Najifa Fashion

Najifa Fashion

Share

আপনি আপনার পছন্দের যেকোনো পণ্য অনলাইন অফলাইনের মাধ্যমে যেকোনো প্রান্ত থেকে ঘরে বসে ক্রয় করতে পারবেন।

আপনি আপনার পছন্দের যেকোনো পণ্য অনলাইন অফলাইনের মাধ্যমে যেকোনো প্রান্ত থেকে ঘরে বসে ক্রয় করতে পারবেন।


☑️ পণ্য ক্রয়ের ও বিক্রের একমাত্র তো বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান Najifa Fashion.
আমরা সততার সহিত ব্যবসা করে থাকি।
✆ +8801811698826



☑️অর্ডার করতে এখনই ফোন বা মেসেজ করুন।
🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥
✆ +8801811698826
সুপ্রিয় ভাই ও বোনেরা আসসালামু আলাইকুম।

Produc Name
1.𝐋𝐚𝐢𝐤𝐨𝐮 𝐒𝐚𝐤𝐮𝐫𝐚 𝐂𝐨𝐦𝐛𝐨 𝐒𝐞𝐭
2.

05/03/2025
25/05/2024

বদ নযর থেকে হেফাযতের দোয়া
اَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَّهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ .
উচ্চারণ:
আ‘ঊযু বিকালিমাা তিল্লাা হিত তাা ম্মাতি মিন কুল্লি শাইত্বাা নিউ ওয়া হাা ম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনীন লাাম্মাহ।

অর্থ:
সকল শয়তান, কীটপতঙ্গ ও বদ নযর হতে আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালিমাসমূহের মাধ্যমে আশ্রয় চাচ্ছি।

বুখারী হাদীস নং-৩৩৭১

24/05/2024

সর্বদা ছোট ছোট গুনাহ গুলো থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখ,
কেননা মানুষ কখনও পাহাড়ের সাথে হোচট খায়না। ছোট পাথরের সাথে খায়।

22/05/2024

মাত্র দুইটি কাঁচা আম আর এক কাপ সাবু দিয়ে ৩০টি পাপড় বানিয়ে নিতে পারেন। টক টক, ঝাল ঝাল পাপড় বাড়ির ছোট-বড় সবাই পছন্দ করবে। রইলো রেসিপি।

প্রথম ধাপ: প্রথমে দুইটি কাঁচা আম নিয়ে নিন। এবার আমগুলো কেটে টুকরো টুকরো করে নিতে হবে। তারপর ভালো করে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর একটি ছাঁকনিতে সিদ্ধ আমগুলো ঢেলে দিতে হবে। তারপর একটা চামচ দিয়ে চেপে চেপে ছেঁকে নিন। যাতে খোসা না থাকে। যদি খোসা থাকে তাহলে পাপড় ভালো হবে না।

দ্বিতীয় ধাপ: মিক্সারের বাটিতে এক কাপ পরিমাণ সাবু দানা ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন। এরপর মিক্সারে পেস্ট করে নিন।

তৃতীয় ধাপ: এবার চুলায় একটি ফ্রাইপ্যান বসিয়ে দিন। ফ্রাইপ্যানে সাদা তেল দিয়ে দিন এবং এতে আমের মিশ্রণ দিয়ে কিছু সময় নাড়তে হবে। চুলার আঁচ কমিয়ে রাখতে হবে এবং মিশ্রণটা আঠালো হওয়া পর্যন্ত নাড়তে হবে। এরপর এতে সাবু দানার মিশ্রণ মিশিয়ে দিতে হবে। মিশ্রণটা বার বার নাড়তে হবে। এতে ভাজা জিরা, চিলি ফ্লেক্স, পরিমাণ মতো লবণ এবং সামান্য পানি মিশিয়ে দিতে হবে। সঙ্গে দিতে পারেন সামান্য একটু ফুড কালার। পুরো মিশ্রণটি আরও কিছুক্ষণ নাড়তে হবে। খেয়াল রাখতে হবে মিশ্রণটি যেন খুব পাতলা না হয়। তাহলে শুকাতে অনেক সময় লেগে যাবে।

চতুর্থ ধাপ: এবার একটি পলিথিনে সয়াবিন তেল মেখে নিতে হবে। এর ওপর অল্প অল্প পরিমাণে আম-সাবুর মিশ্রণটি ঢেলে দিয়ে পাপড়ের আকার তৈরি করে নিতে হবে। তারপর এগুলো কড়া রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। যখন দেখবেন যে হাতে নিয়ে চাপ দিলে কুড়মুড় শব্দে ভেঙে পড়ছে তখন বুঝবেন এগুলো ভাজার উপযুক্ত হয়ে গেছে।

শেষ ধাপ: সয়াবিন তেলে শুকনো পাপড়গুলো ভেজে নিতে হবে।

21/05/2024

বাচ্ছা জন্মের পর!
আমাদের দেশের বেশীরভাগ স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কেই ভাটা পড়ে। ২ জন বা ৩ জন বাচ্চা হলে তো কথাই নেই। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক হয়ে যায় ভাইবোনের মতো। বাচ্চার পিছনে দৌড়ে দৌড়ে, সংসারের কাজ করে করে স্বামীর সাথে রোমান্টিক সম্পর্কের মুড আর থাকেনা। সম্পর্কে শুরু হয় তিক্ততা। এদিকে দেশীয় কালচারে বাচ্চা নিয়ে ঘুমানো প্রায় সব পরিবারেই দেখা যায়। বাচ্চার বয়স ৫/৬/৭, কিন্তু মা বাবার সাথে শোয়। যেখানে আড়াই বা তিন হলেই বাচ্চাকে আলাদা করে দেয়া উচিত। কারন এরপর বাচ্চারা বুঝতে পারে অনেককিছুই। রাতে ঘুম ভেংগে সে মা-বাবাকে অপ্রস্তুত অবস্থায় দেখলে তার মনে যেমন প্রশ্নের উদ্রেক হবে, তেমনি উল্টোদিকে বাচ্চার সাথে একসাথে শোবার কারনে দাম্পত্যে বিঘ্ন তৈরি হয়।

বাচ্চার বয়স আড়াই বা তিন হলেই তাকে আলাদা করে দিন। বাচ্চা কিন্তু কষ্ট পাবেনা, কষ্ট পাবেন আপনি, বাচ্চা দূরে সরে যাবে মনে হবে। কিন্তু না, আসলে বাচ্চা দূরে সরে যায়না। এটা বাচ্চার ভালোর জন্য, আপনাদের স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ভালো থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয়। বাচ্চার জন্য আলাদা বিছানা রেডি করুন। ওর রুমটাকে ওর পছন্দ মতো সাজিয়ে দিন। রাতে গল্প শুনিয়ে বা বই পড়িয়ে ওকে ঘুম পাড়ান। ঘুমিয়ে গেলে চলে আসুন আপনার রুমে। ও আপনার অনুপস্থিতি টেরও পাবেনা। রাতে ও উঠতে পারে এই ভয় থাকলে একটা বেবি মনিটর কিনে নিন, দাম বেশি নয়। ওর মাথার কাছে মনিটর রেখে রিসিভার আপনার নিজের বালিশের কাছে রাখুন। রাতে উঠলে আপনি সাথে সাথে টের পাবেন, যেমনটা পেতেন আপনার সাথে ঘুমালে। আপনি তো জানেনই সকালে কখন উঠে। তার একটু আগে গিয়ে ওর সাথে শোবেন। ও ঘুম হতে উঠেও আপনাকে পাবে। রাতে যে আপনি ছিলেন না, তা ও বুঝবেইনা।

দ্বিতীয় সন্তান হলে বেশীরভাগ মায়েরা প্রথম সন্তানকে অবহেলা শুরু করে। সব আদর যেন ছোটজনের জন্য, অথচ সে আদরের কিছুই বোঝেনা। আর যে বোঝে সেই বড়জনকে কথায় কথায় ডাক দেয়া, বকা দেয়া চলতে থাকে। মা/ রে*র কথা তো বাদই দিলাম। স্বাভাবিকভাবেই তার মনে ছোট বাচ্চাটার প্রতি বি- দ্বেষ সৃষ্টি হয়। ভাবে, ও না থাকলেই ভালো হতো, মা আদর করতো। অথচ মায়ের উচিত এই সময়ে বড়জনকে বেশি করে সময় দেয়া, আদর করা। বড়জনকে বোঝানো তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা একটুও কমেনি। আপনি আর আপনার স্বামী দুজনেরই দায়িত্ব এটা।
দু বাচ্চার মাঝে তুলনা করবেন না। কারন তারা দুজনই সম্পুর্ন আলাদা মানুষ। দুই বাচ্চার জন্য আলাদা নিয়ম বানাবেন না। একজনকে মোবাইল দেখিয়ে খাওয়াবেন, আরেকজনকে বলবেন খাওয়ার সময় নো ডিভাইস, তাহলে তো হবেনা। দুজনের বেডটাইম যেন এক হয়। কোনো জিনিস কিনলে একজনের জন্য নয়, দুজনের জন্যই কিনবেন।
ছোটটির বয়স যখন আড়াই হবে তখন ওকেও আলাদা করে দিন, বড়জনের সাথে। দুজন একসাথে ঘুমুবে বা একই রুমে দুটো বিছানায়।
দিনে এক হতে দেড়ঘন্টা আলাদা করে রাখুন যখন পরিবারের সবাই মিলে সময় কাটাবেন। হাসি আনন্দ করবেন। বাচ্চাদের সাথে স্বামী স্ত্রী একসাথে খেলবেন। নিজের পার্টনারের দিকে ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাকাবেন। মেজাজ যদি বেশি খারাপ থাকে অকারণে, সরে যান প্রিয় মানুষগুলোর কাছ হতে তাদের আ*ঘাত করার আগেই। আলাদা রুমে বা বারান্দা বা ছাদে গিয়ে মেডিটেশন করুন। নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন যে কারনে আপনার মেজাজ খারাপ তা কতটা যুক্তিযুক্ত। গভীর নিঃস্বাস নিন। মন খারাপকে ছড়িয়ে দিন বাতাসে।
সংসার তৈরি হয় স্বামী স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে। সংসারের কাজ করতে করতে এই মানুষগুলোই যেন অবহেলিত না হয় সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই। ভালোবাসার সম্পর্কগুলো অটুট থাকুক 🙏❤️
পেইজ টা ফলো করে দিবেন সবাই ধন্যবাদ ❤️

কপি পোষ্ট এটা।

20/05/2024

আমার বউ কাজ করে না...

একজন স্বামী (এম) এবং একজন মনোবিজ্ঞানী (পি) এর মধ্যে কথোপকথন:

পি: আপনি একটি জীবিত থাকার জন্য কি করেন, মি. রজার্স?
এম: আমি একটি ব্যাংকের হিসাবরক্ষক...
P: আর তোমার বউ?
এম: সে কাজ করে না। তিনি একজন বাড়িতে থাকা মা।
পি: কে আপনার পরিবারের জন্য সকালের নাস্তা তৈরি করে?
এম: আমার স্ত্রী, যেহেতু সে কাজ করে না।

P: আপনার বউ সকালে কয়টায় ঘুম থেকে ওঠে?

এম: সে খুব তাড়াতাড়ি জেগে ওঠে কারণ সবকিছু সংগঠিত করতে হয়। সে বাচ্চাদের জন্য দুপুরের খাবার তৈরি করে, সে নিশ্চিত করে যে তারা ভাল পোশাক পরে আছে এবং কম্বড আছে, যে তারা খেয়েছে, তাদের দাঁত মাজছে এবং তাদের স্কুলের সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করেছে। সে শিশুর সাথে জেগে ওঠে, তার ডায়পার পরিবর্তন করে এবং তাকে স্তন্যপান করে।

পি: আপনার বাচ্চারা কিভাবে স্কুলে যায়?

এম: আমার স্ত্রী তাদের স্কুলে নিয়ে যায়, কারণ সে কাজ করে না।

P: বাচ্চাদের নিয়ে স্কুলে যাওয়ার পর, সে কি করে?

এম: সে মুদি কেনার জন্য সুপারমার্কেটে যায় অথবা সে বাড়ির জন্য কেনাকাটা করে। মাঝে মাঝে সে কিছু ভুলে যায় এবং কান্না করা শিশুর সাথে পুরো ট্রিপ আবার করতে হয়। একবার সে বাড়িতে ফিরে গেলে, তাকে বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে এবং স্তন্যপান করাতে হবে, তার ডায়পার পরিবর্তন করতে হবে এবং তাকে একটি ঘুমের জন্য প্রস্তুত করতে হবে, ঘর পরিষ্কার করতে হবে এবং লন্ড্রি করতে হবে। তুমি জানো, যেহেতু সে কাজ করে না।

P: সন্ধ্যা বেলা অফিস থেকে ফেরার সময় কি করেন?

এম: আমি বিশ্রাম নিচ্ছি, অবশ্যই। আমি ব্যাংকের দীর্ঘ দিনের কাজের জন্য ক্লান্ত।

P: আপনার বউ সন্ধ্যায় কি করে?

এম: সে রাতের খাবার রান্না করে, আমাদের খাবার পরিবেশন করে, ডিশ ধুয়ে, ঘর পরিষ্কার করে এবং কুকুরকে হাঁটে। বাচ্চাদের বাড়ির কাজে সাহায্য করার পর, সে তাদের বিছানার জন্য প্রস্তুত করে এবং চেক করে যে তারা তাদের দাঁত মাজছে। তারপর সে বাচ্চার ডায়পার পরিবর্তন করে আবার তাকে স্তন্যপান করিয়ে দেয়। যখন সে বিছানায় থাকে, সে নিয়মিত ঘুম থেকে ওঠে স্তন্যপান এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডায়পার পরিবর্তন করে, কারণ তাকে কাজে যেতে হবে না।

পৃথিবীর অনেক নারীর দৈনন্দিন রুটিন এটাই। এটা ভোর থেকে শুরু হয় এবং সকালের পুঁচকে ঘন্টা পর্যন্ত চলতে থাকে... এবং এটাকে বলে “কাজ করো না”?!

একজন বাড়িতে থাকা মা হওয়ার কোন ডিগ্রী প্রয়োজন না হতে পারে, কিন্তু এটি একটি অত্যাবশ্যক পারিবারিক ভূমিকা!

আপনার স্ত্রী, আপনার মা, আপনার দাদী, আপনার খালা, আপনার বোন বা আপনার মেয়ের প্রশংসা করুন... কারণ তাদের ত্যাগ অমূল্য।

কেউ একজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল...

"আপনি কি একজন কর্মজীবী মহিলা, নাকি আপনি শুধুমাত্র একজন বাড়িতে থাকা মা? ” »

আমি উত্তর দিলাম :

আমি একজন মহিলা যিনি দিনে ২৪ ঘন্টা বাড়িতে কাজ করেন...

আমি একজন মা,
আমি একজন নারী,
আমি একটা মেয়ে,
আমি একটি এলার্ম ঘড়ি,
আমি রাঁধুনি,
আমি গৃহকর্মী,
আমি ঘরের মালিকা,
আমি ওয়েট্রেস,
আমি নার্স,
আমি একজন নার্স,
আমি একজন হস্তচালিত কর্মী,
আমি একজন সিকিউরিটি গার্ড,
আমি পরামর্শদাতা,
আমিই সান্ত্বনাদাতা,
আমার কোন ছুটি নেই,
আমি দিন রাত কাজ করি,
আমি এখনো ডিউটিতে আছি,
আমি বেতন পাই না এবং...

এমনকি তারপর, আমি প্রায়ই এই উক্তিটি শুনি:

"কিন্তু তুমি সারাদিন কি করো? ” »

সমস্ত নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা যারা তাদের পরিবারের মঙ্গলের জন্য তাদের জীবন উৎসর্গ করে।

Collected

18/05/2024

*এক স্বামী তার স্ত্রীর কাছ থেকে 250 টাকা ধার নিল-__☺
*কিছুদিন পর আবার 250 টাকা নিল-__😘
*তার কিছুদিন পর স্ত্রী স্বামীর কাছে তার পাওনা টাকা চাইলো-__😒😒
*স্বামী জিজ্ঞেস করলো কত হয়েছে -__?☺☺
*স্ত্রী বলল 4100 টাকা-__😍😍
*স্বামী জিজ্ঞেস করল-কিভাবে__? 😳😲
*স্ত্রী খাতায় লিখে ঠিক এভাবেই হিসেব দিল-__😃😃

👇👇👇👇

2 5 0
+ 2 5 0
-----------------
4 10 0
-----------------
*স্বামী হতবাক হয়ে ভাবতে লাগলো কোন স্কুলে পড়েছে এ-___🤔🤔

*স্বামী বুদ্ধি খাটিয়ে ভেবে দেখল যে,ও যেভাবে গণিত শিখেছে ওকে সেভাবেই বুঝ দিতে হবে-__😁😁

সে 100 টাকা দিয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করল আর কত পাবে -__😚😚

*স্ত্রী ঠিক আগের মতো হিসাব করল-__🙃🙃

*তাহলে দাঁড়াল-__🤔

👇👇👇👇

4 1 0 0
( _ )1 0 0
_______________
4

স্ত্রীকে 4 টাকা দিয়ে বলল হিসাব বরাবর-__🌚🤧

স্ত্রী ও বলে হিসাব বরাবর-__🤣😂

C

12/05/2024

আপনি ভাল আছেন তার মানে যে সবাই ভাল আছে তা না। আপনার সুখ দেখেও অন্যরা কষ্ট পেতে পারে। তারা হিংসা করতে পারে। আর সেখান থেকেই বদনজরের সূত্রপাত হয়। আর এটা বর্তমানে আমাদের সমাজ, পরিবার, কর্মক্ষেত্রসহ মোটামুটি সর্বত্রই বিরাজমান!
বদনজর এমন একটি বিশেষ প্রভাব যা একজন মানুষ থেকে আরেকজন মানুষের ওপরে বিস্তার লাভ করতে পারে।
আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, “বদ নজর সত্য”। [বুখারি: ১০/১১৩]
তিনি আরও বলেছেন, “কোন বস্তু যদি তাক্বদীরকে অতিক্রম করতো তবে তা হতো বদ নজর”। [তিরিমিযী ২০৫৯, আহমাদ ৬/৪৩৮]
তিনি আরও বলেন, “আমার উম্মতের মধ্যে তাক্বদীরের মৃত্যুর পর সর্বাধিক মৃত্যু হবে বদ নজর লাগার ফলে”। [আত তারিখ, বুখারি]
বদ নজর পরিবার ধ্বংস করে, সম্পর্ক নষ্ট করে, স্বপ্নগুলো হত্যা করে, জীবন ও জীবিকা বরবাদ করে, ক্যারিয়ারকে ধূলিসাৎ করে, সৌন্দর্যগুলো অসুন্দর করে, ভালোবাসাকে ঘৃণায় পরিণত করে।
তাই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন
لَوْ كَانَ شَيْءٌ سَابَقَ الْقَدَرَ لَسَبَقَتْهُ الْعَيْنُ ‏
কোন জিনিস যদি ভাগ্যকে অতিক্রম করতে পারত তাহলে বদ-নজরই তা অতিক্রম করতে পারত।
হাদিস নম্বরঃ ২০৫৯
©

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Wari?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Jurain, Kodom Toli Thana Dhaka/1204
Wari