Go Health Office
Health Is The Root Of All Happiness
19/03/2025
’’কিয়ামত ততক্ষণ পর্যন্ত সংঘটিত হবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত মুসলিমরা ইয়াহুদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ না করবে।
ইয়া আল্লাহ ইয়া আল্লাহ
জাতীয় ভিটামিন ‘এ' প্লাস ক্যাম্পেইন ১৫ মার্চ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বছরে ২ বার ৯৮ শতাংশ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানোর ফলে ভিটামিন ‘এ’ অভাবজনিত অন্ধত্বের হার ১ শতাংশের নিচে কমে এসেছে এবং শিশু মৃত্যুর হারও কমেছে।
আসমান জমিন ভরে উঠুক বসন্তের আবেশে। ফুলে ফুলে ভরে উঠুক সারা দেশ সুবাসে। মানুষের জীবন ভরে যাক কোকিলের বাঁকে। তাই সবাইকে জানাই ফাল্গুনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
14/02/2024
একটি বই একশটি বন্ধুর সমান.. কিন্তু একজন ভালো বন্ধু পুরো একটি লাইব্রেরির সমান
- এ পি জে আব্দুল কালাম
তুমি আমাকে শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দিবো
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
"""শুভ সকাল
صباح الخير
Good Morning
আজ বুধবার
২৬ জুলাই ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
৭ মহররম ১৪৪৫ হিজরী
১১ শ্রাবণ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
এখন বর্ষাকাল
☀️
আজকের সূর্যোদয় ৫.২৫
এবং সূর্যাস্ত ৬.৪৪ মিনিটে
সতর্ক থাকুন, নিরাপদে থাকুন
আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন💙💜"""
ডেঙ্গু জ্বর একটি এডিস মশা বাহিত রোগ এটি মুলত ডেঙ্গু ভাইরাসের কারনে হয়ে থাকে। এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়।
ডেঙ্গুর লক্ষণ:
ডেঙ্গুতে সংক্রমিত হওয়ার প্রথম কিছু ঘণ্টায় পায়ে ও হাড়ের সংযোগস্থানে ব্যথা অনুভব হয়ে থাকে। জ্বর খুব দ্রুত বেড়ে গিয়ে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট হতে পারে। এসময় হৃদস্পন্দন হার ও রক্তচাপ কম থাকে। মুখমণ্ডলে লাল অথবা গোলাপী র্যাশ ওঠে, যা পরে অদৃশ্য হয়ে যায়। ঘাড় ও কুঁচকির লসিকাগ্রন্থি প্রায়সময় ফুলে থাকে।ডেঙ্গু জ্বর হলে,তা ডেঙ্গু জ্বর কিনা তা যে সব উপসর্গ দেখে বুঝতে পারবেন যেমন-
১। শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ বৃদ্ধি পায়।
২। মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, পেটে ব্যথা, মাংসপেশি ও মেরুদণ্ডে প্রচণ্ড ব্যথা হয়।
৩। বমি বমি ভাব এবং বমি।
৪। রক্তচাপ হ্রাস, নাড়ির গতি দ্রুত হওয়া, ছটফট করা, শরীরে ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট বা অজ্ঞান হয়ে পড়ে।
৫। লালচে বা কালো রঙের পায়খানা হওয়া।
৬। চামড়ার নিচে রক্তক্ষরণ, চোখে রক্ত জমাট বাঁধা, নাক, মুখ, দাঁতের মাড়ি বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
৭। রোগী শিশু হলে অতিরিক্ত কান্না বা অস্থিরতা এমনকি অজ্ঞান হয়ে পড়া;
৮। শরীরে হামের মতো দানা দেখা দিতে পারে।
৯। হেমোরেজিক ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থেকে রক্তক্ষরণ এবং পেটে ও ফুসফুসে পানি জমতে পারে
ডেঙ্গুজ্বরে করণীয়:
আমাদের দেশে ডেঙ্গু জ্বর সাধারণত জুন-জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর পর্যন্ত হয়ে থাকে। বর্ষাকালে যে কোনো জ্বর হলেই আমাদের দেশে ডেঙ্গুর কথা মাথায় রাখতে হবে। সাধারণত এই জ্বর হয়ে থাকে অতিরিক্ত মাত্রার, ১০২ থেকে ১০৫ ফারেনহাইট। জ্বরের সঙ্গে আরও যেসব উপসর্গ থাকে, তা হলো তীব্র শরীরব্যথা, পিঠে এবং মাংসে ব্যথা, চোখের চারপাশে এবং পেছনে ব্যথা, বমি বমি ভাব অথবা বমি, পেটে ব্যথা, ক্ষুধামান্দ্য, কোষ্ঠকাঠিন্য, স্বাদের পরিবর্তন এবং গায়ে লালচে ভাব। এ সময় জ্বরে আক্রান্ত হলে কালক্ষেপণ না করে জ্বরের শুরুতেই প্রথম পাঁচ দিনের মধ্যে ডেঙ্গু এনএসওয়ান টেস্ট করে নেওয়া প্রয়োজন। এর সঙ্গে প্রয়োজন CBC (সিবিসি), IgG (আইজিজি), IgM (আইজিএম), SGPT (এসজিপিটি), SGOT (এসজিওটি), Dengue NS1 etc টেস্ট করা। কারণ, এবার একটু দ্রুতই কিছু বুঝে ওঠার আগেই জটিলতা বাড়তে দেখা যাচ্ছে।
ডেঙ্গু হলে আতংক নয়,
হাতের কাছেই আছে প্রতিরোধের সহজ উপায়।
ডেঙ্গুতে মৃত্যুর অন্যতম কারন রক্তে প্লাটিলেট কমে যাওয়া ..
#রক্তে_প্লাটিলেট_বাড়াবেন_যেভাবে-
রক্তে প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকা রক্তজমাটে সাহায্য করে। ২০ হাজারের নিচে প্লাটলেটের সংখ্যা নেমে আসলে কোনো প্রকার আঘাত ছাড়াই রক্তক্ষরণ হতে পারে। কোনো কারণে রক্তে প্লাটিলেট কমে গেলে জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার মাধ্যমেই প্লাটিলেটের সংখ্যা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। কিছু খাবার আছে যেগুলো প্লাটিলেট বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। আসুন জেনে নেই সেসব খাবারের নাম।
পেঁপে এবং পেঁপে পাতা
----------------------------
পেঁপে খুব দ্রুত রক্তের প্লাটিলেটের পরিমাণ বাড়াতে সক্ষম। মালয়েশিয়ার এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলোজির একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, ডেঙ্গু জ্বরের কারণে রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ কমে গেলে পেঁপে পাতার রস তা দ্রুত বৃদ্ধি করে। রক্ত প্লাটিলেটের পরিমাণ কমে গেলে প্রতিদিন পেঁপে পাতার রস কিংবা পাকা পেঁপের জুস পান করুন।
মিষ্টি কুমড়া এবং কুমড়া বীজ
-----------------------------
মিষ্টি কুমড়া রক্তের প্লাটিলেট তৈরি করতে বেশ কার্যকরী। এছাড়াও মিষ্টি কুমড়াতে আছে ভিটামিন ‘এ’ যা প্লাটিলেট তৈরি করতে সহায়তা করে। তাই রক্তের প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়াতে নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া এবং এর বীজ খেলে উপকার পাওয়া যায়।
লেবুর রস
-------------
লেবুর রসে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকে। ভিটামিন সি রক্তে প্লাটিলেট বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও ভিটামিন ‘সি’ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়িয়ে তোলে। ফলে প্লাটিলেট ধ্বংস হওয়া থেকেও রক্ষা পায়।
আমলকী
-------------
আমলকীতেও আছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। এছাড়াও আমলকীতে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে। ফলে আমলকী খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং প্লাটিলেট ধ্বংস হওয়া থেকে রক্ষা পায়।
অ্যালোভেরার রস
------------------------
অ্যালোভেরা রক্তকে বিশুদ্ধ করে। রক্তের যেকোনো সংক্রমণ দূর করতেও অ্যালোভেরা উপকারী। তাই নিয়মিত অ্যালোভেরার জুস পান করলে রক্তের প্লাটিলেটের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
ডালিম
----------
ডালিম রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর আয়রন রয়েছে যা প্লাটিলেট বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন ১৫০ মিলিলিটার ডালিমের জুস দুই সপ্তাহ পান করুন। ডালিমের রসের ভিটামিন দুর্বলতা দূর করে কাজে শক্তি দেবে।
** ডেঙ্গু হলে সবার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ীই ঔষধ কিংবা অন্য কিছু সেবন করা বাঞ্ছনীয়।
cp
#জনস্বার্থে ...
প্রত্যেক মানুষই তার নিজস্ব সুস্বাস্থ্য কিংবা রোগ সৃষ্টির মূল কারণ। – বুদ্ধ
প্রতিদিন ভোরে উঠে এক ঘণ্টা শরীরচর্চা করলে নিশ্চিতভাবে নীরোগ থাকা যায় এবং দীর্ঘায়ু লাভ করা যায়। – লিন্ডসে
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Jatabari, Modhupur, Tangail.
Tangail
1996
