RK Motivator
Welcome to Rk motivator motivational speaker page
28/02/2024
কীভাবে এসেছিল ২৯ ফেব্রুয়ারি?
ফেব্রুয়ারি মাসে একটা বাড়তি দিন যুক্ত হওয়ার গল্প জানতে হলে ফিরে যেতে হবে ২ হাজার ৬৬ বছর আগে। অর্থাৎ খ্রিস্টের জন্মের ৪৬ বছর আগে।
পৃথিবীতে তখন বছর হিসাব করা হতো একটু অন্যভাবে। সাধারণভাবে ধরা হত, ৩৬৫ দিনে শেষ হবে একটা বছর। কিন্তু এরমধ্যে একটা গলদ ধরা পড়লো। খ্রিষ্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীতে গ্রীক জ্যোতির্বিদ এবং গণিতবিদ সোসিজেনেস অব আলেকজান্দ্রিয়া ক্যালেন্ডারের হিসাবের সমস্যাটি তৎকালীন রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজারকে বুঝালেন।
বিষয় ভালোভাবে বুঝে নিলেন সিজার। এবং তিনি একটি ক্যালেন্ডার বানাতে বললেন এবং পরবর্তী বছর (৪৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) থেকেই তা কার্যকরের নির্দেশ দিলেন। সম্রাট জুলিয়াস সিজারের নামেই সেই ক্যালেন্ডারের নামকরণ হলো- ‘জুলিয়ান ক্যালেন্ডার’।
ব্রিটানিকার তথ্যমতে, জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে বছরের হিসাবটা আগের ক্যালেন্ডারের থেকে একটু অন্যভাবে করা হল। দেখা গেল, একটা পার্থিব বছর শেষ হতে প্রকৃতপক্ষে ৩৬৫ দিনের কিছু বেশি সময় লাগে। সঠিকভাবে হিসাব করলে এক বছরে গড়ে ৩৬৫.২৪২১৯ সৌর দিবস (‘মিন সোলার ডে’) হয়। প্রতি বছরে গড়ে .২৫ দিন বেশি হিসাব করলে চার বছরে মোট একটি দিন বেশি হয়ে যায়।
দেখা গেল, পার্থিব বছরের সময়ের ক্ষয়ক্ষতির প্রায় পুষিয়ে দেয়া যায় চার বছর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাসের সঙ্গে একটা দিন যোগ করে দিলে। এর সেই থেকেই জন্ম হল ২৯ ফেব্রুয়ারির। যার নাম ‘লিপ ডে’। আর এই দিনটি যে বছরে যুক্ত হয় সেই বছরটার নাম ‘লিপ ইয়ার’।
লিপ ইয়ার: ৪ এবং ৪০০-র হিসাব
প্রতি চার বছর অন্তত একটি দিন যোগ করার সিস্টেম চলল প্রায় ১৬০০ বছর। এরপর ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে তদানীন্তন পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরি ক্যালেন্ডারে ‘লিপ ডে’ আরও নিখুঁতভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করলেন এবং নতুন ক্যালেন্ডার চালু করলেন। যা আজও পৃথিবীজুড়ে অনুসরণ করা হয়।
হিসাব করলে দেখা যায়, যেহেতু পার্থিব বছরের আয়ু ৩৬৫.২৪২১৯ গড় সৌর দিবস তাই প্রতি ৪০০ বছরে ৯৭টি দিন বেশি হয়। সেই দিনগুলিকে পার্থিব বছরের হিসেবের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হলে কোনও শতাব্দীর যে বছরগুলির শেষে দুটি শূন্য (০) রয়েছে তাকে ৪০০ দিয়ে ভাগ করতে হবে। যদি কোনো ভাগশেষ থাকে তাহলে সেই বছরগুলি লিপ ইয়ার হবে না। আর ভাগশেষ না থাকলে, সেগুলি লিপ ইয়ার হবে। এই কারণে ১৬০০ সাল ইয়ার হলেও ১৭০০, ১৮০০ এবং ১৯০০ সাল লিপ ইয়ার ছিল না। একইভাবে ২০০০ লিপ ইয়ার হলেও ২১০০, ২২০০ এবং ২৩০০ সাল লিপ ইয়ার হবে না।
28/01/2024
**৭ম শ্রেণির শরিফ-শরিফার গল্পটা এরকমও হতে পারতো:-
** শরিফ আর শরিফা দুই ভাই-বোন...বাবা আর মায়ের সাথে ঢাকার বনানীতে বসবাস করেন। স্কুলের ছুটি পেয়ে ঢাকা থেকে দাদু বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও বেড়াতে যাচ্ছে , এটাই তাদের প্রথম ট্রেন ভ্রমণ,তাই ওরা দুজনেই খুব উৎফুল্ল,শরিফ পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে আর শরিফা চতুর্থ শ্রেণিতে,শরিফ-শরিফার বাবা জনাব আশরাফ সাহেব রাজধানীর স্বনামধন্য ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক.....
ময়মনসিংহগামী -মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি জয়দেবপুর রেলস্টেশনে থামলে একদল হিজড়া//তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ ট্রেনটিতে উঠে, ট্রেনের জানালার কাঁচ দিয়ে সে দৃশ্য দেখে শরিফ ও শরিফা,, দুই ভাই-বোনই ওদের দেখে খুব অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে । 'মানুষগুলো মেয়েদের মত দেখতে,কিন্তু অনেক লম্বা,ঠোঁটে কড়া লিপস্টিক লাগানো,মুখেও অনেক মেকাপ,দেখতে কেমন যেন একটু অদ্ভুত লাগে। ওরা সবচেয়ে অবাক হয়,মেয়েদের মত দেখতে হলেও ওদের গলার আওয়াজ ঠিকই ছেলেদের মত...শরিফা ভয় পেয়ে মায়ের আঁচলে লুকোতে চায়...কৌতুহল জাগে শরিফের মনে...সে বাবাকে জিজ্ঞেস করে,'বাবা, কে এরা তাদের দেখতে এমন কেন ?'
আশরাফ সাহেব বলেন,'ওরা তোমার আমার মতই স্বাভাবিক মানুষ...সৃষ্টিকর্তা তোমাকে যেমন ছেলে বানিয়েছেন...তোমার ছোট্ট বোনটাকে যেমন মেয়ে বানিয়েছেন...তেমনি সৃষ্টিকর্তা ওদেরও এক বিশেষভাবে বানিয়েছেন, ওরা ছেলেও না,আবার মেয়েও না, ওদের বলা হয় থার্ড জেন্ডার বা তৃতীয় লিঙ্গ'
বাবা-ছেলের এই প্রশ্নোত্তর পর্ব চলতে চলতেই সেই হিজড়াদের দলের একজন ওদের কাছে আসে, কিছুটা পুরুষের মত ভাঙ্গা গলা সুরে টাকা দিয়ে সাহায্য করতে বলে শরিফের বাবাকে, ...শরিফের বাবা আশরাফ সাহেব পকেট থেকে ২০ টাকার একটা নোট শরিফের হাতে দিয়ে বলেন,'নাও বাবা,এটা আন্টিকে দাও'...শরিফ ভয়ে ভয়ে টাকাটা হিজড়া মানুষটির দিকে বাড়িয়ে দেয়, টাকা নিয়ে মুচকি হাসি দেয় সে হিজড়া মহিলা, শরিফের গাল টেনে আদর করে দিয়ে বলে,'অনেক বড় হও বাবা'আর শরীফার দিকে চেয়ে মুচকি হেসে দিল...
এক পর্যায়ে চলে যায় হিজড়ার দল অন্য এই বগি থেকে অন্য বগিতে । কিন্তু কৌতুহল তখনও কাটেনি শরিফের,আবারও শরিফ জিজ্ঞেস করে তার বাবাকে,'আচ্ছা বাবা,ওরা যদি আমাদের মত স্বাভাবিক মানুষ হয়,তাহলে ওরা ট্রেনে ট্রেনে এভাবে ভিক্ষা করে কেন ?
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,শরিফ-শরিফার বাবা সুন্দর করে তার দুই ছেলে-মেয়েকে বুঝিয়ে বলেন,'ওরা আমাদের মত স্বাভাবিক মানুষ হলেও স্বাভাবিক মানুষের মত কাজ করার সুযোগ তেমন একটা ওরা সমাজে পায় না ,ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখার সুযোগও ওদের তেমন নেই ,, সমাজে কিছু মানুষ ওদের দূর দূর করে, বেশিরভাগ মানুষ তাদের দিকে আর চোখে তাকিয়ে থাকে। ওরা যদি সমাজে আট দশটা ছেলে মেয়ের মত সব জায়গায় সমান তালে পড়ালেখা ও চাকুরি করার সুযোগ পেত,,তাহলে ওদের ট্রেনের বগিতে, বগিতে এভাবে ভিক্ষা করার প্রয়োজন হত না। তাহলে তোমার মত বাবা-মার আদর স্নেহ পেয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে তারা প্রতিষ্ঠিত হতে পারত। সমাজের কিছু মানুষের কারণে তারা আজ সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন।
এ কথা শুনে শরিফ এবং শরিফা দুঃখ প্রকাশ করে বাবা-মায়ের কাছে ওরা বলে,ওরা বড় হয়ে তৃতীয় লিঙ্গের এই অবহেলিত মানুষদের শিক্ষার ব্যবস্থা করবে আর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে, শরিফ-শরিফার বাবা-মা এই কথা শুনে খুব খুশি হয় । বাবার সাথে শরীফ শরিফা হিজড়াদের নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলতে বলতে ট্রেনটি এসে গফরগাঁও স্টেশনে থেমে যাই পরে তারা ট্রেন থেকে নেমে দাদুর বাড়িতে চলে যায়।...................
বিঃদ্রঃ- আমাদের দেশে শিক্ষার চেয়ে গুজবের শক্তি বেশি, পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের শব্দ ও ভাষার ব্যবহারে আরও যত্নশীল হওয়া উচিত, এসবের কারণে আমাদের শিশুদের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়বে , ভবিষ্যতে যেন কেউই এই পুস্তকের ভুল ব্যাখ্যা না দিতে পারে.....
20/01/2024
না বলতে শিখুন,,,
প্রয়োজন হলে সম্পর্ক বাদ দিয়ে দিন তারপর ও না বলতে শিখুন।
এই লোকটি একটি দোকান দিয়ে নতুন ব্যবসা শুরু করেছিল,,, এবং তার সমস্ত পরিচিতজন বন্ধু_প্রতিবেশী এবং পরিবার সেখানে কেনকাটা করতো এবং মাঝে মাঝে বাকী ও চাইতো
কয়েক বছর পরে, এই সব বাকী মিলে বড় আকার ধারন করে
কখনও কখনও আমরা হ্যাঁ বলি যখন আমাদের না বলা উচিত ছিল।
আপনি হ্যাঁ বলবেন ভাবছেন আপনি মানুষকে সাহায্য করছেন..
কিন্তু আসলে আপনি হেরে যাচ্ছেন
এবং আপনার কঠোর পরিশ্রম এবং ত্যাগ স্বীকার করছেন,
আপনার সময় খারাপ যাবে এবং বাকী টাকা চাইবেন তখন সবাই আপনার দিকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
সবসময় হ্যাঁ বলবেন না...
আপনার ব্যবসায় বিনিয়োগ করুন এবং সঞ্চয় করুন, স্মার্ট হন, সবকিছু হারিয়ে যেতে দেবেন না,,,,,
এটি একটি উদাহরণ এর মধ্যে আরও অনেক কিছু লুকিয়ে আছে।
দয়া করে বন্ধু হউক আত্মীয় হউক পাড়া প্রতিবেশী হউক যে কেউ হউক,,,,, না বলতে শিখুন কেননা শুন্য হওয়ার আগ পর্যন্ত কেউ আপনাকে ছাড়বে না যদি না বলতে না শিখুন।
#উপদেশ
Today is the best day of my life. I will never forget this day. Alhamdulillah for everything. Allah is always seen everything so don't worry. Allah give everything. I don't say anything. I will remember this day. every time, everywhere, every moment. Allah bless them....
Web design bangla video tutorial class 4 our youtube link: www.youtube.com/ ‼️
Web design bangla video tutorial class 3 ‼️
Web design Bangla video tutorial class 2 all video in my youtube chennal link: www.youtube.com/.com ‼️
‼️
31/07/2023
লীজেন্টরা বুঝবে বাকিরা খুজবে
এই পেজটি অনেক বিশ্বস্থ্ আপনিও বিশ্বাস করতে পারেন ধন্যবাদ
06/07/2023
Cliquez ici pour réclamer votre Listage Commercial.
Type
Contacter l'entreprise
Téléphone
Site Web
Adresse
Mirpur, Dhaka
Democratic Republic Of The
1216
