Wecare pharmacy
যদি তুমি স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিতে, তবে ব্যাধি তোমাকে বিরক্ত করত না।
Like to gather some Food & Nutrition Knowledge Every Day
Visit & Like:Food & Nutrition
@[375192699303837:0]
21/11/2024
Celebrating my 10th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
12/04/2022
একটা সময় ছিল, যখন সবাই জানতো মানুষ বুড়ো হলে মানে ৭০/৭৫ বয়স হওয়ার পর কিছু রোগে আক্রান্ত হয়। তারপর সামান্য কিছু ঔষধ খেয়ে ৮০-৯০ বছর হায়াত পেরিয়ে দুনিয়ার জীবন শেষ করে। কেউ কেউ ৯০/৯৫ বছরেও যথেষ্ট কর্মক্ষম থাকতেন। কিন্তু বর্তমানে আর সেই সময় নেই। কোন বয়সে, কেন, কি কারণে, কখন অসুস্থ্য হবো - তার আর কোন নিশ্চয়তা নেই।
আসলে গোপন রহস্য কি ছিল ?
গোপন রহস্য ছিল খাদ্য। শুধুমাত্র খাদ্য। নির্ভেজাল খাদ্য।
আমরা দেখি সিজনাল জড় হলে অনেকেই ঔষধের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ি। অথচ অনেকেই জানেন এই অসুখে -
ঔষধ খেলে সাত দিন আর না খেলে এক সপ্তাহ পর সেরে যাবে। শরীর তার নিজের প্রতিরক্ষা নিজেই করতে পারে। প্রয়োজন শুধু ---
আমরা প্রায় সকলেই বলি, অপ্রয়োজনে তো ঔষধ খাই না।
চলুন, নিচের লেখাটার সাথে নিজের জীবনের ঔষধ খাওয়ার ইতিহাসটা মিলিয়ে নেই।
******——————******
দুই-তিন দিন জ্বর, ঔষধ না খেলেও চলতো, এমনিতেই আপনি কয়েকদিনের মধ্যেই সুস্থ হতে পারতেন, কিন্তু আপনি ‘ডাক্তার’-এর কাছে গেলেন।
‘ডাক্তার সাহেব’ আপনাকে শুরুতেই তিনটি পরীক্ষা বা টেস্ট দিলেন। টেস্ট রিপোর্টে জ্বরের কারণ খুঁজে পাওয়া না গেলেও কোলেস্টেরল আর ব্লাড সুগার লেভেল সামান্য একটু বেশি পাওয়া গেল, যা একটু এদিক ওদিক হতেই পারে।
এখন আপনি আর জ্বরের রোগী নন। ‘ডাক্তার সাহেব’ বুঝালেন- আপনার কোলেস্টেরল বেশি আর প্যারা-ডায়বেটিস হয়ে আছে। আপনাকে এখন থেকে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের ওষুধ খেতে হবে, সঙ্গে অনেকগুলো খাবারে নিষেধাজ্ঞা। আপনি খাবারের নিষেধাজ্ঞা ঠিকঠাক না মানলেও ওষুধ খেতে ভুল করলেন না।
এইভাবে তিন মাস যাওয়ার পর আবার টেস্ট। এবারে দেখা গেল কোলেস্টেরলের মাত্রা কিছুটা কমেছে, কিন্তু রক্তচাপ সামান্য বেড়ে গেছে । যেটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে তিনি আরেকটি ওষুধ দিলেন। এখন আপনার ঔষধের সংখ্যা হলো ২ টি ।
‘কখন কী হয়ে যায়, এখনও তো কিছুই গোছানো হয়নি....’ এমন দুশ্চিন্তায় আপনার রাতের ঘুম কমে যাচ্ছে, ফলে ‘ডাক্তার সাহেবে’র পরামর্শে আবার ঘুমের ওষুধ খাওয়া শুরু করলেন। এখন আপনার ঔষধের সংখ্যা হলো ৩টি।
একসঙ্গে এতগুলি ওষুধ খাওয়ামাত্রই আপনার বুক জ্বালাপোড়া আরম্ভ হলো, ‘ডাক্তার সাহেব’ বিধান দিলেন- প্রতিবেলা খাওয়ার আগে খালিপেটে দুইটি করে গ্যাসের ট্যাবলেট খেতে হবে। ঔষধের সংখ্যা বেড়ে হলো ৪টি।
এইভাবে বছরখানেক যাওয়ার পর আপনি বুকে ব্যাথা অনুভব করায় একদিন হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে ছুটলেন। ডাক্তার সবকিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বললেন- সময়মতো আসায় এই যাত্রায় বেঁচে গেলেন। আরেকটু দেরি করলেই সর্বনাশ হয়ে যেতো। তারপর আরও কিছু বিশেষায়িত পরীক্ষা করতে বললেন ।
অনেক টাকার পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর ‘ডাক্তার সাহেব’ বললেন- আপনি যে ওষুধগুলো খাচ্ছেন, ওভাবেই চলবে। তবে তার সাথে হার্টের জন্য আরও দুইটি ঔষধ খেতে হবে। আর অবিলম্বে একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বা হরমোন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দেখা করুন। ঔষধের সংখ্যা বেড়ে হলো ৬টি।
আপনি একজন হরমোন বিশেষজ্ঞের সাথে দেখা করলেন, সেখানে যাওয়ার পরে তিনি যোগ করলেন ডায়বেটিসের অর্থাৎ সুগারের ওষুধ ১ টি । আর থাইরয়েড হরমোন সামান্য বেশী হওয়ায় তার জন্য ১টি। আপনার রোজ ঔষধ খাওয়ার সংখ্যা দাঁড়ালো ৮টি।
এখন আপনি জানলেন ও ভেবে থাকলেন আপনি একজন বড় রোগী-
হার্টের রোগী, সুগারের রোগী, অনিদ্রার রোগী, গ্যাসট্রিকের রোগী, থাইরয়েডের রোগী, কিডনির রোগী, ইত্যাদি।
আপনাকে ইচ্ছাশক্তি বাড়িয়ে, মনোবল বাড়িয়ে সুস্থভাবে বাঁচার রসদ বাড়িয়ে বেঁচে থাকার পরিবর্তে জানানো হলো, শেখানো হলো- আপনি রোগী, বড় রোগী, আপনি অসুস্থ ব্যক্তি, একজন অসমর্থ, বিধ্বস্ত, ভঙ্গুর, নড়বড়ে ব্যক্তি!
এভাবে আরও ছয় মাস চলার পর ঔষধগুলির সাইড এফেক্টস হিসাবে একটু প্রস্রাবের সমস্যা দেখা দেবে। ‘ডাক্তার সাহেব’ সবরকম রুটিন চেকআপ করতে দিলেন। রুটিন চেক-আপ করানোয় জানতে পারলেন- আপনার কিডনিতে সামান্য সমস্যা আছে। ডাক্তার সাহেব আবার নানারকম কিডনি ফাংশনের পরীক্ষা দিলেন।
রিপোর্ট দেখে তিনি বললেন- ক্রিটিনিন একটু বেশি। তবে নিয়মিত ওষুধ খেলে আর কোনো চিন্তা থাকবে না। আরও ২টি ঔষধ তিনি যোগ করলেন।
ফলে বর্তমানে আপনার মোট ওষুধের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১০টি ।
আপনি এখন খাবারের চেয়ে ওষুধ বেশি খাচ্ছেন, আর সব রকম ঔষধের নানারকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় দ্রুত মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছেন!
অথচ যে জ্বরের জন্য আপনি সর্বপ্রথম ‘ডাক্তারে’র কাছে গিয়েছিলেন, তিনি যদি বলতেন- চিন্তার কোন কারণ নেই, এই সামান্য জ্বরে কোন ওষুধ খেতে হবে না, কয়েকদিন একটু বিশ্রামে থাকেন, পর্যাপ্ত পানি পান করুন, টাটকা শাকসবজি ও ফল বেশি করে খান। শরীর ভালো রাখার জন্য ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে একটু হাঁটাহাটি করুন, ব্যাস, তাহলেই আপনার শরীর ফিট থাকবে। যান, বাড়ী যান- কোন ঔষধের প্রয়োজন নেই।
কিন্তু সেটা করলে ‘ডাক্তার সাহেব’ ওষুধ কোম্পানিগুলোর পেট ভরাবেন কিভাবে?
★ ১৯৭৯ সালে রক্তে শর্করার মাত্রা 200 ml/dl পেলে ডায়বেটিস রোগী হিসেবে গণ্য করা হতো। সেই হিসেবে তখন সমগ্র পৃথিবীর মাত্র ৩.৫ % মানুষ টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগী হিসাবে চিহ্নিত হতেন।
★ ১৯৯৭ সালে ইনসুলিন প্রস্তুতকারকদের চাপে সেই মাত্রা এক লাফে কমিয়ে 126 ml করা হয়। ফলে ডায়বেটিস রোগীর সংখ্যা ৩.৫ % থেকে এক লাফে বেড়ে ৮ % হয়ে যায় , অর্থাৎ রোগের কোনরূপ বহিঃপ্রকাশ ছাড়াই স্রেফ ব্যবসায়িক স্বার্থে ৪.৫ % মানুষকে রোগী বানিয়ে ফেলা হলো!
★ ১৯৯৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এই মানদন্ডে সায় দেয়।
★ ২০০৩ সালে রক্তে শর্করার মাত্রা 100 ml কে ডায়াবেটিস রোগের মানদন্ড হিসেবে গণ্য করার ঘোষণা দেয় American Diabetes Association (ADA), ফলে কোনো কারণ ছাড়াই একলাফে পৃথিবীর ২৭% মানুষ ডায়বেটিস রোগী হয়ে যায়।
★ বর্তমানে ADA কর্তৃক ঘোষিত মানদন্ড হচ্ছে 140 mg P.P -এ হিসাবে বিশ্বের ৫০% মানুষকে কৌশলে ডায়বেটিস রোগী বানিয়ে ফেলা হয়েছে। এদের অধিকাংশ ডায়াবেটিস রোগী না হওয়া সত্ত্বেও নিয়মিত ওষুধ খেয়ে নানাবিধ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব হয়ে মারা যাচ্ছেন। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, টেস্ট করালেই যে কোনো মানুষ প্রি-ডায়াবেটিক রোগী হিসেবে গণ্য হবেন।
কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
29/03/2022
চিপস খাওয়া থেকে সাবধানঃ☠️
কথায় আছে- "এক প্যাকেট চিপস কেনা মানে টাকা দিয়ে বাতাস কেনা" ।
গ্যাস দিয়ে চিপসের প্যাকেট ফুলিয়ে রাখাকে Slack Filling বলে। আর ভিতরে নাইট্রোজেন গ্যাস দেয়া হয় দুইটি কারনে-
১. বাইরের প্রেশারে যেন চিপস না ভেঙে যায়।
২. নাইট্রোজেন গ্যাস চিপ্স কে দীর্ঘদিন মচমচা রাখে।
আসুন এবার স্বাদের জিনিসে বিস্বাদের গল্প শুনাই।।
বাচ্চারা কাঁন্দে, তাই তাঁর হাতে চিপস দিলেন। বাচ্চা ঠান্ডা! কিন্তু এইটা দিয়ে যে বাচ্চার ভবিষ্যত শেষ করে দিলেন । সেটা থেকে যায় অজানায়। ১৯৯০ সালের দিকে বাংলাদেশে প্রথম আলুর চিপস বানানো শুরু করে। মাত্র ৩০ বছরের ইতিহাসে এই আলুর চিপস বাংলাদেশের চেহারা পাল্টে দিয়েছে।। যদিও আমেরিকা আলু চিপস আবিষ্কৃত হয় ১৮৫৩ সালে এক্সিডেন্টাল ভাবে।
আসুন জেনে নেই - এই চিপস কিভাবে সব পাল্টায় দিলো। বাংলাদেশের ৩০ বছরের উপরে ৩০% মানুষের উচ্চ রক্তচাপ আছে।। আর ৫০ বছরের উপরে প্রায় ৬৫% মানুষের উচ্চ রক্তচাপ আছে। এই হিসেবে বাংলাদেশে কয়েক কোটি প্রেশারের রোগী আছে। যদিও ডায়াগনোসিস হয় বা হইছে ১০% এর কম। এতো প্রেশার কই থেকে আসল দেশে। আর এতো অল্প বয়সে প্রেশারে কেমনে ধরে?
আমরা জানি চিপসের প্রতি এক আউন্সে সোডিয়াম থাকে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম। তাও ভালো আয়ন পিউর সোডিয়াম ক্লোরাইড না। মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট, বা টেস্টিং সল্ট। খাইতে খুব মজা লাগে। কিন্তু প্রতিদিন উচ্চ ডোজে শরীরে লবণ প্রবেশ করছে। এই লবন জীবনের শুরু থেকেই আপনার Renin Angiotensin system কে উত্তেজনার সিগনাল দিয়ে যায়। সে তখন Aldoesterone সাথে পাল্লা দিয়া শরীরের ফ্লুইড ভলিউম বাড়িয়ে রাখে।
সাথে সাথে Hyperosmolarity এর জন্য ADH release হতে থাকে। শুরু হয়ে যায় অল্প বয়সেই হাই প্রেশার। চিপস এ যেহেতু হাই ক্যালরি আলু কার্বোহাইড্রেট থাকে। তাই তারা শরীরে সহজেই জমা হতে পারে। সেই জমার ফলে খুব দ্রুত ওজন বাড়তে থাকে। সাথে বাড়ে চর্বিও। সেই চর্বি জমা হয় রক্তনালীতে। রক্তনালী হার্টে বন্ধ হলে হার্ট এটাক। আর ব্রেইনে বন্ধ হলে স্ট্রোক অবধারিত (Ischemic stroke).. আর আগেই সৃষ্ট হাই প্রেশারে রক্তনালী ছিড়ে যেতে পারে। তাতে হবে Hemorrhagic stroke... হাই ক্যালরি influence এ বার বার ইনসুলিনের বেটা সেল ধ্বংসের পায়তারাও চলে পাশাপাশি।
এক সময় ধরা পড়ে ডায়াবেটিস। এছাড়াও মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট শরীরে ক্যান্সার তৈরির রিস্ক ফ্যাক্টর!
তাহলে হিসাব করে দেখুন - "একটা শিশুর জীবন শুরুর সাথে সাথে চিপস দেয়ার নাম করে শরীরে হাই প্রেশার, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, ক্যান্সার ইত্যাদির বীজ বপন করে দিচ্ছেন"!😥
সবসময় রোগীদের বলি বাচ্চাদের চিপস খাওয়াবেন না। তাঁরা কতটুকু মানে জানিনা। আমি আমার সন্তান
" মিকাঈল"কে এখন পর্যন্ত এক টুকরা চিপস'ও খাওয়াইনি।
তাই বারবার রোগীদের অনুরোধ করি, যদি বাচ্চাদের বাহিরের কিছু খাওয়াতেই হয় তাহলে স্বাস্থ্যকর অথবা প্রয়োজনীয় কিছু কিনে দিন।
23/02/2022
বিষাক্ত কাগজ
ফেরদৌস আহমদ।
সন্ধ্যা রাতে তরুণী বসে, পড়ছে ক্লাসের পড়া
মাথা চুলকায় মাথা যে তার ,খুশকি উকুনে ভরা।
কাছে চিকন চিরুনি পেয়ে, মারতে লাগল মাথায়
উকুন খুশকি পড়তে লাগল, খোলা বইয়ের পাতায়।
বইয়ের পাতায় জ্যান্ত উকুন পিলপিলিয়ে হাটে
পিষে তাদের মারছে খুকি, শক্ত নখের পিঠে।
ধুলাবালি উকুন খুশকি হাজার ময়লা মাখা
বইখানিরে বছর শেষে বাক্সে হলো রাখা।
বিকেল বেলা খবর কাগজ পড়তে বসে দাদু
কোলে নিয়ে নাদুস নুদুস নাতনি সোনা যাদু।
হঠাৎ সোনা দাদুর কুলেই করে দিল সিসু
কিছুই তো নেই পেপার হল মুত্র মোছার টিস্যু।
ছোট্ট শিশুর সর্দি নাকে মুছতে ডাকে মা কে
মায়ের হাতের পেপার ছিল মারলো ঘষা নাকে।
মল মূত্র সর্দি মাখা ময়লা পেপার যত
তুলে রাখলো সেই বাক্সে ময়লা বইয়ের মত।
কাগজ বাঁধলো বাসা টিকটিকি ও উই
তেলাপোকা ইঁদুর বাবু সঙ্গে ইতর দুই।
বাসা বেঁধে ইঁদুর বাচ্চা দিচ্ছে মাসে মাসে
কাগজ মাখে প্রসবকালীন ময়লা রক্ত রসে।
বাথরুম নেই তেলাপোকার নেই কো ধোয়ার জল
এই কাগজেই ত্যাগ করে তাই মূত্র এবং মল।
হঠাৎ করে কাগজ কেনার হকার ব্যাটা এসে
টিকটিকিদের সুখের বাসা ভেঙ্গে দিল শেষে।
কিনে নিল পুরনো কাগজ হাজার ময়লা যাতে
পৌঁছে গেল আচার মুড়ি ফুচকাওয়ালার হাতে।
এই কাগজে আমরা সবাই খাবার রেখে খাই
দোহাই লাগে এমন কাজটি আর করো না ভাই।
পথের ধারে আচার দেখে জ্বিবে এল জল
মুখে নেস নে কাগজে ভাই তেলাপোকার মল।
ময়লা জেনেও কাগজে খাই আমরা আজব বোকা
সভ্য সাজের অন্তরালে ময়লা খাওয়ার পোকা।
সহজে আয়োডিন যুক্ত লবন চেনার উপায়
26/09/2021
আমরা যতটুকুই জেগে থাকছি ততটুকুই আমাদের ইনসুলিন পিকে রাখছি। যার দরুন আমাদের ওজন কমছে না।
যাদের টাকা আছে, তারা ইদুরের মত প্রতি ঘন্টায় কুটকুট করে কিছু না কিছু খেতেই থাকছি। আর যা খাচ্ছি মেইন মিলের মাঝে তার ৭০-৯০%ই শর্করা যেমনঃ বিস্কুট, মুড়ি, সিংগারা, পুরি, সফট ড্রিনকক্স, নূডলস, বার্গার, ফ্রেন্স ফ্রাই, লাচ্ছি, ফালুদা ইত্যাদি ইত্যাদি। এগুলা খাওয়া মাত্রই কিছুক্ষন পর আবার ক্ষুধা লাগে, তখন আবার খাচ্ছি। এভাবে একটা সাইকেলে আবদ্ধ হয়ে যাচ্ছি।
#করনীয়ঃ
১. ক্ষুধা লাগলেই পানি খান পেট পুরে।
২. রুমে শুকনা খাবারের পরিবর্তে টক ফল রাখুন।
৩. অনলাইনে খাবার অর্ডার বন্ধ করুন।
৪. বাদাম খান/ছোলাবুট খান।
৫. ডিম সিদ্ধ খান।
৬. সালাদ খান।
৭. ক্লান্তি দূর করার মাধ্যম খাবার নয়, বাইরে গিয়ে হেটে আসুন।
৮. মাঝে মাঝে রোজা রাখেন।
৯. ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং /ওয়াটার ফাস্টিং করেন।
১০. আনন্দ বা বিরহ কোনটার সাথীই খাবার নয়, খাবার বেচে থাকার জন্য।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
ডেবাডাঙ্গী বাজার
Thakurgaon
5100
