Beauty tips
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Beauty tips, Health/Beauty, Tangail.
04/03/2023
ত্বক-চুলের যত্ন | ডিমের তৈরি দারুণ কার্যকরী ৭টি প্যাক!
HARES
Share
Tweet
ডিম এমন একটি খাবার যা একই সাথে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এবং রূপচর্চায় ও এর জুড়ি মেলা ভার। Rapunzel’র মতো সুন্দর চুল অথবা স্নো হোয়াইট এর মতো মসৃণ চেহারা চাই? সেক্ষেত্রে ডিম আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাতে অনেকটা সাহায্য করতে পারে। আসলে ডিমে আছে লুটিন যা আপনার ত্বক কে প্রাণবন্ত ও হাইড্রেটেড করতে সাহায্য করে। ডিম আমাদের শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন সরবরাহ করে যা নখ এবং চুলের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও ডিমের প্রোটিন ত্বকের টিস্যু মেরামত করে মুখের ত্বক কে টাইট রাখে এবং চুলের গোড়া শক্ত করে চুলকে আরও স্বাস্থ্যজ্জ্বল করে তোলে যা আমাদের সকলেরই কাম্য। এখানেই শেষ নয়, ডিমে উপস্থিত ভিটামিন এ বলিরেখা এবং ফাইন লাইন্স কমাতেও সাহায্য করে।
তাহলে বুঝতেই পারছেন ডিমের উপকারিতা লিখে আর শেষ করা যাবে না। তবে আমাদের স্বাস্থ্য এবং রূপচর্চায় ডিম কতটা উপকারী সেই সম্পর্কে আজ আপনাদের কিছুটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করবো।
প্রথমেই আসা যাক ডিমের স্বাস্থ্য বিষয়ক গুণগুলো নিয়ে
– ডিমে রয়েছে প্রাকৃতিকভাবেই ভিটামিন ডি, যা খুব কম খাবারে থাকে এবং একটি ডিমেই রয়েছে ৭০ ক্যালোরি।
– ডিম ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, যেসব মহিলারা এক সপ্তাহে কমপক্ষে ৬ টি ডিম খায়, তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার এর ঝুকি ৪৪% কমে যায়।
– হার্ভার্ড স্কুল অফ পাবলিক হেল্থ স্টাডি অনুসারে, ডিম খাবার সাথে হার্ট এর রোগের সেরকম উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক নেই বরং একটা গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রতিদিন একটি ডিম খেলে তা রক্তচাপ, স্ট্রোক এবং হার্ট এটাক এর ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
ত্বকের যত্নে ডিম:
egg1
-মুখের অবাঞ্ছিত লোম্কুপ কমাতে ডিমের সাদা অংশ ভালোভাবে ফেটে পরিষ্কার ত্বকে মাখুন। ২০ মিনিট অপেক্ষা করে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
– পরিষ্কার এবং নরম ত্বকের জন্য একটি পাত্রে ডিমের সাদা অংশ, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে তুলা দিয়ে সমানভাবে মুখে মাখুন। শুকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মুহূর্তের মধ্যেই ত্বক টাইট এবং নরম অনুভূত হবে।
– একটি ডিমের কুসুম, আধা কাপ টক দই এবং কয়েক ফোঁটা মধু ভালো ভাবে মিশিয়ে মুখে মাখুন । শুকালে ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে প্রাকৃতিকভাবে।
– একটি ডিমের কুসুম, তিন চা চমচ অলিভঅয়েল এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ভালোভাবে মিক্স করে মুখে এবং ঘাড়ে মাখুন। এ মাস্কটি শুষ্ক ত্বকের জন্য খুব উপকারী।
চুলের যত্নে ডিম:
– একটি ডিম, আধা কাপ টক দই, এক চা চমচ অলিভ অয়েল/ আমন্ড অয়েল ভালো ভাবে মিক্স করে চুলে ভালোমতো লাগান। ৪০-৪৫ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এতে করে চুল খুব ভালোমতো কন্ডিশন্ড হবে, উজ্জ্বল এবং সুন্দর হবে।
– নিষ্প্রাণ এবং রুক্ষ চুলের জন্য একটি ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে ভালোভাবে ফেটে নিয়ে পুরো চুলে মাস্ক হিসেবে লাগান। ৩০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এই মাস্কটি আপনার চুলের প্রাণ ফিরিয়ে এনে একে করে তুলবে নরম এবং উজ্জ্বল।
– একটি কলা , একটি ডিম , তিন চা চমচ মধু, তিন চা চমচ দুধ, পাঁচ চা চমচ অলিভঅয়েল ভালো ভাবে মিক্স করে ১৫- ২০ মিনিট মাথায় রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন । এটি চুলের ড্যামেজ সারাতে খুবই কার্যকর একটি মাস্ক।
আশা করি পোস্টটি দ্বারা আপনারা উপকৃত হবেন।
04/03/2023
সৌন্দর্যচর্চায় টমেটো | আকর্ষণীয় ত্বক ও চুল পেতে ৭টি প্যাক
tomato
টমেটো মূলত শীতকালীন রঙিন সবজি হলেও আমাদের দেশে এখন সারাবছরই টুকটুকে লাল সুন্দর এবং স্বাদে গুণে অতুলনীয় এই সবজিটি পাওয়া যায়। সবজি এবং সালাদ হিসেবে ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ টমেটোর বেশ চাহিদা রয়েছে। এতে আছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফলিক এসিড এবং প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। টমেটোতে লাইকোপেন নামে বিশেষ উপাদান রয়েছে, যা ফুসফুস, পাকস্থলী, অগ্ন্যাশয়, কোলন, স্তন, মূত্রাশয়, প্রোস্টেট ইত্যাদি অঙ্গের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। এতে আছে পটাসিয়াম, মাসল ক্র্যাম্পের জন্য উপকারী এই পটাসিয়াম। টমেটোতে এই উপাদান থাকায় যাদের রক্তে হোমোসিস্টেনের মাত্রা (এক ধরনের এসিড) বেশি তাদের জন্য টমেটো উপকারী। তাছাড়া বাতের ব্যথা নিরাময়ে, হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে, চোখের জ্যোতি বাড়াতে, রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে বাড়তি ওজন ঝড়াতে ও সহায়ক এই সুপারফুড টমেটো।
সুস্বাস্থ্য রক্ষায় টমেটোর গুণ তো বুঝলেন, সৌন্দর্যচর্চায় টমেটো যে জাদুকরী, তা কি জানেন? ত্বকের যত্ন হোক বা চুলের যত্ন, এক টুকরো টমেটো কিন্তু চট করে অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়, একদম প্রাকৃতিকভাবে কোনো প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। চলুন তাহলে দেখে নেয়া যাক, আপনার স্কিন কেয়ার এবং হেয়ার কেয়ার রুটিনে কিভাবে টমেটো ব্যবহার করতে পারেন!
সৌন্দর্যচর্চায় টমেটো ব্যবহার করবেন যে ৭টি উপায়ে
(১) রোদে পোড়া ত্বক উজ্জ্বল করতে
ত্বক উজ্জ্বল করতে টমেটো
একটি টমেটো মাঝখান থেকে কেটে দুই টুকরা করুন। এবার টমেটোর অর্ধেক করা টুকরাটির উপরে অল্প লেবুর রস চিপে সরাসরি ত্বকের রোদে পোড়া অংশে আস্তে আস্তে সার্কুলার মোশনে লাগাতে থাকেন। এবং ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করুন রসটা স্কিনে ভালোভাবে বসে অ্যাবসর্ব হওয়ার জন্য। এবার পানি দিয়ে ভালোভাবে মুখ ধুয়ে ফেলুন। টমেটো এবং লেবুর ন্যাচারাল ব্লিচিং প্রোপার্টি রোদে পোড়া ত্বককে ঠিক করবে এবং প্রাকৃতিকভাবেই এর উজ্জ্বলতা বাড়াবে।
(২) ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং সৌন্দর্যচর্চায় টমেটো ফেইস প্যাক
১ টেবিল চামচ টকদই, ৩ চা চামচ টমেটোর রস, দুই চিমটি হলুদ মিশিয়ে ফেইস প্যাক বানিয়ে নিন। এবার এটি মুখে, গলায় ভালোভাবে মেখে আধা ঘণ্টা পর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। কোনরকম সাইড ইফেক্টস ছাড়াই এই ফেইস প্যাকটি প্রাকৃতিকভাবে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে তুলবে।
(৩) টোনার হিসেবে
৩ টেবিল চামচ টমেটোর রস আর ৩ টেবিল চামচ শসার রস একসাথে মিশিয়ে নিন। এবার তুলোর বলের সাহায্যে মুখে, গলায় লাগিয়ে নিন। এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে আপনার স্কিনে কাজ করবে। একনে প্রন সেনসিটিভ ত্বকের জন্য খুবই ভালো সমাধান।
(৪) অ্যান্টি এজিং রিমেডি
বরফ জমানোর ট্রেতে (ice cube tray) সমপরিমাণ টমেটোর রস, লেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে (১:১:১) ঢেলে রাখুন এবং ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। প্রতিদিন রাতে ঘুমোনোর আগে একটি করে আইস কিউব বের করে মুখে আস্তে আস্তে ঘষে নিন। তারপর মুখ ধুয়ে নিন। ত্বকের বলিরেখা ধীরে ধীরে কমতে শুরু হবে এবং ত্বকের কোলাজেন তৈরি হবে।
(৫) সৌন্দর্যচর্চায় এবং ব্রনের দাগ দূর করতে
ব্রনের দাগ দূর করতে টমেটো - shajgoj.com
৩ চা চামচ মুলতানি মাটি, অর্ধেকটি টমেটোর রস, ২ চা চামচ অ্যালোভেরা জেল (ফ্রেশ পাতা থেকে বের করা, অথবা স্কিন ক্যাফে অ্যালোভেরা জেল), সামান্য গোলাপজল ভালোভাবে মিশিয়ে স্কিনে লাগিয়ে আধা ঘণ্টার জন্য রেখে দিন। তারপর মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ব্রনের জেদি দাগগুলোও আস্তে আস্তে দূর হবে।
(৬) ত্বকের রোমকূপগুলো সংকুচিত করতে
আমাদের অনেকেরই ত্বকের রোমকূপ বড় হওয়ার সমস্যাটা আছে। এ সমস্যার সমাধানে ও দরকার টমেটো। ১ টেবিল চামচ টমেটোর রসে ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে তুলোর বলের সাহায্যে পুরো মুখে লাগিয়ে নিন। আধ ঘণ্টা পর প্রথমে কুসুম গরম পানি, তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। পোরগুলো সংকুচিত হয়ে আসবে।
(৭) খুশকিমুক্ত উজ্জ্বল ঝলমলে চুল পেতে এবং সৌন্দর্যচর্চায় টমেটো
ঝলমলে চুল - shajgoj.com
একটি টমেটো ব্লেন্ডারে পেস্ট করে নিন। এবার শ্যাম্পু করার পর ভেজা চুলে মাথার স্ক্যাল্পসহ ভালোভাবে ঐ টমেটো পেস্ট লাগিয়ে নিন। ৫-৭ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। টমেটোর অ্যান্টি ফাংগাল প্রোপার্টি মাথা থেকে খুশকি তাড়াবে এবং চুলকে করে তুলবে ঝলমলে উজ্জ্বল।
তাই সুস্বাস্থ্যের জন্য আর দেড়ি না করে এখনই প্রতিদিন অন্ততপক্ষে একটি করে টমেটো খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং সৌন্দর্যচর্চায় ত্বক আর চুলের যত্নে এই অসাধারণ প্রাকৃতিক উপাদানটি নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন। আর যদি প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে ঝামেলা মনে হয় তবে ভালো মানের প্রোডাক্ট ব্যবহার করুন। এক্ষেত্রে সাজগোজ হতে পারে আপনাদের নির্ভরতার জায়গা। আপনারা চাইলে সাজগোজের দুটি ফিজিক্যাল শপ যার একটি যমুনা ফিউচার পার্ক ও অপরটি সীমান্ত স্কয়ারে অবস্থিত, সেখান থেকে কিনতে পারেন আর অনলাইনে কিনতে চাইলে শপ.সাজগোজ.কম থেকে কিনতে পারেন। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, সুন্দর থাকবেন।
04/03/2023
চুলের যত্নে ভুল | দূর করুন ৮টি ক্ষতিকর অভ্যাস!
সুন্দর চুল যে কোনো নারীর সৌন্দর্য বহুগুনে বাড়িয়ে দেয়। তাইতো সুন্দর চুল পেতে কতো যত্ন এবং কতোকিছুর পেছনে দৌড়াতে থাকি আমরা। কিন্তু চুলের ভালো করতে গিয়ে, কিছু ভুল করে ফেলার ফলে আবার চুলের ক্ষতি করে ফেলি! আজকে আমরা আপনাদের জানাবো চুলের যত্নে আমাদের করা ভুলগুলো সম্পর্কে। চলুন জেনে নেই কিভাবে আমরা করে থাকি চুলের যত্নে ভুল।
চুলের যত্নে ভুল
(১) অতিরিক্ত চুল আঁচড়ানো
চুলের যত্নে প্রথম ভুল হচ্ছে অতিরিক্ত চুল আঁচড়ানো। চুল সুন্দর, জটহীন রাখতে চুল আঁচড়ানোকে আমরা সবথেকে বেশি গুরুত্ব দেই। অনেকেই বলে থাকেন, চুল আঁচড়াতে গেলেই খুব চুল পড়ে। এর কারণ আছে। আপনি নিশ্চয়ই চুল গোড়ার দিক থেকে আঁচড়ানো শুরু করেন। যার ফলে, উপর থেকে জটগুলো চুলের আগা পর্যন্ত যেতে থাকে। আর শেষমেশ, নিচের সব জটগুলো একসাথে ছাড়িয়ে নিতে গিয়েই বাঁধে বিপত্তি। চুল ভাঙতে এবং ছিড়তে থাকে। এজন্যে চুল সব সময় আগার দিক থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে কম্ব করে করে উপরের দিকে উঠতে হবে। এতে খুব বেশী জট জমা হবে না এবং চুলও ভাঙবে/ছিড়বে কম।
(২) হিট প্রোটেক্টর স্প্রে স্কিপ করা
হেয়ার স্টাইল করতে গেলে হিট, আয়রন, কার্লার ইত্যাদির দিকে চোখ যায় আমাদের। এগুলো দিয়ে স্টাইল করা অনেক সহজ এবং দেখতেও তো সুন্দর লাগে। কিন্তু এর ফলে চুলের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। যত সম্ভব এই সকল প্রোডাক্ট থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করবেন। হিটলেস হেয়ার স্টাইল ট্রাই করতে পারেন। আর যদি এসব প্রোডাক্ট ব্যবহার করতেই হয় তবে ব্যবহার করার আগে পুরো চুলে হিট প্রোটেক্টর স্প্রে লাগিয়ে নিতে হবে। এতে ড্যামেজ কম হবে।
(৩) সঠিকভাবে তেল ব্যবহার
চুলের যত্নের জন্যে যে জিনিসটি আমাদের সবার চোখে পড়ে, তা হলো চুলে তেল ব্যবহার করা। চুলে তো তেল ব্যবহার করবেনই। তবে, সেটা নিয়ম মাফিক। খুব বেশী তেল ব্যবহার করা কিন্তু ঠিক নয়। সপ্তাহে ১-২ বারের বেশী তেল ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করলেই কিন্তু আপনার চুল ঘন হয়ে যাবে না বরং তাতে খুশকি বাড়ার সুযোগ থাকে। এছাড়াও তেল ব্যবহারের পর যদি ভালোভাবে শ্যাম্পু না করা হয়, তবে কিন্তু চুল পড়তে পারে। তাই সপ্তাহে ১-২ বার তেল ব্যবহার করবেন।
(৪) হেয়ার গ্রোথ পিল
অনেককেই দেখা যায় চুলের গ্রোথের জন্যে হেয়ার গ্রোথ পিল খেতে। আন্দাজে এসব পিল খাওয়া খুব একটা স্বাস্থ্যকর নয়। তাই রিস্ক না নেওয়াই ভালো। যদি খেতে হয় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৫) টাওয়াল দিয়ে জোরে চুল ঘষা
চুল ধোয়ার পর টাওয়াল দিয়ে জোরে জোরে চুল ঘষে পানিটা শুকিয়ে নেওয়ার চেষ্টা। অনেকেই এই কাজটা করে থাকেন।এতে আপনার চুলের আগা ফেটে যাবে। তাই চুল সবসময় টাওয়াল দিয়ে আস্তে চেপে চেপে চুলের পানিটুকু শুষে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।
(৬) চুল টিজ করা
সুন্দর স্টাইল পেতে চুল টিজ করা বন্ধ করুন। টিজ করা চুল দেখতে সুন্দর লাগলেও যখন চুলগুলো খুলতে যাবেন তখন কিন্তু প্রচুর চুল পড়ার সম্মুখীন হবেন। তাছাড়া টিজ করা চুল ঠিক রাখতে যদি ব্যবহার করেন হেয়ার স্প্রে তাহলে চুলের অনেক ক্ষতি হয়ে থাকে। তাই এই সকল স্টাইলে যত পারবেন কম যাবেন।
(৭) ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার
হেয়ার মাস্ক, সেরাম ইত্যাদি তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। কিন্তু এগুলোর ইনগ্রেডিয়েন্ট লিস্ট চেক করে নিচ্ছেন কি? ভালো ব্র্যান্ডের প্রোডাক্টগুলো কোয়ালিটি মেনটেইন করে, সেগুলো চুলের জন্য সেইফ। কিন্তু ফেইক, নিম্নমানের প্রোডাক্ট চুলের ক্ষতি করবে। চুলের যত্নে যতটা সম্ভব ন্যাচারাল উপাদান ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। চুলের যত্নের ভুল এড়াতে এইদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
৮) চিকন রাবার ব্যান্ড
চুল বেঁধে রাখতে আমরা রাবার ব্যান্ড ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু এক্ষেত্রে একদম রাবারের তৈরী চিকন ব্যান্ডগুলো থেকে চুলকে দূরে রাখলেই ভালো। কারণ এসব ব্যান্ড চুলের স্বাস্থ্য এর জন্যে খুব একটা ভালো নয়। তাছাড়া, যখন ব্যান্ড চুল থেকে খুলতে যাবেন, তখন দেখবেন এই ব্যান্ডের সাথে অনেকগুলো চুল ছিঁড়ে চলে এসেছে। তাই কাপড় অথবা উলের তৈরী ব্যান্ডগুলো ব্যবহার করবেন। এটি চুলের যত্নে ভুল গুলোর মধ্যে অন্যতম।
জেনে নিলেন চুলের যত্নে ভুল সম্পর্কে। এইসব বিষয়গুলো লক্ষ্য রেখে চুলের যত্ন করলে সবধরনের ক্ষতি থেকে চুলকে রক্ষা করতে পারবেন। নিজের যত্ন নিন, ভালো থাকুন।
04/03/2023
ত্বক উজ্জ্বল হয় যেসব খাবারে
ব্যস্ত সময়। খাওয়ার ঠিক নেই, ঘুমানোর ঠিক নেই। এর মধ্যে তো ত্বকের যত্ন প্রায় অসম্ভব। কোনো অনুষ্ঠান থাকলে ইনস্ট্যান্ট একটু মেকআপ নেওয়া মেয়েদের সংখ্যাই বেশি। পাঁচ মিনিটে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানো গেলে, দিনের পর দিন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যয় করবে কে। আবার যাঁরা ত্বক নিয়ে একটু সচেতন, তাঁরা সাপ্তাহিক রূপচর্চায় বিশ্বাসী। কিন্তু নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিলে যে ফল পাবেন, তা কখনোই ইনস্ট্যান্ট প্যাকে আসবে না। যেহেতু আমাদের হাতে সময় কম, তাই আজ আমরা এমন কিছু খবার সম্পর্কে জানব, যা খেলে বা প্যাক হিসেবে ব্যবহার করলে চটজল
গ্রিন টি এখন শুধু পানীয় নয়, এটি ব্যবহার হচ্ছে রূপচর্চার সামগ্রী হিসেবে। ক্যামেলিয়া সাইনেনসিস নামের গাছ থেকে পাওয়া গ্রিন টি-তে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, নানাবিধ এনজাইম, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি, ফোলেট, ম্যাঙ্গানিজ, পটাশিয়াম, ক্যাফেন ও নানা ফাইটোকেমিক্যাল, যা ত্বকের জন্য বেশ উপযোগী। ত্বককে স্বাস্থ্যবান ও উজ্জ্বল করতে গ্রিন টি দারুণ কাজ করে। শরীরে জমে থাকা টক্সিন বের করে ত্বক ভেতর থেকে করে উজ্জ্বল। এ ছাড়া ত্বকের দাগ–ছোপ, কাটা দাগ, লালচে ভাব কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে দুটি গ্রিন টি ব্যাগ কেটে তার সঙ্গে দুই চামচ মধু ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে মুখে, গলায় ও ঘাড়ে লাগিয়ে রাখুন। ১০ মিনিট পর হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিন। এ ছাড়া চোখের তলায় কালি বা ফোলা ভাব দূর করে গ্রিন টি-তে থাকা ট্যানিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। গ্রিন টি-তে থাকা ভিটামিন কে এ ক্ষেত্রে সাহায্য করে। দুটি গ্রিন টি ব্যাগ আধঘণ্টার জন্য ফ্রিজে রেখে দিন। চোখ বন্ধ করে টি ব্যাগ দুটি চোখের ওপর রেখে দিন ১৫ মিনিট।
টমেটোর এত গুণ
টমেটোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ভিটামিন সি, যা উজ্জ্বল ত্বক পেতে সাহায্য করে। টমেটোতে লাইসোপিন নামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকে, যা ত্বকের বিভিন্ন দাগ, বলিরেখা ও শুষ্কভাব দূর করে ত্বক মসৃণ করে। এটি সানস্ক্রিন হিসেবে কাজ করে। ত্বকের কোষের ক্ষতির বিরুদ্ধে লড়াই করে। ত্বকের লালচে ভাব কাটাতে সাহায্য করে। আবার এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যেসব মানুষ প্রতিদিন পাঁচ টেবিল চামচের সমপরিমাণ টমেটোর পেস্ট খেয়ে থাকেন, তাঁরা অন্যদের থেকে ৩৩ শতাংশ কম পোড়েন রোদে।
গাজর বাড়াবে উজ্জ্বলতা
গাজরে থাকে ভিটামিন এ, যা ত্বক টানটান রাখতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক মসৃণ থাকে। সপ্তাহে একবার গাজর কুচি করে কেটে রস বের করে নিন। এতে অল্প মধু ও সামান্য টক দই মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই ফেসপ্যাক একবার ব্যবহার করলেই দেখবেন, ত্বক উজ্জ্বল দেখাচ্ছে। আবার ১ টেবিল চামচ দই, বেসন ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রসের সঙ্গে গাজরের পেস্ট মিশিয়ে তা মুখে মেখে ১ ঘণ্টা পর উষ্ণ পানিতে ধুয়ে ফেলুন। এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুব উপকারী।
04/03/2023
১৯৮১ থেকে ১৯৯৭— ১৬ বছর ধরে তিনি বিশ্বের সর্বকালের সেরা ফ্যাশন আইকনদের একজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। রাজপরিবারের পুত্রবধূ হয়েও তিনি ব্রিটিশ রানির চেয়ে জনপ্রিয়। রাজকুমারী না হয়েও তিনি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ‘রাজকুমারী’। পোশাকের কেতা থেকে আদবকেতা—সবকিছুতেই নিজের রুচির ছাপ রেখেছিলেন ‘প্রিন্সেস ডি’ অথবা ‘শাই ডি’। ডায়ানা, প্রিন্সেস অব ওয়েলস তাঁর মৃত্যুর ২৫ বছর পরও মহামারি–পরবর্তী ফ্যাশনে প্রাসঙ্গিক। ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রয়াত এই পুত্রবধূ কেবল সে সময়ই নয়, বর্তমানেও বিশ্বের ফ্যাশন আর বিউটিকে অনুপ্রাণিত করে চলেছেন। আবার ঘুরেফিরে আসছে তাঁর পোশাক থেকে অনুপ্রাণিত ফ্যাশন। সেগুলো দেখতে দেখতেই জেনে নেওয়া যাক, ডায়ানার ফ্যাশন আর বিউটির কিছু দিক।
ডায়ানার পোশাকগুলোকে বলা হয় সব সময়ের সেরা ফ্যাশনেবল পোশাক। ডায়ানা বেঁচে থাকতে ও মৃত্যুর পরে নানা সেবামূলক কাজে তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোটি কোটি টাকায় নিলামে বিক্রি হয়েছে সেসব পোশাক। ডায়ানার পোশাক সবচেয়ে বেশি নকশা করেছেন ফরাসি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ ডিজাইনার ক্যাথেরিন ওয়াকার। এ ছাড়া ক্রিস্টিনা স্ট্যাম্বোলিয়ান ও ভিক্টর এডেলস্টাইন তাঁর কিছু পোশাকের নকশা করেন। নতুন করে বসন্তের গরমে ট্রেন্ডে এসেছে ফ্লোরাল প্রিন্ট। ছবিতে ডায়ানার পরনে বেবি পিঙ্কের ওপর সাদা ফ্লোরাল প্রিন্টের পোশাক
ডায়ানার পোশাক থেকে এই পোশাকটি নিয়ে পরেছেন তাঁর পুত্রবধূ কেট মিডলটন। ফ্যাশন সাময়িকী ‘হারপারস বাজার’–এর মতে, ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রয়াত পুত্রবধূ প্রিন্সেস ডায়ানার সঙ্গে বর্তমান পুত্রবধূ কেট মিডলটনের রুচির খুব মিল। অন্তত ৪০ বার কেটকে ডায়ানার মতো পোশাকে দেখা গেছে
কেবল কেট–ই নন, ছোট পুত্রবধূ মেগান মারকেলের ফ্যাশন আইকনও এই প্রিন্সেস ডায়ানা
মেগান বলেন, কেবল ফ্যাশন বা বিউটির ক্ষেত্রে নন, মানুষ হিসেবেই ডায়ানা তাঁর আদর্শ
ডায়ানার ফ্লোরাল প্রিন্টের পোশাক থেকে অনুপ্রাণিত পোশাকগুলো নিয়ে একটি বিশেষ ফ্যাশন শোর আয়োজন করেছে ‘ভোগ ইটালিয়া’। সেই কালেকশনের একটি পোশাক
ডায়ানাকে অনেক পোশাক ডিজাইনার সাহসী বলেছেন, কারণ, তিনি সব সময় ভিন্ন ধরনের কিছু পরীক্ষা করে দেখতেন। এই নীল ফুলেল পোশাকের আদলে বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ ধরে তৈরি হয়েছে অসংখ্য পোশাক
ভোগ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ ছবির ফটোশুটে ১৯৯১ সালে প্রথম ডায়ানার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পান গ্রিনওয়েল। বলেন, তিনি যেখানেই যান তাঁকে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতেই হয়। আর তাই পুরোটা সময় চেহারার চাকচিক্য ধরে রাখতে কনসিলার, আই শ্যাডো, মাশকারা এবং অন্যান্য সব ধরনের মেকআপও অনেক সময় ব্যবহার করেছেন। গ্রিনওয়েলের মতে, প্রিন্সেস ডায়ানার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক ছিল তাঁর দুই চোখ। এর সঙ্গে তাঁর ত্বক খুব সতেজ ও উজ্জ্বল ছিল। তিনি ছিলেন ‘ন্যাচারাল বিউটি’র অনন্য উদাহরণ
১৯৮৩ সালের ৩০ মার্চ তোলা ছবি। প্রিন্সেস অব ওয়েলস সেদিন ব্রুস ওল্ডফিল্ডের ডিজাইন করা এই লাল পোশাকটি পরেছিলেন। সঙ্গে ছিল ডায়মন্ডের নেকলেস, দুল আর মুকুট। অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়ার হোবার্টে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। এরপরই এই রূপটি ফ্যাশনের ক্ষেত্রে একটি আইকনিক মুহূর্ত হিসেবে ধরা দেয়। এরপর বহুকাল অনেকে এই সাজ ‘রিক্রিয়েট’ করেছেনছ
প্রিন্সেস ডায়ানার সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন মেকআপ আর্টিস্ট ম্যারি গ্রিনওয়েল। ডায়ানার বেশ কিছু আইকনিক লুক তাঁর হাতে তৈরি হয়েছে। ২০১৪ সালে সংবাদমাধ্যম এবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডায়ানার স্টাইল নিয়ে কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, প্রিন্সেস ডায়ানা ছিলেন অসম্ভব রূপবতী। মেকআপ তাঁর খুব একটা প্রয়োজন হতো না। তবে পাদপ্রদীপের আলোটা সব সময় তাঁর ওপরে থাকত বলে কিছু ফাউন্ডেশন আর হালকা বাদামি শেড ব্যবহার করতেন।
কীভাবে নিজেকে সবচেয়ে সুন্দর দেখানো যায়, তা জানতেন ডায়ানা। ব্যক্তিজীবনে যে তিনি সাহসী ছিলেন, ফ্যাশন আর বিউটিতেও তার ছাপ স্পষ্ট। তিনি নতুন কিছু ট্রাই করতে সব সময়ই উৎসাহী ছিলেন
ফ্যাশনের মতো স্টাইল আইকনে পরিণত হতেও তাঁর সময় লাগেনি। ছোট ছাঁটের কিছুটা পেজবয়, কিছুটা বব ধাঁচের চুলের জন্য ডায়ানার স্টাইল বিখ্যাত। গত ৫০ বছরের ‘মোস্ট আইকনিক হেয়ারস্টাইল’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে তাঁর চুলের সাজ। ‘ডায়ানা কাট’ বলে তাঁর চুলের ধরন যেকোনো বয়সের নারী, বিশেষ করে তরুণীদের মধ্যে এখনো বেশ জনপ্রিয়।
04/03/2023
রোজকার এই ৫ সহজ বিউটি টিপস মেনে চললেই ত্বক থাকবে সুস্থ-কোমল-উজ্জ্বল
ত্বকের দেখভালের জন্য় প্রাকৃতিক উপায় হল সবচেয়ে সেরা পদ্ধতি। প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের টেক্সচার বজায় রাখতে ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপকরণের ব্যবহার ভারতীয় ধারায় বিশেষভাবে প্রচলিত।
সৌন্দর্য আপনার ত্বকের কোনও প্রতিশব্দ নয়, রয়েছে অনেক কিছুর প্রতিরূপ। জন্মগত সৌন্দর্যের পরিভাষা আলাদা। কিন্তু সেই সৌন্দর্যকে ধরে রাখতে জীবনের বাকি সময়টায় তার পরিচর্চা করার দরকার পড়ে। ত্বকে চর্চার জন্য মনোযোগ দেওয়া যথেষ্ট প্রয়োজন। ত্বকের দেখভালের জন্য় প্রাকৃতিক উপায় হল সবচেয়ে সেরা পদ্ধতি। প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের টেক্সচার বজায় রাখতে ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপকরণের ব্যবহার ভারতীয় ধারায় বিশেষভাবে প্রচলিত।
পুষ্টিকর ও প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে দিনে মাত্র সহজ ৫টি বিউটি টিপস ফলো করলেই কেল্লাফতে।
ঘাড়ে কালো দাগ দূর করতে বেসন ব্যবহার করুন
ঘাড়ের কাছে কালো ছোপ পরিস্কার করতে রান্নাঘরে মজুত করা বেসন পাউডার ব্যবহার বহুযুগ ধরেই চলে আসছে। বেসন হল সবচেয়ে সহজলোভ্য ও সস্তায় ঘরোয়া উপকরণ। জল বা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে ঘাড়ের কালো ছোপের উপর ব্যবহার করতে পারেন। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। ত্বককে এক্সফোলিয়েট করতে ও ছিদ্রগুলি পরিস্কার করতে সাহায্য করে।
উজ্জ্বলতার জন্য হলুদ ব্যবহার করতে পারেন
হলুদের ব্যবহার ভারতে প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে। হলুদ যেমন রান্নায় রঙ ও স্বাদ আনতে সাহায্য করে, তেমন মহিলাদের ত্বকে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বলতা বজায় রাখতেও সাহায্য করে। স্নান করা সময় মুখে ও গায়ে-পায়ে সতেজ হলুদ বাটা বা পাউডার ব্যবহার করলে সৌন্দর্যে নারীত্ব ছোঁয়া পায়। হলুদে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতি রয়েছে।
শসা ও আইস কিউব
শসার টুকরো মনকে শিথিল করে না, বরং চোখের নীচে কালো ছোপ দূর করতে সাহায্য করে। হালকা অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতির কারণে এটি সম্ভব। তাজা শসার টুকরো চোখের উপর রাখলেই চলবে। এই সময় চোখ বুজে পছন্দের গান বা মিউজিক শুনলে হ্যাপি হরমোনগুলি সক্রিয় হয়ে ওঠে। আর এটাই হল সবচেয়ে সহজ ও অসাধারণ বিউটি টিপস।
পায়ের সঠিক যত্ন
গোটা মুখের ও হাতের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি পায়ের পরিচর্চা করতে ভুলবেন না যেন। কারণ পায়ের উপরই গোটা শরীরটির ওজন বহন করার দায়িত্ব রয়েছে। ক্লান্ত ও শুষ্কতা থেকে মুক্তি পেতে হালকা গরম জলে পা ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন পুনরুজ্জীবিত করুন।
সঠিক খাবার খান
সঠিক ধরনের খাবার খান। ভিটামিন, প্রোটিন, ফাইবার ও অন্যান্য-সহ প্রয়োজনীয় পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খান। আপনি কি খাবার খাচ্ছেন, তার প্রকাশ পাবে ত্বকে। তাই স্বাস্থ্য়কর খাবার গ্রহণ করলে ত্বক থাকবে সুস্থ, কোমল ও উজ্জ্বল।
31/01/2023
ব্রণের দাগ দূর করতে ৪টি ঘরোয়া উপায়
ব্রণের দাগ - shajgoj.com
0
SHARES
Share
Tweet
ব্রণ আমাদের জন্যে একটি কমন সমস্যা যে সমস্যার মুখোমুখি আমরা সবাই কম বেশি হই। কারো ব্রণ কমছেই না, আবার কারো কমছে তো আবার বাড়ছে। আবার কারো ব্রণ চলে গেলেও কিন্তু দাগগুলো ঠিকই রেখে গেছে। ব্রণ নিয়েই তো কতো ঝামেলা পোহাতে হয়। তার উপরে এর জেদি দাগ সহজে যেতেই চায় না। তাই ব্রণের দাগ দূর করতে ৪টি কার্যকরি মাস্ক সম্পর্কে আজ আপনাদের জানাবো।
ব্রণের দাগ দূর করতে ঘরোয়া উপায়
ব্রণের দাগ দূর করার প্রথম উপায়
(১) কফি পাউডারঃ কফি পাউডার আমাদের মুখের মরা চামড়া দূর করে এবং ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
ব্রণের দাগ দূর করতে কফি ও মধুর মাস্ক - shajgoj.com
(২) মধুঃ মধুতে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান রয়েছে, যা পিম্পলের ব্যাকটেরিয়ার সাথে লড়াই করে। এছাড়াও মধুতে ন্যাচারাল ব্লিচিং এজেন্ট রয়েছে, যা ব্রণের দাগ দূর করে।
একটি বাটিতে ১ টেবিল চামচ কফি পাউডার এবং হাফ টেবিল চামচ মধু একসাথে মিশিয়ে নিয়ে পরিষ্কার মুখে লাগিয়ে নিয়ে হবে। ১৫ মিনিট পর স্ক্রাবিং করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিয়ে হবে।
ব্রণের দাগ দূর করার দ্বিতীয় উপায়
(১) সুইট আমন্ড অয়েলঃ সুইট আমন্ড অয়েল স্কিনের ড্রাইনেস দূর করে এবং এতে প্রচুর পরিমানে ফ্যাটি এসিড রয়ছে যা, ব্রণের দাগ রিমুভ করতে সাহায্য করে।
(২) লেবুর রসঃ লেবুর রসে রয়েছে ভিটামিন ই। যা স্কিনের জন্যে খুবই উপকারি। এছাড়া এতে স্কিন লাইটেনিং এজেন্ট রয়েছে, যা ব্রণের দাগকে হালকা করতে সাহায্য করে।
হাফ টেবিল চামচ সুইট আমন্ড অয়েল এবং লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে তা মুখের ত্বকে লাগিয়ে নিয়ে হবে। ৩০ মিনিট পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
ব্রণের দাগ দূর করতে তৃতীয় উপায়
(১) চন্দন পাউডারঃ চন্দনে রয়েছে অ্যান্টি মাইক্রোভাল, যা স্কিনকে স্মুদ করে এবং ব্রণের দাগ দূর করে। এটি স্কিনকে উজ্জ্বল করে তোলে। এছাড়াও এতে ন্যাচারাল অ্যাস্ট্রিজেন্ট রয়েছে।
(২) গোলাপজলঃ গোলাপজল ত্বকের পি এইচ লেভেলকে ব্যালেন্স করে। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন ই, সি, বি3 এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।
একটি বাটিতে ১ চা চামচ চন্দন পাউডার, হাফ চা চামচ গোলাপজল মিশিয়ে নিন। আপনার স্কিন ড্রাই হলে গ্লিসারিন যোগ করতে পারেন। এই মিশ্রণটি ২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন এবং ধুয়ে ফেলুন।
ব্রণের দাগ দূর করার চতুর্থ উপায়
(১) টমেটোঃ টমেটো স্কিনের পিএইচ ব্যালেন্স করে। এটি স্কিন ড্যামেজ রিপেয়ার করে এবং ব্রণের দাগ দূর করে।
(২) লেবুর রসঃ এর উপাদান সম্পর্কে তো আগেই জেনেছেন।
(৩) মধুঃ এর উপাদান সম্পর্কে তো আগেই জেনেছেন।
ব্রণের দাগ দূর করতে টমেটোর মাস্ক - shajgoj.com
একটি টমেটো নিয়ে এর পাল্প বের করে নিন। এর সাথে হাফ চা চামচ লেবুর রস এবং মধু যোগ করুন। এই মিশ্রণটি ব্রণের দাগের উপর লাগিয়ে সারারাত রেখে দিন। সকালে ধুয়ে ফেলুন।
টিপস
এই মাস্কগুলো সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহার করুন।
মাস্কগুলো ব্যবহারের আগে মুখ অবশ্যই পরিষ্কার করে নেবেন।
মাস্কগুলো ব্যবহারের পরে টোনার এবং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
এই তো জেনে নিলেন, ব্রণের দাগ কীভাবে দূর করবেন। আশা করছি আপনাদের একটু হলেও উপকারে আসতে পেরেছি। ভালো থাকুন
31/01/2023
মুখের ত্বকের কালো দাগ দূর করতে ১১টি টিপস!
একটি উজ্জ্বল সুন্দর মুখ মন্ডল সবারই কাম্য। ত্বকে কালো দাগ আমাদের কারো কাম্য নয়, বিশেষত আমাদের মুখের ত্বকে! কম বা বেশী যে কোন বয়সের রমণীই চান দাগহীন নিখুঁত ত্বক যা হবে মসৃণ, কোমল আর উজ্জ্বল। এখনকার আধুনিক মেয়েরা আর ফর্সা ত্বকের জন্য মরিয়া নয়। সবাই চায় নরম কোমল ত্বক যা হবে ফ্রেশ আর উজ্জ্বল ঝলমলে। ত্বকের কালো দাগ আপনার অতি সুন্দর চেহারায় মলিনতা এনে দেবে একই সঙ্গে আপনার চেহারার সুন্দর অংশটুকুও ঢেকে ফেলবে। তাই আসুন মুখের ত্বকের কালো দাগ কিভাবে সহজে দূর করা যায় তা জেনে নিই।
মুখের ত্বকের কালো দাগ দূর করতে করণীয়
মুখের ত্বকের কালো দাগ দূর করতে কমলার খোসা বাটা - shajgoj.com
১. কমলার খোসা বেটে মুখে লাগালে আপনার ব্রণের আরাম হবে, আবার ত্বকও ফ্রেস এবং উজ্জ্বল হবে।
২. ঘুমাতে যাওয়ার আগে লেবুর রস লাগিয়ে ঘুমান। দেখবেন ত্বক ব্রণ মুক্ত থাকবে।
৩. দিনে কমপক্ষে দুই বার ভাল ফেইসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। তবে মুখে সাবান ব্যবহার না করলেই ভাল।
৪. ব্রণ ও ব্রণের দাগ কমাতে পানি ও ভিনেগারের মিশ্রণ গরম করে আবার ঠাণ্ডা করুন আর এই মিশ্রণ দিয়ে মুখে ৫ মিনিট রাখবেন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৫. আপনার ত্বক যদি হয় শুষ্ক তবে রাতে মুখ ধোয়ার পর ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ২-৩ ফোঁটা যে কোনো বেবি অয়েল লাগান তবে তৈলাক্ত ত্বকে এটি ব্যবহার করবেন না।
৬. যাদের চোখের চারপাশে ডার্ক সার্কেল আছে তার ঘুমানোর আগে শসা বা আলু কুড়িয়ে চোখের চারপাশে কিছুক্ষণ রাখুন। বা আপনি ঠাণ্ডা টি ব্যাগ ১০-১৫ মিনিট চোখের পাতার উপর দিয়ে রাখুন। চোখের চারপাশের কালো দাগ কমে যাবে।
৭. মুখের কালো দাগ, বয়সের ছাপ, বিসন্নতা, এসব দূর করতে চন্দনের প্যাক খুব কার্যকর। চন্দন গুড়ার সাথে হলুদ আর দুধ মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে লাগান নিয়মিত। ত্বক উজ্জ্বল আর সতেজ করতে এর জুড়ি নেই।
৮. যারা প্রতিদিন বাইরে যান তাদের ত্বকে প্রচুর ধুলা লাগে আর ত্বকের ভাজে ভাজে এসব ধুলা জমে ত্বকের রঙ ও ত্বকের গুণগত মান দুটোই নষ্ট করে। ধুলা আপনার লোমকূপের মাধ্যমে টিস্যুতে জমা হয়ে ত্বকে অক্সিজেন প্রবেশে বাধা দেয়। এই সমস্যা দূর করতে অতি সহজ উপায় হল দুধের মধ্যে এক চিমটি লবণ আর লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগান আর শুকিয়ে যাবার পর ধুয়ে ফেলুন। দুধ ত্বক উজ্জ্বল আর দাগহীন করতে যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
মুখের ত্বকের কালো দাগ দূর করতে গোলাপ জল - shajgoj.com
৯. অতি সাধারণ আর সাশ্রয়ী রূপচর্চার ঘরোয়া উপাদান হল গোলাপ জল। গোলাপের পাপড়ি গোলাপ জলে ভিজিয়ে রেখে মুখ ধোয়ার সময় এই পানি ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে দিনে যতবার মুখ পরিষ্কার করবেন ততবার এই পানি ব্যবহার করুন। ত্বক উজ্জ্বল, নরম ও দাগহীন হবে।
১০. আপনি যদি পার্লারে ফেয়ার পলিশ বা ব্লিচ করেন তবে সতর্ক থাকুন যে, ফেয়ার পলিশ অথবা ব্লিচ করানোর পরপরই রোদে যাবেন না। এতে আপনার ত্বক কালচে হয়ে যাবে।
১১. সারাদিনের কর্ম ব্যস্ত দিনের শেষে নিজের ত্বকের যত্ন নিতে ভুলবেন না। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করে দরকার হলে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে ঘুমাবেন। রাতে আপনার ত্বক পরিষ্কার না থাকলে সারারাত জীবাণুরা আপনার ত্বকে ক্ষতি করবে। তাই ত্বক পরিষ্কার রাখাই ত্বককে উজ্জ্বল মনোরম আর দাগহীন রাখার সবচেয়ে ভাল উপায়।
দামি কসমেটিক্স আপনার মুখের ত্বকের জন্য যতটুকু জরুরী তার চেয়ে অনেক বেশী জরুরী আপনার নিজের ত্বকের যত্ন নেওয়া ও ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার করা, এতেই মুখের ত্বকের কালো দাগ দূর হবে। সবার জন্য উজ্জ্বল ত্বকের শুভকামনা
Home ব্রোঞ্জিং vs কনট্যুরিং | ফেইসের কোন কোন এরিয়ায় ও কীভাবে করবেন?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Tangail
1951
