lalu vuluu
life is good
:ব্রেকিং নিউজ:
হুগলি জেলার ISF অবজারভার TMC তে
যোগদান করতে চলেছে।
বি:দ্র:- 2016 থেকে আব্বাস সিদ্দিকীর ঘনিষ্ঠ।
19/03/2026
🔥ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (ISF) বারবার বলেছে—“আমরা ক্ষমতা দখল করতে আসিনি, সমাজ পরিবর্তন করতে এসেছি।” কিন্তু বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে আজ সেই কথার সঙ্গে দলের কাজের মিল কোথায়?
দেগঙ্গা ও ক্যানিং পূর্ব—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্রে যে নামগুলি সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উঠে আসছে, তা ISF-এর আদর্শ ও সংগ্রামের ইতিহাসকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছে। দেগঙ্গায় তৃণমূল কংগ্রেসের দাপুটে নেতা, জেলা পরিষদ সদস্য মিন্টু সাহাজীর নাম এবং ক্যানিং পূর্বে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আরাবুল ইসলাম-এর নাম সামনে আসা—এ কি সেই “সমাজ বদলের রাজনীতি”?
যে দল নিজের কর্মীদের রক্ত, অত্যাচার, লড়াইয়ের ওপর দাঁড়িয়ে বড় হয়েছে, সেই দলই আজ এমন নেতাদের প্রার্থী করতে চাইছে, যাদের বিরুদ্ধে অতীতে সংঘর্ষ, দমন-পীড়নের অভিযোগ রয়েছে। তাহলে প্রশ্ন ওঠে—এটা কি আদর্শের পরাজয় নয়? নাকি ক্ষমতার রাজনীতির কাছে নীতির আত্মসমর্পণ?
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—
কেন দেগঙ্গায় দলের কার্যকারী সভাপতি শামসুর মল্লিক-কে প্রার্থী করা হলো না?
যিনি দীর্ঘদিন ধরে সংগঠন গড়েছেন, মাটির মানুষের পাশে থেকেছেন—তার কি কোনও মূল্য নেই?
আবার ক্যানিং পূর্বে—
যেখানে একসময় তৃণমূলের দাপটের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন সাহাবুদ্দিন সিরাজী, সওকতের চোখে চোখ রেখে সংগ্রাম করেছেন—সেই সাহাবুদ্দিন সিরাজী আজ প্রার্থী নন কেন?
তাহলে কি লড়াই করা নেতাদের কোনও দাম নেই, আর হঠাৎ দলবদল করা নেতারাই এখন যোগ্য?
ISF-এর সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের মনে আজ তীব্র ক্ষোভ—
তাদের ত্যাগ, তাদের রক্ত, তাদের লড়াই—সব কি তাহলে শুধু ব্যবহার করার জন্য ছিল?
এই সিদ্ধান্ত যদি সত্যি হয়, তাহলে এটা শুধু প্রার্থী নির্বাচন নয়—এটা একটা বার্তা।
এটা বলছে, “সংগ্রাম নয়, প্রভাবশালী নামই আসল।”
ISF যদি সত্যিই সমাজ পরিবর্তনের রাজনীতি করতে চায়, তাহলে তাকে আগে নিজের ভেতরের এই দ্বিচারিতা বন্ধ করতে হবে। নইলে মানুষ প্রশ্ন করবেই—
“এটা কি নতুন রাজনীতি, নাকি পুরনো রাজনীতিরই নতুন মুখোশ?”
✍ #আমারবাংলা
#আমারবাংলা ゚viralfbreelsfypシ゚viral
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Kolkata
