Unity Blood Donation Group
no
জরুরি A+ রক্ত প্রয়োজন
যোগাযোগ ০১৭৪০৩৭৬০৫২
বছরে ৩ বার রক্তদান আপনার শরীরে লোহিত কণিকাগুলোর প্রাণবন্ততা বাড়িয়ে তোলার সাথে সাথে নতুন কণিকা তৈরির হার বাড়িয়ে দেয়। উল্লেখ্য রক্তদান করার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই দেহে রক্তের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে যায়। নিয়মিত রক্তদান করলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
রক্তদান নিয়ে ১০০ টি স্লোগান---
১. “তুচ্ছ নয় রক্তদান,
বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ”
২. “রক্ত দিলে হয়না ক্ষতি,
জাগ্রত করে মানবিক অনুভুতি”
৩. “জীবন বাঁচাতে সহযোগীতা করতে চান,
তাহলে মুমূর্ষ রোগীকে করুন- রক্তদান”
৪. “প্রস্তুত থাকে যদি কমপক্ষে ২ জন রক্তদাতা,
থাকবে গর্ভবতি মায়ের প্রাণের নিশ্চয়তা"
৫. “আমার রক্তে যদি সহযোগিতা করে- মুমূর্ষ রোগীর
প্রাণ,
তাহলে আমি কেন করবোনা স্বেচ্ছায় রক্তদান?”
৬. “যদি হই রক্তদাতা,
জয় করবো মানবতা”
৭. “হোক আজ একটি পণ
রক্ত দিয়ে বাঁচাতে সহায়তা করবো রোগীর জীবন”
৮. “মানবতার টানে,
ভয় নেই রক্তদানে”
৯. “আপনার এক ব্যাগ রক্তদান,
বাঁচাতে সহযোগিতা করবে মুমূর্ষ রোগীর প্রাণ”
১০. “ব্যয় করি কিছু সময়,
রক্ত দিয়ে করবো মোরা মানবতার জয়”
১১. “যদি করেন নিয়মিত রক্ত-দান,
রক্তের অভাবে ঝরবেনা একটিও প্রাণ”
১২. “স্বেচ্ছায় রক্তদান করুন,
মুমূর্ষ রোগীর মুখে হাঁসি ফোটান”
১৩. “প্রতিবার রক্ত দিতে গিয়ে-একজন রক্তদাতা,
বিনাখরচে যাচাই করতে পারে-সার্বিক সুস্থতা”
১৪. “সুস্থ থাকলে করুন রক্তদান,
হার্ট এ্যাটাকের ঝুকি কমান”
১৫. “Phone-book এ নামের সাথে রক্তের গ্রুপ সেভ
রাখলে,
প্রয়োজনের সময় খুব সহজেই রক্তদাতা মিলে”
১৬. “স্বেচ্ছায় অসহায় রোগীকে রক্ত দিলে,
কোরআনের মতে- সমগ্র জাতীর জীবন বাঁচানোর
সওয়াব মিলে”
১৭. “যারা নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর রক্ত দিবে,
তাদের দেহে BLOOD CELL সৃষ্টি বৃদ্ধি পাবে”
১৮. “দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চান,
তাহলে স্বেচ্ছায় করুন- রক্তদান”
১৯. “পৃথিবীর সবোর্চ্চ সেবা করতে চান,
তাহলে মুমূর্ষ রোগীকে করুন- রক্তদান”
২০. “যারা নিয়মিত রক্ত দিবে,
তাদের রক্তের- কোলেস্টেরল কমবে”
২ ১. “স্বেচ্ছায় রক্তদান করুন,
সামাজিক অঙ্গীকার পালন করুন”
২২. “মনের ভয়কে দূর করুন,
স্বেচ্ছায় রক্তদান করুন”
২৩. “কোন থ্যালাসেমিয়া রোগী যদি হয় আপনজন,
তাহলে আগে থেকেই রক্তদাতা প্রস্তুত রাখুন”
২৪. ”মুমূর্ষু রোগীকে রক্তদিলে,
মানসিক তৃপ্তি মিলে”
২৫. “একজন রক্তদানকারী,
নিঃসন্দেহে সে পরোপকারী”
২৬. “যারা নিয়মিত রক্ত দিবে,
তাদের ক্যান্সারের ঝুকি কমবে”
২৭. “মুমূর্ষ রোগীকে স্বেচ্ছায় রক্ত দিবো,
দালালদের ব্যবসা বন্ধ করবো"
২৮. “রক্ত চাই রক্তদাতার,
দোয়া চাই সকলের”
২৯. “জরুরি রক্তের প্রয়োজনের সময়,
যে কোন গ্রুপই সহজলভ্য নয়”
৩০. “আমার রক্ত আমি দিবো,
অসহায় রোগীকে দিবো”
৩১. “জাতি ধর্ম ও দল নির্বিশেষে,
রক্ত দিবো হেসে হেসে”
৩২. “করিবো মুমূর্ষ রোগীকে রক্তদান,
গাইবো মানবতার জয় গান”
৩৩. “মুমূর্ষ রোগীর প্রাণের টানে,
এগিয়ে আসুন রক্তদানে”
৩৪. “রক্তদাতার সাথে যোগাযোগ রাখুন,
পুনরায় রক্তদানে উৎসাহিত করুন”
৩৫. “কৃত্রিম রক্ত তৈরি করা হয়নি সম্ভব,
প্রয়োজনের সময় দিতে হবে যেকোন মানব”
৩৬. “যদি আপনার বয়স হয় আঠারো,
তাহলে আজই করুন রক্তদানের শুরু”
৩৭. “গর্ভবতির জন্য- ২ জন রক্তদাতা রেডি রাখবো,
রক্তের অভাবে গর্ভবতি মাকে মরতে নাহি দিবো”
৩৮. “রক্তদাতাদের মতো মহৎ মানুষ আছে দেখে,
অসহায় রোগীরা নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখে”
৩৯. “রক্তদানে কোন অজুহাত নয়,
সময় এবং দূরত্ব কিছু নয়”
৪০. “এমন একদিন আসবে,
যেদিন রক্তদাতারা রোগী খুঁজবে”
৪১. “আর নয় মিথ্যে অজুহাত,
জীবন বাঁচাতে রক্ত দিয়ে বাড়াই হাত”
৪২. “আমরা পেরেছি, আমরাই পারবো;
রক্ত দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাড়াবো”
৪৩. “রোজা রেখে রমজানে,
থেমে থাকবোনা রক্তদানে”
৪৪. “যদি প্রকৃত বন্ধু হতে চাও,
তাহলে মুমূর্ষ রোগীকে রক্ত দাও”
৪৫. “আপনি রক্তদান করে নিজে হাঁসুন,
রোগীর পরিবারকেও হাঁসিখুশি রাখুন”
৪৬. “ঝড়-বৃষ্টি ও তুফান,
থামাতে পারবেনা রক্তদান”
৪৭. “বর্তমানে অসংখ্য রক্তদাতা আছে,
রক্তদানের সময় হলে রোগী খুঁজে”
৪৮. “আপনার রক্তে বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ,
যদি সঠিক সময়ে হয় রোগীকে রক্তদান”
৪৯. “মুমূর্ষ রোগীকে দান করি রক্ত,
যাহা আমাদেরই নৈতিক দায়িত্ব”
৫০. "যদি বৃদ্ধি করতে পারি সচেতনতা
তাহলে বাড়বে রক্তদানের প্রবণতা”
৫১. “যদি কাটাতে পারি সামান্য সুঁইয়ের ভয়,
দিতে পারবো মানবতার আসল পরিচয়”
৫২. “মুমূর্ষ রোগীকে বিপদের মুখে ঠেলে দিবোনা,
স্ক্রিনিং টেষ্ট ও ক্রসমেসিং ব্যতিত রক্ত দিবোনা”
৫৩. “রক্তদান কি- তখনই বুঝবেন,
যখন- আপনজনের হয় প্রয়োজন”
৫৪. “যদি রক্তদানে নাহি থাকে যোগ্যতা,
তাহলে করে দিবো রক্তদাতার ব্যবস্থা”
৫৫. “মানুষের ভালোবাসা পেতে চান,
তাহলে অসহায়কে করুন- রক্তদান”
৫৬. “রক্তদানের ডাক- মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিবো,
অসহায় রোগীদের- মুখে হাসি ফুটাবো”
৫৭. “রক্তদানের যোগ্যতা থাকিলে রক্ত দিবো,
মুমূর্ষ রোগীকে বাঁচার স্বপ্ন দেখাবো”
৫৮. “মুমূর্ষ রোগীকে রক্তদান করি,
অন্যকে রক্তদানে উৎসাহিত করি”
৫৯. “আত্মাকে তৃপ্তি দিতে চান,
মুমূর্ষ রোগীকে করুন রক্তদান”
৬০. "মুমূর্ষ রোগীর জীবনের আহবানে,
এগিয়ে আসুন স্বেচ্ছায় রক্তদানে”
৬১. "নারী-পুরুষ কোন ভেদাভেদ নাই,
যোগ্যতা থাকিলে রক্তদানে বাধা নাই”
৬২. “পরিবারের সবার মন থেকে রক্তদানে ভুল ধারনা
ভেঙ্গে দিবো,
তাদের থেকেই পরবর্তিতে রক্তদানে উৎসাহ পাবো”
৬৩. “রক্তদানের নাহি ভয়,
নতুন সম্পর্ক সৃষ্টি হয়”
৬৪. “পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার দিতে চান,
তাহলে অসহায় রোগীকে করুন রক্তদান”
৬৫. “একটি ন্যায্য ডিগ্রী- মানবতা,
পাবে সেই যে- রক্তদাতা”
৬৬. “ধন্য সেইজন,
যে করে রক্তদান”
৬৭. “রক্তদান করতে গেলে কিছু সময় ও টাকা খরচ হবে,
বিনিময়ে আপনার উছিলায় একটি জীবন রক্ষা পাবে”
৬৮. “এমন কোন মানুষ বলতে পারবেনা,
তাদের আত্মীয়দের রক্তের প্রয়োজন হবেনা”
৬৯. “মুমূর্ষ রোগীদের আশার আলো জ্বালান,
স্বেচ্ছায় করুন রক্তদান”
৭০. “আমার রক্তদাতা বন্ধুরা আছে বলে,
রক্তের জন্য চিন্তা করিনা বললেই চলে”
৭১. “যাদের মধ্যে বিরাজ করে মানবতা,
তাদের মধ্যে অন্যতম হল রক্তদাতা”
৭২. “মানুষের জীবন অনেক মূল্যবান,
তাই অসহায় রোগীকে করি রক্তদান”
৭৩. “পাবো অপরিসীম সম্মান,
করিলে স্বেচ্ছায় রক্তদান”
৭৪. “এক্সিডেন্টের রোগীদের জন্য খুব দ্রুত
রক্তের প্রয়োজন হয়,
তাই আশে-পাশের সবার রক্তের গ্রুপ জেনে রাখলে
ভালো হয়”
৭৫. “যেদিন প্রতিটি ঘরে অন্তত ১ জন রক্তদাতা থাকবে,
ইনশআল্লাহ্ রক্তের অভাবে আর কেউ নাহি মরবে”
৭৬. “নিঃস্বার্থ ভাবে কোন কাজ করতে চান,
অসহায় রোগীকে স্বেচ্ছায় করুন রক্তদান”
৭৭. “অপরিসীম ভালোবাসা পাবো,
অসহায় রোগীকে রক্ত দিবো”
৭৮. “রক্তের বিকল্প কিছু নাই,
এসো রক্তদানে এগিয়ে যাই"
৭৯. “পরিচিত বা অপরিচিত যেই হোক,
স্বেচ্ছায় রক্তদান হোক সর্বাত্মক”
৮০. “পারস্পরিক রক্তের বন্ধনে,
এগিয়ে আসুন রক্তের আহবানে”
৮১. “মানবতার কল্যাণে,
এগিয়ে আসুন রক্তদানে”
৮২. “ধনী-গরিব, মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে;
রক্তের প্রয়োজনে আমরা আছি অসহায়দের পাশে”
৮৩. ”বিয়ের আগে হবু স্ত্রী এবং হবু স্বামীর রক্তের
হিমোগ্লোবিন ইলেক্ট্রফোরেসিস পরীক্ষা করে
নিলে,
বিয়ের পরে থ্যালাসেমিয়া রোগ থেকে রক্ষা পাবে
তাদের সন্তান জন্ম নিলে”
৮৪. “কারো রক্তের প্রয়োজন হলে বসে থাকলে
চলবেনা,
আপনার বিপদের দিনে মানুষের অভাব হবেনা”
৮৫. “রক্তদানের কার্যক্রম বেশি বেশি প্রচার করুন,
অন্যদেরকেও রক্তদানে উৎসাহ প্রদান করুন”
৮৬. “রক্তদানে পূণ্য বাড়ে, বাড়ে মনের জোড়;
রক্তদানে এগিয়ে আসুন নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর”
৮৭. “যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে রক্তদান কার্যক্রমে
এগিয়ে আসতো,
তাহলে এই দেশে রক্তের অভাবে একটি প্রাণও ঝরে
নাহি পরতো”
৮৮. “রক্ত দিয়ে নিজের সুস্থ্যতা যাচাই করুন,
অন্যকে সুস্থ্য হতে সহযোগীতা করুন”
৮৯. “এক ব্যাগ রক্ত, সেতো অমূল্য রতন;
বাঁচাতে সহযোগিতা করে- একটি জীবন”
৯০. “রক্তের বিকল্প- কোন কিছু নাই;
তাই, এসো রক্তদানে এগিয়ে যাই”
৯১. “রক্তদানে ভয় না পেয়ে হাতটা দিন বাড়িয়ে,
রক্তদান মহান দান; সব দানকে ছাড়িয়ে”
৯২. “অসহায় রোগীকে-- রক্তদান;
সেতো পৃথিবীর সর্বসেরা দান”
৯৩. “রক্তদানের মতো মহৎ কাজে নিজেকে নিয়োজিত
করি;
পাশাপাশি অন্যদেরকেও উৎসাহ প্রদান করি”
৯৪. “নিয়মিত রক্তদান করুন,
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন”
৯৫. “অসহায় রোগীকে নিয়মিত রক্তদান করুন,
শরীরে আয়রনের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখুন”
৯৬. “কারো রক্তে যদি বাঁচাতে সহযোগিতা করে মুমূর্ষ
রোগীর প্রাণ;
সেই রক্তদাতা ব্যক্তিতো পৃথিবীর সবচেয়ে বড়
সৌভাগ্যবান”
৯৭. “অসহায় রোগীকে রক্তদানে এগিয়ে আসুন,
সাম্প্রদায়িকতা ভুলে মানবতাকে ভালবাসুন”
৯৮. “অসহায়কে স্বেচ্ছায় রক্তদানে হইওনা কৃপণ;
তোমার রক্তে বাঁচাতে পারে একটি জীবন”
৯৯. “রক্তদানে যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষরা যদি অন্ততো
তাদের জন্মদিনে রক্ত দিতো;
তাহলে রক্তের অভাবে এই বাংলাদেশে কোন মুমূর্ষ
রোগী নাহি মরতো”
১০০ ”রক্তদানের পাশাপাশি আশে-পাশের মানুষগুলোকেও
রক্তদানে উৎসাহি করুন;
অসহায় মুমূর্ষ রোগীদের রক্তের ব্যবস্থা করে
জীবন বাঁচাতে সহযোগিতা করুন”
29/06/2020
মহামারী করুণার মধ্যে চতুর্থবারের মতো ব্লাড ডোনেট করলাম । সকলের দোয়া কামনা করি আল্লাহ যেন আমাদেরকে সুস্থ রাখেন
যারা প্লাজমা দিচ্ছেন তাদের জন্য কিছু জরুরী কথা:
প্লাজমা ডোনেশন খুবই সহজ ও নিরাপদ একটি প্রক্রিয়া। এ পদ্ধতিতে ডোনারের শরীর থেকে সংগ্রহীত রক্ত sterile tube এর মাধ্যমে সেন্ত্রিফিউজ মেশিনে যায়। Plasmapheresis পদ্ধতিতে রক্ত থেকে প্লাজমা আলাদা হয়ে একটি প্লাজমা ব্যাগ এ জমা হয়। আর রক্ত পুনরায় ডোনারের শরীরে দিয়ে দেওয়া হয়। সময় লাগে ৬০-৯০ মিনিট। ডোনারের কিছু মেডিক্যাল টেস্ট ও বিনামূল্যে করে দেওয়া হয়।
প্লাজমার ৯০% ই পানি। তাই, কেউ প্লাজমা দান করলে ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শরীর তা পূরণ করে ফেলে। স্বাভাবিক খাবার আর যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করলেই চলবে।
ডাক্তাররা শরীরের ডোনারের শরীরের ওজন এর হিসাবে ১০ মিলি লিটার/প্রতি কেজি প্লাজমা নিয়ে থাকেন। আপনার ওজন যদি ৫০ কেজি হয়, তবে মাত্র ৫০০ মিলি প্লাজমা নেওয়া হবে।
আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, একজন ব্যাক্তি প্লাজমা দান করার ৪৮ ঘণ্টা পর পুনরায় প্লাজমা দান করতে পারেন। অর্থাৎ সপ্তাহে ২ বার চাইলেই আপনি প্লাজমা দিতে পারেন নিরাপদে। এজন্য শুধু বেশি করে পানি আর স্বাভাবিক খাবার দাবার খেতে হবে। তারপরও যদি কেউ আশঙ্কিত থাকেন, অন্তত প্রতি সপ্তাহে ১ বার তো প্লাজমা ডোনেট করতেই পারেন।
Remeber! Everyone who got coronavirus is a SUPERHERO!
There is not WINNER or LOSER. Who lost their lives died fighting very hard. They are not losers, they are winners too! চলেন আরেকটা মুক্তিযুদ্ধ করি, এবার করোনার বিরুদ্ধে!!
You can keep saving lives daily.
2 donation in 6 days.
Saves 1 life Everyday!
আপনি প্লাজমা ডোনেশনের উপযোগী হলে হ্যাশট্যাগ ব্যাবহার করে পোস্ট করুন নিজের wall এ। আপনার availability সবাইকে জানান। হ্যাশট্যাগ সার্চ করে সবাই সহজেই আপনাকে খুঁজে পাবে।
বাকিরা দয়া করে সবার মাঝে পোস্টটি ছড়িয়ে দিন!
©সংগৃহীত
যখন টাইটানিক ডুবছিল তখন কাছাকাছি তিনটে জাহাজ ছিল।
একটির নাম ছিল " স্যাম্পসন "। মাত্র সাত মাইল দুরে ছিল সেই জাহাজ। ওরা দেখতে পেয়েছিল টাইটানিকের বিপদ সংকেত , কিন্তু বেআইনি সীল মাছ ধরছিল তারা। পাছে ধরা পড়ে যায় তাই তারা উল্টোদিকে জাহাজের মুখ ঘুরিয়ে বহুদুরে চলে যায়।
এই জাহাজটার কথা ভাবুন। দেখবেন আমাদের অনেকের সাথে মিল আছে এর। আমরা যাঁরা শুধু নিজেদের কথাই ভাবি। অন্যের জীবন কি এলো কি গেল তা নিয়ে বিন্দুমাত্র মাথাব্যাথা নেই আমাদের।
দ্বিতীয় জাহাজটির নাম " ক্যালিফোর্নিয়ান "। মাত্র চোদ্দ মাইল দুরে ছিল টাইটানিকের থেকে সেই সময়। ঐ জাহাজের চারপাশে জমাট বরফ ছিল। ক্যাপ্টেন দেখেছিলেন টাইটানিকের বাঁচতে চাওয়ার আকুতি। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকুল ছিল না এবং ঘন অন্ধকার ছিল চারপাশ তাই তিনি সিদ্ধান্ত নেন ঘুমোতে যাবেন। সকালে দেখবেন কিছু করা যায় কিনা। জাহাজটির অন্য সব ক্রিউএরা নিজেদের মনকে প্রবোধ দিয়েছিল এই বলে যে ব্যাপারটা এত গুরুতর নয়।
এই জাহাজটাও আমাদের অনেকের মনের কথা বলে। আমাদের মধ্যে যারা মনে করেন একটা ঘটনার পর, যে ঠিক সেই মুহুর্তে আমাদের কিছুই করার নেই। পরিস্থিতি অনুকুল হলে ঝাঁপিয়ে পড়বো।
শেষ জাহাজটির নাম ছিল " কারপাথিয়ান্স "।
এই জাহাজটি আসলে যাচ্ছিল উল্টোদিকে। ছিল প্রায় আটান্ন মাইল দুরে যখন ওরা রেডিওতে শুনতে পায় টাইটানিকের যাত্রীদের আর্ত চিৎকার।
জাহাজের ক্যাপ্টেন হাঁটুমুড়ে বসে পড়েন ডেকের ওপর। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন যাতে তিনি সঠিক পথ দেখান তাঁদের। তারপর পুর্ণশক্তিতে বরফ ভেঙ্গে এগিয়ে চলেন টাইটানিকের দিকে।
ঠিক এই জাহাজটির এই সিদ্ধান্তের জন্যেই টাইটানিকের সাতশো পাঁচজন যাত্রী প্রাণে বেঁচে যান।
মনে রাখা ভাল এক হাজার কারন থাকবে আপনার দায়িত্ব এড়াবার কিন্তু একটাই কারন অন্যের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ার, সেটা হল
#ইচ্ছাশক্তি বা .
(সংগৃহীত)
Positive Thinkers
08/06/2019
রক্তদানের আদ্যোপান্ত (ছবিঘর) রক্তদান কি কেবল অন্যের জীবন বাঁচায়? না, তা নয়৷ রক্তদাতাও এর মাধ্যমে উপকৃত হন বহুভাবে৷ তবুও চাহিদা অনুযায়ী মিলে না .....
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sylhet
Sylhet
3172
