Herbal Care JB
হারবাল কেয়ার বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা পরিচালিত প্রাকৃতিক চিকিৎসা কেন্দ্র।
হরিতকী একটি ভেষজ উদ্ভিদ। ভারতবর্ষে বিভিন্ন স্থানে এটি পাওয়া যায়। আমাদের দেশে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন এলাকার বনাঞ্চলে এ গাছ বেশি পাওয়া যায়। এর ফুল ফোটে ডালের শেষ প্রান্তে। রং হালকা হলুদাভ সাদা। ফল লম্বাটে, মোচাকৃতি ও লম্বায় প্রায় দেড় ইঞ্চি। কাচা ফল সবুজ, পরিপক্ব ফল হালকা হলুদ। শুকালে কালচে খয়েরি রং হয়। ফলের ত্বক ভীষণ শক্ত। ফলের বাইরের আবরণ কুঁচকানো। পাতা লম্বা-চ্যাপ্টা, কিনার চোখা, লম্বায় পাঁচ-ছয় ইঞ্চি। ফলের ভেতর একটিমাত্র ভীষণ শক্ত বীজ থাকে। হরিতকী স্বাদে খুব তিতা। এ গাছের ফল বীজ ও পাতা সবই মানুষের উপকারে আসে। হরিতকী ফল বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় এবং রন্ধনশিল্পে বহুল ব্যবহৃত ভেষজ ফল।
জনশ্রুতি রয়েছে, প্রতি সকালে এককাপ পরিমাণ হরিতকী ভেজানো পানি ব্যবহার করলে রোগ থেকে দূরে থাকা যায়। আমলকী ও বহেড়ার সঙ্গে হরিতকী ভেজানো পানি শত রোগের আশ্চর্য মহৌষধ। পাইলস, হাঁপানি, চর্ম রোগ, ক্ষত রোগ, কনজাংটিভাইটিস রোগে হরিতকী ব্যবহূত হয় বিশেষভাবে পরিশোধনের মাধ্যমে। এটি ট্যানিন, অ্যামাইনো এসিড, ফ্রুকটোজ, সাকসিনিক এসিড এবং বিটা সাইটোস্টেরল সমৃদ্ধ। বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসজনিত রোগের ক্ষেত্রে হরিতকী বিশেষ উপকারী।
এবার জেনে নিন প্রতিদিন হরিতকী খেলে আরও যেসব ক্ষেত্রে উপকার পাওয়া যায়—
১. হরিতকী চূর্ণ ঘিয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে পিত্তশূল দূর হয়।
২. হরিতকী ভেজানো পানি রক্তচাপ এবং অন্ত্রের খিঁচুনি হ্রাস করে। হৃদপিন্ড ও অন্ত্রের অনিয়ম দূর করে।
৩. এটি রেচক, কষাকারক, পিচ্ছিলকারক, পরজীবীনাশক, পরিবর্তনসাধক, অন্ত্রের খিঁচুনি রোধক এবং স্নায়বিক শক্তিবর্ধক। যে কারণে এটি নতুন ও পুরাতন কোষ্ঠকাঠিন্য, স্নায়বিক দুর্বলতা, অবসাদ এবং অধিক ওজনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
৪. হরিতকীর গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে।
৫. যারা চুলকানির (অ্যালার্জি) সমস্যায় কষ্ট পাচ্ছেন, তারা প্রতিদিন হরিতকী ফুটিয়ে সেই পানি খেলে আরাম পাবেন।
৬. হরিতকীতে অ্যানথ্রাইকুইনোন থাকার কারণে রেচক বৈশিষ্ট্যসমৃদ্ধ এবং এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
৭. হরিতকী গুঁড়া নারিকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে আঙ্গুলের ডগায় নিয়ে চুলের গোড়ায় ম্যাসেজ করলে চুল ভালো থাকে।
৮. গলাব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরিতকী পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে গার্গল করলে ব্যথা কমে।
৯. দাঁতে ব্যথা হলে হরিতকী গুঁড়া লাগালে ব্যথা দূর হয়।
১০. রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সামান্য বিট লবণ, ২ গ্রাম লবঙ্গ বা দারুচিনির সঙ্গে হরিতকীর গুঁড়া মিশিয়ে খেলে পেট পরিষ্কার হয়।
Herbal Care JB পরিবারের সবাইকে পবিত্র জুম্মা মোবারক এর শুভেচ্ছা!
01/05/2024
মে দিবসে সবচেয়ে যে বিষয়টি আলোচনার সামনে চলে আসে তা হলো শ্রমঘণ্টা, শ্রমিকের অধিকারের মধ্যে কর্মপরিবেশ ও ন্যায্য মজুরি ইত্যাদি। শ্রমগ্রহীতার কাঁধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো- শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি দেওয়া। রাসূল (সা.) বলেছেন, 'তোমরা শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করো তার ঘাম শুকানোর আগেই' (বায়হাকি, মিশকাত)। যারা শ্রমিকের মজুরি আদায়ে টালবাহানা করে তাদের সাবধান করে বলেছেন, 'সামর্থ্যবান পাওনা পরিশোধে গড়িমসি করা জুলুম বা অবিচার' (বুখারি)।
আজ বিশ্ব শ্রমিক দিবস! সবাইকে বিশ্ব শ্রমিক দিবসের শুভেচ্ছা!
Herbal Care JB
শুভ সকাল!
জুম্মা মোবারক
ওষুধ ছাড়াই গ্যাস্ট্রিক দূর হবে যে ৫ খাবার খেলে
হজমের সমস্যার সঙ্গী হয়ে আসে গ্যাস্ট্রিক। খাবারের বিষয়ে আমরা তো বরাবরই অসতর্ক। আবার চারপাশে এমন সব লোভনীয় খাবার থাকে যে, চাইলেও নিজেকে সংযত রাখা যায় না। ফলস্বরূপ গ্যাস্ট্রিক হয় সঙ্গী। শীতের দিনে ভাজাভুজি খাবার একটু বেশিই খাওয়া হয়। আর এর ফলও মেলে হাতেনাতে। তখন গ্যাস্ট্রিক তাড়াতে সাহায্য নিতে হয় ওষুধের।
গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে সমস্যা কমলেও এটি দীর্ঘদিন ধরে খেতে থাকলে একটা সময় শরীরে নানা বিরূপ প্রতিক্রিয়া শুরু হতে পারে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় ওষুধ না খেয়ে গ্যাস্ট্রিক দূর করতে পারলে। সেজন্য প্রথমত আপনার লাইফস্টাইলে পরিবর্তন আনতে হবে। এরপর খেতে হবে এমন কিছু খাবার, যেগুলো গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সারিয়ে তুলতে কাজ করবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন খাবারগুলো নিয়মিত খেলে ওষুধ ছাড়াই গ্যাস্ট্রিক দূর করা যাবে-
জিরা
আমাদের প্রায় সবার রান্নাঘরেই জিরা নামক মসলাটি পাওয়া যাবে। এটি অনেক ধরনের রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয়। জিরা কিন্তু গ্যাস্ট্রিক সারাতেও দারুণ কার্যকরী। এটি হজম রসকে উদ্দীপিত করে। এর ফলে বদহজম ও অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। মসলাদার বা মুখরোচক খাবারের সঙ্গে অনেককেই জিরাপানি খেতে দেখবেন।
তুলসিপাতা
পেটের যেকোনো সমস্যা দূর করতে তুলসিপাতার ব্যবহার বেশ পুরোনো। এই পাতার নির্যাস গ্যাস্ট্রাইটিসে আক্রান্ত ইঁদুরের গ্যাস্ট্রিক মিউকোসার প্রদাহ কমানোর ক্ষেত্রে কার্যকরী বলে গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। আপনি যদি নিয়মিত তুলসি পাতা খান তবে ওষুধ ছাড়াই দূর হবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।
মৌরি
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে আরেকটি কার্যকরী খাবার হলো মৌরি। এটি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতেও কাজ করে। মৌরি আমাদের পাকস্থলী এবং অন্ত্রের পেশীগুলোতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর ফলে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের কারণে সৃষ্ট গ্যাস ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
ক্যামোমিল টি
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার জন্য আরেকটি সহজ ও কার্যকরী খাবার হলো ক্যামোমিল টি। এই ভেষজ চা নিয়মিত খেলে ওষুধ ছাড়াই দূর হবে গ্যাস্ট্রিক। ক্যামোমিল টি গ্যাস্ট্রিকের কারণে সৃষ্ট প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি মুক্তি দেয় আলসার থেকেও। প্রতিদিন এক কাপ ক্যামোমিল টি পান করলে আপনার হজম ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করবে।
পুদিনা
পেট ফাঁপার সমস্যা থাকলে নিয়মিত পুদিনাপাতা খাবেন। এই ভেষজ আপনার পেটে গ্যাস জমতে দেয় না। পেপারমিন্ট অয়েলে থাকে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল যৌগ, যা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনাকে সাহায্য করবে।
আগামী শনিবার সকাল ৯ টা হতে সন্ধা ৭ টা পর্যন্ত জহুরবারু লারকিন রোগি দেখবেন ডা. মনিরুজ্জামান স্যার!
সিরিয়াল নিতে বা বিস্তারিত জানতে কল করুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে!
+60142575002
16/04/2024
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
No. 6/1 Jalan Dataran Larkin 2, Taman Dataran Larkin
Johor Bahru
80350
