাকে রোগ মনে করে না বিধায় চিকিৎসার অধীনে যেতে চায় না। যেহেতু তাদের চিকিৎসা না করালে ব্যক্তির নিজের, পরিবারের ও সমাজের যথেষ্ট অনিষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই জোর করে হলেও তাদের চিকিৎসার আওতায় আনা উচিত।

প্রফেসর ডা. মেজর (অব.)আব্দুল ওহাব মিনার
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ
কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ।

26/11/2020

মেয়েদের চোখে তাহসান একজন আদর্শ মানুষ। আমার দেখা বাংলাদেশে আর কোনো সেলিব্রেটির এতটা ফিমেল ফ্যানবেজ নাই, যতোটা এই ভদ্রলোকের আছে। তারপরও উনার লাইফে কোনো নারী কেলেঙ্কারির ছিটে ফোঁটা নেই। এক তো মিডিয়ার লোক,এতবড় স্টার, ইউনিভার্সিটির প্রফেসর। সব জায়গায় মেয়েদের আনাগোনা। এত সুযোগ থাকার পরও উনার লাইফে প্রেমিকাকে ও বিয়ে পরবর্তী বউকে কোনোদিনও ঠকায় নি। প্রেম বলুন বা বিয়ে পরবর্তী সম্পর্কে তিনি ছিলেন অনড়। সম্পর্ককে কতটা সম্মান করলে? এত সুযোগ সুবিধা থাকার পরও একটা মানুষ এত ক্লিন ক্যারেক্টারের হতে পারে ভাবুন তো একবার!
প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নিজের কাছের মানুষের বিশ্বাস বাজি রাখাটা শিখুন উনার কাছ থেকে।
চাইলেই যেকোনো ধরণের বাজে পরিস্থিতিতে নিজেকে লয়াল রাখা যায়। সেটা ও আমাদের উনার কাছ থেকে শেখা উচিত!

এতটা ভালোবাসার পরও উনার সংসার টেকে নি। বিচ্ছেদে মোড় নেয়। 😢
বিচ্ছেদের পরও উনি উনার ওয়াইফকে কটাক্ষ করে কথা বলেনি। খুঁত ধরা, দোষ খোঁজা নিয়ে পড়ে থাকেনি। অথচ হলুদ সাংবাদিক এর দল মুখোরুচক শিরোনামের জন্য হাজারো প্রেশার করেও মুখ দিয়ে উনার প্রাক্তন স্ত্রীর নামে কিছুই বলাতে পারেনি। প্রতিটা বার তিনি হয়তো ভেবেছে তার সাথে সংসার করা মানুষটার কথা। কখনোই অসম্মান করেন নি। বরঞ্চ উনিই সবার আগে বলেছে;

"সবচে বড় পরিচয় সে আমার বাচ্চার মা, আমি কোনো ভাবেই তাকে নিয়ে কিছু বলতে পারিনা। সে যেমনই হোক!"

কি দারুণ কথা একবার ভাবুন তো। এমন সুন্দর করে ক'জনই বা বলতে পারে!

অথচ আমরা সম্পর্ক সামান্য নড়বড়ে হলে ফেইসবুকে পোস্ট দিয়ে বেড়াই। ফ্রেন্ডলিস্টের গোটা মানুষকে জানিয়ে দেই। নিজের প্রাইভেসি ব্রেক করি। দোষ খুঁজি, খুঁত ধরে কাহিনী করি। সম্পর্ক যে পরিস্থিতিতে থাকুক না কেন? তাহসানের কাছ থেকে শিখুন সম্পর্কের ওপারের মানুষটাকে কিভাবে সম্মান করা যায়।

এরপর উনার এক্স ওয়াইফের একের অধিক আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ভাইরাল হলো। ভিন্ন ধর্মী একজনের সাথে বিয়ে ও হলো। উনি চাইলেই তখন কত কিছু বলতে পারত, যেহেতু বিচ্ছেদ অলরেডি হয়ে গেছে। কিন্তু তখন ও তিনি কিছুই বলেনি তার সম্পর্কে। সবার উত্তর তিনি একদিনে দিয়েছে বেইলি রোডের কনসার্টে,
বলেছেন "আই ডোন্ট কেয়ার!" 🙃

আমাদের বিচ্ছেদের পর ঠিক এই রকমই হওয়া উচিত। যে ফেলে গেছে তাকে নিয়ে পড়ে থাকা নিতান্ত বোকামি।

আপনাকে যে বুঝলো না, আপনার ভালো থাকার কথা যে ভাবলো না,আপনাকে পাত্তা দিলো না, যে আপনাকে ছেড়ে মাঝ পথে রেখে চলে গেলো তাকে নিয়ে ভাবছেন? ব্যাপারটা একপ্রকার নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দেওয়া
নয় কি??

উনার কিন্তু সুযোগ ছিল উনি বিচ্ছেদের সময় যতটা অপমানিত হয়েছে দেশের মানুষের সামনে, সেটার প্রতিশোধ নেওয়া। কিন্তু তা করলো না! এমন ভাব করলো, ডাজন্ট কেঁয়ার!
বিচ্ছেদের পর পরিস্থিতি যতটা বাজে হোক না কেন? মাথা ঘামানো যাবে না।

একজন তাহসান মানে বিশ্বাস, সম্মান, ও আত্মসম্মানের ফুল প্যাকেজ।

05/10/2020

টিকে থাকার লড়াইয়ে এমন ফাঁক-ফোকর আপনাকেই খুঁজে বের করতে হবে । কেউ কিন্তু আপনাকে খুঁজে দেবে না বা জায়গা দেবে না । নিজের জায়গা নিজেকে করে নিতে হবে । এটাই চরম বাস্তবতা !

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Sylhet