Shah ibrahim ali
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shah ibrahim ali, Health/Beauty, Shah ibrahim ali, London.
12/10/2022
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময় অতি দয়ালু↴
কুরআনে করিম পাঠ করুন :
এ হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর নাজিলকৃত আল্লাহ তাআলার কালাম। আল্লাহর কালাম বিধায় সাধারণ জিকির-আজকারের চেয়ে কোরআন পাঠ করা উত্তম। আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ রা: থেকে বর্ণিত : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন :-
من قرأ حرفا من كتاب الله فله به حسنة، والحسنة بعشر أمثالها، لا أقول (ألم) حرف، ولكن ألف حرف، ولام حرف، وميم حرف. ( رواه الترمذي:2735)
যে কিতাবুল্লাহর একটি অক্ষর পড়ল তার জন্য এর বিনিময়ে একটি নেকি অবধারিত। এবং তাকে একটি নেকির দশ গুণ ছাওয়াব প্রদান করা হবে। আমি বলছি না আলিফ লাম মীম একটি অক্ষর বরং আলিফ একটি অক্ষর, এবং লাম একটি অক্ষর, এবং মীম একটি অক্ষর। (তিরমিজি:২৭৩৫)..
04/06/2022
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময় অতি দয়ালু↴
04/06/2022
04/06/2022
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
30/05/2022
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময় অতি দয়ালু↴
আমি খুব অসুস্থ সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন' মহান রাব্বুলই আলামিন
আল্লাহ তা'য়ালা আমাকে যেন সুস্থতা দান করেন আমিন
19/05/2022
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময় অতি দয়ালু↴
(১)নাবী সাঃ বলেন, যেনাকার যেনাকারিণী কিয়ামত পরযন্ত উলঙ্গ অবস্থায় আগূনে জ্বলতে থাকবে'।
[ সূএঃ কে বড় ক্ষতিগ্রস্ত, পৃঃ৬২;বুখারী,মিশকাত হা/৪৬২১ ; বাংলা ৮ম খণ্ড,হা/৪৪১৬"
(২)= রাসূল সাঃ বলেছেন, মানুষের দুই চোখের যেনা দেখা._দুই কানের যেনা শূনা.-জিহবার যেনা কথা বলা.-হাতের যেনা স্পর্শ করা.-পায়ের যেনা যেনার পথে চলা.-অন্তরের যেনা হচ্ছে আকাংখা করা.-লজ্জাস্থান তার সত্য মিথ্যা সত্যায়ন করে."
[ মুসলিম,মিশকাত হা/৮৬,ইমান অধ্যায় ]
(৩)= আবূ সাঈদ খুদরী রাঃ বলেন,রাসূল সাঃ বলেছেন,তোমরা দুনিয়া এবং নারীদের থেকে সাবধাণ থাক.
[কে বড় ক্ষতিগ্রস্ত ,পৃঃ ৪৩;মুসলিম, মিশকাত হা/৩০৮৬;বাংলা ৬ষ্ঠ খণ্ড,হা/২৯৫২'বিবাহ অধ্যায়]
Assalamualaikum wr wb all my Dear friend and brother and sister
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
যে দুই গুন অর্জন করতে পারলে আপনি অবশ্যই
জান্নাতে যাবেনঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বলেন: “এমন দুইটি গুণ আছে যা কোনও মুসলিম অর্জন
করতে পারলে সে অবশ্যই জান্নাতে যাবে, আর গুণ
দুইটি খুব সহজ আর সরল। প্রথম গুণ হলো, ৫ ওয়াক্ত
নামাজের পর সে ১০ বার সুবহানআল্লাহ, ১০ বার
আলহামদুলিল্লাহ আর ১০ বার আল্লাহু আকবার
পড়বে”। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর বলেন: আমি
রাসূলুল্লাহ(সা) কে এই বলে নিজের আঙ্গুলে গুনতে
দেখেছি।
এর পর নবী (সা) বলেন: “এভাবে সে দিনে ১৫০ বার
যিকর করবে, আর সাওয়াবের খাতায় তার ১৫০০
সাওয়াব (১০ গুন বৃদ্ধি করে) লেখা হবে। আর দ্বিতীয়
গুণ হলো: যখন ঘুমাতে যাবে তখন (৩৩ বার
সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ, ৩৪ বার
আল্লাহু আকবার) ১০০ বার যিকর করবে। এভাবে সে
১০০ বার যিকর করবে, আর সাওয়াবের খাতায় তার
১০০০ সাওয়াব (১০ গুন বৃদ্ধি করে) লেখা হবে।
তোমাদের মধ্যে কে আছ যে দিনে ২৫০০ পাপ কাজ
করে?”
সাহাবারা যা বললেন তার অর্থ দাঁড়ায় “এত পাপ
একদিনে কে করবে?”
রাসূলুল্লাহ(সা) বললেন: “তোমাদের কেউ যখন
নামাজে থাকে তখন শয়তান তার কাছে এসে বলতে
থাকে অমুক কথাটা নিয়ে চিন্তা করো, তমুক বিষয়
নিয়ে ভাবো। এভাবে চলতেই থাকে যতক্ষণ না সে
তার নামাজ শেষ করে, আর তখন শয়তান তোমাদের
যিকর করতে ভুলিয়ে দেয়। অথবা, যখন তোমাদের
কেউ বিছানায় যাও তখন শয়তান তার কাছে আসে,
আর তার চোখে ঘুম নিয়ে আসতে থাকে যতক্ষণ না
সে আল্লাহকে স্মরণ না করেই ঘুমিয়ে পড়ে।
” (তিরমিযী ৩৩৩২)
☛ ☛ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা ঐ ব্যক্তির চেহারা
উজ্জ্বল করে দিন, যে আমার কোনো হাদীস
শুনেছে। অতঃপর অন্যের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।’
[-সুনানে আবু দাউদ ২/৫১৫]
সকল মুসলিমের দায়িত্ব নিজ উয়ালে শেয়ার করে
অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দেওয়া, আল্লাহ আপনাকে
উত্তম প্রতিদান দিন 'আমিন'
Assalamualaikum wr wb all my Dear friend and brother and sister
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
16/05/2022
Assalamualaikum wr wb all my Dear friend and brother and sister
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময় অতি দয়ালু↴
এই দুয়াটি আজ কেউ পড়েছেন ?
➡দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যান চাওয়া।
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
হে আমাদের রব, আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দিন। আর আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদেরকে আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন।
সূরা আল বাকারাহ - ২:২০১.....
15/05/2022
Assalamualaikum wr wb all my Dear friend and brother and sister
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময় অতি দয়ালু↴
কুরআনে করিম পাঠ করুন :
এ হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর নাজিলকৃত আল্লাহ তাআলার কালাম। আল্লাহর কালাম বিধায় সাধারণ জিকির-আজকারের চেয়ে কোরআন পাঠ করা উত্তম। আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ রা: থেকে বর্ণিত : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন :-
من قرأ حرفا من كتاب الله فله به حسنة، والحسنة بعشر أمثالها، لا أقول (ألم) حرف، ولكن ألف حرف، ولام حرف، وميم حرف. ( رواه الترمذي:2735)
যে কিতাবুল্লাহর একটি অক্ষর পড়ল তার জন্য এর বিনিময়ে একটি নেকি অবধারিত। এবং তাকে একটি নেকির দশ গুণ ছাওয়াব প্রদান করা হবে। আমি বলছি না আলিফ লাম মীম একটি অক্ষর বরং আলিফ একটি অক্ষর, এবং লাম একটি অক্ষর, এবং মীম একটি অক্ষর। (তিরমিজি:২৭৩৫)
14/05/2022
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময় অতি দয়ালু↴
জেনে নিন, মৃত ব্যক্তির নামে কোরবানি দেয়া জায়েজ কি না
সামনে পবিত্র ঈদুল আযহা। এদিন মুসলমানেরা পবিত্র ঈদের নামাজ শেষ করে কোরবানি করে থাকেন। তাই মৃত ব্যক্তির নামে কোরবানি জায়েজ কিনা কিংবা কাদের নামে কোরবানি করা জায়েজ-এ বিষয়ে জ্ঞান থাকা খুবই জুরুরী। তাই নিচের বর্ণনাটি একটু মনোযোগ দিয়ে পড়েন।
মৃতের পক্ষ থেকে কোরবানি করা জায়েয। তবে মৃত ব্যক্তি যদি ওসিয়ত না করে থাকে তাহলে সেটি নফল কোরবানি হিসেবে গণ্য হবে। কোরবানির স্বাভাবিক গোশতের মতো তা নিজেরাও খেতে পারবে এবং আত্মীয়-স্বজনকেও দিতে পারবে। আর যদি মৃত ব্যক্তি কোরবানির ওসিয়ত করে গিয়ে থাকে তবে এর গোশত নিজেরা খেতে পারবে না। গরীব-মিসকীনদের মাঝে সদকা করে দিতে হবে। [মুসনাদে আহমদ ১/১০৭, হাদীস ৮৪৫, ইলাউস সুনান ১৭/২৬৮, রদ্দুল মুহতার ৬/৩২৬, কাযীখান ৩/৩৫২]
প্রশ্ন : আমার পিতা গত বছর ইন্তেকাল করেছেন। আমি তার নামে কোরবানি করার নিয়ত করেছি। প্রশ্ন হল, মৃত ব্যক্তির নামে দেওয়া কোরবানির গোশত কী করতে হবে? তার অংশের পুরো গোশতই কি সদকা করতে হবে, নাকি নিজেরাও তা খেতে পারব? জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর: মৃত ব্যক্তি যদি কোরবানির জন্য ওসিয়ত না করে থাকে তবে তার পক্ষ থেকে দেওয়া কোরবানির গোশতের হুকুম সাধারণ কোরবানির মতো; নিজেরাও খেতে পারবে অন্যদেরকেও দিতে পারবে। পুরোটা সদকা করা জরুরি নয়। তবে মৃত ব্যক্তি যদি অসিয়ত করে যায় এবং তার সম্পদ দ্বারাই কোরবানি করা হয়ে থাকে তাহলে এ কোরবানির পুরো গোশত সদকা করা জরুরি। এ থেকে নিজেদের খাওয়া জায়েয হবে না।
[ফাতাওয়া বাযযাযিয়া ৬/২৯৫; আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৪৭৩; ফাতাওয়া খানিয়া ৩/৩৫২; আদ্দুররুল মুখতার ৬/৩৩৫]
প্রশ্ন: প্রতি বছর আমরা ছয় ভাই একটি গরু কোরবানি করি। একটি গরুতে যেহেতু সাতজন শরিক হতে পারে তাই এবার আমরা পশুর ৭ম ভাগটি ইছালে ছওয়াবের উদ্দেশে মৃত পিতার পক্ষ থেকে কোরবানি দিতে চাচ্ছি। এভাবে মৃত পিতার পক্ষ থেকে কোরবানি করলে তা সহীহ হবে কি এবং ঐ অংশের গোশত কি আমরা খেতে পারব?
উত্তর: হ্যাঁ, প্রশ্নোক্ত অবস্থায় ৬ জন মিলে ৭ম অংশ পিতার পক্ষ থেকে কোরবানি করলে তা সহীহ হবে এবং আপনারা ঐ অংশের গোশত খেতে পারবেন। তবে এটি উত্তম পদ্ধতি নয়। এক্ষেত্রে উত্তম হল, সবাই মিলে এক অংশের টাকা এক ভাইকে মালিক বানিয়ে দিবে। আর ঐ ভাই পিতার পক্ষ থেকে কোরবানি করবে। এতে কাজটি নিয়মসম
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Website
Address
Shah Ibrahim Ali
London
