Dr.Saurav Bhakat
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr.Saurav Bhakat, Health/Beauty, Durgapur.
Explore , Learn & Grow with Dr Saurav Bhakat , MBBS , DNB ( PGT ) , PGCDM ( Diabetes ) , CIADM - Critical Care Medicine | Diabetologist | Pain Medicine | Sexual Medicine Masters
For appointment : 7001526010 ( WhatsApp only )
16/06/2026
ভাত খেলে কি ডায়াবেটিস বাড়ে?
বাংলার মানুষের খাদ্যাভ্যাসে ভাতের গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই। তাই ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেক রোগীর প্রথম প্রশ্ন থাকে - এখন কি ভাত খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে?
সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো না, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভাত সম্পূর্ণ বন্ধ করার প্রয়োজন হয় না।
ডায়াবেটিসে মূল সমস্যা শুধুমাত্র ভাত নয়, বরং মোট কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ, খাবারের পরিমাণ, খাবারের ধরন এবং সারাদিনের জীবনযাত্রা। ভাত খেলে রক্তে শর্করা বাড়ে, কিন্তু একই কথা রুটি, পাউরুটি, আলু বা অন্যান্য শর্করাজাতীয় খাবারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
আসল বিষয় হলো কতটা ভাত খাওয়া হচ্ছে এবং তার সঙ্গে কী খাওয়া হচ্ছে।
উদাহরণস্বরূপ, এক প্লেট সাদা ভাতের সঙ্গে যদি শুধু আলুর তরকারি খাওয়া হয়, তাহলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। কিন্তু একই ভাত যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে ডাল, শাকসবজি, salads এবং প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন মাছ, ডিম বা মুরগির সঙ্গে খাওয়া হয়, তাহলে রক্তে শর্করার বৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে।
অনেক রোগী ভাত ছেড়ে দিয়ে বেশি পরিমাণে রুটি খেতে শুরু করেন। কিন্তু এতে সবসময় লাভ হয় না। কারণ অতিরিক্ত রুটি খেলেও মোট কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ বেড়ে যেতে পারে। তাই শুধু ভাতকে দোষারোপ করলে সমস্যার সমাধান হয় না।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ। একবারে অনেকটা ভাত খাওয়ার পরিবর্তে পরিমিত পরিমাণে খাওয়া এবং খাবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত আঁশযুক্ত (fiber rich) খাবার রাখা বেশি উপকারী।
বাস্তব জীবনে প্রায়ই দেখা যায়, দুইজন ডায়াবেটিস রোগী একই পরিমাণ ভাত খেলেও একজনের সুগার বেশি বাড়ছে, অন্যজনের কম। এর কারণ হতে পারে শরীরের ওজন, শারীরিক পরিশ্রম, ইনসুলিনের কার্যকারিতা, ওষুধ এবং সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসের পার্থক্য।
তাই ডায়াবেটিস মানেই ভাত নিষিদ্ধ - এই ধারণা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। বরং সঠিক পরিমাণ, সুষম খাদ্য এবং নিয়মিত রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাখবেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য কোনো একটি খাবারকে শত্রু বানানো নয়; বরং এমন একটি খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকর এবং বাস্তব জীবনে মেনে চলা সম্ভব।
✍️ Dr. Saurav Bhakat
📞 070015 26010
15/06/2026
১০,০০০ ফলোয়ার! ❤️
সংখ্যাটা হয়তো ১০,০০০, কিন্তু আমার কাছে এটি ১০,০০০টি আস্থা, ভালোবাসা এবং সম্পর্কের গল্প।
আমি সবসময় চেষ্টা করেছি সহজ ভাষায় স্বাস্থ্য, মানসিক সুস্থতা ও সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে। আপনাদের প্রতিটি লাইক, কমেন্ট, শেয়ার এবং মেসেজ আমাকে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দিয়েছে।
আজ আপনাদের কাছে একটা ছোট অনুরোধ
-
আপনি কতদিন ধরে আমার পেজের সঙ্গে আছেন এবং কোন ধরনের পোস্ট আপনার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে, সেটা কমেন্টে লিখে জানান। আমি সব কমেন্ট পড়ব।
পাশে থাকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। 🙏
আমাদের এই পথচলা যেন আরও অনেক দূর এগিয়ে যায়।
🖊️ DrSaurav Bhakat
📞 070015 26010
13/06/2026
ইরেকশন হয়, কিন্তু পর্যাপ্ত শক্ত হয় না - Partial Erectile Dysfunction ?
অনেক পুরুষ মনে করেন Erectile Dysfunction (ED) মানেই ইরেকশন একেবারেই না হওয়া। কিন্তু বাস্তবে যৌন চিকিৎসা চর্চায় এমন বহু রোগী দেখা যায়, যাদের ইরেকশন হয়, কিন্তু তা যৌন মিলনের জন্য পর্যাপ্ত শক্ত হয় না অথবা মিলনের সময় সেই দৃঢ়তা ধরে রাখা যায় না। এই অবস্থাকে সাধারণভাবে Partial Erectile Dysfunction বা আংশিক ইরেকটাইল ডিসফাংশন বলা হয়।
অনেকেই এই সমস্যাকে গুরুত্ব দেন না। কেউ ভাবেন এটি সাময়িক ক্লান্তি, কেউ মনে করেন বয়সের কারণে এমন হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এটি শরীরের ভেতরে চলতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক বা মানসিক সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।
স্বাভাবিক ইরেকশনের জন্য স্নায়ু, রক্তনালী, হরমোন এবং মানসিক উদ্দীপনা সবকিছুর সমন্বিত কাজ প্রয়োজন। এই ব্যবস্থার যে কোনো অংশে সমস্যা দেখা দিলে ইরেকশনের গুণগত মান কমে যেতে পারে। ফলে ইরেকশন শুরু হলেও তা পর্যাপ্ত দৃঢ় হয় না অথবা দীর্ঘ সময় ধরে বজায় থাকে না।
Partial Erectile Dysfunction এর অন্যতম সাধারণ কারণ হলো রক্তনালীর সমস্যা। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি, ধূমপান এবং স্থূলতার কারণে রক্তনালীর কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে। যেহেতু লিঙ্গের রক্তনালীগুলো তুলনামূলকভাবে ছোট, তাই রক্তপ্রবাহের সমস্যা অনেক সময় প্রথমে যৌনক্ষমতার পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
এছাড়া টেস্টোস্টেরন হরমোনের ঘাটতি, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ, উদ্বেগ, ডিপ্রেশন, ঘুমের সমস্যা এবং কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও ইরেকশনের দৃঢ়তা কমিয়ে দিতে পারে। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে শারীরিক ও মানসিক উভয় কারণ একসঙ্গে কাজ করে।
Clinical দৃষ্টিকোণ থেকে Partial Erectile Dysfunction কে অবহেলা করা উচিত নয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক পুরুষের ক্ষেত্রে এটি ভবিষ্যতের Cardiovascular Disease এর একটি প্রাথমিক সতর্ক সংকেত হতে পারে। তাই শুধুমাত্র যৌন সমস্যা হিসেবে না দেখে, রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ।
যদি নিয়মিতভাবে ইরেকশন পর্যাপ্ত শক্ত না হয়, মিলনের সময় ইরেকশন হারিয়ে যায়, অথবা আগের তুলনায় স্পষ্ট পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সঠিক ইতিহাস গ্রহণ, শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা সমস্যার কারণ নির্ণয়ে সহায়ক হতে পারে।
যৌনস্বাস্থ্য পুরুষের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই আংশিক ইরেকটাইল ডিসফাংশনকে লজ্জার বিষয় হিসেবে না দেখে, শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসংকেত হিসেবে বিবেচনা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
ইরেকশন সংক্রান্ত যে কোনো পরিবর্তনকে অবহেলা করবেন না। অনেক সময় এটি শরীরের অন্য কোনো অন্তর্নিহিত সমস্যার প্রথম লক্ষণ হতে পারে।
✍️ Dr. Saurav Bhakat
📞 7001526010
11/06/2026
ECG-তে Sinus Tachycardia: সবসময় কি চিন্তার কারণ?
অনেক সময় ECG রিপোর্টে “Sinus Tachycardia” লেখা দেখে রোগী ও পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তবে Sinus Tachycardia নিজে কোনো রোগ নয়, বরং এটি একটি অবস্থা যেখানে হৃদস্পন্দনের হার (Heart Rate) স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়, সাধারণত প্রতি মিনিটে ১০০ বারের বেশি হয়। Sinus শব্দটি বোঝায় যে হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক পেসমেকার, অর্থাৎ SA Node থেকেই স্পন্দন শুরু হচ্ছে, তাই হৃদযন্ত্রের ছন্দ (Rhythm) স্বাভাবিক থাকে, শুধু গতি বেড়ে যায়। জ্বর, উদ্বেগ, মানসিক চাপ, অতিরিক্ত চাকফি সেবন, রক্তশূন্যতা (Anemia), Dehydration , থাইরয়েড হরমোন বৃদ্ধি, ফুসফুসের সংক্রমণ, heart failure কিংবা কিছু ওষুধের কারণেও Sinus Tachycardia দেখা যেতে পারে। অনেক সময় সিঁড়ি ভাঙা, দ্রুত হাঁটা বা ব্যায়ামের পরও এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবে হতে পারে। রোগীর বুক ধড়ফড় করা, শ্বাসকষ্ট, অস্থিরতা, মাথা ঘোরা বা দুর্বলতা অনুভূত হতে পারে, যদিও অনেক ক্ষেত্রে কোনো উপসর্গই থাকে না এবং রুটিন ECG-তে ধরা পড়ে। তাই ECG-তে Sinus Tachycardia পাওয়া মানেই হার্টের গুরুতর রোগ হয়েছে এমন নয়; বরং এর পেছনের কারণ খুঁজে বের করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী CBC, Thyroid Profile, Blood Sugar, Electrolytes, Echocardiography বা অন্যান্য পরীক্ষা করা হতে পারে। কারণভিত্তিক চিকিৎসা করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক হয়ে যায়। তাই রিপোর্ট দেখে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করিয়ে মূল কারণ নির্ণয় করুন।
✍️ Dr. Saurav Bhakat
Follow for more updates ❤️
10/06/2026
কয়েকদিন আগে আমি একটি কেস শেয়ার করেছিলাম। একজন ৪০-৪২ বছর বয়সী মহিলা, যিনি প্রায় এক বছর ধরে দুই পা ফোলা, হাঁটু ব্যথা, হাঁটু ফোলা এবং দুর্বলতার সমস্যায় ভুগছিলেন। দীর্ঘদিন চিকিৎসা চললেও তেমন উন্নতি হয়নি। হোম ভিজিটে গিয়ে যখন উনাকে দেখি, তখন রক্তচাপ ছিল ১৬০/১১০ mmHg। সেই সময় আমি লিখেছিলাম যে শুধুমাত্র পা ফোলা দেখে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না, এর পেছনে কিডনি, হৃদযন্ত্র, থাইরয়েড, অটোইমিউন রোগসহ একাধিক কারণ থাকতে পারে।
আজ সেই কেসটির follow up নিয়ে আলোচনা করব।
রোগীর সমস্ত রিপোর্ট হাতে এসেছে। এবং শেষ পর্যন্ত যে বিষয়টি ধরা পড়েছে, তা হলো Hypertension with Rheumatoid Arthritis।
অনেকেই রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসকে শুধুমাত্র বাতের ব্যথা বলে মনে করেন। কিন্তু বাস্তবে এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী অটোইমিউন রোগ, যেখানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলবশত নিজের জয়েন্টের বিরুদ্ধেই আক্রমণ শুরু করে। এর ফলে জয়েন্টে প্রদাহ হয়, ব্যথা হয়, ফোলাভাব হয় এবং চিকিৎসা না হলে ধীরে ধীরে জয়েন্টের স্থায়ী ক্ষতিও হতে পারে।
এই রোগীর ক্ষেত্রে এক বছর ধরে হাঁটু ফোলা, হাঁটু ব্যথা এবং দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা আসলে সেই প্রদাহজনিত রোগেরই বহিঃপ্রকাশ ছিল। অনেক সময় রোগীরা শুধুমাত্র ব্যথার চিকিৎসা করাতে থাকেন, কিন্তু ব্যথার কারণ খোঁজার সুযোগ হয় না। তখন আসল রোগটি বছরের পর বছর আড়ালে থেকে যায়।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস শুধু জয়েন্টের রোগ নয়। এটি পুরো শরীরকে প্রভাবিত করতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের কারণে ক্লান্তি, দুর্বলতা, রক্তাল্পতা, কর্মক্ষমতা হ্রাস, এমনকি হৃদরোগের ঝুঁকিও বেড়ে যেতে পারে। তাই এই রোগকে শুধুমাত্র বাতের ব্যথা হিসেবে দেখলে ভুল হবে।
এই কেসে আরেকটি শিক্ষণীয় দিক ছিল তথাকথিত ফুড অ্যালার্জি রিপোর্ট। রোগী জানিয়েছিলেন যে রিপোর্টে ডিম, চিংড়ি, পালং শাকসহ একাধিক খাবার বাদ দিতে বলা হয়েছিল। ফলে তিনি প্রায় শুধু ভাত আর সামান্য সবজি খেয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানে কোনো রিপোর্টকে রোগীর উপসর্গ ও ক্লিনিক্যাল অবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে বিচার করতে হয়। শুধুমাত্র রিপোর্ট দেখে বছরের পর বছর পুষ্টিকর খাবার বাদ দেওয়া অনেক সময় রোগীর ক্ষতিই করতে পারে।
এই কেসটি আবারও মনে করিয়ে দিল, চিকিৎসাবিজ্ঞানে উপসর্গের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো উপসর্গের কারণ খুঁজে বের করা।
এক বছর ধরে দুই পা ফোলা , হাঁটু ফোলা , দুর্বলতা , উচ্চ রক্তচাপ।
এসব আলাদা আলাদা সমস্যা নয়, অনেক সময় এগুলো একই রোগের বিভিন্ন সূত্র হতে পারে।
সঠিক সময়ে সঠিক প্রশ্ন করা এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করাই রোগ নির্ণয়ের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। আর সেই কারণেই প্রতিটি দীর্ঘস্থায়ী উপসর্গকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।
কারণ অনেক সময় একটি ফুলে যাওয়া পা ই আমাদেরকে একটি অটোইমিউন রোগের কাছে পৌঁছে দেয়।
✍️ Dr.Saurav Bhakat
📞 070015 26010
09/06/2026
যারা সুগার (ডায়াবেটিস) সংক্রান্ত সমস্যার জন্য আমাকে দেখিয়েছেন বা ভবিষ্যতে দেখাবেন, তাদের সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে প্রেসক্রিপশনের সঙ্গে দেওয়া Diabetes Diet Guideline বুকলেটটি অবশ্যই সংগ্রহ করে নেবেন।
এই ডায়েট গাইডলাইনটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হয় prescription এর সাথে এবং এর জন্য আলাদা করে কোনো অর্থ দিতে হয় না। প্রেসক্রিপশনের সঙ্গেই এটি আপনাদের দেওয়া হয়, যাতে দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে একটি সহজ ও প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়।
এই গাইডে আপনি জানতে পারবেন :
• কোন কোন খাবার খাওয়া যেতে পারে
• কোন খাবারগুলো সীমিত বা এড়িয়ে চলা উচিত
• দিনের বিভিন্ন সময়ে কী ধরনের খাবার নির্বাচন করা ভালো
• ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
মনে রাখবেন, শুধুমাত্র ওষুধ নয় সঠিক খাদ্যাভ্যাসও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই চেম্বার থেকে বের হওয়ার আগে আপনার Diet Guideline Booklet সংগ্রহ করতে ভুলবেন না।
Disclaimer:
এই নির্দেশিকাটি একটি সাধারণ শিক্ষামূলক খাদ্য পরামর্শ। এটি কোনো ব্যক্তিগত বা কাস্টমাইজড ডায়েট পরিকল্পনা নয়। রোগীর বয়স, ওজন, BMI, HbA1c, কিডনি ও লিভারের কার্যকারিতা, শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রা, গর্ভাবস্থা এবং অন্যান্য সহ-বিদ্যমান রোগ অনুযায়ী খাদ্য পরিকল্পনা পরিবর্তিত হতে পারে। ব্যক্তিগত খাদ্য পরিকল্পনার জন্য নিবন্ধিত ডায়েটিশিয়ান এবং চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা আবশ্যক।
অ্যাসপিরিন ও ক্লোপিডোগ্রেল শুধু ওষুধ নয়, অনেক রোগীর জন্য জীবনরক্ষাকারী সুরক্ষা।
কিন্তু ভুল ব্যবহার বা হঠাৎ বন্ধ করলেই বাড়তে পারে বড় বিপদ।
07/06/2026
গতকাল একজন মহিলাকে হোম ভিজিটে দেখতে গিয়েছিলাম। বয়স আনুমানিক ৪০ থেকে ৪২ বছর। উনার প্রধান অভিযোগ ছিল গত এক বছর ধরে দুই পা ফুলে রয়েছে। শুধু পা ফোলাই নয়, তার সঙ্গে হাঁটুতে ব্যথা, হাঁটু ফোলা, দুর্বলতা এবং দৈনন্দিন কাজকর্মে অসুবিধা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এতদিন ধরে বিভিন্ন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা চললেও সমস্যার তেমন কোনো উন্নতি হয়নি।
রোগীকে যখন পরীক্ষা করলাম, তখন একটি বিষয় আমাকে বিশেষভাবে ভাবিয়ে তুলল। রক্তচাপ ছিল প্রায় ১৬০/১১০ mmHg। এই ধরনের উচ্চ রক্তচাপকে কখনোই সাধারণ বিষয় হিসেবে নেওয়া উচিত নয়। কারণ এক বছর ধরে পা ফোলা এবং তার সঙ্গে এত বেশি রক্তচাপ থাকলে শুধুমাত্র হাঁটুর সমস্যা বা বাতের ব্যথা ভেবে বসে থাকাটা বড় ভুল হতে পারে।
এখন প্রশ্ন হলো, দুই পা কেন ফুলছে?
অনেকেই ভাবেন পা ফুললেই শরীরে জল জমেছে। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে।
প্রথমেই মাথায় আসে কিডনির সমস্যা। কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে অতিরিক্ত জল ও লবণ জমতে শুরু করে। প্রস্রাবে প্রোটিন বেরিয়ে যেতে পারে, রক্তে অ্যালবুমিন কমে যেতে পারে এবং ধীরে ধীরে দুই পা ফুলতে পারে।
দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো হৃদযন্ত্রের সমস্যা। হার্ট যদি যথেষ্ট কার্যকরভাবে রক্ত পাম্প করতে না পারে, তাহলে শরীরের নিচের অংশে তরল জমে পা ফুলতে শুরু করে। দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ হার্টকে দুর্বল করে দিতে পারে।
তৃতীয় কারণ হতে পারে লিভারের রোগ। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের লিভার ডিজিজে শরীরের প্রোটিন কমে যায় এবং পা ও পেটে জল জমতে পারে।
চতুর্থ গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো হাইপোথাইরয়েডিজম। থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতিতে শরীরে ফোলাভাব, দুর্বলতা, ওজন বৃদ্ধি, অবসাদ এবং জয়েন্টের ব্যথা দেখা দিতে পারে।
আরেকটি সম্ভাবনা হলো রিউমাটোলজিক বা অটোইমিউন রোগ। যেমন Rheumatoid Arthritis বা অন্য কোনো কানেক্টিভ টিস্যু ডিজিজ, যেখানে হাঁটু ফোলা, ব্যথা এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রদাহ দেখা যায়।
অনেক সময় দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে কাজ করা, শিরার ভালভের সমস্যা বা chronic venous insufficiency এর কারণেও দুই পা ফুলতে পারে। তবে এক বছরের ইতিহাস, হাঁটু ফোলা এবং ১৬০/১১০ রক্তচাপের সঙ্গে এই কারণ একা সবকিছু ব্যাখ্যা করে না।
সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হলো, যদি এই অবস্থাকে আরও কয়েক মাস বা বছর অবহেলা করা হতো, তাহলে কিডনি বিকল হওয়া, cardiovascular জটিলতা, স্ট্রোক, হার্ট ফেইলিউর, চোখের রেটিনার ক্ষতি কিংবা স্থায়ী জয়েন্ট ড্যামেজের মতো গুরুতর সমস্যা তৈরি হতে পারত।
এই ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দেয়, দীর্ঘদিনের পা ফোলাকে কখনোই শুধুমাত্র বাতের ব্যথা বা সাধারণ দুর্বলতা বলে উড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়। অনেক সময় শরীরের ভেতরে চলতে থাকা বড় কোনো রোগের প্রথম সংকেত হতে পারে এই দুই পা ফোলা। একজন চিকিৎসকের কাজ শুধু উপসর্গ দেখা নয়, উপসর্গের আড়ালে লুকিয়ে থাকা রোগটিকে খুঁজে বের করা।
✍️ DrSaurav Bhakat
📞 070015 26010
06/06/2026
🌿 আপনার শহরের স্বাস্থ্য সচেতনতা কমিউনিটিতে যোগ দিন! 🌿
আমাদের সঙ্গে যুক্ত আছেন বিভিন্ন শহর ও এলাকার অসংখ্য মানুষ, যারা নিয়মিত স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্য, পরামর্শ ও সচেতনতামূলক কনটেন্ট অনুসরণ করেন। আপনাদের সুবিধার জন্য আমরা শহরভিত্তিক WhatsApp Health Community Group তৈরি করেছি।
এই গ্রুপগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো আপনাদের কাছে নির্ভরযোগ্য শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সচেতনতা, তথ্য এবং প্রয়োজনীয় আপডেট আরও দ্রুত পৌঁছে দেওয়া।
👨⚕️ গ্রুপ অ্যাডমিন:
DrSaurav Bhakat
এবং
🧠 Psychologist Rachayita - Empowering Mental Health
Consultant Psychologist
📞 070015 26010 ( WhatsApp)
আমরা দুজনই নিয়মিতভাবে স্বাস্থ্য সচেতনতা, প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা, মানসিক সুস্থতা, জীবনযাত্রার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য শেয়ার করবো।
📌 আপনি যদি যোগ দিতে চান:
কমেন্ট বা WhatsApp-এ আপনার শহরের নাম লিখে জানান। আপনার এলাকার গ্রুপের Invite Link আপনাকে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
🤝 যারা ইতিমধ্যে আমাদের কাছে চিকিৎসা নিয়েছেন, বর্তমানে ফলো-আপে আছেন, অথবা ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের কথা ভাবছেন—সকলকেই এই কমিউনিটিতে স্বাগত।
একসাথে গড়ে তুলি একটি সচেতন, সুস্থ ও মানসিকভাবে শক্তিশালী সমাজ।
💙 আপনার শহরের নাম লিখুন এবং আজই যুক্ত হয়ে যান!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Durgapur
713205
