Health Advisor Bangla
This page is about health and beauty tips.You can get here video information about health and beauty
02/07/2025
স্ক্যাবিস এখন মহামারি আকার ধারন করেছে। সবাইকে তাই সচেতন হবার অনুরোধ করছি।
স্ক্যাবিস (Scabies) একটি তীব্র চর্মরোগ, যা Sarcoptes Scabiei নামক এক ধরনের পোকা বা ক্ষুদ্র পরজীবী মাইট (mite) দ্বারা হয়। এটি খুবই সংক্রামক এবং চুলকানির মাধ্যমে এর প্রধান উপসর্গ প্রকাশ পায়।
স্ক্যাবিসের ভয়াবহতা :
১. চরম চুলকানি: স্ক্যাবিস হলে বিশেষ করে রাতে বেশি চুলকানি হয়, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। অনেক বাচ্চারা চুলকাতে চুলকাতে ঘুম ভেঙে যায়, যন্ত্রনায় কান্নাকাটি করে।
২. চামড়ায় ফুসকুড়ি ও ক্ষত: স্ক্যাবিস হলে ঘর্ষণ এবং চুলকানোর ফলে চামড়ায় ঘা ও ইনফেকশন হতে পারে। কখনো কখনো চামড়ার নিচে পুঁজ জমে যায়।
৩. পরিবারে দ্রুত ছড়ায়: স্ক্যাবিস রোগে পরিবারে একজন আক্রান্ত হলে তার সংস্পর্শে এলে পুরো পরিবার এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ এটি।
৪. দীর্ঘমেয়াদে হলে সেকেন্ডারি ইনফেকশন: স্ক্যাবিসের সঠিক চিকিৎসা না হলে শরীরে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, সেলুলাইটিস, এমনকি শিশু রোগীর কিডনি সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে, তাই সচেতনতা ভীষন ভাবে প্রয়োজন।
৫. মানসিক অস্বস্তি: অতিরিক্ত চুলকানি ও অস্বস্তির কারণে শিশুর মানসিক চাপ ও অস্থিরতা তৈরি হয়।
স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির উপায়:
১. চিকিৎসা:
☞ পারমেথ্রিন - ৫% (Permethrin - 5%) ক্রিম: এটি সবচেয়ে কার্যকর। শরীরের গলা থেকে পা পর্যন্ত মেখে রাতভর রেখে সকালে (১০-১২ ঘন্টা শরীরে রাখার পর) ধুয়ে ফেলতে হয়। এই নিয়মে একটু ভুল হলে কোনেভাবেই এউ স্ক্যাবিস রোগ শরীর থেকে যাবেনা। মাসের পর মাস এই রোগের অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে। হাজার হাজার টাকা, ১০-১২টা ডাক্তার যাই করেন, কাজ হবেনা। শরীরের এক ইঞ্চি তো দূরের কথা একসূতা পরিমাণ জায়গাও বাদ রাখবেন না, রাতে ওয়াসরুমে গেলে, ওষুধ ধুয়ে গেলে, আবার প্রয়োগ করুন। মনে রাখবেন, ভীষণ জরুরি। না কমলে ৭ দিন পরপর একই নিয়মে ব্যবহার করুন। আর অবশ্যই পরদিন সকালে গায়ে থাকা পোষাক, বিছানার চাদর, বালিশের কাভার সব কিছু গরম পানিতে ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে ধুয়ে ফেলুন। নিজের ও শিশুর শরীর গরম পানি ও বডি ওয়াস দিয়ে ভালো ভাবে রগরে গোসল করুন ও করান।
☞ আপনার শিশুকে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখানোর পর শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী (Permethrin - 5% + Crotamiton) Combined Cream বা Monosulfuram - 25% Solutions ইত্যাদি ব্যাবহার করতে পারবেন।
☞ আইভারমেকটিন (Ivermectin) ওষুধ: কিছু ক্ষেত্রে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আপনার শিশুর স্ক্যাবিস রোগের চিকিৎসায় খাওয়ার ওষুধ দিতে পারেন, বিশেষ করে জটিল ও পুনঃসংক্রমণের ক্ষেত্রে।
☞ অ্যান্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট: চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। শিশুদের ক্ষেত্রে Syrup বড়দের ক্ষেত্রে ট্যাবলেট।
২. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:
আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানার চাদর, তোয়ালে গরম পানিতে ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে।
এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকে ৩ দিন পর্যন্ত দূরে রাখতে হবে (কারণ রোগ সৃষ্টিকারী পোকা বা মাইট ২–৩ দিন বেঁচে থাকে)।
৩. একসাথে চিকিৎসা:
পরিবারের সকল সদস্যকে একসাথে চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি। এমনকি উপসর্গ না থাকলেও। এটা খুবি জরুরি।
৪. নিয়মিত হাত ধোয়া ও শরীর পরিষ্কার রাখাবেন। বাইরে থেকে বাসায় ফিরে সবার আগে ভালো ভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস করবেন। এতে রিইনফেকশন হবার সম্ভাবনা কমে যায়।
বিশেষ সতর্কতা:
শিশুদের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ এবং গর্ভবতীদের নারীদের গাইনী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ ঔষধ গুলো শিশু ও নারীদের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
এই স্ক্যাবিসকে সাধারন ভাবে দেখবেন না। এর ভয়াবহতা অনেক। তাই সচেতন হবেন। যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন এখন সম্পূর্ণ সুস্থ তারাও প্রতি মাসে একবার করে পরিবারের সবাই একসাথে পারমিথ্রিন ৫% ব্যবহার করুন এবং পরিধেয় পোষাক, বিছানার চাদর গরম পানিতে ধুয়ে নিন।
নিজে জানুন অন্যকে জানান।
আশা করি আজকের আলোচনা আপনাদের অনেক উপকারে আসবে, আমার জন্য দোয়া রাখবেন, সবাই সুস্থ থাকবেন, সম্ভব হলে এই পোস্টটি শেয়ার করবেন।
দয়া করে আপনারা সবাই সচেতন হবেন।
মনে রাখবেন, আপনার সচেতনতা, আপনার সন্তানের জন্য আশীর্বাদ।
ধন্যবাদ।
পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে ছোঁ'য়া'চে রো'গ ‘স্ক্যা'বি'স’ 😥
স্ক্যাবিস (Scabies) একটি ছোঁয়াচে ত্বকের রোগ। এটি Sarcoptes scabiei নামক ক্ষুদ্র মাকড়সার (mite) কারণে হয়ে থাকে। এই মাকড়সা ত্বকের উপরিভাগে গর্ত তৈরি করে এবং ডিম পাড়ে, যার ফলে ত্বকে তীব্র চুলকানি এবং ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
স্ক্যাবিসের প্রধান লক্ষণগুলো হলো:
* তীব্র চুলকানি: বিশেষ করে রাতে চুলকানি বাড়ে।
* ফুসকুড়ি: ছোট ছোট লালচে দানা বা ফোস্কার মতো দেখা যায়।
* গর্তের চিহ্ন: ত্বকের উপর ছোট, আঁকাবাঁকা, ধূসর বা সাদা রঙের সরু রেখা দেখা যেতে পারে, যা মাকড়সার তৈরি করা গর্ত।
স্ক্যাবিস সাধারণত নিম্নলিখিত স্থানগুলোতে বেশি দেখা যায়:
* আঙুল ও পায়ের আঙুলের মাঝে
* কবজি
* কনুই ও হাঁটুর ভাঁজে
* বগলের নিচে
* কোমর
* নিতম্ব
স্ক্যাবিস অত্যন্ত ছোঁয়াচে এবং সরাসরি চামড়ার সংস্পর্শে আসা, অথবা আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহার করা কাপড়, বিছানা ইত্যাদির মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
যদি আপনার মনে হয় আপনার স্ক্যাবিস হয়েছে, তাহলে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ডাক্তার সাধারণত শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনে ত্বকের নমুনা নিয়ে রোগ নির্ণয় করতে পারেন। স্ক্যাবিসের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ধরনের ক্রিম বা লোশন পাওয়া যায় যা মাকড়সা এবং তাদের ডিম ধ্বংস করে। পরিবারের সকল সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদেরও একই সময়ে চিকিৎসা করানো উচিত, এমনকি তাদের লক্ষণ না থাকলেও। এছাড়া, ব্যবহৃত কাপড় ও বিছানা গরম পানিতে ধুয়ে বা ভালোভাবে পরিষ্কার করে জীবাণুমুক্ত করা জরুরি।
✍️ সংগৃহিত
💚অর্শ বা পাইলস রোগের কারণ, লক্ষণ, প্রতিরোধ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা: 💚
তীব্র বেদনা দায়ক এবং জটিল রোগগুলোর মধ্যে অর্শ বা পাইলস হলো একটি। এটি মানুষের মলদ্বারের রোগ। এ রোগে মলদ্বারের ভেতরে বা বাইরে, চারপাশে বা একপাশে, একটি বা একাধিক, গোলাকৃতি বা সুচাল গুটিকা দেখা দেয়। এ গুটিকাগুলোকে 'বলি' বা 'গেজ' বলা হয়। পায়খানা করার সময় এ বলিগুলো থেকে অভ্যন্তরীণ সমস্যার অনুপাতে কারো অধিক পরিমাণে, কারো স্বল্প পরিমাণে রক্ত যায়। আবার অনেকের রক্ত যায়ই না।
💚 সৃষ্টির ইতিবৃত্তঃ-
প্রতিনিয়ত আবহাওয়া ও খাদ্যাদি থেকে নানা রকম বিষ ও রোগ জীবাণু আমাদের দেহের ভেতরে প্রবেশ করে। শক্তিশালী জীবনীশক্তি এ বিষসমূহের কিছু দেহাভ্যন্তরে ধ্বংস করে ও কিছু পায়খানা প্রস্রাব ও ঘর্ম ইত্যাদি স্বাভাবিক স্রাবের মাধ্যমে বাইরে বের করে দিয়ে দেহকে সুস্থ রাখে।
এমন কিছু জীবাণু আছে যেগুলোকে জীবনীশক্তি ধ্বংস করতে পারে না এবং নিষ্কাশিত করাও জীবনীশক্তির সামর্থ্য হয় না। সে জীবাণুগুলো দেহের মধ্যকার ত্রিদোষ ( সোরা, সিফিলিস, সাইকোসিস)-এর যে কোনো দোষ বা দোষসমূহের দ্বারা প্রবল শক্তি অর্জন করে এবং মারাত্মক ব্যধির সৃষ্টি করে জীবনীশক্তির পতন ঘটানোর চেষ্টা করে। এ অবস্থায় জীবনীশক্তি যে কোনো স্রাবকারী নতুন পথের সৃষ্টি করে ওই প্রবল বিষ বা বিষবাষ্প বের করে যন্ত্রটিকে রক্ষা করার চেষ্টা করে।
💚 অর্শের কারণঃ-
পুরনো কোষ্ঠকাঠিন্য।
লিভার সিরোসিস, যকৃতে অতিরিক্ত রক্ত সঞ্চয় ও অত্যধিক মস্তিষ্কের কাজ।
মূত্রাশয়ের গোলযোগ, প্রোস্টেট ক্যান্সার, গর্ভাবস্থায় মহিলাদের জরায়ুতে চাপ পড়লে।
আকৃতি অনুযায়ী প্রকারভেদ :-
ছোলার মতো,
আঙুরের মতো,
খেজুর গাছের শিকড়ের মতো,
রেশন গাছের গোটার মতো,
খেজুরের মতো,
ডুমুরের মতো ।
শিরা স্ফীতির ওপর প্রকারভেদ যথাঃ-
১. মলদ্বারের অভ্যন্তরে অর্শ : ১-২ ইঞ্চি ভেতরের দিকে শিরার স্ফীতি হয়ে বলির সৃষ্টি হয়। একে আবার ৩ ভাগে ভাগ করা যায়।
প্রথমতঃ মলদ্বারের ভেতর থেকে ব্যথাহীন রক্তপাত হয়। কিন্তু অর্শের বলি মলদ্বারের বাইরে বের হয়ে আসে না।
দ্বিতীয়তঃ বলি মলদ্বারের বাইরে বের হয়ে আসে, তবে মলত্যাগের পর নিজেই ভেতরে চলে যায়।
তৃতীয়তঃ বলিগুলো বাইরে বের হয়ে আসে এবং হাত দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে না দিলে বাইরেই থেকে যায়।
২. মলদ্বারের বাইরে অর্শ : মলদ্বারের বাইরে বলির সৃষ্টি হয় এবং হাত দিয়ে তা অনুভব করা যায় এবং
৩. মিশ্র অর্শ : এক্ষেত্রে মলদ্বারের ভেতরে এবং বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই অর্শের বলি পাওয়া যায়।
💚💚 লক্ষণসমূহ :-
পায়খানা করার সময় অত্যধিক বা অল্প পরিমাণে রক্ত যেতে পারে।
গুহ্য দ্বারে জ্বালাপোড়া এবং ফুলে যায়।
টাটানি ও যন্ত্রণা।
কাঁটাবিদ্ধ অনুভূতি।
মাথা ধরা ও মাথা ভার বোধ।
উরুদেশ, বক্ষ, নাভির চারপাশে ব্যথা ও মলদ্বারে ভার বোধ।
কোমর ধরা ও কোষ্ঠবদ্ধতা।
💚 অর্শ রোগে আক্রান্তদের করণীয় :-
নিয়মিত পায়খানা করা।
পেটে হজম হতে চায় না এমন খাদ্য বর্জন করা।
চিকিৎসকের পরামর্শমতো বিশ্রাম নেয়া।
হাতুরে ডাক্তার বা কবিরাজ দিয়ে চিকিৎসা না করা।
💚 প্রতিরোধের উপায়ঃ-
কোষ্ঠকাঠিন্য যাতে না হয় সে দিকে খেয়াল রাখা।
নিয়মিত ঘুমানো।
পরিমাণ মতো পানি পান করা।
অতিরিক্ত পরিশ্রম না করা।
তরলও সহজপাচ্য খাদ্য গ্রহণ।
অধিক মশলা জাতীয় খাদ্য পরিহার করা।
💚 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ-
হোমিওপ্যাথি রোগ নিরাময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি চিকিৎসা পদ্ধতি । এ পদ্ধতিতে ব্যক্তি স্বাতন্ত্র ও সদৃশ উপসর্গের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা করা হয়। এটি উপসর্গ ও জটিলতা মুছে ফেলে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য অবস্থায় রোগীর ফিরে যাবার একমাত্র উপায়। সদৃশবিধানের লক্ষ্য শুধু অর্শ চিকিত্সা নয়, তার অন্তর্নিহিত কারণ ও স্বতন্ত্র প্রবণতা মোকাবেলায়ও সহায়তা করে। স্বতন্ত্র ঔষধ নির্বাচন এবং চিকিত্সার জন্য, রোগীকে একজন যোগ্যতাসম্পন্ন ও রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত ।
💚 অর্শ রোগের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিক যে সকল ঔষধ সফল ভাবে কাজ করেঃ –
অ্যাব্রোটেনাম ( Abrotanum )।> ভক্ষিত দ্রব্য হজম ছাড়াই নিস্ক্রান্ত হয়। হঠাৎ করে ডায়রিয়া প্রচাপিত হলে বাত ব্যথা। উদরাময় ও কোষ্ঠকাঠিন্য পর্যায়ক্রমে। অর্শের বলি বের হয়, তার সাথে জ্বালা স্পর্শ ও চাপন থেকে। অর্শ দেখা যায় এবং বাত ব্যথা উপশম হয়, তার সাথে ঘন ঘন মলত্যাগের প্রবণতা, মল সামান্য কিন্তু রক্ত নিঃসরণ হয়। এই ঔষধ কৃমি ধ্বংস করে বিশেষত লম্বা গোলাকার বড় কৃমি ( ascarides ) ।
অ্যাসিড মিউর (Acid muriaticum ) ।> অর্শের বলীর রঙ নীল, অত্যন্ত বেদনা, হাত ছোঁয়ানও যায় না, কাপড়টি লাগিলেও কষ্ট হয়, একটু ঠাণ্ডা জল লাগিলেই যন্ত্রণা বাড়ে, যন্ত্রণা গরমে ও তাপে উপশম হয় । গর্ভাবস্থায় অর্শ পীড়া হইলে ইহা বিশেষ উপকারী । প্রস্রাব করিবার সময় অর্শের বলী বাহির হইয়া পড়ে ।
অ্যাসিড নাইট্রিকাম ( Acid nitricum ) ।> ( Fistula in ano and piles ) – বাহ্য নরম অথবা শক্ত যাহাই হউক না কেন, বাহ্যের সময় ও পরে মলদ্বারে ভয়ানক জ্বালা এবং বোধ হয় যেন মলদ্বারে একটা কাঁটা ফোটানো আছে । নাইট্রিক অ্যাসিডে – বাহ্যের সময়ে ও পরে ভয়ানক কোঁথানি ও বেগ থাকে, মলদ্বার ফাটিয়া ঘা হয়, রক্ত পড়ে।
অ্যাসিড সালফ ( Acid sulphuricum )।> মদ্যপায়ীদের অর্শের বলী যখন অত্যন্ত বড় হয় ও তাহাতে মলদ্বার বন্ধ হইয়া যায় জ্বালা করে, রস পড়ে, তখন ইহা উপযোগী। অ্যাসিড-মিউর – এই সমস্ত লক্ষণে বিশেষ উপকারী ; তবে উহাতে অত্যন্ত স্পর্শ-সহিষ্ণুতা থাকে। অ্যাসিড-সালফে – মলদ্বারে সর্বদাই রস ঝরে, কাপড় ভিজা থাকে।
ইস্কিউলাস হিপ (Aesculus hippocastannm ) ।> মলদ্বারে খোঁচা ফুটিয়া থাকার মত ব্যথা, টাটানি ব্যথা, কোমরে বেদনা ( pain in sacro-iliac symphysis p***s ) ভারবোধ, মলদ্বার যেন ভিজা, মলদ্বারে জ্বালা, চুলকানি, বলী ( ভিতর বলী ও বাহির বলী ), তাহাতে অত্যন্ত বেদনা, লিভারের নানা স্থানে ভারবোধ ; কোমরে বেদনা, মলত্যাগের পর গুহ্যদ্বারে অনেকক্ষণ পর্যন্ত জ্বালা, বাহ্যের পূর্বে যেন মলদ্বার বন্ধ ইত্যাদি ইহার বিশেষ লক্ষণ । ইস্কিউলাসের অর্শে – রক্তস্রাব বড় একটা থাকে না ( blind piles), তবে পীড়া পুরাতন হইলে আবার রক্তস্রাবও হয় । ইহাতে অর্শের বেদনা – কোমর হইতে পিঠে পর্যন্ত বিস্তৃত হয় ।
এলো সকোট্রাইনা ( Aloe )।> বাহ্যের বেগের সঙ্গে আঙ্গুরের থলোর ন্যায় অর্শের বলী বাহির হয়, অর্শ অত্যন্ত চুলকায় ও জ্বালা করে, এই জ্বালা ঠাণ্ডা জলে উপশম হয় ( মলদ্বারে চুলকানি ও জ্বালার জন্য অনিদ্রা – ইণ্ডিগো ); এলোতে – রোগীর প্রায়ই উদরাময় থাকে ; মিউরিয়েটিক-অ্যাসিডে – আঙ্গুরের থলোর ন্যায় বলী নির্গত হয় ; কিন্তু তাহার জ্বালা গরম জলে বা গরম সেঁক দিলে কিন্তু উপশম হয় । ইহাতে টাটানি ব্যথা অত্যন্ত থাকে, স্পর্শে কিম্বা কাপড় লাগিলেও কষ্টবোধ করে ।
এমন কার্বনিকাম ( Ammonium carbonicum ) ।> মল অত্যন্ত শক্ত, গাঁট-গাঁট কষ্টে বাহির হয়, রক্তস্রাবি অর্শ
– ঋতুকালিন বৃদ্ধি, মলদ্বার চুলকায়, বাহ্যের সময় বলী বাহির হইয়া পড়ে, বাহ্যের পর অত্যন্ত যন্ত্রণা হয়। ( Flatulent hernia )।
এমন মিউরিয়েটিকাম ( Ammonium muriaticum) ।> মলদ্বারে ক্ষতের মত বেদনা , হুলফোটান-ব্যথা ও জ্বালা – মলত্যাগের পর অনেকক্ষণ পর্যন্ত থাকে ।
আর্সেনিক এ্যালবাম ( Arsenic Album )।> যেখানে অর্শে আগুনে পোড়ার মত জ্বালা, জ্বালা – ঠাণ্ডায় উপশম না হইয়া গরমে উপশম হয়, তথায় আর্সেনিক ফলপ্রদ।
কলিনসোনিয়া (Collinsonia) ।> অর্শ পীড়ার নাম শুনিলেই – ইস্কিউলাস, কলিনসোনিয়া, এলো, নাক্স, ফস ইত্যাদি ঔষধগুলিই আমাদের মনে পড়ে। অর্শে – কলিনসোনিয়ার সহিত ইস্কিউলাসের অনেক সাদৃশ্য আছে এবং এই দুয়েতেই গুহ্যপথে যেন কতকগুলি ছোট ছোট কাঠি পোরা আছে এই লক্ষণটি বিদ্যমান থাকে। কলিনসোনিয়ায় – অর্শে অত্যন্ত রক্তস্রাব হয় ও কোষ্ঠবদ্ধ থাকে এবং পেটে বায়ু জমে ও তাহাতে কলিক-বেদনা হয়। কোষ্ঠবদ্ধে হয়ত ৩/৪ দিন বাহ্য না হইয়া একদিন বৈকালের দিকে বাহ্য হয়, মল গুটলে। ইহার বেদনা-যন্ত্রণা রাত্রিতে বৃদ্ধি পায়। যে সকল স্ত্রীলোকদের জরায়ু ক্রংশের পীড়া ( Prolapsus utery ) আছে, তাহাদের অর্শে ও কোষ্ঠবদ্ধ – কলিনসোনিয়াই উপযোগী।
হ্যামামেলিস ( Hamamelis virginica ) ।> মলদ্বারে অত্যন্ত টাটানি-ব্যথা ও জ্বালার সহিত মলদ্বার দিয়া কাহারও অত্যন্ত অধিক পরিমাণে রক্তস্রাব হইতে থাকিলে– হ্যামামেলিস মাদার-টিংচার বাহ্যিক প্রয়োগে ও হ্যামামেলিস ( অনেক সময় মাদার ) আভ্যন্তরিক সেবনে বিশেষ উপকার হইবে। অর্শ পীড়াসহ কোমরে বেদনা থাকিলে ইহা আরও অধিক উপকারী। ( ডাঃ ক্লার্ক বলেন – ভ্যর্বাসকম মাদার টিংচার ১ ড্রাম, ১ আউন্স অলিভ অয়েল বা ভ্যাসেলিনসহ মিশাইয়া মলদ্বারে বাহ্যিক প্রয়োগ করিলে অর্শের যন্ত্রণা ও বেদনার উপশম হয়।
হাইড্রাসটীস ( Hydrastis Canadensis ) ।> ডাঃ হিউজেস বলেন অর্শ ও গোগগুল নির্গমনে ইহা নিয়মিতভাবে সেবন করিলে এই দুইটি পীড়ায় বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।
ইগ্নেসিয়া ( Ignatia amara)।> বাহ্য না হইয়া রেক্টামের প্রোলাপ্স অর্থাৎ গোগগুল বা সরলান্ত্র নির্গমন – ইগ্নেসিয়ায় নির্দিষ্ট। নাক্স-ভমিকা, ইগ্নেসিয়া উভয়েই ঘন ঘন বাহ্যের বেগ আছে। বাহ্যের পরে অনেকক্ষণ পর্যন্ত মলদ্বারে ব্যথা, টাটানিভাব, ফোটানো-ব্যথা ও মলদ্বারের সঙ্কোচভাব ইগ্নেসিয়ায় বিশেষরূপে লক্ষিত হয়। রক্তস্রাবীয় অর্শে – নিন্ম মলদ্বার হইতে উদ্ধদিকে খোঁচামারা দপদপ করিয়া বেদনা, নরম বাহ্যে হইলে যন্ত্রণার অতিরিক্ত বৃদ্ধি, এইগুলিই ইগ্নেসিয়া প্রয়োগের লক্ষণ।
ল্যাকেসিস ( Lachesis ) ।> অর্শের বলী, তাহা – অন্তবলী হউক আর বহিবলীই হউক, অত্যন্ত দপদপানি ব্যথা থাকে, কাশিতে গেলে বোধ হয় অর্শের স্থানে যেন হুল ফোটায়, আর যেন কি-একটা পদার্থ মলদ্বারে আটকাইয়া আছে, তাহার জন্য রোগী ক্রমাগত কোঁথ দেয়, বাহ্য করিবার সময় এত কষ্ট হয় যে – দাঁড়াইয়া
উঠিয়া পড়ে, মলদ্বার যেন বন্ধ হইয়া আসে। ল্যাকেসিসের মলে অত্যন্ত পচা দুর্গন্ধ হয় ।
নাক্স-ভমিকা ( Nux vomica ) ।> অনবরত বাহ্যের ইচ্ছা ও বেগ, অথচ বাহ্য খোলসা হয় না ; এই লক্ষণসহ অর্শরোগে মলদ্বার হইতে রক্ত নির্গমন, মলদ্বারে অত্যন্ত কুটকুট করা ও চুলকানি থাকিলে নাক্স-ভমিকা উপযোগী । এই পীড়ায় নাক্সে কতক উপকার হইয়া শেষে আর উপকার না হইলে সম্পূর্ণ আরোগ্যার্থে পরে প্রায়ই সালফারের প্রয়োজন হয় ।
সালফার ( Sulphur ) ।> এই পীড়ায় সালফারের ধাতুগত লক্ষণ থাকিলে-ত কথাটি নাই – সালফারেই পীড়া আরোগ্য হয়। রোগ অনেক দিনের পুরাতন হইলে, বিশেষতঃ নাক্স নাক্স-এর পর সালফার ব্যবহৃত হইলে শীঘ্র উপকার হয়। ইহাতে মলদ্বারে হুলফোটানোর মত বেদনা, জ্বালা, কুটকুট করা প্রভৃতি কতকগুলি লক্ষণ থাকে। অর্শের রক্তস্রাব বন্ধ হইয়া শিরঃপীড়া ইত্যাদি অন্য কোনও পীড়া হইলেও – সালফার ফলদায়ক।
উল্লেখিত ঔষধ গুলির মধ্য হইতে লক্ষণ সাদৃশ্যে একটি বা দুইটি ঔষধ নিয়মিত সেবন করিলে অর্শ পিড়াটি সমূলে আরোগ্য লাভ করে যা আর পুনরায় আক্রমণ করে না।
🧬 Beginning of a life
10/03/2022
Tejpatar upokarita তেজপাতা/তেজপাতার উপকারিতা/tej patar gunagun /tej patar upokarita/bay leaves তেজপাতা সাধারণ মশলা হিসাবেই সকলের কাছে পরিচিত কিন্ত এর রয়েছে অনেক ঔষধি গুণ।এই ভিডিও তে তেজপাতার সেরা 15 টি গুরুত্...
05/03/2022
বেল খাওয়ার উপকারিতা/কোষ্টকাঠিন্য/Constipation/Bel khele ki hoy/Beler upokarita/Paka beler upokarita যাদের দীর্ঘদিন ধরেই পায়খানার সমস্যা আছে তাদের জন্য এই ভিডিও ।ভিডিও টি সম্পূর্ণ দেখুন আশাকরি উপকার পাবেন। 👉👉This is ...
07/02/2022
Proveda Pro Berry++ Immunity Booster Juice/শরীরের সমস্ত সমস্যার সমাধান/Benefits of berries/Proveda শরীরের সমস্ত দুর্বলতার সঠিক সমাধান করার জন্য আজই ব্যবহার করুন এই টনিক টি।আশাকরি উপকার পাবেন। Proveda products are Ayurvedic so it's not harmful ...
28/01/2022
DIY Coffee Face Scrub/শীতকালে ত্বকের যত্ন/কফি,মধু ও চালের গুড়ো দিয়ে ত্বক করে তুলুন ফর্সা ও কোমল শীতকাল আসলেই আমাদের ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ ও ফাটাফাটা।বিভিন্ন ধরনের দাগও দেখা যায়।আপনাদের সমস্যার সমাধানের জন্য .....
10/09/2021
Practin EN Syrup/Khuda baranor upay/khuda baranor medicine/mota howar syrup/Ojon baranor upay অনেকই ঠিকমতো ক্ষিধে না হওয়ার সমস্যায় ভুগছেন।আপনাদের সমস্যা সমাধানের জন্য এই ভিডিওটি নির্মিত আশা করি উপকৃত হব.....
03/07/2021
Dad haja chulkani/দাদ হাজা চুলকানির চিকিৎসা/দাদ চুলকানি দূর করার উপায়/দাউদ/ketoconazole দাদ হাজা চুলকানির সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই, তাদের জন্য এই ভিডিওতে এ্যলোপ্যথি ট্রিটমেন্ট নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আ....
28/06/2021
Suthol/ghamachi dur korar upay/সুথল/সুথল এর ব্যবহার/ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় সুথলের ব্যবহার/skin care Suthol এমন একটি প্রোডাক্ট যার ত্বকের যত্নে অতুলনীয় উপকারীতা। এই ভিডিওটি দেখুন আশাকরি অনেকের উপকারে আসবে, বিস্তারিত ...
03/06/2021
Keya seth sunscreen/Keya seth aromatherapy/Sunscreen/keya seth products/কেয়া শেঠ প্রোডাক্ট গরমে আদর্শ সানস্ক্রিন লোশন কোনটা হবে তা নিয়ে যদি চিন্তায় পড়েন তবে আপনাদের জন্য এই ভিডিও টি। এখানে কেয়া শেঠ এ্য....
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
P. O+Vill-Patikabari
Berhampore
742162
