Baby,s Healthy Food Habit
Let’s get star a healthy food habit for your little one (Being healthy & active is important not Fat)
10/29/2025
এমিলের ছেলেবেলা পেইজ এ লেখাটি পেয়েছি, দারুন
খেলনা সমাচার~~
কিছু কিছু খেলনা আছে, যেগুলি থাকার চেয়ে না থাকা অনেক বেশি উপকারী।
কিভাবে সে খেলনাগুলি চিনবেন বা বুঝবেন—
📌ব্যাটারি দিয়ে চলে
📌জোরে শব্দ করে
📌কয়েক রকমের আলো জ্বলে
এই শব্দ এবং আলো আপনার শিশুর কান এবং চোখের জন্য বেশ ক্ষতিকর। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি ওর ব্রেইনের। অতি আলো, শব্দ এবং কৃত্রিম অ্যাকটিভিটি মিলিয়ে শিশুর ব্রেইনে অধিক উত্তেজনা তৈরি হয়। এটা হাই সিমুলেশন কার্টুনের মতই ( কোকোমেলন, বেবেফিন, প পেট্রল, ব্লিপ্পিসহ এরকম যা আছে)
শিশুর ব্রেইনকে ওভারস্টিমুলেটেড করে।
তাহলে খেলনা বাছাই এর সময় কী খেয়াল করবো—
📌কোনো সাউন্ড থাকবে না
📌কোনো আলো জ্বলবে না
📌ফলে কোনো ব্যাটারি লাগবে না।
এবার বলি ব্যাটারি কেন বাদ। বাংলাদেশের খেলনা আমি যেগুলো দেখেছি সেগুলিতে ব্যাটারি খোলার পার্টসটা ওপেন বা শিশু নিজেই চাইলে খুলে ফেলতে পারে এমন। যেটা মোটেও নিরাপদ না।
কিন্তু এজন্য একথা বলিনি। যেসব খেলনায় ন্যাচারাল কনসিকোয়েন্স বা প্রাকৃতিক পরিণাম আছে সেগুলি থেকে শিশু অনেক কিছু শিখতে পারে। যা মেশিন নির্ভর খেলনা থেকে পারে না।
সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলি।
একটা লাটিম কেন্দ্রে ভর দিয়ে নিজ অক্ষে ঘুরতে পারে যদি তাকে কেন্দ্রে পর্যাপ্ত ঘূর্ণনগতি দেয়া যায়। এই কঠিন বিজ্ঞান ক্লাসে না, একটা লাটিম দিয়ে শিশু হাতেকলমে শেখে।
একটা বল যেভাবে গড়িয়ে যায়, স্কেল সেভাবে গড়ায় না। এটা থেকে শিশুর এক্সপেরিয়েন্স হয় যে গোল বা রাউন্ড শেইপ জিনিস গড়াতে পারে।
আপনি একটা ব্যাটারি চালিত খেলনা শিশুকে দিলেন। সে বাটন চাপলো আর কোনো একটা কাণ্ড হলো। এটা কিন্তু প্রাকৃতিক কাণ্ড না।
একটা মুড়ির টিন দিলেন, সেটা ঝাঁকালেন। যেই বাজনাটা বাজলো সেটা প্রাকৃতিক। এজন্যই যতটা পারেন ব্যাটারি বাদ দিবেন।
এমিলের ব্যাটারী খেলনা আছে কিনা—
হ্যাঁ আছে। গিফট পেয়েছি। যেগুলো সহ্য করার মত সেগুলি রাখি। বাকিগুলির ব্যাটারি খুলে ওকে খেলতে দিয়েছি।
বই, ঘড়ি এবং টর্চলাইটে ব্যাটারি আছে। বাকি সব আলো শব্দবিহীন খেলনা।
❤️কয়েকটি দারুণ খেলনা❤️
📌স্টিলের চামচ বাটির বাজনা
📌মুড়ি/চিড়ার বয়াম (হাফ ভরা)
📌পানির বোতল যেটাতে অর্ধেক পানি আছে, এটা নাড়াচাড়া করা শিশুর জন্য দারুণ এক্সপেরিয়েন্স
📌বল
📌বেলুন
📌রুমাল
📌আয়না
📌ছবিসম্বলিত বই
📌চাকা
আমি কিভাবে খেলনা কিনি—
আমি কোনো খেলনা কিনি না। শুধু বই কিনি।
Lovevery, Kiwico, Grimms এইসব দামী কোম্পানির ওয়েবসাইটে খেলনা দেখে ঘরে নিজে এগুলোর বিকল্প জিনিস বানিয়ে দেই।
এইসব কোম্পানির খেলনা সেকেন্ড হ্যান্ড খুব কম দামে ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে পাওয়া যায়। মাঝে মাঝে ফ্রিও দেয়। আমি সেগুলি ব্যবহার করি।
এমিলের ৫০+ গাড়ি আছে। একটাও আমাদের কেনা না। উপহার। সবাইকে বলে দেই যা খুশি উপহার দাও প্যাঁ পোঁ বাজে এমন কিছু কিনবে না।
আমেরিকাতে দারুণ একটা সিস্টেম আছে। রেজিস্ট্রি। বিয়ের রেজিস্ট্রি, বার্থডে রেজিস্ট্রি। এসব রেজিস্ট্রিতে হোস্ট তার পছন্দমতন জিনিসগুলি তালিকা করে রেখে দেয়, গেস্ট ওই লিংকে ঢুকে সাধ্যমতন কিনে দেয় বা কিছু টাকা পে করে দেয়।
যত হোয়াইট বিয়েতে গিয়েছি সব বিয়েতেই আমরা রেজিস্ট্রির কিছু কিনে দিয়েছি কিংবা নতুন কাপলের বাড়ি কেনার ফান্ডে কন্ট্রিবিউট করেছি (তারাই চায় এরকম)
এমিলের বার্থডে এখনো ওইভাবে করি নি। কখনো করলে আমি অবশ্যই রেজিস্ট্রি খুলে দিবো।
আমার বেবিশাওয়ারে রেজিস্ট্রি ছিলো। অতিথিরা আমার তালিকা থেকেই জিনিস কিনে দিয়েছিলো।
#খেলনা
#পারমিতার_প্রতিদিন
Collected
09/27/2025
শিশুকে ক্রমাগত ধমকের ওপর রাখলে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষ'তি হয়। যেমন -আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া ,ভয় ও উদ্বেগ তৈরি হওয়া এবং শেখার ক্ষমতা কমে যাওয়া।
🔴 সবসময় ধমক শিশুর মস্তিষ্কে "টক্সিক স্ট্রেস" তৈরি করে যা শেখার ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং মনোযোগ,স্মরণশক্তি ও মানসিক বিকাশে সমস্যা সৃষ্টি করে।
🔴 দীর্ঘদিন ধরে ধমকানো হলে -শিশুরা রাগী, জেদি বা আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে।
✅ শিশুরা ভুল করলে, অন্যায় করলে বিনিময়ের শাস্তি দিন, বোঝান, শুধরে দিন ।
কিন্তু ছোট ছোট ভুলের জন্য সব সময় ধমকের ওপর রাখবেন না 🚫
✅ পারিবারিক পরিবেশ শান্ত রাখুন । শিশুর সামনে ইতিবাচক আচরণ করুন। স্পষ্ট ও নিয়মতান্ত্রিক পারিবারিক কাঠামোগত পরিবেশ তৈরি করুন 🤍।
Collected
১. শান্ত থেকে কথা বলুন
বাচ্চা জেদ করলে চিৎকার না করে শান্তভাবে বলুন, “আমি তোমার কথা বুঝতে চাই, কিন্তু আগে একটু শান্ত হও।”
এতে বাচ্চাও ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়।
২. মনোযোগ দিয়ে শুনুন
তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলুন, “তুমি কি কিছু বলতে চাও?”
সে বুঝবে, তার অনুভূতি আপনি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন।
৩. অন্য বিকল্প দিন
সে যদি আইসক্রিম চায়, আপনি বলুন, “আইসক্রিম নয়, কিন্তু তুমি ফল বা দই পেতে পারো, কোনটা খাবে?”
এতে বাচ্চা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সে নিজেকে সিদ্ধান্তের অংশ মনে করে।
৪. নিয়ম তৈরি করুন, শাস্তি নয়
আগে থেকেই বলুন, “টিভি দেখার সময় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত, এরপর আর নয়।”
এতে সে জানবে কোন কাজ কখন করতে হবে।
৫. জেদের পেছনের কারণ বুঝুন
হয়ত সে ক্ষুধার্ত, ক্লান্ত বা ঘুমাচ্ছে না। এমন সময় সহজেই জেদ বাড়ে।
তার আবেগ ও শারীরিক অবস্থা বুঝে প্রতিক্রিয়া দিন।
৬. ভালো আচরণের প্রশংসা করুন
সে শান্তভাবে খেলছে? বলুন, “তুমি আজ অনেক ভালো behaved করছো, খুব গর্ব হচ্ছে!”
এতে ভালো আচরণ বাড়ে, জেদ কমে।
৭. ধৈর্য ধরে সময় দিন
সে জেদ করলে কিছুক্ষণ একা থাকতে দিন বা বলুন, “আমরা পরে আবার কথা বলব।”
একা থাকলে সে নিজে ঠান্ডা হতে শিখে।
৮. আদর দিয়ে বোঝান
বকা না দিয়ে জড়িয়ে ধরুন আর বলুন, “আমি তোমায় খুব ভালোবাসি, কিন্তু এইভাবে জোরে চিৎকার করা ঠিক না।”
এতে সে ভালোবাসা থেকে শিখে, ভয় থেকে নয়।
৯. খেলনার মাধ্যমে শেখান
পুতুল বা গাড়ি দিয়ে নাটক করে শেখান: “এই পুতুলটা খুব জেদ করত, কিন্তু সে বুঝে গেছে কথা শুনলে কত ভালো হয়।”
শিশুরা খেলতে খেলতে সবচেয়ে বেশি শিখে।
১০. নিজে ভালো উদাহরণ দিন
আপনি রেগে না গিয়ে ধৈর্য ধরলে, বাচ্চাও শেখে কিভাবে শান্ত থাকতে হয়।
বাচ্চা সব সময় আপনাকে অনুকরণ করে।
এই কৌশলগুলো ধীরে ধীরে প্রয়োগ করলে বাচ্চার জেদ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।
© collected
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
122 Glenshephard Drive
Toronto, ON
M1K4N3
